‹ ভেলানগর গ্রামের ইতিহাস অংশ ১০৩ / ১১৫
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম প্রাইভেটভেলানগর গ্রামের জনাব মুসলেহ-উদ-দীন আহমেদ, ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকার গুলশানে নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়-এর
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেনপ্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম সি.এস.পি. ছিলেনআইয়ূবপুর গ্রামের জনাব মোঃ আজিজুল হক, ১৯৬২ সালের সি.এস.পি.উনি সচিব হয়ে অবসর গ্রহণ করেন
উনার জন্ম-১৯৩৫ খ্রিষ্টাব্দে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় সি.এস.পি.ফরদাবাদ গ্রামের জনাব সৈয়দ আহমদ, ১৯৬৩ সালে সি.এস.পি. ছিলেনউনি মন্ত্রী পরিষদ সচিব থেকে অবসর গ্রহণ
ছিলেনকরেনউনার জন্ম-১৯৩৭ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে একজনও সচিবনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে জনাব মনজুরে মাওলার অবসরের পর ৩০-০৬-২০০৭ তারিখ পর্যন্ত সচিব
পদে নেইপদে বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে একজনও ছিল না
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমমানিকপুর গ্রামের জনাব মোঃ আবদুল আউয়াল, পি.এস.সি. (অব.)উনি ১৯৪৯ সালের সি.এস.এস. প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায়
সি.এস.এস. থেকে পি.এস.সি.উত্তীর্ণ হয়ে পাকিস্তান পুলিশ সার্ভিেস যোগদান করেন ও ডি.আই.জি., বি.আর.টি.সি'র চেয়ারম্যান এবং পাবলিক সার্ভিস
হয়েছিলেনকমিশনের সদস্য ছিলেনউনার জন্ম-১৯২০ সালে, মৃত্যু-০৭-০৮-১৯৮৫ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেবাড়াইল(বাহেরচর) গ্রামের মেজর (অব.) এম.এ. খালেক, পি.এস.সি.উনি সেনাবাহিনী থেকে ১৯৭৪ খ্রিষ্টাব্দে অবসর গ্রহণ করে,
(বাংলাদেশ আমলে) প্রথম পুলিশ১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিেস যোগদান করে অতিরিক্ত মহা পুলিশ পরিদর্শক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন এবং অবঃ গ্রহণ
বিভাগে সর্বোচ্চ কর্মকর্তা ছিলেনকরে-তিনি ১ অক্টোবর, ২০০১ খ্রিষ্টাব্দে (বি-বাড়িয়া-৬ আসনে) বাঞ্ছারামপুর থানার সংসদ-সদস্য নির্বািচত হয়েছেনউনার জন্ম-১৯৪০
সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমহায়দরনগর গ্রামের মোহাম্মদ হোসেন, ১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দে ই.পি.সি.এস. হয়েছিলেনতিনি মহা-পরিচালক(বি.আই.এম.) থেকে
ই.পি.সি.এস. ছিলেনঅবসর গ্রহণ করেনজন্ম-১৯৩১ সালে, মৃত্যু-১৯৯৪ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয়খাল্লা গ্রামের মফিজ-উদ-দীন শিকদার, ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দের ই.পি.সি.এস. হয়েছিলেনউনি অতিরিক্ত সচিব হিসেবে অবসর গ্রহণ
ই.পি.সি.এস. ছিলেনকরেনউনার জন্ম-১৯৩৬ সালে, মৃত্যু-২৯-০৫-২০০১ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম দু'জনদশদনা গ্রামের মোঃ সিরাজুল ইসলাম (সিরাজ ভাই), যুগ্ম-সচিব পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেনউনার জন্ম-১৯৪৩ সালে
১৯৭৩ সালে বি.সি.এস. মৌখিক পরীক্ষায়জনাব সিরাজ ভাই ১৯৭৩ সালের বি.সি.এস. পরীক্ষায় ৪২০ জনের মধ্যে ১০ম স্থান অধিকার করেন এবং খাল্লা গ্রামের মোঃ
উত্তীর্ণ হয়েছিলেনআমিরুল করিম (মাওলা), যুগ্ম-সচিবের পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম কোনদরিয়াদৌলত গ্রামের মোঃ শফিকুল ইসলাম (মোমেন) ও তাঁরই ছোট ভাই মোঃ মাহমুদুল করিম (মজনু)তাঁরা উভয়েই
গ্রামের ২(দুই) ভাই ১৯৮১ সালে বি.সি.এস.যুগ্ম-সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন২৭-১১-২০০৫ তারিখ মোঃ শফিকুল ইসলাম (মোমেন), অতিরিক্তি সচিব হিসেবে
পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়পদোন্নতি লাভ করেনউনার জন্ম-১৯৪৯ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে একমাত্র সচিবদরিয়াদৌলত গ্রামের জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম (মোমেন), অতিরিক্ত সচিব-এর পদ থেকে ১৮-০৯-২০০৭ তারিখ সচিব পদে
উন্নতি লাভ করেন এবং ১৫-০২-২০০৮ সাল থেকে এল.পি.আর.-এ যান
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে (১৬-০২-২০০৮ তারিখেরদরিয়াদৌলত গ্রামের জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম (মোমেন), ১৫-০২-২০০৮ তারিখ থেকে এল.পি.আর.-এ চলে
পর) একজনও সচিব পদে বহাল নেইগেছেন এবং ১৫-০২-২০০৯ তারিখ থেকে তাঁর অবসর সময়
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম কোন গ্রামেরদরিয়াদৌলত গ্রামের মরহুম মৌলভী গোলাম মোস্তফা খন্দকার-এর মেয়ে মিসেস ছামেনা বেগম, যুগ্ম-সচিব
মহিলা ১৯৮৩ খ্রিষ্টাব্দে বি.সি.এস. পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়(পর্যটন করপোের্রশন)
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম ভাষা বিশেষজ্ঞভেলানগর গ্রামের দক্ষিণপাড়ার অধীবাসী অধ্যাপক ও ভাষা বিশেষজ্ঞ মুহি-উদ-দীন আহমদউনার জন্ম-১৯২০ সালে,
হিসেবে পরিচিতি লাভ করেমৃত্যু-১৩-১২-১৯৯৬ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম অর্থনীতিবিদভেলানগর গ্রামের উত্তরপাড়ার অধীবাসী বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক আবদুল আজীজ খানউনার জন্ম-১৯২০,
হিসেবে পরিচিতি লাভ করেমৃত্যু-১৭-০৭-১৯৮৩ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম স্কুলবাখরনগর গ্রামের জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক কাজী আম্বর আলী, বি.এ., বি.এল., বি.টি. আলীগরতিনি শিক্ষকতার
শিক্ষক হিসেবে জাতীয় পুরস্কার পানজন্য পূর্ব-পকিস্তানের শ্রেষ্ঠ শিক্ষকের জাতীয় পুরস্কার পান ও ২১ মরনোত্তর পদকও লাভ করেনউনার জন্ম-১৯০৩ সালে,
আজিমপুরে মৃত্যু-১২-১২-১৯৯৪ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম কলেজউলুকান্দি গ্রামের অধীবাসী অধ্যাপক নোমান, এম. এ. (ইংরেজী), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়শিক্ষাবিদ নোমানকে ১৯৭০
শিক্ষক হিসেবে জাতীয় পুরস্কার পানখ্রিষ্টাব্দে পাকিস্তান সরকার শ্রেষ্ঠ ইংরেজী শিক্ষক হিসেবে খেতাব প্রদান করেন এবং তিনি ১৯৯৪ সালে জাতীয় ২১ পদকও লাভ
করেনউনার জন্ম-১৯২৫ সালে, মৃত্যু-০৩-০৯-১৯৯৬ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়েরমরিচাকান্দি গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ মিজানুর রহমান-নবীনগর উচ্চ বিদ্যালয় হতে ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে
অধীনে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ৭ম স্থান অধিকারম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ৭ম স্থান অধিকার করেনউনার জন্ম-১৮৯৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর,
মৃত্যু-১৫-০৮-১৯৮১ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়েরকৃঞ্চনগর গ্রামের অধিবাসী ডা. মোঃ ইয়াকুব আলী ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দে উজানচর কে. এন. উচ্চ বিদ্যালয় হতে
অধীনে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ১৩তম স্থান অধিকারম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ১৩তম স্থান অধিকার করেনউনার জন্ম-১৯০৩ সালে, মৃত্যু-০৩-০২-২০০০ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে ১০ম স্থান (ঢাকা বোর্ডে)দরিকান্দি গ্রামের জনাব আ.কা.মো. যাকারিয়া-১৯৪১ সালে ঢাকা কলেজ হতে আই.এ. পরীক্ষায় ১০ম স্থান
অধিকার করেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে কলকাতাভেলানগর গ্রামের অধীবাসী অধ্যাপক ডক্টর মোয়াজ্জেম-উল-হক (মামুন), ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ হতে আই.
বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ১ম স্থান অধিকারএ. পরীক্ষায় ১ম স্থান অধিকার করেন এবং একই ব্যক্তি ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ১৯৪৩ খ্রিষ্টাব্দে ৪র্থ স্থান অধিকার করেনউনার
জন্ম-১৯২৫ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম হার্ভার্ডভেলানগর গ্রামের অধীবাসী অধ্যাপক ডক্টর মোয়াজ্জেম-উল-হক (মামুন)মামুনের পরিচয় হলো বাঞ্ছারামপুর থানার প্রথম
বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপকপ্রফেসর মোহাম্মদ সানাউল্লাহর ছেলে
ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে পূর্ব-বাংলাবাহেরচর গ্রামের অধিবাসী অধ্যাপক ড. মোঃ তাহেরুল ইসলাম, ১৯৫০ সালে উজানচর কে.এন. উচ্চ বিদ্যালয় হতে
বোর্ডে ১৬তম স্থান অধিকার করেনম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ১৬তম স্থান অধিকার করেনউনার জন্ম-১৯৩১ সালে, মৃত্যু-০২-০৭-১৯৯৩ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেরূপসদী-খানেপাড়ার অধিবাসী অধ্যাপক শ্রী অমরেশ চন্দ্র দাস, ১৯৫৭ সালে রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয় হতে
পূর্ব-পাকিস্তান বোর্ডে ৮ম স্থান অধিকারম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ৮ম স্থান অধিকার করেনতিনি হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ছিলেনউনার
করেনজন্ম-১৯৩৯ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে কুমিল্লাদরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী প্রকৌশলী মোঃ মমিনুল হক (খোকন), ১৯৬৩ সালে সিলেট সরকারী স্কুল হতে এস.এস.সি.
বোর্ডে ৩য় স্থান অধিকার করেনপরীক্ষায় ৩য় স্থান অধিকার করেনউনার জন্ম-১৯৪৫ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে কুমিল্লারূপসদী গ্রামের উত্তরপাড়ার মোঃ ফরিদউদ্দিন আহমেদ, ১৯৭৩ সালে রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয় হতে এস.এস.সি. পরীক্ষায়
বোর্ডে ১৮তম স্থান অধিকার করেনমেধা তালিকায় ১৮তম স্থান অধিকার করেতাঁর জন্ম-১৯৫৫ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে কুমিল্লাদশদনা গ্রামের শাফিউন নাহিন শিমুল, ১৯৯৬ সালে বাঞ্ছারামপুর এস.এম. পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় হতে এস.এস.সি. পরীক্ষায়
বোর্ডে ১ম স্থান অধিকার করেন (সমাজবিজ্ঞানমেধা তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করেতার জন্ম-১৯৭৮ সালে
বিভাগে)
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে টেক্সটাইলবাখরনগর গ্রামের অধিবাসী জনাব আবু সাঈদ মুহাম্মদ শহীদতিনি ১৯৬০ সালে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেন১৯৬৬
ইঞ্জিনিয়ার ছিলেনসালে এম.এস. করেন এবং আমেরিকা ম্যানচেষ্টার থেকে ডাবল ফেলোশীপ লাভ করেনউনার জন্ম-১৯৩৭ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্ব প্রথমভেলানগর গ্রামের অধিবাসী জনাব খোশাল দিওয়ানউনি বলদাখাল বা বরদাখাতের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ছিলেনউনার
