| বাংলাদেশে প্রতি বর্গমাইলে বাস করে | ২,৭৯৩(দুই হাজার সাতশত তিরানব্বই) জন প্রতি বর্গমাইলে বাস করে |
| পৃথিবীতে প্রতি বর্গমাইলে কতজন লোক বাস | ১২৮ জন | ১১-০৩-২০১৫ তারিখ পৃথিবীর লোকসংখ্যা ছিল-৭২৯ কোটি | এরমধ্যে বাঙ্গালী বা বাংলা ভাষায় কথা বলে |
| করে | প্রায়-২৮ কোটি লোক | পৃথিবীর লোকসংখ্যার ২৬ ভাগের ১ ভাগ হলো বাঙ্গালী বা বাংলা ভাষায় কথা বলে | লোকসংখ্যার |
| দিক থেকে পৃথিবীর ৫ম স্থানে হলো বাংলা ভাষা |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার আয়তন কত | ৮০ বর্গমাইল বা ১৮৬.৬৬ বর্গ কি.মি. |
| ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আয়তন | ১২০৫ বর্গমাইল বা ১৯২৭ বর্গ কি.মি. |
| বাংলাদেশের আয়তন কত | ৫৭,২৯৫(সাতান্ন হাজার দুইশত পঁচানব্বই) বর্গমাইল | এক লক্ষ সাতচল্লিশ হাজার বর্গিকলোমিটার |
| মানুষের বাসযোগ্য পৃথিবীর আয়তন কত | ৫,৭০,১৭,০০০(পাঁচ কোটি সত্তর লক্ষ সতের হাজার) বর্গমাইল | মানুষের বসবাস উপযোগী যায়গা |
| সাগর, জল ও স্থলসহ পৃথিবীর আয়তন কত | ১৯,৫২,৫০,৮০০(উনিশ কোটি বায়ান্ন লক্ষ পঁঞ্চাশ হাজার আটশত) বর্গমাইল | এরমধ্যে ২১টি ছোট-বড় সাগরের আয়তন |
| হলো-১৩,৮২,৩৩,৮০০(তের কোটি বিরাশি লক্ষ তেত্রিশ হাজার আটশত) বর্গমাইল |
| পৃথিবী থেকে বাংলাদেশ, বাংলাদেশ থেকে | পৃথিবীর কাছ থেকে বাংলাদেশ যায়গা পেয়েছে-৯৯৫ ভাগের ১ ভাগ যায়গা, মানুষের তুলনায় পৃথিবীর কাছ থেকে বাংলাদেশ |
| ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা | যায়গা পাওয়া উচিত ছিল-১৩(তের লক্ষ) বর্গমাইল | কিন্তু যায়গা পেয়েছে-৫৭,২৯৫(সাতান্ন হাজার দুইশত পঁচানব্বই) বর্গমাইল |
| থেকে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা-কতটুকু যায়গা | বাংলাদেশ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা যায়গা পেয়েছে-৪৭.৫৫ ভাগের ১ ভাগ যায়গা, মানুষের তুলনায় বাংলাদেশ থেকে |
| পেয়েছে তার হিসেব দেয়া হলো: | বি-বাড়িয়া জেলা যায়গা পেয়েছে কিছু বেশী | ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা থেকে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা যায়গা পেয়েছে-১৫.০৫ ভাগের ১ |
| ভাগ যায়গা (৮০ বর্গমাইল) যায়গা মানুষের তুলনায় যায়গা পাওয়া উচিত ছিল-১৪২ বর্গমাইল |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া | বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় বাস করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ৮ ভাগের ১ ভাগ মানুষ, বাংলাদেশের ৫৩৩ ভাগের ১ ভাগ মানুষ এবং |
| জেলার, বাংলাদেশের এবং পৃথিবীর কতভাগ | পৃথিবীর ২৩,২৩৩ ভাগের ১ ভাগ মানুষ | ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় বাস করে বাংলাদেশের-৭০ ভাগের ১ ভাগ মানুষ এবং |
| লোক বাস করে | পৃথিবীর-২,১৭৮ ভাগের ১ ভাগ মানুষ | বাংলাদেশে বাস করে পৃথিবীর-৪৩ ভাগের ১ ভাগ মানুষ |
| বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন | ২০১৫-২০১৬ সালে ৩.৯০(তিন কোটি নব্বই লক্ষ) টন |
| ২০১৫ সালে বিশ্বে খাদ্য উৎপাদন হয় | প্রায়-২৩০(দুইশত ত্রিশ কোটি) টন |
| ২০১৫ সালে বিশ্বে খাদ্য মজুদ ছিল | প্রায় ৪৩ কোটি টন |
| পৃথিবীর খাদ্যের কতগুণ হয় বাংলাদেশে | ৫৯ ভাগের ১ ভাগ খাদ্য উৎপাদন হয় বাংলাদেশে | পৃথিবীর ৪৩ ভাগের ১ ভাগ মানুষ বাস করে |
| পৃথিবীর লোকসংখ্যার আনুপাতিক হারে খাদ্য উৎপাদন করতে পারলে | বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন হতো-৫(পাঁচ) কোটি টন | আধুনিক পদ্ধতিতে চাষ করলে (ফাওয়ের হিসেব |
| অনূযায়ী) বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন হবে-২৪(চব্বিশ) কোটি টন |
| ২০১৪ সালে বিশ্ব উৎপাদন ছিল | ২০১৪ সালে বিশ্বের মোট উৎপাদন হয়েছিল-১১৪(একশত চৌদ্ধ) ট্রিলিয়ন ডলার | ২০১৫ সালে বিশ্বের মোট জিডিপি হয়েছিল-১১৭.৭৬২ |
| কত ট্রিলিয়ন ডলার | ট্রিলিয়ন ডলার এবং ২০১৫ সালে প্রবৃদ্ধি ছিল-৩ দশমিক ৩ শতাংশ | তাই বিশ্ব মোট জিডিপি-১১৭.৭৬২ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার | ২০১৬ |
| সালে বিশ্ব প্রবৃদ্ধি হয়েছে-২.৩ শতাংশ | ২০১৬ সালে বিশ্বের মোট জিডিপি বা মো উৎপাদন হয়েছে-১২০.৪৭ ট্রিলিয়ন ডলার |
| বিশ্ব প্রবৃদ্ধি কত হবে তা দেয়া | আইএমএফের মতে, ২০১৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৩ দশমিক ১ শতাংশ, গত জুলাইয়ে সংস্থাটি একই ধরনের পূর্বাভাস |
| আছে | দিয়েছিল | ২০১৬ সালে বিশ্ব প্রবৃদ্ধি হয়েছে-২ দশমিক ৩ শতাংশ | তবে আগামী বছর গড় প্রবৃদ্ধি কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে ২ দশমিক ৭ শতাংশ |
| হবে বলে মনে করছে আইএমএফ | আগামী দুবছর ২০১৮ এবং ২০১৯ সালে প্রবৃদ্ধি কিছুটা বাড়বে ২ দশমিক ৯ শতাংশ | তবে যুক্তরাষ্ট্র ও |
| যুক্তরাজ্যের গড় প্রবৃদ্ধি ১ দশমিক ৬ শতাংশ হতে পারে |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সমগ্র ভূমি কি নামে পরিচিতি | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সমগ্র ভূমি মেঘনা প্লাবন ভূমি নামে পরিচিতি |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সমগ্র ভূমি বর্ষাকালে কি রূপ ধারণ করে- | বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সমগ্র ভূমি বর্ষাকালে পানির নিচে চলে যায় এবং পানির উপরে থাকে শুধু |
| যেখানে মাটি ভরাট করে কৃত্রিম উপায়ে উঁচু ভূমি সৃষ্টি করে বাড়িঘর নির্মাণ করা হয়েছে |
| ১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দের পূর্বে বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় তাঁতের সংখ্যা ছিল | ১৬(ষোল) হাজার |
| ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর-এ এসে বাঞ্ছারামপুর উপজেলাতে তাঁতের সংখ্যা হলো কত | ৮০০(আটশত) তাঁতও নেই |
| বাঞ্ছারামপুর থানার প্রতিষ্ঠাকাল | বাঞ্ছারামপুর থানা প্রতিষ্ঠা হয় ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দে | ১৮৮৯ খ্রিষ্টাব্দে বাঞ্ছারামপুর পুলিশ ফাঁড়ি নাম ছিল তার পূর্বে ১৮৫৮ খ্রিষ্টাব্দে |
