| ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ বাঞ্ছারামপুর | পাড়াতুলি গ্রামের অধিবাসী জনাব ক্যাপ্টেন (অব.) এ. বি. তাজুল ইসলাম (তরু) | তাঁর জন্ম-১৯৪৭ সালের |
| উপজেলা এবং নবীনগর উপজেলার আংশিক-সলিমগঞ্জ ও বরিকান্দি | জুন | তৃতীয়বার তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬(বাঞ্ছারামপুর উপজেলা এবং নবীনগর উপজেলার আংশিক-সলিমগঞ্জ ও |
| ইউনিয়ন-এর ১০ম জাতীয় সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত | বরিকান্দি ইউনিয়ন | ) ১০ম জাতীয় সংসদ-সদস্য নির্বাচনে নির্বািচত |
| প্রতিনিধি (এম.পি.) হলেন |
| ১৯৮৫ সালে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার প্রথম | ১৯৮৫ সালে উপজেলা পদ্ধতি চালু হওয়ার পর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মানিকপুর গ্রামের অধিবাসী প্রাক্তন পাবলিক সার্ভিস |
| উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচনে | কমিশনের সদস্য ও ডি. আই. জি. (অব.) মরহুম এম. এ. আউয়াল, বাঞ্ছারামপুর উপজেলার প্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বািচত |
| নির্বািচত চেয়ারম্যান ছিলেন | হন | উনার জন্ম-১৯২০ খ্রিষ্টাব্দে, মৃত্যু-০৭-০৮-১৯৮৫ তারিখ |
| ১৯৮৬ সালে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার প্রথম উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান | ১৯৮৬ সালে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার প্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান উপ-নির্বাচনে নির্বািচত চেয়ারম্যান হন |
| উপ-নির্বাচনে নির্বািচত চেয়ারম্যান ছিলেন | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী ড. এ. ডবিস্নও. এম. আবদুল হক |
| ১৯৯০ সালে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার দ্বিতীয় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান | বুধাইরকান্দি গ্রামের অধিবাসী জনাব মোঃ দুদ মিঞা মাষ্টার | এরপর আর উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত |
| নির্বাচনে নির্বািচত চেয়ারম্যান ছিলেন | হয়নি | উনার জন্ম-১৯৪৩ খ্রিষ্টাব্দে |
| ২০০৯ সালের ২২ জানুয়ারি বাঞ্ছারামপুর উপজেলার তৃতীয় উপজেলা | দশদনা গ্রামের জনাব মোঃ সিরাজুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ) | উনি বাংলাদেশ সরকারের যুগ্ম-সচিব |
| পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচনে নির্বািচত চেয়ারম্যান হলেন | হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন |
| ২০০৯ সালের ২২ জানুয়ারি বাঞ্ছারামপুর উপজেলার তৃতীয় উপজেলা | দরিয়াদৌলত গ্রামের ডলি আক্তার (আওয়ামী লীগ) ও জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ) |
| পরিষদ নির্বাচনে প্রথম নির্বািচত দু'জন ভাইস-চেয়ারম্যান-এর মধ্যে | শফিকুল ইসলাম মারা গেছেন ০২-০৮-২০১০ তারিখ |
| একজন পুরুষ ও একজন মহিলা: | উপজেলা পরিষদে এবারই একজন পুরুষ ও মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদ সৃষ্টি হয়েছে |
