‹ ভেলানগর গ্রামের ইতিহাস অংশ ১০৬ / ১১৫
সাংবাদিক হলেনপাকিস্তান ডন পত্রিকাসহ আরও বিভিন্ন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেনউনার জন্ম-১৯২৭ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমমধ্যনগর গ্রামের অধিবাসী সাধক পুরুষ শাহ রাহাত আলীর মাজার মাসিন্নগর বজারে প্রতিষ্ঠিত হয় ০২-০৮-১৯৪৬ তারিখ
মাজারটি কারউনার জন্ম-১৮৭৬ সালে, মৃত্যু-০২-০৮-১৯৪৬ তারিখ
কালাইনগর গ্রামের অধিবাসী মরহুম দয়ালবাঞ্ছারামপুর থানার কালাইনগর গ্রামের অধিবাসী মরহুম মৌঃ কলিমউদ্দিনের পুত্র মরহুম দয়াল গনিশাহের মাজারটি নবীনগর
গনিশাহ-এর মাজারটি কোথায় অবস্থিতথানার বড়িকান্দি গ্রামেদয়াল গনিশাহ, মরহুম হযরত রাহাত আলী শাহ (র.)'র ভক্ত ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম নামকরাউজানচর গ্রামের অধিবাসী পরলোকগত শ্রী রাজেন্দ্র চন্দ্র সাহা ফুটবল খেলোয়ার ছিলেনউনার জন্ম-১৯০২ সালে,
খেলাধুলায়মৃত্যু-জানা নেই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম পাকিস্তানদুর্গারামপুর গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট আবদুল সোবহান সাহেবের পুত্র জনাব আবদুস সাদেক (মোঃ শাহজাহান)
জাতীয় হকিদলের নামকরা খেলোয়ারউনার জন্ম-১৯৪২ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়শরিফপুর গ্রামের মরহুম তোতা মিঞা মাষ্টারের বড় ছেলে-জনাব এ. কে. গোলাম কিবরিয়ার বড় ছেলে সিয়াম-এ-নূর
হকিদলের নামকরা খেলোয়ার(সাবেক বাংলাদেশ জাতীয় হকি খেলোয়ার ছিলেন ১৯৯৪ থেকে ২০০০ পর্যন্ত)সিয়ামের জন্ম-০২-১১-১৯৭০ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম ক্রিকেটশরিফপুর গ্রামের মরহুম তোতা মিঞা মাষ্টারের বড় ছেলে-জনাব এ. কে. গোলাম কিবরিয়ার ছোট ছেলে তেনজাম-এ-নূর
কোচ, মেট্রো ক্রিকেট একাডেমী(ঝিলাম)ঝিলামের জন্ম-২৮-০৪-১৯৭২ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম জাতীয়মানিকপুর গ্রামের অধিবাসী জনাব আবদুল মতিন-এর দ্বিতীয় ছেলে জনাব মোহাম্মদ আশরাফুল-এর জন্ম-১৯৮৪ সালের ৭
টিমের ক্রিকেট খেলোয়ারজুলাই
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমমধ্যনগর গ্রামের অধিবাসী বকুল মোস্তফা(মোস্তফা জব্বারের স্ত্রী বকুল মোস্তফা) আনন্দ কমপিউটার-এর মালিকতার
কমপিউটার জগতের বিখ্যাত ব্যবসায়ীজন্ম-১৯৫১ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম মুদ্রণকালিকাপুর গ্রামের অধিবাসী অধ্যাপক আবদুর রহমানইউনাইটেড প্রেসের মালিক ছিলেনউনার জন্ম-১৯১৮,
ব্যবসায়ী ছিলেনমৃত্যু-১৯-১২-১৯৯৩ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে মুদ্রণদরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ মহিউদ্দিন আহমেদউনি ১৯৬৩ সাল থেকে আদর্শ ছাপাখানার মালিকজন্ম-১৯২৭
ব্যবসায় আছেনসালে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে মুদ্রণভেলানগর গ্রামের অধিবাসী জনাব মেসবাহ-উদ-দীন আহমেদ (মতি মিঞা)উনি ১৯৬৫ সাল থেকে প্রেসিডেন্সী প্রেসের মালিক
ব্যবসায় ছিলেনছিলেনউনার জন্ম-১৯৩১ সালে, মৃত্যু-২৩-১২-১৯৯৫ তারিখ
১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম বাঞ্ছারামপুর১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ১০ এপ্রিল, ভেলানগর গ্রামের অধিবাসী জনাব মেজবাহ উদ-দীন আহমেদ (মতি মিঞার)