| ঃ | মরিচাকান্দি পুলিশ ফাঁড়ি নাম ছিল | এ পুলিশ ফাঁড়িগুলি যখন ছিল তখন গৌরিপুর থানা প্রতিষ্ঠিত হয়-১৮৭৫ খ্রিষ্টাব্দে এবং নবীনগর-এর |
| নামে থানার নামকরণ করা হয় ১৮৭৮ খ্রিষ্টাব্দে |
| বাঞ্ছারামপুর থানার নাম পরিবর্তন করে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নাম করণ হয় কবে | ১৯৮৩ খ্রিষ্টাব্দে বাঞ্ছারামপুর থানার নাম পরিবর্তন করে ''বাঞ্ছারামপুর উপজেলা'' নামকরণ |
| ২০০৪ সালের ২৫ জানুয়ারি, | আজ থেকে আগামী দুই বছরের মধ্যে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার প্রত্যেক গ্রামে আপনারা গাড়ী নিয়ে যেতে পারবেন | এ কথার সাথে আমি |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কল্যাণ | মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর) একমত নই এ কারণে যে, উনি জনাব এম. এ. খালেক, পি.এস.সি. বাঞ্ছারামপুর উপজেলার প্রত্যেক গ্রামে |
| সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় | গাড়ী নিয়ে যাওয়ার মত রাস্তা তৈরী করতে পারবেন না | তিনি আরো বলেছেন যে, আগামী দুই বছরের মধ্যে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার |
| মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব এম. এ. | প্রত্যেক গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে এবং এও বলেছে যে, বাংলাদেশে ৩০% গ্রামে বিদ্যুৎ আছে | আর বর্তমানে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার |
| খালেক, পি. এস. সি. তাঁর ভাষণে | ৮০% গ্রামে বিদ্যুত আছে | আমার কথা হলো যে, এ অঙ্গীকারও তিনি পালন করতে পারবে না-মানে সবাইকে বিদ্যুৎ দিতে পারবে না |
| বলেন যে: | যদিও তিনি বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সব গ্রামে বিদ্যুত লাইন সরবরাহ করেও থাকে তা'হলেও সকল গ্রামের সবাইকে বিদ্যুত দিতে পারবে |
| না | এখনও বাংলাদেশের ৩০% গ্রামের সবাই বিদ্যুৎ পায় না | বাংলাদশের ৩০% লোক বিদ্যুৎ সুবিধা পেয়ে থাকে তাও আবার নিয়মিত |
| না | বাংলাদেশের মধ্যে নিয়মিত শতকরা বড়জোর ১৫% লোক নিয়মিত বিদ্যুৎ সুবিধা পায় |
| ২০০৪ সালের ২৫ জানুয়ারি, বাঞ্ছারামপুর | মিরপুর গ্রামে ৫০০ বেডের হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করবে | এ কথা বলায় অনেকে হাততালি দিয়েছে | এ কথার সাথে আমি মোঃ জাকির |
| উপজেলা কল্যাণ সমিতির বার্ষিক সাধারণ | হুসেন (আলমগীর) একমত নই এ কারণে যে, উনি ড. রওশন আলম গ্রামে ৫০০ বেডের হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করবে না, কারণ |
| সভায় মিরপুর গ্রামের ড. রওশন আলম | পুঁজিবাদী সমাজ ব্যবস্থায় মিরপুরের মত গ্রামে এ হাসপাতাল চলবে না | এ সমাজ ব্যবস্থায় কেউ কোন প্রতিষ্ঠান মুনাফার |
