১৯১৪ সালের ৩ এপ্রিল, ভারতের অমৃতসরে ফিল্ড মার্শাল স্যাম হরমুসজি ফ্রামজি জামশেদজি মানেকশ'র জন্ম, মৃত্যু-০১-০৭-২০০৮ তারিখ। ১৯৩৪ সালে ভারতীয় সামরিক একাডেমির (আইএমএ) প্রথম ব্যাচ থেকে তিনি কমিশন লাভ করেন। তিনি ১৯৬৯ সালের ৭ জুন ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান হন। ১৯৭১ সালে তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় মিত্রবাহিনীর প্রধান ছিলেন। ওই বছরের ১৬ ডিসেম্বর. বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর তাঁকে সম্মানসূচক ফিল্ড মার্শাল উপাধি দেওয়া হয়। স্যাম বাহাদুর নামে পরিচিত মানেকশ চার দশক পর ১৯৭৩ সালের ১৫ জানুয়ারি ভারতের অষ্টম সেনাপ্রধান হিসেবে অবসর নেন। তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, ১৯৬২ সালে চীন-ভারত যুদ্ধ এবং ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধে অংশ নেন।

১৯১৪ সালের ৮ জুলাই, কলকাতার হ্যারিসন রোডের (বর্তমান মহাত্মা গান্ধী রোড) একটি বাড়িতে রাজনীতিক ও সাবেক মূখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর জন্ম, মৃত্যু-১৭-০১-২০১০ তারিখ কলকাতার একটি হাসপাতালে স্থানীয় সময় ১১টা ৪৭ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি ১৯৩০-এর দশকে কমিউনিষ্ট পার্টিেত যোগ দেন। (১৯৭৭ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী ছিলেন।) তিনি প্রথম জীবনে শ্রমিক নেতা ছিলেন কমিউনিষ্ট পার্টির।

১৯১৪ সালে বিদেশের মাটিতে ভারতের প্রথম টেষ্ট সেঞ্চুরিয়ান 'পদ্মশ্রী' পদক পাওয়া মুশতাক আলীর জন্ম, মৃত্যু-১৮-০৬-২০০৫ তারিখ।

১৯১৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর, লেখিকা মৈত্রীয় দেবীর জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই।

১৯১৪ সালের ৭ অক্টোবর, উত্তর প্রদেশের ফৈজাবাদে হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সগীতের বরেণ্য শিল্পী বেগম আখতারের জন্ম, মৃত্যু-৩০-১০-১৯৭৪ তারিখ।

১৯১৪ সালে মহারাষ্ট্রের ওয়ারধা জেলায় ভারতের প্রখ্যাত সমাজসেবক ও র্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার বিজয়ী মূরলিধর দেবীদাস আমতে ওরফে বাবা আমতের জন্ম, মৃত্যু-০৯-০২-২০০৮ তারিখ মহারাষ্ট্রের চন্দ্রপুর জেলায় তাঁর 'আনন্দবনে' শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

১৯১৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, পাকিস্তানের পাঞ্জাবের একটি গ্রামে কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক, দিল্লির 'ডার্টি ওল্ড ম্যান'' খুশবন্ত সিংয়ের জন্ম, দিল্লীতে মারা গেছেন-২০-০৩-২০১৪ তারিখ। আইনজীবী, কুটনীতিবিদ, রাজ্যসভার সদস্য, লেখালেখি ও সাংবাদিকতাই ছিল তাঁর কর্মেক্ষত্র। মূলত শিখ হওয়ার কারণে দেশত্যাগের যন্ত্রণা নিয়ে সপরিবাওে ভারতে চলে যেতে হয়েছিল তাঁদের। খুশবন্ত সিংয়ের বাবা স্যার শোভা সিং ছিলেন আধুনিক দিল্লির একজন খ্যাতিমান নির্মাতা। খুশবন্ত সিংয়ের লেখা নিয়ে আছে বিতর্কও। এসব বিতর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, 'আমি যা বিশ্বাস করি তাই লিখি। পরিণতি কী হবে তার পরোয়া করি না।''