| ২০১৪ সালে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ৪র্থ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান | মানিকপুর গ্রামের মো: নুরুল ইসলাম | তিনি বাঞ্ছারামপুর উপজেলা অঅওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক |
| নির্বাচনে নির্বািচত চেয়ারম্যান হলেন | ছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানার প্রথম ব্যক্তি ঢাকা শহরের আজিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের | ফরদবাদ গ্রামের অধিবাসী (বর্তমান ধানমন্ডি, ভূতেরগুলির বাসিন্দা) আলহাজ্জ মোঃ ইউনুস |
| চেয়ারম্যান ছিলেন | মিঞা | উনার জন্ম-১৯০১ সালে, মৃত্যু-২৭-১১-১৯৭৭ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্বপ্রথম ঢাকা | দরিকান্দি গ্রামের অধিবাসী মরহুম পন্ডিত আবদুল হাকিম ও মরহুমা মিসেস আমেনা বেগমের পুত্রদ্বয় জনাব মোঃ ইদন মিঞা ও |
| শহরে বইয়ের লাইব্রেরী কাদের ছিল | মরহুম মোঃ মিদন মিঞা-তারা উভয়ে ১৯৪৭ সাল থেকে ঢাকার ইসলামপুরে সিটি পাবলিসার নামে লাইব্রেরী দিয়েছিলেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্বপ্রথম | ভেলানগর গ্রামের আবদুল মান্নান (কেনু মিঞা), ১৯৬৪ সালে লন্ডন চলে যান | গ্রামের বাড়ীতে উনার ছেলেরা ভেলানগর |
| সবচেয়ে দামী বিল্ডিং গ্রামের বাড়ীতে কে | সরকারবাড়ীতে দুই কোটি টাকার উপরে খরচ করে বিদেশী মডেলে একটি দ্বোতালা বিল্ডিং তৈরী করেছে-২০০৪ খ্রিষ্টাব্দে | উনার |
| তৈরী করেন | জন্ম-১৯২২, মৃত্যু-১৭-১০-২০০১ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে সর্বপ্রথম | ২০০৪ সালে রূপসদী গ্রামের সরকারবাড়ীর সাথে তিনতলা (৭,০০০ হাজার) বর্গফুট আয়তনের মাহবুবুর রহমান মেমোরিয়াল |
| সবচেয়ে বড় হসপিটাল প্রথম কোন গ্রামে | হসপিটাল প্রতিষ্ঠিত হয় | প্রতিষ্ঠাতা হলেন-জনাব মোঃ মজিবুর রহমান, মোঃ শফিকুর রহমান ও অন্যান্য ভাইয়েরা মিলিতভাবে |
| প্রতিষ্ঠিত করেন | বাবার নামে এ হসপিটাল প্রতিষ্ঠা করেন |
| বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ | বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতি প্রতিষ্ঠার পর থেকে বাঞ্ছারামপুর গ্রামের অধিবাসী কলাবাগান-এ বর্তমান নিবাসী মরহুম মোঃ যাকারিয়ার |
| সমিতির প্রথম অফিস কোথায় | গ্রীণ রোডস্থ দোকানে এবং তাঁর কলাবাগানের বাসায় সমিতির অস্থায়ী অফিস হিসেবে প্রায় ৩(তিন) বছরের মত সময় ব্যবহার করা হয় |
| ছিল |
| বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ | বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতির অফিস মিরপুর গ্রামের অধিবাসী মেজর (অব.) এস. এ. মান্নান সাহেবের বাসায় (৭৪, নর্থ রোড, |
| সমিতির অফিস দীর্ঘ সময় | ভূতেরগুলি, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৫) সমিতির অফিসের কাজ-কর্ম করা হয় এবং রেজিষ্টার্ড অফিস হিসেবেও ব্যবহৃত হয়েছে | প্রায় ২৪ বছর যাবত |
| কোথায় ছিল | মেজর (অব.) এস. এ. মান্নান ও উনার স্ত্রী আসিয়া খাতুন সমিতির কল্যাণে ঢাকা প্রবাসী (বাঞ্ছারামপুর থানার) মানুষদের জন্য যে ত্যাগ |