| বলেন যে: | বাহিরে প্রতিষ্ঠা করে না | ড. রওশন আলম ফাঁকা বক্তব্য দিয়েছে সমিতির সভায় | এখনো পর্যন্ত মিরপুরে ৫০০ বেডের হাসপাতাল |
| করতে পারে নাই(৩১-১২-২০১৬ তারিখ) |
| ২০১০ সালের ২৩ জানুয়ারি, | কড়ইতলা ঘাটে ফেরিত ব্যাপার নয়-অল্প কিছু দিনের মধ্যে হয়ে যাবে এবং আগামীতে মেঘনা নদীর ওপর একটি ব্রিজ হবে | বাঞ্ছারামপুর |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কল্যাণ | উপজেলার লোকেরা মেঘনা নদীর ওপর ব্রিজ দিয়ে ঢাকাতে যাতায়াত করবে | এ কথার সাথে আমি মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর) একমত নই |
| সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় | এ কারণে যে, উনি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপটেন (অব.) এ. বি. তাজুল ইসলাম আগামী ২০১৩ সালের মধ্যে কড়ইকান্দি থেকে টেইট্টা |
| মাননীয় সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধ | পর্যন্ত মেঘনা নদীর ওপর ব্রিজ করতে পারবে না বা করবে না | এখন পর্যন্ত বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মানুষের যোগাযোগের মাধ্যম |
| বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপটেন | বাস-সার্ভিস হয়নি | তবে আমার জানা মতে ১৯৮৫ ও ১৯৮৬ সাল থেকে ঢাকা হতে হোমনা ও নবীনগরে বাস-সার্ভিস চালু হয় | তিনি আরো |
| (অব.) এ. বি. তাজুল ইসলাম | বলেছেন যে, আগামী দুই বছরের মধ্যে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার প্রত্যেক গ্রামে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ করবে | আমার কথা হলো যে, এ |
| প্রধান অতিথির ভাষণে বলেন যে | অঙ্গীকারও তিনি পালন করতে পারবে না-মানে সবাইকে গ্যাস ও বিদ্যুৎ দিতে পারবে না | যদিও তিনি বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সব গ্রামে |
| ঃ | গ্যাস ও বিদ্যুত লাইন সরবরাহ করেও থাকে তা'হলেও সকল গ্রামের সবাইকে বিদ্যুত দিতে পারবে না | এখনও বাংলাদেশের ৫০% গ্রামের |
| সবাই বিদ্যুৎ পায় না | বাংলাদশের ৪৫% লোক বিদ্যুৎ সুবিধা পেয়ে থাকে তাও আবার নিয়মিত না | বাংলাদেশের মধ্যে নিয়মিত শতকরা |
| বড়জোর ২৫% লোক নিয়মিত বিদ্যুৎ সুবিধা পায় | এখন ১৩-১১-২০১৪ তারিখ বাংলাদেশের শতকরা ৬০ ভাগ বিদ্যুৎ সুবিধা পায়-এও আবার |
| অনিয়মিত | নিয়মিত বিদ্যুৎ সুবিধা পায় ৩০ ভাগ মানুষ |
| ২০১২ সালের ২০ জানুয়ারি, বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কল্যাণ সমিতির বার্ষিক সাধারণ | বাঞ্ছারামপুরের জনগণের জন্য কড়ইকান্দি থেকে টেইট্টা পর্যন্ত মেঘনা নদীর ওপর ব্রিজ |
| সভায় মাননীয় সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপটেন (অব.) এ. বি. | করা সমীচীন হবে না | দু'বছর পর মন্ত্রী সাহেবের অনুভব হয় যে, বর্তমান সময়ে ব্রীজ |
| তাজুল ইসলাম প্রধান অতিথির ভাষণে বলেন যে: | করা সম্ভব হবে না | তাই দেরীতে হলেও সত্য কথা বলেছে |
