| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় | ফরদাবাদ গ্রামের গফুর দারোগার বড় ছেলে মেজর জেনারেল এম. এ. জলিল(বাচ্চু) | উনি ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে পাকিস্তান |
| সেনাবাহিনী কর্মকর্তা | সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন এবং ১৯৮২ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণ করে পাকিস্তানে বসবাস করেন |
| উনার জন্ম-১৯৩৩ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম সর্বোচ্চ | নগরিরচর গ্রামের অধিবাসী মেজর জেনারেল (অব.) শিকদার মোঃ শাহাবুদ্দীন, পি.এস.সি.জি. | উনার জন্ম-১৯৫১ সালে |
| পদে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা ছিলেন | ০২-১০-২০০৮ তারিখ পর্যন্ত বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে আর কেউ মেজর জেনারেল পদ লাভ করেননি |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম সর্বোচ্চ | বাঞ্ছারামপুর গ্রামের ডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মুল্লুক হোসেনের (জন্ম-১৯০২ সালে, মৃত্যু-০৭-১২-১৯৯৫ সালে) পুত্র |
| পদে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ছিলেন | রিয়ার এডমিরাল (অবঃ) আমির আহমেদ মোস্তফা | তিনি বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী প্রধান ছিলেন | উনার জন্ম-১৯৩৮ সালে |
| এ থানার মধ্যে প্রথম বিমানবাহিনী কর্মকর্তা | বাঞ্ছারামপুর থানার ফরদাবাদ গ্রামের অধিবাসী উইং কমান্ডার(অবঃ) নেহাল ফজলে বাকী | উনার জন্ম-১৯১৭ সালের ২৮ |
| ডিসেম্বর |
| এ থানার মধ্যে প্রথম সর্বোচ্চ বিমানবাহিনী | ভেলানগর গ্রামের দিওয়ান বাড়ির মরহুম সুন্দর মিঞা দিওয়ানের ছেলে গ্রুপ ক্যাপটেন (অব.) ডা. নিজাম উদ-দীন |
| কর্মকর্তা ছিলেন | (মাজহারুল হক) | উনার জন্ম-১৯৪১ সালে |
| এ থানার মধ্যে সর্বোচ্চ পদে বিমানবাহিনী | বাঞ্ছারামপুর থানার দুর্গাপুর গ্রামের গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোঃ এমদাদ মিঞা, বাংলাদেশ বিমানবাহিনীতে কর্মরত ০২-১০-২০০৬ |
| কর্মকর্তা আছেন | তারিখ পর্যন্ত |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম বীর | দশদনা গ্রামের অধিবাসী সার্জেন্ট মোঃ রফিকুল ইসলাম, বীর প্রতীক | বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে চাকুরী করা অবস্থায় |
| প্রতীক উপাধি পান | মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করায় তাঁকে বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয় |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম সি. এ. | মরিচাকান্দি গ্রামের জনাব মোঃ মিজানুর রহমান-এর তৃতীয় ছেলে জনাব মোঃ ইকবাল হোসেন (ইকবাল মামা) | উনার |
| পাশ লোকটি | জন্ম-১৯৩৮ সালে | বর্তমানে তিনি কানাডাতে বসবাসরত |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় সি. এ. | ভেলানগর বড়বাড়ির জনাব এ.কে.এম. আবদুল হাকিম(হাকিম ভাই) | উনার জন্ম-১৯৩৯ সালে | বর্তমানে তিনি নিউইয়ের্ক |
| পাশ লোকটি | বসবাসরত |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | ফরদাবাদ গ্রামের জনাব নেহাল ফজলে বাকী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৪১ সালে বি. এস-সি. (সম্মান) ও আলীগড় |
| এম.এস-সি. পাশ লোকটি | মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৪২ সালে এম.এস-সি.তে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অধিকার করেন ১৯৪৩ সালে | উনি |
