১৯১১ সালের ৩০ নভেম্বর, পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সাবেক ইমিরিটাস অধ্যাপক ড. আবু মহামেদ হবিবুল্লাহর জন্ম, মৃত্যু-১৯৮৪ সালে।
১৯১১ সালের ৩১ জুলাই, বরিশালে উপমহাদেশের বিশিষ্ট সংগীতজ্ঞ পন্ডিত পান্নালাল ঘোষ জন্মগ্রহণ করেন, দিল্লিতে মৃত্যু-২০-০৪-১৯৬০ তারিখ।
১৯১১ সালের ৩১ অক্টোবর, ফেনীর মিজান ময়দান সড়কের হক ভিলায় প্রবীণ সাংবাদিক ও প্রথিতযশা লেখক ওবায়েদ উল হকের জন্ম, মৃত্যু-১৩-১০-২০০৭ তারিখ।
১৯১১ সালে অবিভক্ত বাংলার মুসলমান চিত্রশিল্পীদের পথিকৃৎ প্রথম মুসলমান কার্টুিনস্ট এবং শিশু সাহিত্যিক কাজী আবুল কাসেমের জন্ম, মৃত্যু-১৯-০৭-২০০৪ তারিখ।
১৯১১ সালে কুমিল্লার লাখসাম উপজেলায় প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও জাতীয় অধ্যাপক শামসুল হকের জন্ম, মৃত্যু-২৩-০২-২০০৬ তারিখ। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৪-বছর এবং ১৯৩০ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করেন।
১৯১১ সালে উপমহাদেশের বরেণ্য শিক্ষাবিদ ও দাতা আশুতোষ গাঙ্গুলীর জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই। তিনি মুন্সীগঞ্জের শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হরগঙ্গা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর পৈতৃক বাড়ি টংগীবাড়ি উপজেলার রাউথভোগ গ্রামে।
১৯১১ সালের ৬ ডিসেম্বর, মুন্সিগঞ্জ জেলার যশোলং গ্রামে বিপস্নবী দীনেশচন্দ্র গুপ্তের জন্ম, ফাঁসিতে মৃত্যু-আলিপুর জেলাতে-০৭-০৭-১৯৩১ তারিখ। কলকাতার লালদীঘি বিনয়-বাদল-দীনেশের নামে উৎসর্গ করা হয়েছে। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে বিক্রমপুরের বিনয় বসু, বাদল গুপ্ত ও দিনেশ গুপ্ত কলকাতা রাইটার্স বিল্ডিং আক্রমণ করেছিলেন।
১৯১১ সালের ৩১ ডিসেম্বর, পশ্চিমবাংলার মুর্শিদাবাদ জেলায় বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা, বারডেম হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা, চিকিৎসাবিজ্ঞানী ও মানবহিতৈষী জাতীয় অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিমের জন্ম, মৃত্যু-০৬-০৯-১৯৮৯ তারিখ।
১৯১২ সালের ১ জানুয়ারি, ১৯৩৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট লেকচারার (ইতিহাস বিভাগ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শিক্ষিকা) মিস করুণাকণা গুপ্তার জন্ম, মৃত্যু-১৯৭৯ সালে। তিনি ১৯৩২ সালে অনার্স এবং ১৯৩৩ সালে এম.এ.-তে প্রথম শ্রেণী লাভ করেছিলেন। করুণাকণা গুপ্তা অল্পকালের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে যান। পরে তিনি কলকাতার বেথুন কলেজ ও লেডি ব্রেবোর্ন কলেজের অধ্যক্ষ এবং পশ্চিমবঙ্গের ডি.ডি.পি.আই. হয়েছিলেন। ভারতের স্বাধীনতা-সংগ্রামেও তাঁর ভূমিকা ছিল।