থানার পাকিস্তানী পতাকাটি কার নেতৃত্বে নামানো হয় এবংনেতৃত্বে বাঞ্ছারামপুর থানার পাকিস্তানী পতাকাটি নামানো হয় এবং বাংলাদেশের পতাকাটি উড়ানো
বাংলাদেশের পতাকাটি উড়ানো হয়হয়
১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ ডিসেম্বর, ঢাকাতে পাক-বাহিনী আত্মসমর্পণ করেন কিন্তু বাঞ্ছারামপুর থানার১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ ডিসেম্বর, বাঞ্ছারামপুর থানার পাক-বাহিনী
পাক-বাহিনী আত্মসমর্পণ করেন কত তারিখআত্মসমর্পণ করে
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম কোনদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী ডক্টর এ. কে. এম. হাই সিঙ্গাপুরে অবস্থিত জাপানী আলফা টেকনো গ্রুপ অব চেম্বার-এর
কেমিষ্টপরিচালকতিনি সুপার গ্লো নামক আটার ফর্মুলা উদ্ভাবক
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম কোন পদার্থিবজ্ঞানীফরদাবাদ গ্রামের অধিবাসী পদার্থিবজ্ঞানী নূরুন নবী খন্দকার আমেরিকায় (ঘঅঝঅ)তে চাকুরী করতেন
নাসাতে চাকুরী করতেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম কোন ব্যক্তি ক্লাসিকধারিয়ারচর গ্রামের অধিবাসী ইঞ্জিনিয়ার মোঃ সামাদ সাহেবের পুত্র প্রাক্তন ছাত্র নেতা সাঈদ আহমেদ (বাবু),
গাইড ও ক্লাসিক কোচিং সেন্টারের মালিক১৯৮৬ সাল থেকে ক্লাসিক গাইড ও ক্লাসিক কোচিং সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা মালিকবাবুর জন্ম-১৯৫৮ সালে
১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় বাঞ্ছারামপুরফরদাবাদ গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ মুখলেসুর রহমানের (এফ.এফ.) কমান্ডার ছিলেনমুক্তিবাহিীর ক্যাম্পটি
থানাবাসীর মধ্যে প্রথম মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ছিলেনরূপসদী গ্রামের খানেপাড়ার নয়াবাড়ীতে ছিলমুখলেসুর রহমানের জন্ম-১৯৪৭ সালে
১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীনতা সংগ্রামের সময়দরিকান্দি গ্রামের জনাব মোঃ মনিরুল হক (বি.এল.এফ.)-এর কমান্ডার ছিলেনমুক্তিবাহিনীর ২য় ক্যাম্পটি ছিল দরিকান্দি
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয়গ্রামের মরহুম মোঃ মোজাম্মেল হক (অদু মিঞা), সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্যের বাড়ীতেমনিরুল হকের জন্ম-১৯৪৮ সালে
মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ছিলেন
১৯২০ সালে বেঙ্গল ভিলেজ সেলফ গর্ভণমেন্টবাঞ্ছারামপুর থানার সর্বেমাট ৭টি ইউনিয়ন বোর্ড ছিল যথা:-(১) দরিয়াদৌলত (২) তেঁজখালী (৩) বাঞ্ছারামপুর (৪)
অ্যাক্ট পাশ করা হলে ইউনিয়ন পঞ্চায়েত প্রথাছয়ফুল্লাকান্দি (৫) রূপসদী (৬) উজানচর ও (৭) সলিমাবাদএ ইউনিয়নগুলোতে প্রথম যারা প্রেসিডেন্ট ছিলেন তাঁদের
বিলোপ করে ইউনিয়ন বোর্ড গঠন করা হয়ঃনামগুলি নিম্নে উপস্থাপন করা হলো:
১নং দরিয়াদৌলত ইউনিয়ন বোর্ড-এর১৯২০ সালে মাওলানা খন্দকার রেজওয়ান আলী (দরিয়াদৌলত)
প্রেসিডেন্ট ছিলেন
২নং তেঁজখালী ইউনিয়ন বোর্ড-এর প্রেসিডেন্ট১৯২০ সালে মহিম চন্দ্র ঘোষ (তেঁজখালী)
ছিলেন
৩নং বাঞ্ছারামপুর ইউনিয়ন বোর্ড-এর১৯২০ সালে শচিন্দ্র বাবু (বাঞ্ছারামপুর)
প্রেসিডেন্ট ছিলেন
৪নং ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়ন বোর্ড-এর১৯২০ সালে যোগেন্দ কুমার দত্ত (ছয়ফুল্লাকান্দি)
প্রেসিডেন্ট ছিলেন