| স্বর্ণপদক বিজয়ী ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম এম. কম. | দরিয়াদৌলত গ্রামের জনাব আবদুল মোমেন, ডি. জি. এম. (অব.), বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক | ১৯৫৮ সালে ঢাকা |
| পাশ লোকটি | বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.কম. পাশ করেন | উনার জন্ম-১৯৩৩ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম এম. বি. | পাইকারচর গ্রামের সরকার মোঃ আবদুস সোবহান ও সোনারামপুর গ্রামের জনাব মোঃ নাজমুল আলম | ওরা দু'জন একই |
| এ. পাশ লোক ২টির নাম | বছরে বি.এস-সি., এম.বি.এ. পাশ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট থেকে ১৯৭২ সালে | উভয়ে |
| ব্যাংকার হিসেবে কর্মরত ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম পররাষ্ট্র | ১৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দে বাঁশগাড়ি গ্রামের মরহুম আবুল খায়ের আহমেদ, লন্ডনে পাকিস্তান দূতাবাসে ৩য় সচিব হিসেবে কর্মরত থাকা |
| বিভাগে ছিলেন | অবস্থায় চাকুরি ছেড়ে দিয়ে লন্ডনে বসবাস করেন |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম পররাষ্ট্র বিভাগে | ভেলানগর গ্রামের অধিবাসী জনাব মুসলেহ উদ-দীন আহমেদ, সচিব (অব.) | উনি ফরাসী দেশে ইকোনমিক মিনিষ্টার এবং পরে |
| সর্বোচ্চ পদে ছিলেন | রাষ্ট্রদূত ছিলেন |
| থানাবাসীর মধ্যে আরো একজন পররাষ্ট্র | ভেলানগর বড়বাড়ির অধিবাসী মালিক মোঃ শাহনূর (শ্যামল), স্পেনে বাংলাদেশের অর্থৈনতিক মিনিষ্টার (যুগ্ম-সচিবের পদ |
| বিভাগে ছিলেন | মর্যাদা সম্পন্ন) পদে নিয়োজিত ছিলেন | তাঁর জন্ম-১৯৫৪ সালে |
| এ থানার কৃষি | দূর্গারামপুর গ্রামের ড. আবদুল আলীম, পিতা-মরহুম মুনশি আমিনউদ্দিন | কৃষি বিজ্ঞানে তিনি বাঙ্গালী মুসলমানের মধ্যে বাংলাদেশে কৃষি |
| বিভাগে সর্বোচ্চ পদে | বিজ্ঞানে প্রথম ডক্টরেট | উনার জন্ম-১৯১৩ সালের ১ অক্টোবর, দূর্গারামপুর গ্রামের ড. আবদুল আলীম, মৃত্যু-০৯-০৭-২০১১ তারিখ বেলা ১২.২৩ |
| ছিলেন | মিনেটের সময় হাসপাতালে |
| এ থানার কৃষি বিজ্ঞানে আরো একজন | পাড়াতলি গ্রামের অধিবাসী অধ্যাপক ড. আবদুল করিম, ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করা অবস্থায় (উনার জন্ম-১৯২৯ |
| পন্ডিত ছিলেন | সালে, মৃত্যু-১৯৭৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর) লিভার সিরোসিস রোগে আক্রান্ত হয়ে অকালে মৃত্যুবরণ করেন |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম উচ্চ বিদ্যালয়ের বি. | বাখরনগর গ্রামের অধিবাসী জনাব আবদুল হামিদ, বি.এস-সি., বি.টি. (ই.পি.ই.এস.) | উনার জন্ম-১৯০৩ সালে, |
| এস-সি. শিক্ষক | মৃত্যু-জানা নেই |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম পশু বিভাগে | উলুকান্দি গ্রামের অধিবাসী আল-হাজ্জ ডা. আবদুল আউয়াল, চাকুরি থেকে অবসর গ্রহণ করেন ১৯৬৭ সালে | উনার জন্ম-১৯০৬ |
| সর্বোচ্চ পদে ছিলেন | সালে, মৃত্যু-২৪-০৩-১৯৮৩ তারিখ |
| থানাবাসীর মধ্যে প্রথম ভাষা সৈনিক-এর নাম | বাঁশগাড়ি গ্রামের অধিবাসী ডা. আলী আজগর ১৯৪৮ সালে বাঙ্গালীর মায়ের ভাষা বাংলাকে রক্ষা আন্দোলনের একজন প্রত্যক্ষ |
| সৈনিক ছিলেন | তিনি ১৯৪৮ সালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী ছিলেন | উনার জন্ম-১৯২৫ সালে |
| থানাবাসীর মধ্যে প্রথম মহিলাদের মধ্যে এম. | বাঁশগাড়ি গ্রামের অধিবাসী ডা. আলী আজগর-এর স্ত্রী বেগম দিলবরেন্নেসা | বেগম দিলবরেন্নেসা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের |
| এ., এল. এলবি. | সাহসী সৈনিক ছিলেন | উনার জন্ম-১৯৩৩, মৃত্যু-০২-১১-১৯৯৫ তারিখ |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | মানিকপুর গ্রামের অধিবাসী জনাব এম. এ. জাহের | তিনি আন্তর্জািতক খ্যাতি অর্জণ করেছেন এবং বিশ্ব বিজ্ঞান সংস্থা তাঁকে সম্মাণিত করেছেন |
| ভূতত্ত বিভাগে সর্বোচ্চ | তাঁর আবিস্কৃত একটি নতুন মিনারেলকে জাহেরাইট নামকরণ করে | সারা বিশ্বের মধ্যে তিনিই একমাত্র মুসলিম ও দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র ব্যক্তিত্ত্ব |
| পদে ছিলেন | যার নামে একটি মিনারেলের নামকরণ করা হয়েছে | উনার জন্ম-১৯৩২ সালে |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম আইন বিষয়ের ওপর | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী ড. এ. ডবিস্নও. এম. আবদুল হক | উনার জন্ম-১৯৩১ সালে |
| ডক্টরেট |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম ব্যক্তি যিনি | উলুকান্দি গ্রামের অধিবাসী অধ্যাপক ডক্টর এ. এইচ. এম. হাবিবুর রহমান, ১৯৫৩ সালে সলিমগঞ্জ স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন |
| সুদীর্ঘকাল অধ্যাপক হিসেবে ঢাকা | পাশ করেন | তিনি ১৯৫৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে এম.কম. পাশ করেন এবং উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়েই রিডার পদে যোগদান |
| বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকুরী করে অবসওে যান- | করেন ৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭০ সালে | উনি ১৯৭৮ সালে অধ্যাপক পদে উন্নীত লাভ করেন | সুদীর্ঘ ২৮-বছর যাবত অধ্যাপক হিসেবে |
| চাকুরী করে গত ৩০-০৬-২০০৬ তারিখ অবসর-এ যান এবং সংখ্যাতিরিক্ত হিসেবে আরও ৫ বছর অধ্যাপনার সুযোগ পেয়েছেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে আর কেউ এখন পর্যন্ত(৩০-০৬-২০১১ তারিখ) মানে ৩৩ বছর পর্যন্ত অধ্যাপক হিসেবে এত বছর |
| অধ্যাপনা করেননি | তিনি বাংলাদেশের মধ্যে প্রথম ইন্ডাজষ্ট্রিয়াল ফিন্যাসে ডক্টরেট ডিগ্রি করেন | উনার জন্ম-১৯৩৫ সালে |
| এ থানাবাসীর মধ্যে প্রথম ব্যক্তি বাংলাদেশ সরকারের তথ্য | উলুকান্দি গ্রামের অধিবাসী জনাব মোহাম্মদ মোহাদ্দেস, মহা-পরিচালক পদে কর্মরত ছিলেন | উনার জন্ম-১৯৪৪ |
| ক্যাডার সার্ভিেস সর্বোচ্চ পদে ছিলেন | সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে এবং বৃহত্তর কুমিল্লা | পূর্বহাটী গ্রামের অধিবাসী ডাক্তার আনসার আলী | তিনি বৃহত্তর কুমিল্লা জেলার প্রথম মুসলমান এম.বি. |
| জেলার মধ্যেও প্রথম চিকিৎসক ছিলেন | (বর্তমান এম.বি. বি.এস.-এর সমান) | উনার জন্ম-১৮৯২ সালে, মৃত্যু-১০-১২-১৯৭১ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী ডা. এ. এম. মোশতাকুল হক | তিনি চিকিৎসা বিভাগের সর্বোচ্চ পরিচালকের পদ থেকে অবসর |
| চিকিৎসক ছিলেন | গ্রহণ করেন | উনার জন্ম-১৯১৮ সালে, মৃত্যু-২২-০১-১৯৯৪ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম বক্ষব্যাধি | রূপসদী গ্রামের অধিবাসী খান বাহাদুর তুজাম্মেল আলী (মোঘল মিঞার) ছোট ছেলে ডা. এ. কে. এম. ডি. আহসান আলী |
| চিকিৎসক ছিলেন | (অরুন) | উনার জন্ম-১৯৩৩ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম লিভার | পূর্বহাটী গ্রামের অধিবাসী মরহুম ক্যাপটেন ডা. আবদুল গফুর-এর বড় ছেলে ডা. আহম্মদ নূরুল আলম, |
| ডিজিজের ওপর বিশেযজ্ঞ চিকিৎসক | এম.বি.বি.এস.(ঢাকা), লিভার ডিজিজের ওপর পি.এইচ.ডি. করেছে লন্ডন কিং কলেজ হসপিটাল থেকে ১৯৭৬ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম র্সবোচ্চ পদে | দূর্গারামপুর গ্রামের অধিবাসী মরহুম এডভোকেট আবদুল লতিফ সাহেবের কন্যা প্রফেসর ডা. নাজমুন নাহার, |