| স্বীকার করেছেন তার জন্য ধন্যবাদ |
| বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতির | ঢাকার তোপখানা রোডের মেহেরবা পস্নাজার ১২তলাতে সমিতির স্থায়ী অফিস | সেখানে সমিতির লোকজনদের যাতায়াত খুব কম | কিন্তু |
| অফিস বর্তমানে কোথায় | সমিতির স্থায়ী অফিসের পরিবর্তে ক্লাসিক কোচিং সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা মালিক জনাব সাঈদ আহামেদ (বাবুর), গ্রীণ রোডের কনকর্ড |
| আর্কেিডয়ার ৬ষ্ঠ তলাতে ক্লাসিক কোচিং সেন্টারের ক্লাশ রুমে প্রতি মাসের ২য় সপ্তাহের সোমবার দিন বিকেল ৫ ঘটিকার সময় সমিতির |
| মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয় | সমিতি এ সুযোগ যদি ক্লাসিক কোচিং সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা মালিক জনাব সাঈদ আহামেদ (বাবুর) নিকট না |
| পেত, তা'হলে সমিতির বিকাশ আশা করা যেত না |
| বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতির সাধারণ | পাড়াতুলি গ্রামের জনাব মোঃ মজিবুর রহমানের আন্তরিক সহযোগিতায় নায়েম অডিটরিয়ামে সমিতির সবগুলি সাধারণ |
| সভাগুলি প্রায়ই অনুষ্ঠিত হয়েছে কোথায় | সভা ও বিশেষ সাধারণ সভাগুলি অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে | মুজিবুর রহমানের জন্ম-১৯৪১ সালে পাড়াতুলি গ্রামে |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলা | ১৯৯২ সালে ছিল-১২ জন, ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে ছিল-৪০৬ জন এবং ২০০৬ সালের আগষ্টে হয়েছে প্রায়-৭৩১ জন, ২০০৭ সালে ৭৩৮ জন, ১১-০৩-২০০৮ |
| কল্যাণ সমিতির আজীবন | তারিখ ৭৪৬ জন এবং ২০১০ সালের ২৩ জানুয়ারি-পর্যন্ত আজীবন সদস্যসংখ্যা-৭৭১ জন এরমধ্যে মারা গেছেন ৩৮ জন এবং ১৫-০১-২০১১ তারিখ |
| সদস্যসংখ্যা | পর্যন্ত ৮০৬ জন আর মারা গেছে ৪২ জন | ৮২৭ জন আজীবন সদস্য ৩১-১২-২০১১ তারিখ |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কল্যাণ সমিতির স্থায়ী বৃত্তি তহবিল (১৫-০১-২০১১ | ১১৮ জন বৃত্তি তহবিলে দান করেছেন এবং টাকার পরিমাণ =২৯,১৩,৮৬৪(উনত্রিশ তের লাখ আটশত |
| তারিখ) পর্যন্ত কত টাকা হয়েছে এবং কতজন টাকা দান করেছে | চৌসট্টি) টাকা মাত্র |
| বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতির মাধ্যমে | প্রথম ১৯৭৪, ১৯৮৮, ১৯৯৮ ও ২০০৪ সালের বন্যাত্তোর ত্রাণ ও পূর্ণবাসন কর্মসূচী বাঞ্ছারামপুর থানা কল্যাণ সমিতির মাধ্যমে |
| কোন কোন বছর বন্যাত্তোর ত্রাণ ও পূর্ণবাসন | বাঞ্ছারামপুর থানার সবগুলি গ্রামে নগদ টাকা, বেশকিছু ওষধপত্র ও অন্যান্য ত্রাণ সামগ্রী বন্যা দূর্গতদের মধ্যে বিতরণ করা |
| কর্মসূচী পালিত হয় | হয়েছিল |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে প্রথম সরকার র্কতৃক | পাক্ষিক বাঞ্ছারামপুর বার্তা | ২০০৫ সালের ১৬ ডিসেম্বর, সরকারী অনুমোদনপ্রাপ্ত প্রথম পাক্ষিক বাঞ্ছারামপুর বার্তার ১ম |