সরকারী কর্মকর্তাজন্ম-১৭৬০ সালে, মৃত্যু-০৫-০১-১৮৪৪ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্ব প্রথমভেলানগর গ্রামের অধিবাসী জনাব খোশাল দিওয়ানের ছোট ভাই মুন্সেফ হোসাইন-উদ-দীন মুনশিউনার জন্ম-১৭৮০
বিচার বিভাগে ছিলেনসালে,মৃত্যু-১৮৫৭ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্ব প্রথমভেলানগর গ্রামের দিওয়ান বাড়িতেখোশাল দিওয়ান স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেন
কোন গ্রামে পারিবারিক স্কুল প্রতিষ্ঠিত
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্ব প্রথমরূপসদী গ্রামের অধিবাসী দারোগা আমির-উদ-দীনঢাকার বাদামতলিতে তাঁর নির্মিত পাঁকা মসজিদ ও মাদ্রাসা আছে
পুলিশ বিভাগে ছিলেনএবং তিনি প্রচুর অর্থের মালিক ছিলেনউনার জন্ম-১৭৮৯ সালে, মৃত্যু-১৮৬২ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথম পাঁকারূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীনের বাড়ির মসজিদটিবর্তমানে খান সাহেব মৌঃ তুজাম্মেল আলী ওরফে মোঘল
মসজিদ কোনটিমিঞা (সাব-বাড়ি) হিসেবে পরিচিতি লাভ করে
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথমরূপসদী গ্রামের দারোগা আমির-উদ-দীনের বাড়িটিকে সাব-বাড়ি বলা হয়
সাব-বাড়ী কোনটি
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথম দারোগাখাল্লা গ্রামের দারোগা নযম-উদ-দীন সাহেবের নামানুসারেই (খাল্লা দারোগা বাড়ির) নামকরণ করা হয়
বাড়ী কোনটি
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথম শিক্ষাভেলানগর গ্রামের দিওয়ানবাড়ির আবদুল্লাহ ডিপুটির বড় ছেলে ড. মাহমুদউনি ডি.পি.আই. হয়েছিলেন (পশ্চিমবাংলা,
বিভাগে সর্বোচ্চ পদে ছিলেনভারত)১৯৪৭ সালে দেশ-বিভাগের পর ভারতেই থেকে যানউনার জন্ম-১৯১৩ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথম পুলিশভেলানগর গ্রামের দিওয়ানবাড়ির আবদুল্লাহ ডিপুটির দ্বিতীয় ছেলে মোহাম্মদ মাসুদ (গেদু মিঞা)উনি আই.জি.পি.
বিভাগে সর্বোচ্চ পদে ছিলেনহয়েছিলেন (পশ্চিমবাংলা, ভারত) এবং ১৯৪৭ সালে দেশ-বিভাগের পর ভারতেই থেকে যানউনার জন্ম-১৯১৫ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথম স্থানীয়রূপসদী গ্রামের অধিবাসী ও ঢাকা শহরের বাদামতলিতে বসবাসকারী দারোগা আমির-উদ-দীনউনার জন্ম-১৭৮৯ সালে, মারা
জমিদার ছিলেনগেছেন-১৮৬২ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে সর্ব প্রথম নায়েবভেলানগর বড়বাড়ির মুনশি মুহাম্মদ হায়দর আলীউনার জন্ম-১৮৫৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর, মৃত্যু-৩০-০৬-১৯২৫ তারিখ
ছিলেনহায়দর আলী হলো নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর দাদা
বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যেনিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর), ভেলানগর বড়বাড়ির বংশ পরিচিতি ও দেশ-বিদেশের তথ্য-বইয়ের জন্য নয়১৭৮০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ২০০২