১৯১২ সালের ১৫ জানুয়ারি, আসামের ডিব্রুগড়ে (সোনার বাংলা পত্রিকার সহকারী সম্পাদক হন ঢাকায় ১৯৩৯ ও ১৯৪৭ সালের ভারত ভাগের পর তিনি পূর্ব-বাংলার কমিউনিষ্ট পার্টি পুনর্গঠনে আত্মনিয়োগ করেন এবং ১৯৭৫ সালে রাজনৈতিক পটপরিবর্তেনর পর চলে যান কলকাতায়।) বিপস্নবী রণেশ দাশগুপ্তের জন্ম, কলকাতায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ০৪-১১-১৯৯৭ তারিখ। তবে তাঁর ইচ্ছানুসারে তাঁর মরদেহ দাহ করা হয় তাঁর প্রিয় বাংলাদেশে।
১৯১২ সালের ১ মার্চ, কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ থানাধীন গুজাদিয়া ইউনিয়নের বৈরাদিয়াপাড়া গ্রামে শিক্ষাবিদ কৃষিবিজ্ঞানী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ওসমান গণির জন্ম, মৃত্যু-২১-০৭-১৯৮৯ তারিখ। ১৯৫০ সালে ঢাকাস্থ কিশোরগঞ্জ সমিতি প্রতিষ্ঠা করেন।
১৯১২ সালের ৯ এপ্রিল, যশোর জেলার নড়াইলের কালিয়া গ্রামে, উপমহাদেশের কালজয়ী সুরকার ও সঙ্গীতশিল্পী কমল দাশ গুপ্তের জন্ম, ঢাকায় মৃত্যু-২০-০৭-১৯৭৪ তারিখ।
১৯১২ সালের ১৬ জুলাই, শিল্পী শফিকুল আমীন ভারতের শিলং শহরে জন্মগ্রহণ করেন এবং মারা গেছেন ২৮-০২-২০১১ তারিখ। ১৯৩৮ সালে কলকাতা সরকারি চারুকলা কলেজ থেকে ছয় বছরের কোর্স সম্পন্ন করেন। তিনি ১৯৬১ সালে ঢাকা চারুকলা কলেজে শিক্ষক হিসেবে যোগদান এবং ১৯৬৮ সালে অবসর গ্রহণ করেন।
১৯১২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর, মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার (বিক্রমপুর) ষোলঘর গ্রামে লেখক, রাজনীতিক ও কুটনীতিবিদ কামরুদ্দীন আহমদের জন্ম, মৃত্যু-০৬-০২-১৯৮২ তারিখ।
১৯১২ সালের ১০ অক্টোবর, মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুরে রাজনীতিবিদ ও লেখক অনিল মুখার্জির জন্ম, ঢাকা মৃত্যু-০৭-০২-১৯৮২ তারিখ। ১৯৩০-এ কলেজে ছাত্রাবস্থায় আইন অমান্য আন্দোলনে অংশগ্রহণ প্রথম কারাবরণ।
১৯১২ সালের ১৫ অক্টোবর, ভারতের মধ্যপ্রদেশের রাজনানগাঁওয়ে অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুসলিম নারী ও মানবতাবাদী চিকিৎসক প্রফেসর ডা. জোহরা বেগম কাজীর জন্ম, ঢাকায় মৃত্যু-০৭-১১-২০০৭ তারিখ।
১৯১২ সালের ১০ নভেম্বর, বাংলাদেশের বরিশালে প্রখ্যাত ভারতীয় চলচ্চিত্রশিল্পী ও চরিত্রাভিনেতা অশোক কুমারের জন্ম এবং বোম্বে মৃত্যু-২০০২ সালে।
১৯১২ সালের ১৪ ডিসেম্বর, হবিগঞ্জ জেলার মিরাশী গ্রামের এক জমিদার পরিবারে উপমহাদেশের গণসংগীতের পুরোধা ব্যক্তিত্ব হেমাঙ্গ বিশ্বাসের জন্ম, কলকাতায় মৃত্যু-২২-১১-১৯৮৭ তারিখ।
১৯১২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কাঞ্চনপুর গ্রামে বাঞ্ছারামপুর থানার প্রতিষ্ঠাতা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মোঃ নুরুল ইসলামের (নুরু পন্ডিত) জন্ম, মৃত্যু-২১-০৫-২০০২তা।
১৯১২ সালে পুলিশের সাবেক আই. জি. আবু সাইদ মহিউদ্দিন আহমদের জন্ম, মৃত্যু-২১-১২-২০০৫ তারিখ।