| অনুমোদিত বাঞ্ছারামপুর পাক্ষিক কোনটি | সংখ্যা প্রকাশিত হয় | সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ মনিরুজ্জামান পামেন (বাঁশগাড়ী) ও প্রধান সম্পাদক জান্নাতুল ইসলাম |
| (ডালিম)-এর বাড়ি-পাড়াতুলি |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কল্যাণ সমিতির মুখপত্র | বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কল্যাণ সমিতির মুখপত্র শিকড়ের সন্ধানে প্রথম সংখ্যা ২০০৮ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রকাশ করা হয় | বলা |
| শিকড়ের সন্ধানে প্রথম প্রকাশ করা হয়: | হয়েছে প্রতি তিন মাস অন্তর পত্রিকাটি প্রকাশ করা হবে এবং আরো বলা হয়েছে নিরপেক্ষতা বজায় রেখে শিকড়ের সন্ধানে সত্য |
| ও ঐতিহ্য সন্ধান করে যাবে |
| বাঞ্ছারামপুর থানার মধ্যে প্রথম কোন গ্রামের | রূপসদী গ্রামের(উত্তরপাড়ার) অধিবাসী জনাব মোঃ হারুন-অর-রশীদ (খলিফা), পিতা-মোঃ আবু মিঞা, গ্রাম-রূপসদী, |
| বাসিন্দা-১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দে ''চায়না ইন মাই | পোঃ-রূপসদী, বাঞ্ছারামপুর, জেলা-বি-বাড়িয়া, বিভাগ-চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ | ''চায়না ইন মাই মাইন্ড'' রচনা কমপিটিশনে |
| মাইন্ড'' পুরস্কারে ভূষিত হয় | ১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দে তাকে রেডিও বেইজিং, বেইজিং টুরিযম এডমিনিস্ট্রেশন, সাটিফিকেট কার্ড ফর এ্যাসে কমপিটিশন-১৯৮৮ |
| ''চায়না ইন মাই মাইন্ড'' পুরস্কারে ভূষিত করে |
| মুক্তিযোদ্ধা | ৪৯৫ জন ছিল, ৩১-০৫-২০১০ তারিখে ৮৭৩ জন | ৬৮২ জন |
| মুক্তিযোদ্ধা সংসদ | ১টি |
| মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার | দরিকান্দি গ্রামের গোলাম মোহাম্মদ ইসহাক |
| শহীদ মুক্তিযোদ্ধা | ২৭ জন |
| আহত মুক্তিযোদ্ধা | ৩৯ জন |
| ১৯৭১ সালে ঐতিহাসিক ঘটনাবলি | পাকবাহিনীর সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মুখযুদ্ধে দু'জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন |
| বিদ্যুতায়িত গ্রাম | ১২১টি |
| সিনেমা হল | ৩টি |
| পোষ্ট অফিস | ১৮টি |
| টেলিগ্রাম অফিস | ১টি |
| টেলিফোন একচেঞ্জ | ১টি |
| পি.সি.ও. | ৩টি |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় খাদ্য | ৪০,৫৪৮ মেট্রিক টন | বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কল্যাণ সমিতির মেগাজিনে এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলা ছাত্র-ছাত্রী মৈত্রী সমিতির মেগাজিনে খাদ্য |
| উৎপাদন কত টন | উৎপাদন দেখানো হয়েছে-৭,৮৮,৪২২ মে. টন | এটা ভুল দেখানো হয়েছে | ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় খাদ্য উৎপাদন হয়-৭,৮৮,৪২২ মে. টন | জেলার |
| খাদ্যউৎপাদন বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় দেখানো হয়েছে এটা মারাত্ত্বক ভুল |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মহিলারা খাদ্যশস্য উৎপাদন করে | বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় যে পরিমাণ খাদ্যশস্য উৎপাদন হয় তার অর্ধেক নারীর পরিশ্রমের ফসল |