১৯১৫ সালের জুন মাসে ভারতের শীর্ষস্থানীয় নারী বিপস্নবী লক্ষী সেহগালের জন্ম, মৃত্যু-২৩-০৭-২০১২ তারিখ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে কানপুরের একটি হাসপাতালে। ভক্তদের কাছে 'ক্যাপ্টেন সেহগাল' খ্যাত এই নারী ভারতীয় বিপস্নবী সুভাষ চন্দ্র বোসের সংগঠিত ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মিত্রবাহিনীর বিরুদ্ধেসর্বনারী রেজিমেন্টের হয়ে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন।

১৯১৫ সালের ২২ আগষ্ট, কলকাতায় ভারতীয় উপমহাদেশের এ প্রখ্যাত নাট্যব্যক্তিত্ব শম্ভু মিত্রের জন্ম, নিবেদিতপ্রাণ নাট্যব্যক্তিত্বের মৃত্যু-১৯-০৫-১৯৯৭ তারিখ কলকাতায়।

১৯১৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর, ভারতের মহারাষ্ট্রে 'ভারতের পিকাসো' প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও চিত্রকর মকবুল ফিদা হুসেনের জন্ম, বৃহস্পতিবার সকালে ০৯-০৬-২০১১ তারিখ লন্ডনের রয়েল ব্রমটন হাসপাতালে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

১৯১৬ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি, বর্তমান পাকিস্তানের ঝিলাম জেলায় কালাগুর্জন গ্রামে লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা জন্মগ্রহণ করেন এবং ০৩-০৫-২০০৫ তারিখ নয়াদিল্লীর একটি হাসপাতালে সকালে পরলোকগমন করেন। তিনি ১৯৭১ সালে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইষ্টার্ন কমান্ডের কমান্ডর ছিলেন। পূর্ব-পাকিস্তানের কমান্ডার লে. জেনারেল এ. এ. কে. নিয়াজী ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর, ঢাকায় লে. জেনারেল অরোরার নিকট আত্মসমর্পণ করেন এবং আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন। অরোরা ১৯৩৯ সালে দ্বিতীয় পাঞ্জাব রেজিমেন্টের প্রথম ব্যাটালিয়নে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন।

১৯১৬ সালের ২১ মার্চ, সানাইয়ের কিংবদন্তী ওস্তাদ ও সুর স্রষ্টা বিসমিল্লাহ খাঁ বিহারের ডুমরাও-এ পেশাদার একটি সঙ্গীতজ্ঞ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন, মৃত্যুবরণ করেন-২১-০৮-২০০৬ তারিখ। ১৯৫০ সালে ভারতের প্রথম প্রজাতন্ত্র দিবসে নয়াদিল্লীর ঐতিহাসিক সপ্তদশ শতকের লালকিল্লা থেকে সানাইয়ের ঝঙ্কার তুলে বিখ্যাত হয়ে যান। এ সঙ্গীতজ্ঞ ১৯৯১ সালে সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক 'ভারতরত্ন' খেতাবে ভূষিত হন।

১৯১৬ সালের ২২ এপ্রিল, কিংবদন্তি নায়িকা ও বাংলা সিনেমার চলচ্চিত্রাভিনেত্রী ও গায়িকা কানন বালা দেবীর জন্ম, কলকাতায় মৃত্যু-১৭-০৭-১৯৯২ তারিখ। ১৯২৬ সালের ২৫ ডিসেম্বর ছবিটি মুক্তি পায়। এরপর ১৯২৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত 'ইন্ডিয়ান সিনেমা আর্টস' প্রযোজিত এবং কালীপ্রসাদ ঘোষ পরিচালিত নির্বাক ছবি শঙ্করাচার্য ছবিতে বালিকা কানন অভিনয় করেন। ১৯৩১ সালে প্রথম সবাক বাংলা ছায়াছবি জামাইজুষ্ঠী মুক্তি পেল। ১৯৬৮ সালে চলচ্চিত্রশিল্পে অবদানের জন্য ভারত সরকার তাঁকে 'পদ্মশ্রী' উপাধিতে সম্মানিত করে। ১৯৭৬ সালে তিনি 'দাদা সাহেব ফালকে' পুরস্কার পান। ১৯৯০ সালে তিনি সিনে সেন্ট্রাল র্কতৃক হীরালাল সেন পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৯১ সালে কানন দেবী ইন্দিরা গান্ধী স্মৃতি পুরস্কার পান। কানন দাস থেকে কানন দেবী। কানন দেবীর গাওয়া 'আমি বনফুল গো' 'তুফান মেল' অথবা রবীন্দ্রসঙ্গীত 'আজ সবার রঙ্গে' বা তার বিদায়বেলায় মালাখানি' গান একবার যাঁরা শুনেছেন তাঁরা অনায়াসে বুঝবেন যে গায়িকা হিসেবে তিনি কত উঁচুদরের শিল্পী ছিলেন।