১৯১৩ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি, টাঙ্গাইলের আশেকপুর গ্রামে বিশ্বখ্যাত, জাদুসম্রাট ও জাদুশিল্পী পিসি সরকারের (পুরো নাম প্রতুল চন্দ্র সরকার) জন্ম, কলকাতায় ৫৮ বছর বয়সে মৃত্যু-০৬-০১-১৯৭১ তারিখ।
১৯১৩ সালের এপ্রিল মাসে, মৌলভীবাজার জেলার কালাপুর গ্রামে কর্মেযাগী ও দেশব্রতী নিকুঞ্জবিহারী গোস্বামীর জন্ম, মৃত্যু-২৯-০৮-১৯৯৩ তারিখ। ১৯৪৬ সালে নোয়াখালীতে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় দুর্গত ব্যক্তিদের সেবাকার্য পরিচালনা করেন এবং মহাত্মা গান্ধীর শান্তি মিশনে যোগদান করেন।
১৯১৩ সালের ৭ মে, যশোর জেলার উমেদপুর গ্রামে চিত্রশিল্পী কাজী আবুল কাসেমের জন্ম, ২০০৪ সালের ১৯ জুলাই, বিরানব্বই বছর বয়সে মারা গেছেন।
১৯১৩ সালের ১৯ জুলাই, নড়াইলের আফরা গ্রামে এক জোতদার পরিবারে তেভাগার সংগ্রামী কমরেড অমল সেনের জন্ম, মৃত্যু-১৭-০১-২০০৩ তারিখ। তিনি ১৯৩৪ সালে কমিউনিষ্ট পার্টির সদস্যপদ লাভ করেন।
১৯১৩ সালের ২৭ জুলাই, চট্টগ্রাম জেলার শ্রীপুর গ্রামের এক মধ্যবিত্ত পরিবারে বিপস্নবী কল্পনা দত্তের জন্ম, কলকাতায় মৃত্যু-০৮-০২-১৯৯৫ তারিখ।
১৯১৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর, সিলেটনিবাসী ব্রিটিশ আর্মি কোরের ক্যাপ্টেন সুশীল কুমার পাল চৌধুরীর জন্ম, মৃত্যু-১৯-০৯-২০০৯ তারিখ যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামা অঙ্গরাজ্যের ফ্লোরেন্স শহরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
১৯১৩ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার খাল্লা গ্রামে মৌলভী মোঃ আলী আযমের(মালু মাষ্টারের) জন্ম, মৃত্যু-২৮-০২-২০০৯ তারিখ।
১৯১৩ সালের ১ অক্টোবর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার দুর্গারামপুর গ্রামে কৃষিবিদ ড. আবদুল আলিমের জন্ম, মৃত্যু-০৯-০৭-২০১১ তারিখ বেলা ১২.২৩ মিনেটের সময় হাসপাতালে।
১৯১৩ সালের ডিসেম্বর মাসে চাকমা রাজগুরু শ্রীমৎ অগ্রবংশ মহাথেরোর জন্ম, মৃত্যু-০৫-০১-২০০৮ তারিখ। ১৯৫৮ সালের জানুয়ারিতে এক ধর্মীয় মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে চাকমা রাজা ত্রিদিব রায় তাঁকে রাজগুরু পদে বরণ করেন।
১৯১৪ সালের ১ জানুয়ারি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার গোকর্ণঘাট গ্রামে 'তিতাস একটি নদীর নাম' কালজয়ী ঔপন্যাসের লেখক, সাহিত্যিক ও সাংবাদিক (এক দরিদ্র জেলে পরিবারে) অদ্বৈত মল্ল বর্মেণর জন্ম, কলকাতায় মৃত্যু-১৬-০৪-১৯৫১ তারিখ।
১৯১৪ সালের ১০ জানুয়ারি, সিলেটের বিয়ানীবাজারের লাউতা গ্রামে বাংলাদেশের বিপস্নবী কমিউনিষ্ট পার্টির (এমএল) পলিটব্যুরো সদস্য কমরেড অজয় ভট্টাচার্যের জন্ম, মৃত্যু-১৩-১০-১৯৯৯ তারিখ। নানকার বিদ্রোহের বীর, 'নান' শব্দের অর্থ রুটি তথা খাদ্য এবং 'কার' হচ্ছে কাজ। খাদ্যের বিনিময়ে যাঁদের দিয়ে কাজ করানো হতো, তাঁরাই সামন্ত সমাজে নানকার নামে পরিচিত ছিলেন। নানকার একটি বর্বর শ্রম শোষণের প্রথা, অনেকটা মধ্যযুগীয় দাস প্রথার সঙ্গে তুলনীয়।