| মহিলা চিকিৎসক | এফ.আর.সি.এস., শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম চর্মেরাগ বিশেষজ্ঞ | দরিকান্দি গ্রামের জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া ভাইয়ের দ্বিতীয় মেয়ে মিসেস ডা. যাকিয়া মাহফুজা |
| মহিলা চিকিৎসক | হাসান | তার জন্ম-১৯৫২ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম এল.এম.এফ. | পূর্বহাটী গ্রামের ডা. ক্যাপ্টেন আ. গফুর | উনি বৃটিশ আর্মিেত চাকুরী করতেন | উনার জন্ম-১৯০১ সালে, |
| চিকিৎসক ছিলেন | মৃত্যু-১৯৪৫ সালে |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় | কৃঞ্চনগর গ্রামের অধিবাসী ডা. ইয়াকুব আলী, ১৯২৩ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৩তম স্থান |
| এল.এম.এফ. চিকিৎসক ছিলেন | অধিকার করেন এবং ১৯৩০ সালে এল.এম.এফ. পাশ করেন | উনার জন্ম-১৯০৩, মৃত্যু-০৩-০২-২০০০ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিভেলানগর গ্রামের অধিবাসী ডা. নাসিরউদ্দিন | উনার জন্ম-১৮৯৮ সালে, মৃত্যু-১০-০২-১৯৬২ তারিখ | বাসার ঠিকানাঃ-৩৭, |
| হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ছিলেন | আল আমিন রোড, কাঠালবাগান, গ্রীণ রোড, ঢাকা |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম কবিরাজ | উজানচর গ্রামের অধিবাসী নোয়াব আলী কবিরাজ | উনার জন্ম-১৮৯৭ সালে, মৃত্যু-১৯৮০ সালে | নোয়াব আলী কবিরাজ হলো |
| চিকিৎসক ছিলেন | খোশকান্দি গ্রামের অধিবাসী আবদুল মজিদ মাষ্টারের শ্বশুর | মজিদ মাষ্টারের জন্ম-১৯১৭ সালে, মৃত্যু-০৫-০৬-১৯৮১ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম হেকিমী চিকিৎসক | দরিয়াদেীলত গ্রামের অজী বাড়ির অধিবাসী মোহাম্মদ জারু হেকিম | উনার জন্ম-১৯০০ সালে, মৃত্যু-জানা নেই |
| ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম খলিফা (কাপড় | ভেলানগর গ্রামের রুপ মিয়া খলিফার বাবা আফাজুদ্দিন খলিফ | উনার জন্ম-১৮৮০ সালে মৃত্যু-১৯৪৯ সালে |
| সেলাই) ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে খলিফা (কাপড় সেলাই) | বাখরনগর গ্রামের অধিবাসী মোহাম্মদ কান্দু খলিফা | উনার জন্ম-১৯০২ সালে, মৃত্যু-১৯.. |
| ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম | দরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী মোঃ মইজউদ্দিন আমীন | উনার জন্ম-১৮৮৫ সালে, মৃত্যু-জানা নেই | উনার ছেলের নাম জনাব আবদুল |
| আমিন (জমি মাপার) ছিলেন | মান্নান, কাষ্টম অফিসার ছিলেন | উনার জন্ম-১৯১৪ সালে, মৃত্যু-১৯৮৫ সালে | উনার মেয়ের স্বামী হলো ভূমি প্রতিমন্ত্রী উকিল |
| আবদুস সাত্তার ভূইয়া |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর জীবিতদের | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন(আলমগীর)-এর জানা মতে বাঞ্ছারামপুর থানার পূর্বহাটি গ্রামের মধ্যপাড়ার জনাব আদম আলীর ছেলে |
| মধ্যে সবচেয়ে উঁচু লোকটি কোন | মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন | তার উচ্চতা ৬(ছয়) ফুট ২(দুই) ইঞ্চি | তারমত উচ্চতা বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর জীবিতদের মধ্যে আর |
| গ্রামের | দ্বিতীয়টি আছে বলে আমার জানা নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর জীবিতদের মধ্যে | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন(আলমগীর)-এর জানা মতে বাঞ্ছারামপুর থানার দরিকান্দি গ্রামের পুস্তুক পাবলিশার্স মোহাম্মদ |