১৯১৬ সালের ৭ মে, ভারতের ৭ম রাষ্ট্রপতি জ্ঞানী জৈল শিং-এর জন্ম, মৃত্যু-২৫-১২-১৯৯৪ তারিখ। (৭) ২৫-০৭-১৯৮২ তারিখ থেকে ২৫-০৭-১৯৮৭ তারিখ পর্যন্ত।

১৯১৬ সালের ১১ মে, চিত্রশিল্পী নীরদ মজুমদারের জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই।

১৯১৬ সালের ১০ অক্টোবর, কবি সমর সেনের জন্ম, মৃত্যু-১৯৮৭ সালে।

১৯১৭ সালের ৩০ জানুয়ারি, কথাশিল্পী নরেন্দ্রনাথ মিত্রের জন্ম।

১৯১৭ সালের ১৪ জুন, সাহিত্য সমালোচক বিনয় ঘোষের জন্ম।

১৯১৭ সালের ১ আগস্ট, বলিউডের প্রবীণ অভিনেতা এ. কে. হাঙ্গলের জন্ম, মৃত্যু-১৬-০৮-২০১২ তারিখ।

১৯১৮ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি, সাহিত্যিক নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় জন্মগ্রহণ করেন।

১৯১৮ সালে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী অগ্নিযুগের বিপস্নবী কমরেড শরদিন্দু দস্তিদারের জন্ম, মৃত্যু-১২-০৫-২০০৪ তারিখ।

১৯১৮ সালের ১৯ আগস্ট, ভারতের মধ্যপ্রদেশের ভূপালে ৯ম রাষ্ট্রপতি শংকর দয়াল শর্মার জন্ম, মৃত্যু-২৬-০২-১৯৯৯ তারিখ। (৯) ২৫-০৭-১৯৯২ তারিখ থেকে ২৫-০৭-১৯৯৭ তারিখ পর্যন্ত।

১৯১৮ সালে কবি সুভাষ মুখোপ্যাধায়ের জন্ম, কলকাতায় মৃত্যু-০৭-০৭-২০০৩ তারিখ।

১৯১৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর, সাহিত্যিক অজিত কুমার চক্রবর্তীর মৃত্যু।

১৯১৯ সালের ১৪ এপ্রিল, পাঞ্জাবের অমৃতসরে জাদুকরি কন্ঠ ও শিল্পী কিংবদন্তি গায়িকা শামসাদ বেগমের জন্ম, মৃত্যু-বার্ধেক্যর কারণে ২৩-০৪-২০১৩ তারিখ ভারতের মুম্বাইয়ে নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর গান গাওয়া শুরু ১৯৩৩ সালে। ১৯৪১ সালে তিনি খাজাঞ্চি চলচ্চিত্রে গান করেন, তখন তিনি গায়িকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছেন। ১৯৪৭ সালে পেশোয়ার রেডিওতে কর্মজীবন শুরু করেন।

১৯১৯ সালের ১ মে, ভারতের কলকাতা শহরে আধুনিক বাংলা গানের কিংবদন্তি শিল্পী মান্না দের জন্ম, ২৪-১০-২০১৩ তারিখ বৃহস্পতিবার দিন ভোর রাত তিনটা ৫০ মিনিটে পরপারে চলে গেলেন প্রবাদপ্রতিম সংগীতশিল্পী মান্না দে। ১৬০দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে অবশেষে ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের রাজধানী বেঙ্গালুরুর একটি বেসরকারি হাসপাতালে হৃদরোগে অঅক্রান্ত হয়ে ৯৪ বছর বয়সে মারা যান। এ ৯৩(তিরনব্বই) বছর বয়সেও গান করতে পারছে এবং ৯০ বছর বয়সে বাংলাদেশে এসেছিলেন। মান্না দে গানই আমার জীবন। সা-রে-গা-মা-পা-ধা-নি-সা আমি শুনতে শুনতে নিজেই শিখেছিলাম। তাঁর সহধর্মিণী সুলোচনা কুমারণ প্রয়াত হন ২০১২ সালে।