১৯১৪ সালের ১৫ এপ্রিল, কুমিল্লা শহরের পৈত্রিক বাড়িতে ভাষাসৈনিক, শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবি (চিরকুমার) অধ্যাপক অজিতকুমার গুহের জন্ম,কুমিল্লায় মৃত্যু-২২-১১-১৯৬৯ তা।ি
১৯১৪ সালে চট্টগ্রামে জেলার বাঁশখালী উপজেলার সাধবপুর গ্রামে শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ ও সাহিত্যিক আসহাবউদ্দীন আহমদের জন্ম, মৃত্যু-২৮-০৫-১৯৯৪ তারিখ।
১৯১৪ সালের ১৫ জুলাই, ভারতের উত্তর প্রদেশের বেরিলীর সভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে আন্তর্জািতক খ্যাতিসম্পন্ন সম্াজকর্মী, পল্লী উন্নয়নে কুমিল্লা মডেলের উদ্ভাবক এবং বার্ডের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ড. আখতার হামিদ খানের জন্ম, আমেরিকাতে মৃত্যু-০৯-১০-১৯৯৯।
১৯১৪ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার খাল্লা গ্রামে প্রকৌশলী আবদুল গফুরের জন্ম, ঢাকায় মৃত্যু-২৬-০৬-১৯৮৬ তারিখ।
১৯১৪ সালের ১২ জুলাই, রংপুরের মাদার তেরেসা খ্যাত বিশিষ্ট সমাজসেবি, বীর মুক্তিযোদ্ধা, রংপুর পৌরসভার সাবেক কমিশনার ও সমাজসেবায় জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ফজিলাতুননেছা বুলুর জন্ম, মৃত্যু-১৩-০৭-১০১২ তারিখ সন্ধ্যায় শহরের খামারপাড়ার নিজ বাসভবনে।
১৯১৪ সালের ১৯ জালাই, নড়াইল সদর উপজেলার আউড়িয়া গ্রামে প্রখ্যাত রায় পরিবারে মামাবাড়িতে কমরেড অমল সেনের জন্ম, মৃত্যু-১৭-০১-২০০৩ তারিখ।
১৯১৪ সালে রমেন মিত্র বাংলাদেশের নবাবগঞ্জের (বর্তমান চাপাইনবাবগঞ্জ) রামচন্দ্রপুরে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৫ সালে ইলা মিত্রের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। বিয়ের পর দু'জনে শুরু করেন তেভাগা আন্দোলন। পূর্ববঙ্গে কমিউনিষ্ট আন্দোলন গড়ে তোলার অগ্রসেনানী এবং তেভাগা আন্দোলনের নেতা রমেন মিত্র(৯১) বছর বয়সে ২৮-০৬-২০০৫ তারিখ মঙ্গলবার সকালে কলকাতায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছেন। ১৯২৫ সালের ১৮ অক্টোবর, রাজশাহীর নাচোলের 'রানি মা' ও তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী ইলা মিত্রের জন্ম, মৃত্যু-১৩-১০-২০০২ সালে। অধ্যাপনা করেছেন ১৯৬২ থেকে ১৯৭৮ পর্যন্ত। চারবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সদস্য হয়েছেন। ১৯টি জেলায় তেভাগা আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। ইলা মিত্র নিপীড়িত মানুষের প্রেরণা এবং ক্রীড়াবিদ হিসেবেও তুখোড়। ঢাকায় পুত্র রণেন মিত্র। রণেন মিত্রের জন্ম-১৯৪৮ সালে।
১৯১৪ সালের ৩ নভেম্বর, টাঙ্গাইল জেলাধীন এলেঙ্গার ঐতিহ্যবাহী জমিদার পরিবারে বিশিষ্ট আইনজ্ঞ ও মানবাধিকার আন্দোলনের পুরোধা ব্যকিত্ব বিচারপতি দেবেশ চন্দ্র ভট্টাচার্য জন্মগ্রহণ করেন এবং ঢাকায় মৃত্যু-০২-০২-২০০৪ তারিখ।