| ২০১৫ সালের ১৫ মার্চ, ক্যাপটেন (অব.) এ. বি. তাজুল ইসলাম, এম.পি. ও মো: নজরুল ইসলাম বাবু, এম.পি. | এরা দু'জন | কবে হবে-তার জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে |
| এম.পি. মিলে নবম চায়না ফ্রেন্ডশীপ ব্রিজ করার জন্য আড়াই হাজার টেইট্টা বিষনন্দী ও বাঞ্ছারামপুর কড়ইকান্দি মেগনা নবম | হবে |
| বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কারো নিকট | মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর), ডেপুটি রেজিস্ট্রার(অবসর), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় | গ্রাম-ভেলানগর(বড়বাড়ি), পোঃ-রূপসদী, |
| কোন নতুন তথ্য জানা থাকলে- | উপজেলা-বাঞ্ছারামপুর, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া, বিভাগ-চট্টগ্রাম, দেশ-বাংলাদেশ | মোবাঃ-০১৭১৬৬৫৪৮৪৪ | এ টেলিফোন নাম্বারে আমাকে |
| জানানোর জন্য আপনাদেরকে বিনীত অনুরোধ করছি |
।বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১২৪টি গ্রামের নামের তালিকাসমূহ:।
| ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নে মোট ১২টি গ্রাম | ভেলানগর, বালুয়াকান্দি, ছয়ফুল্লাকান্দি, দরিভেলানগর, ফতেপুর, শরীফপুর, পাড়াতুলি, মধ্যনগর, ডোমরাকান্দি, |
| আছে | মঙ্গলখালী, কাঞ্চনপুর ও মাসিমনগর |
| দরিকান্দি ইউনিয়নে মোট ৯টি গ্রাম আছে | খাল্লা, কৃষ্ণনগর, বাহাদুরপুর, দরিকান্দি, দরিগাঁও, গোকুলনগর, গোপালনগর, ইমামনগর ও জীবনগঞ্জ |
| রূপসদী ইউনিয়নে মোট ৪টি গ্রাম আছে | রূপসদী, আশ্রফপুর, হোগলাকান্দি ও খাউরপুর |
| ফরদাবাদ ইউনিয়নে মোট ৭টি গ্রাম আছে | নিজকান্দি, গাওরাটুলি, তিলককান্দি, পূর্বহাটি, |
| কলাকান্দি, চরলহনিয়া ও ফরদাবাদ |
| তেজখালি ইউনিয়নে মোট ৯টি গ্রাম আছে | জয়নগর, ইমামনগর, আকানগর, গোটকান্দি, |
| হরিনগর, বিষ্ণরামপুর, বাহেরচর(বারাইলচর), |
| পাহাড়িয়াকান্দি ইউনিয়নে মোট ৯টি গ্রাম | জয়কালিপুর, নবীপুর, ডোমরাকান্দি, উলুকান্দি, |
| আছে | বড়কান্দি, কলাকান্দি, হিজলাকান্দি, পাহাড়িয়াকান্দি |
| দরিয়াদৌলত ইউনিয়নে মোট ৯টি গ্রাম আছে | মরিচাকান্দি, বাখরনগর, নতুন কদমতলি, |
| শুঁটকীকান্দি, তাতুয়াকান্দি, কদমতলি, দরিয়াদৌলত, |
| সোনারামপুর ইউনিয়নে মোট ৮টি গ্রাম আছে | চরমরিচকান্দি, কানাইনগর, শান্তিপুর, ইছাপুর, দুলারামপুর, ফেরাইজ্জাকান্দি,সোনারামপুর ও চর শিবপুর |
| বাঞ্ছারামপুর ইউনিয়নে মোট ১৫টি গ্রাম আছে | দশদোনা, জগন্লাথপুর, বাঞ্ছারামপুর, দরি- |
| বাঞ্চারামপুর, ভিটিঝগড়ারচর, দুর্গারামপুর, |
| সফিরকান্দি, দুর্গাপুর, আলীপুর, মনাইখালী, পঞ্চমপুর, |
| ধারিয়ারচর, খোশকান্দি, তেলিকান্দি ও ভবনাথপুর |
| আইয়ুবপুর ইউনিয়নে মোট ১০টি গ্রাম আছে | বাঁশগাড়ি, দশআনী, আইয়ুবপুর, চর ছয়আনী, |
| ইসলামপুর, নগরিরচর, কানাইনগর, খাশনগর, |
| সলিমাবাদ ইউনিয়নে মোট ১৬টি গ্রাম আছে | সলিমাবাদ, সাহেবনগর, নিলখি, পাইকারচর, |
| সাতবিলা, কমলপুর, মিরপুর, আশ্রাফবাদ, |
| হোসেনপুর, হায়দরনগর, তাতুয়াকান্দি, ভুরভুরিয়া, |