১৯১৯ সালের জুন মাসে, কোচবিহারের সাবেক রাজকুমারী গায়ত্রী দেবীর জন্ম, মৃত্যু-২৯-০৭-২০০৯ তারিখ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়। গায়ত্রী দেবীকে একসময় বিশ্বের সুন্দরী রমণীদের একজন মনে করা হতো। ভোগ সাময়িকীর বিশ্বের সেরা ১০ সুন্দরী নারীর তালিকায় একসময় তাঁর নাম উঠেছিল। বিয়ের পর গায়ত্রী দেবী জয়পুরের রাজমাতা হন।

১৯১৯ সালে কবি বাণী রায়ের জন্ম।

১৯১৯ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর, কৌতুকাভিনেতা জহর রায়ের জন্ম, মৃত্যু-১৯৭৭ সালের ১ আগস্ট, কৌতুকাভিনেতা জহুর রায়ের মৃত্যু।

১৯১৯ সালের ৪ অক্টোবর, কবি মণীন্দ্র রায়ের জন্ম।

১৯১৯ সালে পুরাতন বাংলা ও বৈঠকি গান এবং বাংলা টপ্পা গানের বিশিষ্ট শিল্পী রামকুমার চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম, বিকেলে কলকাতায় মৃত্যু-১৮-০৩-২০০৯ তারিখ।

১৯১৯ সালের ৪ ডিসেম্বর, ভারতের পাঞ্জাবের ঝলুমে দ্বাদশ প্রধানমন্ত্রী আই. কে. গুজরালের জন্ম, মৃত্যু-৩০-১১-২০১২ তারিখ। তিনি ১৯৯৭ সালের এপ্রিল থেকে ১৯৯৮ সালের মার্চ পর্যন্ত ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

১৯১৯ সালের ২৫ ডিসেম্বর, লক্ষ্নৌ শহরের এক রক্ষণশীল শিয়া মুসলিম পরিবারে নওশাদ আলীর জন্ম, মৃত্যু-উপমহাদেশের সংগীতের কিংবদন্তি নওশাদ আলীর ০৫-০৫-২০০৬ তারিখ

১৯২০ সালের ১৯ জানুয়ারি, পশ্চিমবাংলায় বিখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী ও সুরকার মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের জন্ম, মৃত্যু-১৯-০১-১৯৯২ তারিখ।

১৯২০ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি, পুরোনো দিল্লিতে এক পাঞ্জাবি পরিবারে বলিউডের কিংবদন্তী অভিনেতা নায়ক, খলনায়ক ও চরিত্রাভিনেতা প্রাণ কিষান সিকন্দের জন্ম, মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু-১২-০৭-২০১৩ তারিখ। প্রাণ প্রথম অভিনয় করেন ১৯৪০ সালে যমলা জট ছবিতে। এটি ছিল পাঞ্জাবি ছবি। তিনি অভিনয় করেছেন প্রায় চারশ ছবিতে।