| দ্বিতীয় উঁচু লোকটি কোন গ্রামের | শাহজাহান আবদালী | তার উচ্চতা ৬(ছয়) ফুট ১.৫(দেড়) ইঞ্চি |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর জীবিতদের মধ্যে | নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা মতে বাঞ্ছারামপুর থানার দরিভেলানগর গ্রামের লায়মন বিবি | তার উচ্চতা |
| সবচেয়ে বেটে লোকটি কোন গ্রামের | ৩০(ত্রিশ) ইঞ্চি | তারমত বেটে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা মতে বাঞ্ছারামপুর থানায় আর দ্বিতীয়টি |
| আছে বলে জানা নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর জীবতদের মধ্যে সবচেয়ে মোটা লোকটি | বাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে লোকটি আছে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন |
| কোন গ্রামের অধিবাসী | (আলমগীর)-এর জানা নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর জীবতদের মধ্যে সবচেয়ে চিকন লোকটি কোন | বাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে লোকটি আছে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন |
| গ্রামের অধিবাসী | (আলমগীর)-এর জানা নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর জীবতদের মধ্যে সবচেয়ে বেশী ওজনের | বাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে লোকটি আছে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন |
| লোকটি কোন গ্রামের অধিবাসী | (আলমগীর)-এর জানা নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর জীবতদের মধ্যে সবচেয়ে কম ওজনের লোকটি | বাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে লোকটি আছে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন |
| কোন গ্রামের অধিবাসী | (আলমগীর)-এর জানা নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম বিয়ের ঘটক ছিলেন | বাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে লোকটি আছে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন |
| (আলমগীর)-এর জানা নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মেয়েদের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত কবি | বাঞ্ছারামপুর থানার উলুকান্দি গ্রামের অধ্যাপক এ. এইচ. এম. হাবিবুর রহমান-এর বড় ভাইয়ের মেয়ে-নূর কামরুন |
| নাহার |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রতিষ্ঠিত | বাঞ্ছারামপুর থানার মরিচাকান্দি গ্রামের সরকার বাড়ির মরহুম মোঃ মিজানুর রহমান |
| সাহিত্যিক |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রতিষ্ঠিত | বাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে লোকটি আছে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা |
| ঔপন্যাসিক | নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রতিষ্ঠিত | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী মোহাম্মদ অলেক ভূইয়ার ছেলে মি. বাংলাদেশ ছিলেন জনাব মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ লাকী | সে |
| কোস্তিগীর | একজন বডি বিল্ডার ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রতিষ্ঠিত | বাঞ্ছারামপুর থানার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের মধ্যে লোকটি আছে নিবন্ধকার মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর)-এর জানা |
| স্পোর্টস ম্যান | নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রতিষ্ঠিত | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম সামাদ মাষ্টারের ছেলে ডা. মোছলেহ উদ্দিন-এর মেয়ে মিসেস সাবরীণা সুলাতানা |