১৯১৪ সালে বাংলাদেশের মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার হাঁসাড়া গ্রামে পশ্চিমবাংলার প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ সিদ্ধার্থ শংকর রায়ের জন্ম, মৃত্যু-০৬-১১-২০১০ তারিখ স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ছয়টা ৫০ মিনিটে তিনি দক্ষিণ কলকাতার বেলতলা পার্কের নিজ বাসভবনে। পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মূখ্যমন্ত্রী ছিল ১৯৭২ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত। ঢাকা শহরের নবদ্বীপ বসাক রোডেও ছিল তাঁদের বাড়ি। তাঁর বাবা সুধীর কুমার রায় ব্যারিস্টার ছিলেন। তিনি ও তাঁর স্ত্রী মায়া রায়ও ব্যারিস্টার ছিলেন। সিদ্ধার্থ শংকর রায় নিঃসন্তান ছিলেন। দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস ছিলেন তাঁর নানা।
১৯১৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর, কিশোরগঞ্জের কেন্দুয়ায় শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের জন্ম, মৃত্যু-২৮-০৫-১৯৭৬ তারিখ।
১৯১৫ সালের ১ জুলাই, ময়মনসিংহ জেলায় বোকাইনগরে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি জাস্টিস এ. এফ. এম. আহসান উদ্দিন চৌধুরীর জন্ম, মৃত্যু-৩০-০৮-২০০১ তারিখ।
১৯১৫ সালের ১ আগষ্ট, মানিগঞ্জের কাশিমপুর গ্রামে ওস্তাদ মোমতাজ আলী খানের জন্ম, মৃত্যু-৩১-০৮-১৯৯০ তারিখ।
১৯১৫ সালের ১ আগস্ট, বান্দরবান বোমাং সার্কেেলর রাজা অংশৈপ্রু চৌধুরীর জন্ম, মৃত্যু-০৮-০৮-২০১২ তারিখ সকাল নয়টা ১৫ মিনিটে হার্ট অ্যাটাকে। ১৯৯৮ সালে ১৫তম বোমাং রাজা হন। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে প্রাদেশিক পরিষদে তিনি স্বতন্ত্র সাংসদ এবং সংখ্যালঘুবিষয়ক, সমবায় ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী হন।
১৯১৫ সালের ২২ অক্টোবর, চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলার পটিয়া উপজেলার লাখেরা গ্রামে আর্যবংশ মহাস্থবিরের জন্ম, মৃত্যু-০২-১০-১৯৯৪ তারিখ।
১৯১৫ সালের ১ ডিসেম্বর, কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার নাগাইশ গ্রামে টাইগার গনি নামে পরিচিতি মেজর গনির জন্ম, এবং ১৯৫৭ সালের ১১ নভেম্বর জার্মানীর র্ফযাংকপোর্টে আকস্মিকভাবে মাত্র ৪২ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন। ১৯৪১ সালের বৃটিশ-ভারতীয় সেনাবাহিনীর পাইওনিয়ার কোরে কমিশন্ড অফিসার হিসেবে যোগ দেন। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর ১৯৪৮ সালের ১৫ ফ্রেব্রুয়ারি তারই অক্লান্ত পরিশ্রমে প্রতিষ্ঠিত হয় ইষ্টবেঙ্গল রেজিমেন্ট। পাক-সরকারের বৈরিতায় ১৯৫৩ সালে তিনি সেনাবাহিনীর চাকরি ছেড়ে রাজনীতিতে যোগ দেন। ১৯৫৪ সালে নির্বািচত হন প্রাদেশিক আইন পরিষদের সদস্য। ১৯৮১ সালে মেজর গনিকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পদকে সম্মানিত করা হয়।