১৯২০ সালের ৭ এপ্রিল, অবিভক্ত ভারতের উত্তর প্রদেশের বারানসি শহরে এক বাঙালি ব্রাহ্মণ পরিবারে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতকে যাঁরা বিশ্বব্যাপী পরিচিত করেছেন, তাঁদের মধ্যে রবিশঙ্কর অন্যতম, জগদ্বিখ্যাত সেতারবাদক (আসল নাম রবীন্দ্র শঙ্কর চৌধুরী) পন্ডিত রবিশঙ্করের জন্ম, মৃত্যু-১১-১২-২০১২ তারিখ মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ১৯৩০ সালে মাত্র ১০ বছর বয়সে আমি আমার বড় ভাই নৃত্যশিল্পী উদয় শঙ্ককরের সঙ্গে প্যারিস গিয়েছিলাম। বিশ্বজনীন বাঙালি সুরস্রষ্টাদের শেষ প্রতিনিধি। তাঁর পিতা শ্যাম শঙ্করের জন্ম বাংলাদেশের নড়াইল জেলার নবগঙ্গা নদীতীরের কালিয়া গ্রামে। সে জন্য রবিশঙ্কর সারা জীবন নিজেকে বাঙালি এবং বাংলাদেশের একজন বলে মনে করেন। ১৯৪০ সালে দাদার (উদয় শঙ্কর) সঙ্গে ঢাকা ও চট্টগ্রামে অনুষ্ঠান করতে গিয়েছিলাম। নদীপথে যাওয়ার সময় কালিয়ায় নেমে মাথায় মাটির ছোঁয়া নিয়েছিলাম। তিনি আরও বলেছিলেন, ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যাওয়ার পথে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাবার (ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার শিবপুর গ্রামের ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ'র) বাড়ি হয়ে গিয়েছিলাম। এবং সেই স্মৃতি রবিশঙ্কর সারা জীবন মনের গভীরে বহন করে চলেছেন। ১৯৪১ সালে ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর মেয়ে অন্নপূর্ণােক বিয়ে করেছিলেন রবিশঙ্কর। তাঁদের একমাত্র সন্তান শুভেন্দ্র শঙ্করের জন্ম হয় ১৯৪২ সালে এবং মারা যান ১৯৯২ সালে। ১৯৬১ সালে দুজনের ছাড়াছাড়ি হয়। জর্জ হ্যারিসনকে নিয়ে ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেেন আয়োজিত 'কর্নসার্ট ফর বাংলাদেশ'-এর উদ্যোক্তা ছিলেন তিনি। ১৯৯৭ সালে রবিশঙ্কর ঢাকায় এলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর দেখা হওয়া, তাঁকে বিশেষভাবে জড়িয়ে ধরার কথা রবিশঙ্কর স্মরণ করেছিলেন। রবিশঙ্কর বলেছিলেন তিনি আবার ঢাকায় এলে শেখ হাসিনা তাঁকে কই মাছ রান্না করে খাওয়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সে আশাও তাঁর ছিল। জীবনটাই একটা সাধনা-রবিশঙ্কর। সংগীতের অপূরণীয় ক্ষতি: অন্নপূর্ণা। সদ্য প্রয়াত পন্ডিত রবিশঙ্করের প্রথম স্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী বলেছেন, 'শ্রেষ্ঠতম শিল্পীদের একজনকে হারাল ভারত। ৫৫তম গ্রামি পুরস্কারের আয়োজকেরা এ কথা জানান। গ্রামির আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন পন্ডিত রবিশঙ্কর।

১৯২০ সালের ২১ মে, গ্রেট বেঙ্গল সার্কােসর প্রতিষ্ঠাতা প্রিয়নাথ বসুর মৃত্যু।

১৯২০ সালের ২৪ মে, সাহিত্যিক সোমেনচন্দ জন্মগ্রহণ করেন।

১৯২০ সালের ৩১ জুলাই, ভারতের প্রখ্যাত জননেতা পরগঙ্গাধর তিলকের মৃত্যু।

১৯২০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর, বাংলাদেশের তৎকালীন পটিয়া মহকুমার বরমা গ্রামে ভারতের বিখ্যাত ভাস্কর ও গণমানুষের শিল্পী সোমনাথ হোড়ের জন্ম, মৃত্যু-০১-১০-২০০৬ তারিখ শান্তিনিকেতনে তাঁর নিজ বাসভবনে। এ খ্যাতনামা শিল্পীর তেভাগা আন্দোলনের ওপর আকা ছবিসহ বিভিন্ন দুর্লভ চিত্রশিল্প রয়েছে। চট্টগ্রামের সন্তান সোমনাথ হোড় তাঁর শিল্পসাধনায় ভারত জয় করে বিশ্বপরিমন্ডলে খ্যাত হয়েছিলেন। ভারতের প্রধান শিল্পীদের অন্যতম সোমনাথ হোর 'পদ্মশ্রী পুরস্কার' পেয়েছেন। আরও পেয়েছেন 'অবন-গগন পুরস্কার' 'ললিতকলা রত্ন পুরস্কার'সহ বিভিন্ন সম্মান।