| টেলিভিশন আছে কয়টি | ৩০,৫০০টি পরিবারের | ১৩-০৫-২০১৫ তারিখ |
| রঙ্গিন টেলিভিশন আছে | ১১,৯০০টি পরিবারের |
| সরকারী হাসপাতাল | ০১টি |
| ডাক্তারের সংখ্যা | ২২ জন |
| কর্মরত ডাক্তারের সংখ্যা | ১৪ জন |
| ডাক্তার অনুপাত মানুষ | ১:২২,০০০ জন মানুষ |
| উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র | ১টি |
| বে-সরকারি হাসপাতাল | ৪টি |
| ক্লিনিক | ১টি |
| স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র | ১৪টি |
| পশু চিকিৎসা কেন্দ্র | ০১টি |
| পল্লী স্বাস্থ্য কেন্দ্র | ০২টি |
| গবাদি পশু খামার | ০১টি |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সক্ষম দম্পতির সংখ্যা | ৫৪,৫৫৪ জন | (২০১৫ সালের হিসেব) |
| পাকা সড়ক | ১৩৭ কি. মি. |
| কাঁচা সড়ক | ২১৭ কি. মি. |
| আধাপাকা রোড | ৫ কিলোমিটার |
| ব্রীজ | ২০টি |
| কালভাট | ১৯৭টি |
| সোনালী ব্যাংকের শাখা | ২টি |
| কৃষি ব্যাংকের শাখা | ৩টি |
| জনতা ব্যাংকের শাখা | ৩টি |
| অগ্রণী ব্যাংকের শাখা | ২টি |
| ইসলামী ব্যাংকের শাখ | ১টি |
| গ্রামীণ ব্যাংকের শাখা | ১টি |
| ব্রাক ব্যাংকের শাখা | ১টি |
| ডাচ-বাংলা ব্যাংক | ১টি |
| জল মহাল | ২৪টি | আয়তন ৯৩৪ একর |
| মৎস্য খামার | ৫০টি | আয়তন-৩৩ একর |
| পুকুর | ১৩১৩টি, আয়তন-২০৮ একর |
| হ্যাচারী | নেই |
| পোনা উৎপাদন কেন্দ্র | ৬টি(নার্সারী) |
| বার্ষিক পোনা উৎপাদন ক্ষমতা | ৮৩,৫০,০০০টি |
| বার্ষিক মাছ উৎপাদন ক্ষমতা | ৬,৪৭০ ম্যাট্রিক টন |
| কৃতিম প্রজনন উপকেন্দ্র | ১টি-পয়েন্ট ৪টি |
| মুরগি খামার | ৪টি(লেয়ার) |
| মুরগি খামার/বয়লার | ৬৭টি |
| হাঁসের খামার/লেয়ার | ২টি |
| দুগ্ধ খামার | ৪৭টি |
| ছাগলের খামার | ১০টি |
| গরুর খামার | নেই |
| গরুর সংখ্যা | ২২,১০০টিটি |
| মহিস | নেই |
| ছাগলের সংখ্যা | ১৫,৯৫০টি |
| ভেড়ার সংখ্যা | ১,৩৮০টি |
| মোরক-মোরগির সংখ্যা | ২,০৭,১০০টি |
| হাঁসের সংখ্যা | ৮৮,৭০০টি |
| পানীয় জলের নলকুপ | ২৪,৪২৩টি |
| স্যানেটারী ল্যাট্রিন | ৫৪,৩৫৫টি |
| বাস/ট্রাক | নেই |
| মাইক্রোবাস | ৫২টি |
| প্রাইভেট কার | ৪টি |
| ঠেলাগাড়ি | ৭৮টি |
| ট্যাম্পো | নেই |
| রিকসা | ১৪৮৩টি |
| বাইসাইকেল | ৭০০টি |
| মোটর সাইকেল | ৬৫০টি |
| নসিমন | ১৯৬টি |
| ভ্যান গাড়ি | ১৬৮টি |
| পাওয়ার ট্রাক্টর | ১০৫টি |
| দেশী নৌকা | ৬৭০টি |
| ইঞ্জিন নৌকা | ১০১টি |
| ০ | স্কুটার | ৩২০টি |
| অটোবাইক | ৭৪০টি |
| লঞ্চ | ১টি |
| ডাকবাংলো | ২টি |
| প্রাকৃতিক গ্যাস | ২টি |
| হাট-বাজার | ১০৫টি |
| নৌ-পথ | ১৮২ কি.মি. |
| সনাতন বাহন আছে | পাল্কি, গরু ও গোড়ার গাড়ি নেই |
| কলম তৈরীর কারখানা | ০১টি |
| বরফকল কয়টি | ০৬টি |
| ধানকল কয়টি আছে | ১৯০টি |
| স্বর্ণকার কতজন আছে | ৬৬ জন |
| কামার কতজন আছে | ৩৫ জন |
| কাঠের কাজে কতজন | ৫৫৯ জন |
| সেলাই কাজে কয়জন | ৬৫৯ জন |
| মেলা কয়টি স্থানে হয় | ৩টি স্থানে | রূপসদী, বাঞ্ছারামপুর ও দরিয়াদৌলত |
| রূপসদী গ্রামে কয়টি মেলা হয় | ২টি | রূপসদী গ্রামের খানেপাড়াতে ১ম দিন একটি মেলা হয় এবং ২য় দিন হয় রূপসদী গ্রামের |