১৯১৫ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম শাহ আজিজুর রহমানের জন্ম, মৃত্যু-০১-০৯-১৯৮৮
১৯১৫ সালে বগুড়াতে প্রখ্যাত সাংবাদিক দৈনিক ইত্তেফাকের আসফ-উদ-দৌলা রেজার জন্ম, ঢাকায় মৃত্যু-১৪-০২-১৯৮৩ তারিখ।
১৯১৫ সালে চট্টগ্রাম শহরের ডবলমুরিং থানার কাট্টলীতে রাজনীতিবিদ জহুর আহমদ চৌধুরীর জন্ম, মৃত্যু-০১-০৭-১৯৭৪ তারিখ।
১৯১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি, সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার উজানধল গ্রামে বাউলসম্রাট ও কবি শাহ আবদুল করিমের জন্ম, মৃত্যু-১২-০৯-২০০৯ তারিখ।
১৯১৬ সালের ১২ এপ্রিল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মজলিশপুর গ্রামে সঙ্গীতের ব্যাকরণবিদ হিসেবে পরিচিত উমেশ চন্দ্র রায়ের জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই।
১৯১৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর, নেত্রকোনায় জাতীয় অধ্যাপক ড. এম. ইন্নাস আলীর জন্ম, মৃত্যু-০৩-০৫-২০১০ তারিখ।
১৯১৬ সালে সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগরে বিশ্বখ্যাত শিকারী আবদুল হামিদ ওরফে পচাব্দী গাজীর জন্ম, মৃত্যু-১২-১০-১৯৯৭ তারিখ। এ শিকারী সর্বোচ্চ ৫৭টি ভয়ঙ্কর মানুষখেকো রয়েল বেঙ্গল বাঘ শিকার করে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ শিকারীদের মাঝে নিজের আসন প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯১৬ সালে হবিগঞ্জের পাহাড়পুর গ্রামে ঢাকার রামকৃঞ্চ সংঘের চতুর্দশ সংঘগুরু স্বামী গহনানন্দজী মহারাজের জন্ম, চিকিৎসাধীন অবস্থায় কলকাতায় মৃত্যু-০৪-১১-২০০৭ তারিখ। তিনি ১৯৩৯ সালে রামকৃঞ্চ সংঘে যোগদান করেন।
১৯১৬ সালে কিশোরগঞ্জ জেলায় আওয়ামী লীগের রাজনীতিক আসাদুজ্জামান খানের জন্ম, মৃত্যু-২১-০১-১৯৯২ তারিখ।
১৯১৬ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরের মিঞাহাটিতে গেদু মিয়ার জন্ম, মারা যান-২৯-১০-২০০১ তারিখ। তিনি মামার হাত ধরে ১৯৩০ কি ১৯৩১ সালের দিকে কলকাতা শহরে যান। ইংরেজ ম্যাজিস্ট্রেটের বাসায় তাঁর স্ত্রী আমাকে মসল্লাছাড়া সেদ্ধ খাবার রাঁধাবাড়ার কাজ অল্প দিনের মধ্যেই শিখিয়ে দেন। আমার রান্না খেয়ে খুব খুশি সেই ইংরেজ ম্যাজিস্ট্রেট। ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের বেশ ভালো সম্পর্ক ছিল। তিনিই আমাকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাড়িতে দেন। ১৯৩৯ সালে তিনি বহাল হন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রসুইঘরের বাবুর্চি হিসেবে। তিনিই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রান্নাঘরে ঠাঁই পাওয়া একমাত্র মুসলমান পাচক। গেদু মিয়া ১৯৩৯ থেকে ১৯৪০ সাল পর্যন্ত রবীন্দ্রনাথের সান্নিধ্যে ছিলেন। তিনি ১৯৬৬ সালের দিকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরে চাকরি নেন। সেখান থেকেই অবসর গ্রহণ করেন ১৯৮৩ সালের দিকে।