প্রথম ব্যক্তি ভেলানগরখ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত ভেলানগর বড়বাড়ির বংশ পরিচিতি (১০ম পুরুষের বাস ভেলানগর গ্রামে) এ ধরণের কাজ বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে আর কে
বড়বাড়ির বংশ পরিচিতি ওকরেছেন আমার জানা নেই২০১৬ খ্রিষ্টাব্দের ২৯ ডিসেম্বর মাসের তথ্য অনুসারে, এ পর্যন্ত ভেলানগর বড়বাড়ির বংশে জন্ম হয়েছে-২,১০৭ জন,
দেশ-বিদেশের তথ্যের লেখকমৃত্যুবরণ করেছে-৬৭৯ জন এবং জীবিত আছে-১,৪২৮ জনস্ত্রী ৫৪৭ জনের মধ্যে তালাক ও চলে গেছেন-৮০ জন স্ত্রী=৪৬৭ জনের মধ্যে মারা
(১৭৮০ থেকে ২০০২ খ্রিষ্টাব্দগেছে-১৬০=৩০৭ জন স্ত্রীবিদেশ, ঢাকা এবং দেশের অন্যান্য শহরসহ ভেলানগর বড়বাড়ির লোক বাস করে-৫১৫ জনের মধ্যে একমাত্র বিদেশে চাকুরী
পর্যন্ত)ও বসবাস করে ১৬৮ জন৪৭৭ জন মেয়ে বিয়ে হয়েছে এবং ৪০৪তম পুরুষ বিয়ে করেছে ভেলানগর বড়বাড়িরজীবিত বিবাহিত মেয়েরা
স্বামীরবাড়িতে বাস করে-৩১৮ জন, বিবাহিত ১৩ জন মেয়ে স্বামীর বাড়ির পরিবর্তে বাবার বাড়িতে বাস করে এবং গ্রামে বাস করে-৫১৫ জন
ভেলানগর বড়বাড়ির প্রকৃত লোকসংখ্যা হলো-১,০৩০ জনআমাদের পূর্ব-পুরুষরা আসছে নবীনগর উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রাম হতে ভেলানগর
গ্রামে এসে বসতি স্থাপন করে-১৭৮০ খ্রিষ্টাব্দেনবীনগর থানার ইব্রাহিমপুর গ্রামে আসে আমাদের পূর্ব-পুরুষরা কিশোরগঞ্জ জেলার জঙ্গলবাড়ি
হতেকিশোরগঞ্জ জেলার জঙ্গলবাড়িতে আসছে আমাদের পূর্ব-পুরুষরা ভারতের উত্তর প্রদেশ থেকেআমাদের পূর্ব-পুরুষরা মঙ্গোলিয়া ও
আফগানিস্থান থেকে এসে মিলিত হয়েছে ভারতের উত্তর প্রদেশেএর বেশী আর কিছু জানার চেষ্টা করিনি বা জানিও না
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যেবাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে ভেলানগর বড়বাড়ির লোকসংখ্যা-২০১৬ খ্রিষ্টাব্দের ২৯ ডিসেম্বর, হিসেব অনুসারে জন্মগ্রহণ করে-২,১০৭ জন
(নিবন্ধকার)-এর জানামতে লোকসংখ্যার(স্ত্রীসহ পুরুষ-মহিলা)এ পর্যন্ত মারা গেছেন-৬৭৯ জনপ্রাপ্ত তথ্য অনুসারে জীবিত আছে-১,৪২৮ জনজীবিত স্ত্রী চলে গেছে-৮ জন
দিক দিয়ে প্রথম হবে ভেলানগরও তালাক হয়েছেন-৭২ জন=মো-৮০ জন স্ত্রী বিয়োগ করলে=১,৩৪৮ জন জীবিতভেলানগর বড়বাড়ির ৪০৪ জন পুরুষ বিয়ে করেছে এবং
বড়বাড়ির লোকসংখ্যা-২৯-১২-২০১৬৪৭৭ জন মেয়ের বিয়ে হয়েছে এর মধ্যে মারা গেছেন-১৪৬ জন মেয়ে=৩৩১ জন মেয়ের মধ্যে ১৩ জন মেয়ে বাবার বাড়িতে বাস করে
তারিখ পর্যন্তস্বামীরবাড়িতে থাকে ৩১৮ জন মেয়েপ্রকৃত লোক সংখ্যা-১,০৩০ জন এরমধ্যে ৫১৫ জন শহর ও বিদেশে বাস করে আর গ্রামে বাস করে
৫১৫ জনবাঞ্ছারামপুর থানার ১২৫টি গ্রামের মধ্যে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানামতে আর কোন বংশে এত লোক
জন্মগ্রহণ করেনি এবং এত লোক আর কোন বংশে বেঁচেও নেই এবং বাঞ্ছারামপুর থানায় আর দ্বিতীয়টি নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমভেলানগর গ্রামের দিওয়ান বাড়ীর আবদুল্লাহ ডিপুটির তৃতীয় ছেলে ব্রিগেডিয়ার (অবঃ) রেযাউনার জন্ম-১৯১৮ সালে
সেনাবাহিনী কর্মকর্তাউনি ১৯৪১ সালে কমিশন পান (বৃটিশ আর্মীেত)