| দক্ষিণপাড়ার বাজারে |
| কমিউনিটি সেন্টার | ৮টি |
| মৌজার সংখ্যা | ৭৪টি |
| খাস জমির পরিমাণ | ৬২৪ একর |
| কৃষি জমির পরিমাণ | ৪৬,২৮৫ একর |
| আবাদি জমির পরিমাণ | ৩২,৪০০ একর |
| অনাবাদি জমির পরিমাণ | ১৩,৮৮৫ একর |
| নদী | ৭,৪৩৩ একর |
| ভূমিহীন পরিবারের সংখ্যা | ২৫,০০০টি |
অ
| নিট ফসলী জমির পরিমাণ | ৩০,৪৪১ একর, ১০০(একশত) শতকে ১(এক) একর, ২৫০(দুইশত পঞ্চাশ) শতকে ১(এক) হেক্টর, ৬৪০(ছয়শত চল্লিশ) একরে ১(এক) |
| বর্গমাইল |
| এক ফসলা জমির পরিমাণ | ১০,৩২২ একর |
| দুই ফসলা জমির পরিমাণ | ১৪,৭৪৫ একর |
| তিন ফসলা জমির পরিমাণ | ৪,৪২৩ একর |
| খাদ্য উৎপাদন হয় | ৪৮,৮৫৫ ম্যাট্রিক টন | (২০১২-১৩) |
| খাদ্য চাহিদা | ৫৩,০৪৭ ম্যাট্রিক টন |
| খাদ্য ঘাটতি | ৪,১৯২ ম্যাট্রিক টন |
| সেচ গভীর নলকুপ | নেই |
| অ-গভীর নলকুপ | ১৫৮৩টি |
| শক্তিচালিত নলকুপ | ২২২টি |
| সেচকৃত জমি | ২৩,৮৫৩ একর |
| কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র | ০১টি |
| গমবায় সমিতি(কে.এস.এম.) | ২৩৯টি |
| মহিলা সমবায় সমিতি | ৫৮টি |
| মৎস সমবায় সমিতি | ২৯টি |
| তাঁতী সমবায় সমিতি | ৬৯টি |
| ক্ষুদ্র ঋণ/বহুমুখী সমবায় সমিতি | ৭৯টি |
| আদর্শ সমবায় সমিতি | ৪টি |
| সঞ্চয়দান সমবায় সমিতি | ৫টি |
| কৃষক সমবায় সমিতি | ১৭৩টি |
| বিত্তহীন সমবায় সমিতি | ৪১টি |
| ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি | ৯৯৯টি |
| রেজিস্ট্রার্ড ক্লাব | ১টি |
| প্রেসক্লাব | ১টি |
| পুলিশ অনুমোদিত পদের সংখ্যা | ৪৩ জন |
| কর্মরত পুলিশের সংখ্যা | ৪১ জন |
| মসজিদের সংখ্যা | ৫২৯টি |
| মন্দিরের সংখ্যা কত | ০৮টি |
| মোরের সংখ্যা কয়টি | ০৩টি |
| বড় মাযার কয়টি | ০১টি | মাসিন্নগর বাজারে অবস্থিত |
| মাযারের সংখ্যা কয়টি | ২০১টি |
| এতিমখানা কয়টি | ০৮টি |
| ভোকেশনাল ট্রেনিং ইন্সটিটিউট কয়টি | ০১টি |
| সঙ্গীত বিদ্যালয় কয়টি | ০২টি |
| সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র কয়টি | ০২টি |
| টাইপ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র | ০১টি |
| সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও পাবলিক লাইব্রেরী | ০১টি |
| বাঞ্ছারামপুর থানার এল.এস.ডি. গোডাউন ধারণ ক্ষমতা | ১,০০০ মেট্রিক টন |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কোথায় গ্যাস পাওয়া যায় | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বাখরনগর ও ফেরাইজ্জাকান্দি গ্রামে |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কোথায় গ্যাস ফিল্ডটি প্রতিষ্ঠিত হয় | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বাখরনগর গ্রামে |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় প্রতি বর্গমাইলে বাস করে | ৩,৭৫০(তিন হাজার সাতশত পঁঞ্চাশ) জন প্রতি বর্গমাইলে বাস করে |
| ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় প্রতি বর্গমাইলে বাস | ২,৬৫৬(দুই হাজার ছয়শত ছাপান্ন) জন প্রতি বর্গমাইলে বাস করে |