| গঙ্গানগর, ঝুনারচর, খাগকান্দা ও পাঠামারা |
| উজানচর মোট ৮টি | নতুনহাটি, সরিষারচর, সেখেরকান্দি, উজানচর, |
| কৃষ্ণনগর, বুধাইকান্দি, রাধানগর ও কালিকাপুর |
| বাহেরচর ইউনিয়নে মোট ৮টি | কল্যাণপুর, মানিকপুর, চারআনী, উলুকান্দি, |
| কাপাসকান্দি, দো-আনী, মায়ারামপুর ও বাহেরচর |
| মো: জাকির হুসেন ওরফে আলমগীর, ডেপুটি রেজিস্ট্রার(অবসর), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় | গ্রাম-ভেলানগর(বড়বাড়ি), রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয়ের কোন তথ্য জানা থাকলে আমাকে আমার |
| মোবাইল নাম্বারে জানানোর জন্য, আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি | কারোর নাম যদি বাদ পড়েছে মনে হয় তা' আমাকে জানালে আমি আবার ঠিক করে দিব | আমার মোবাইল |
| নাম্বার-০১৭১৬৬৫৪৮৪৪ | এ স্কুল থেকে শতবর্ষে কে. কি. হয়েছেন তা আপনাদের জানাবার জন্য-আমাদের এ পরিশ্রম |
।শতবর্ষে-এক নজরে রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয়ের কিছু তথ্য তুলে ধরা হলো :।
| রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয় | ১৯১৫ সালের ১০ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয় |
| উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাতার নাম ও পরিচয় | (ক) বাবু মহিম চন্দ্র রায় ও (খ) বাবু হরিমোহন রায় |
| গ্রাম-রূপসদী(খানেপাড়া), উপজেলা-বাঞ্ছারামপুর, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া |
| এ স্কুল থেকে প্রথম কোন সাল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ | ১৯১৭ সাল থেকে শুরু হয় এবং প্রথম ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষা দেয় অন্য স্কুলের নামে |
| প্রথম স্বীকৃতির তারিখ | ০১-০১-১৯১৮ তারিখ | ১৯১৮ সাল থেকে রূপসদী বৃন্দাবান স্কুলের নামে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষা দেয় |
| ১৯১৫ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত পড়া-লেখা করেছে | ১০,৮০৪(দশ হাজার আটশত চার) জন ছাত্র-ছাত্রী |
| এ প্রতিষ্ঠান থেকে কত ছাত্র-ছাত্রী মেট্রিকুলেশন এবং এস.এস.সি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে নাই তার হিসাব | ২০১৫ সাল পর্যন্ত ২,৯২০ জন ছাত্র-ছাত্রী বা শতকরা ২৭.০২ |
| এ পর্যন্ত কত ছাত্র-ছাত্রী ১৯১৭ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ম্যাট্রিকুলেশন ও এস.এস.সি. | ৭,৮৮৪(সাত হাজার আটশত চুরাশি) জন ছাত্র-ছাত্রী পরীক্ষা দিয়েছে বা শতকরা ৭২.৯৭ |
| এ প্রতষ্ঠান থেকে ১৯১৭ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত কতজন ছাত্র-ছাত্রী ম্যাট্রিকুলেশন ও এস.এস.সি. পাশ করেছে: | ৪,৮৪৯(চার হাজার আটশত উনপঁঞ্চাশ) জন ছাত্র-ছাত্রী বা |
| এ প্রতিষ্ঠান থেকে ১৯১৭ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত কতজন ছাত্র-ছাত্রী ফেল করেছে তার হিসাবঃ | ৩,০৩৫ জন ছাত্র-ছাত্রী বা শতকরা ৩৮.৫০ ভাগ |