৫নং রূপসদী ইউনিয়ন বোর্ড-এর প্রেসিডেন্ট১৯২০ সালে খান সাহেব মৌঃ তুজাম্মেল আলী ওরফে মোঘল মিঞা (রূপসদী)
ছিলেন
৬নং উজানচর ইউনিয়ন বোর্ড-এর প্রেসিডেন্ট১৯২০ সালে স্বরুপ নন্দ সাহা (সরিষারচর)
ছিলেন
৭নং সলিমাবাদ ইউনিয়ন বোর্ড-এর প্রেসিডেন্ট১৯২০ সালে রমিজউদ্দিন মুন্সি (হায়দরন্নগর)
ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট এ. কে. এম. জহিরুল হক (লিল মিঞা)তিনিই এ থানার প্রথম নির্বািচত প্রতিনিধি
রাজনীতিবিদ ছিলেনএবং ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট সরকারের আমলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম মন্ত্রীদরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট এ. কে. এম. জহিরুল হক (লিল মিঞা)১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট সরকারের আমলে
ছিলেনস্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মহিলাদের মধ্যেদরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী মরহুম আবদুল মাবুদ (শফিক)-এর স্ত্রী মিসেস ফাতেমা কবীরসংরক্ষিত মহিলা আসনে স্বাস্থ্য
স্বাস্থ্য উপমন্ত্রী ছিলেনউপমন্ত্রী পদে ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে দ্বিতীয় ব্যক্তি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হলেনপাড়াতুলি গ্রামের ক্যাপ্টেন (অব.) এ. বি. তাজুল ইসলাম (তরু)
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম আওয়ামীকাঞ্চনপুর গ্রামের অধিবাসী পন্ডিত মোঃ নূরুল ইসলামউনি কুমিল্লা শহরে শিক্ষকতার পাশাপাশি আওয়ামী রাজনীতির সাথে
লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেনজড়িত ছিলেনস্বাধীনতা সংগ্রামের সময় তাঁর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত প্রসংশনীয় ও মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে ছিলেন সরাসরি
সম্পৃক্তউনার জন্ম-১৯১২ সালে, মৃত্যু-০২-০৫-২০০২ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথমদরিয়াদৌলত গ্রামের অধিবাসী এডভোকেট আবদুল বাসেতউনি কুমিল্লা শহরে আইন পেশায় নিয়োজিত ছিলেনউনার
বি.এন.পি.র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেনজন্ম-১৯২৯ সালে, মৃত্যু-০৭-০১-১৯৮৮ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম ছাত্র১৯৫৩ সালে পূর্ব বাংলার মূখ্যমন্ত্রী জনাব নূরুল আমিন-এর একটি সভা সোনারামপুর বাজারে অনুষ্ঠিত হওয়ার সময়
অবস্থায় এবং কলেজে শিক্ষকতা করার সময়দরিয়াদৌলত গ্রামের অধ্যাপক আবদুল মোমেন-এর নেতৃত্বে সভাটি পন্ডু করে দেয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে হুলিয়া জারী করা
রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেনহয়েছিলব্রাহ্মণবাড়িয়া কলেজের অধ্যাপক আবদুল মোমেনউনার জন্ম-১৯৩০ সালে, মৃত্যু-০৭-০৩-১৯৯০ তারিখ
বাঞ্ছারামপুর থানার ১ম প্রাদেশিক নির্বাচনে১৯৩৭ সালে বাঞ্ছারামপুর থানার প্রাদেশিক নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি ছিলেন ঢাকার প্রখ্যাত খাজা মরহুম নওয়াবজাদা
নির্বািচত প্রতিনিধি ছিলেনখাজা নছরউল্লাহতিনি বাঞ্ছারামপুর থানার প্রথম নির্বািচত প্রতিনিধি ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানার ২য় প্রাদেশিক নির্বাচনে১৯৪৬ সালে বাঞ্ছারামপুর থানার প্রাদেশিক নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি ছিলেন নবীনগর থানার নাসিরাবাদ গ্রামের