১৯২০ সালের ২৭ অক্টোবর, ভারতের দলিতগোষ্ঠীর মালয়লম ভাষার ১০তম রাষ্ট্রপতি কে. আর. নারায়ণানের জন্ম, দিল্লীতে পরলোকে-০৯-১১-২০০৫। কে. আর. নারায়ণানই ভারতের প্রথম নিম্নবর্ণের হিন্দু রাষ্ট্রপতি ছিলেন। (১০) ২৫-০৭-১৯৯৭ তারিখ থেকে ২৫-০৭-২০০২ তারিখ পর্যন্ত।

১৯২০ সালে কবি বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম, মৃত্যু-১৯৮৫ সালে।

১৯২১ সালের ১২ জানুয়ারি, কবি-সাংবাদিক আবদুল গনি হাজারীর জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই।

১৯২১ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি, পশ্চিমবাংলা (ভারতের) মেদিনীপুরে অধ্যাপক অমলেশ ত্রিপাঠী (অধ্যাপক অমলেশ ত্রিপাঠী একালের প্রখ্যাত ঐতিহাসিক)'র জন্ম।

১৯২১ সালে ভারতের প্রখ্যাত রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. ভবানী সেনগুপ্তের জন্ম, দিল্লিতে মৃত্যু-১৮-০১-২০১১ তারিখ।

১৯২১ সালে ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী পিভি নরসিমা রাওয়ের জন্ম, ২৩-১২-২০০৪ তারিখ ৮৩ বছর বয়সে নয়াদিল্লীতে পরলোকগমন করেছেন।

১৯২১ সালের ২ জুলাই, হুগলি জেলার চুঁচুড়ায় ফরোয়ার্ড বস্নকের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সাধারণ সম্পাদক অশোক ঘোষের জন্ম, মৃত্যু-০৩-০৩-২০১৬ তারিখ। ১৯৩৯ সালে নেতাজির গঠন করা ফরোয়ার্ড বস্নক ১৯৪৬ সালে অশোক ঘোষকে রাজ্য সম্পাদকের দায়িত্ব দেয়া। আমৃত্যু এ পদে ছিলেন তিনি। অশোক ঘোষ পশ্চিমবঙ্গে বামফ্রন্ট গড়ার অন্যতম কারিগর ছিলেন।

১৯২১ সালে ভারতে নাসিম বাণুর জন্ম,নাসিম বাণু অভিনেতা দিলীপ কুমারের শাশুরী।

১৯২২ সালের ২ জানুয়ারি, ভারতীয় বিজ্ঞানী হরগোবিন্দ খোরানার জন্ম।

১৯২২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি, ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় কর্ণাটক রাজ্যের ধারওয়াদ জেলার এক ব্রাহ্মণ পরিবারে পন্ডিত ভীমসেন যোশির জন্ম, মৃত্যু-২৪-০১-২০১১ তারিখ।

১৯২২ সালের ২০ অক্টোবর, কমিউনিষ্ট নেতা বারীণ দত্তের জন্ম, মৃত্যু-২০-১০-১৯৯৪ তারিখ

১৯২২ সালের ১১ ডিসেম্বর, পকিস্তানের পেশোয়ারে, ভারতের বিখ্যাত ও কিংবদন্তি অভিনেতা দিলীপ কুমারের জন্ম। (আসল নাম ইউসুফ আলী খাঁন)। দিলীপ কুমার ১৯৪৪ সালে 'জোয়ার ভাটা' সিনেমার মাধ্যমে এ সুপুরুষ নায়কের যাত্রা শুরু। সে সময় তিনি প্রতি মাসে সম্মানী পেতেন ৫শ রুপী। যাতায়াত ভাতাসহ তার মাসিক আয় ছিল ১২০০ রুপী। তিনি মুম্বাইয়ের ক্রফোর্ড রোডে একটি চায়ের দোকানের লাইসেন্স লাভের জন্য আবেদন করেন। দিলীপ কুমার চায়ের দোকান দিতে চেয়েছিলেন। ২০১১ সালে দিলীপ কুমার গিনেস বুকে জায়গা করে নিয়েছেন। ভারতের রাষ্ট্রীয় সম্মান পেলেন প্রখ্যাত অভিনেতা দিলীপ কুমার পদ্মবিভূষণ পেয়েছেন।