নির্বািচত প্রতিনিধি ছিলেনমরহুম আলী আহাম্মদ খাঁনতিনি বাঞ্ছারামপুর থানার ২য় নির্বািচত প্রতিনিধিবৃটিশ ভারতে দু'বার নির্বাচন অনুষ্ঠিত
হয়(১৯৩৭ সালে ও ১৯৪৬ সালে)উনার জন্ম-১৮৯২ সালে, মৃত্যু-১৯৬৬ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানার পাকিস্তান হওয়ার পর১৯৫৪ সালে বাঞ্ছারামপুর থানার প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম
১ম প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে নির্বািচতএডভোকেট এ. কে. এম. জহিরুল হক (লিল মিঞা)উনি বাঞ্ছারামপুর থানার ৩য় নির্বািচত প্রতিনিধি ছিলেনউনি
প্রতিনিধি ছিলেনযুক্তফ্রন্ট থেকে নির্বািচত এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানার ১ম বি.ডি.(মেম্বারদের১৯৬২ সালে বাঞ্ছারামপুর থানার (এম.এন.এ.) নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি ছিলেন মুরাদনগর থানার কামারচর
ভোটে) এম.এন.এ. নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধিগ্রামের অধিবাসী মরহুম এডভোকেট মোঃ আজিজুর রহমানউনার জন্ম-১৯০০ সালে, মৃত্যু-জানা নেই
ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর থানার ২য় বি.ডি.(মেম্বারদের১৯৬৪ সালে বাঞ্ছারামপুর থানার এম.এন.এ.) নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি ছিলেন মুরাদনগর থানার কামারচর
ভোটে) এম.এন.এ. নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধিগ্রামের অধিবাসী মরহুম এডভোকেট মোঃ আজিজুর রহমান
ছিলেন
বাঞ্ছারামপুর এবং নবীনগর থানার১৯৭০ সালে ৭ ডিেিসম্বর, বাঞ্ছারামপুর এবং নবীনগর থানার সাধারণ নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি(এম.এন.এ.) ছিলেন নবীনগর
এম.এন.এ. নির্বাচনে নির্বািচতথানার অধিবাসী বড়িকান্দি গ্রামের মরহুম এডভোকেট দেওয়ান আবুল আব্বাস (বাচ্চু মিঞা)উনার জন্ম-১৯২৫ সালে,
প্রতিনিধি ছিলেনমৃত্যু-২০০৭ সালে
বাঞ্ছারামপুর থানার প্রাদেশিক১৯৭০ সালে ৭ ডিসেম্বর, বাঞ্ছারামপুর থানার প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি ছিলেন মরিচাকান্দি গ্রামের
নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি ছিলেনমরহুম গোলাম মহিউদ্দিন আহমেদ(আফতাব ভাই)পাকিস্তান আমলে ৪(চার) বার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় (১৯৫৪, ১৯৬২, ১৯৬৪ ও
১৯৭০ সালে)উনার জন্ম-১৯২৭ সালে, মৃত্যু-২৩-০৩-১৯৭৯ তারিখ
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ, জাতীয় সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি (এম.পি.) ছিলেন দরিকান্দি
বাঞ্ছারামপুর থানার ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দের ৭ মার্চ, ১ম জাতীয়গ্রামের অধিবাসী ড. এ. ডবিস্নও. এম. আবদুল হকড. হক বাংলাদেশের আমলে বাঞ্ছারামপুর থানার ১৯৭৩
সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি (এম.পি.) ছিলেনখ্রিষ্টাব্দের ৭ মার্চ, নির্বাচনে প্রথম জাতীয় সংসদ-সদস্য নির্বািচত হনউনার জন্ম-১৯৩১ সালে
১৯৭৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি, বাঞ্ছারামপুর থানার ২য় জাতীয়১৯৭৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি, বাঞ্ছারামপুর থানার জাতীয় সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি
সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি (এম.পি.) ছিলেন(এম.পি.) ছিলেন দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম মোঃ মোজাম্মেল হক (অদু মিঞা)উনার জন্ম-১৯২২
সালে, মৃত্যু-১৪-০৭-১৯৮৫ তারিখ
১৯৮৬ সালের ৭ মে, বাঞ্ছারামপুর থানার ৩য় জাতীয় সংসদ-সদস্যকদমতুলি গ্রামের অধিবাসী জনাব সহিদুর রহমানতাঁর জন্ম-১৯৫১ সালে
নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি (এম.পি.) ছিলেন
১৯৮৮ সালের ৩ মার্চ, বাঞ্ছারামপুর থানার ৪র্থ জাতীয় সংসদ-সদস্যডোমরাকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম এ. টি. এম. ওয়ালি আশরাফউনার জন্ম-১৯৩৭ সালে,
নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি (এম.পি.) ছিলেনমৃত্যু-১৯-১১-১৯৯৪ তারিখ
১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি, বাঞ্ছারামপুর থানার ৫ম জাতীয়ডোমরাকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম এ. টি. এম. ওয়ালি আশরাফউনার জন্ম-১৯৩৭ সালে,
সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি (এম.পি.) ছিলেনমৃত্যু-১৯-১১-১৯৯৪ তারিখ
১৯৯৪ সালে বাঞ্ছারামপুর থানার ৫ম জাতীয় সংসদ-সদস্য উপ-নির্বাচনে১৯৯৪ সালের জাতীয় সংসদ-সদস্য উপ-নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি হলেন রূপসদী গ্রামের মরহুম
নির্বািচত প্রতিনিধি (এম.পি.) ছিলেনমোঃ শাহজাহান হাওলাদার (সূজন) তাঁর জন্ম-১৯৬৫ সালে, মৃত্যু-০৩-০৭-২০০১ তারিখ
১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি, বাঞ্ছারামপুর থানার ৬ষ্ঠ জাতীয়১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি, জাতীয় সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি হলেন রূপসদী
সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি (এম.পি.) ছিলেনগ্রামের মরহুম মোঃ শাহজাহান হাওলাদার (সূজন)
১৯৯৬ সালের ১২ জুনের, বাঞ্ছারামপুর থানার ৭ম জাতীয় সংসদ-সদস্যপাড়াতুলি গ্রামের অধিবাসী জনাব ক্যাপ্টেন (অব.) এ. বি. তাজুল ইসলাম (তরু)তাঁর জন্ম-১৯৪৬
নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি (এম.পি.) ছিলেনসালের ১৬ জুন
২০০১ সালের ১ অক্টোবর, বাঞ্ছারামপুর থানার ৮ম জাতীয় সংসদ-সদস্যবাড়াইলচর(বাহেরচর) গ্রামের অধিবাসী জনাব এম.এ. খালেক, পি.এস.সি.(বাংলাদেশ আমলে
নির্বাচনে নির্বািচত প্রতিনিধি (এম.পি.) হলেন১৯৭৩, ১৯৭৯, ১৯৮৬, ১৯৮৮, ১৯৯১, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৬ সালের ১২ জুন, ২০০১
সালের ১ অক্টোবরউনার জন্ম-১৯৪০খ্রি.
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ বাঞ্ছারামপুরপাড়াতুলি গ্রামের অধিবাসী জনাব ক্যাপ্টেন (অব.) এ. বি. তাজুল ইসলাম (তরু)তাঁর জন্ম-১৯৪৬ সালের
উপজেলা এবং নবীনগর উপজেলার আংশিক-সলিমগঞ্জ ও বরিকান্দি১৬ জুনদ্বিতীয়বার তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬(বাঞ্ছারামপুর উপজেলা এবং নবীনগর উপজেলার আংশিক-সলিমগঞ্জ ও
ইউনিয়ন-এর ৯ম জাতীয় সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচতবরিকান্দি ইউনিয়ন) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হন ০৬-০১-২০০৯ তারিখ
প্রতিনিধি (এম.পি.) হলেনবাঞ্ছারামপুর উপজেলাবাসীর মধ্যে মন্ত্রী হওয়ার দিক থেকে তিনি দ্বিতীয় ব্যক্তি