১৭৩৫ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানার ইব্রাহিমপুর গ্রামে মোঃ বদু মিঞার জন্ম, বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ভেলানগরে মৃত্যু-১৮১০ সালে। ১৭৬৭ সালে ইব্রাহিমপুর গ্রামে মোঃ হদু মিঞার জন্ম এবং ভেলানগর গ্রামে মৃত্যু-১৮৪০ সালে। ১৭৯৭ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ভেলানগর গ্রামে মোঃ জহির-উদ-দীন ব্যপারীর জন্ম, মৃত্যু-১৮৭৫ সালে। জহির-উদ-দীন ব্যপারীর ৪(চার) ছেলের নামগুলো-(১) মুনশি মোঃ আসব আলী, (২) মুনশি মোঃ ইউসুফ আলী, (৩) মোঃ রজব আলী ও (৪) মোঃ আছন আলী। ১৮২৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর, ভেলানগর গ্রামের বড়বাড়িতে মুনশি মোঃ ইউসুফ আলীর জন্ম, মৃত্যু-ডিসেম্বর, ১৯১৮ সালে। উনি আরবী, ফাসী ও বাংলা ভাষায় শিক্ষিত ব্যক্তি ছিলেন। তাঁর বড় ছেলে-১৮৫৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর, ভেলানগর বড়বাড়িতে মুনশি মুহাম্মদ হায়দর আলী'র জন্ম, মৃত্যু-৩০-০৬-১৯২৫ তারিখ। মুনশি মোঃ হায়দর আলী-বাঞ্ছারামপুর থানাবাসীর মধ্যে প্রথম নায়েব ছিলেন। তাঁর বড় ছেলে-১৮৮৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর, ভেলানগর বড়বাড়িতে মুনশি মোঃ জিন্নত আলী ওরনফে কান্দু মিঞার জন্ম, মৃত্যু-২৪-১২-১৯৫৯ তারিখ। তাঁর বড় ছেলে-১৯২৫ সালের ৩১ মার্চ, ভেলানগর বড়বাড়িতে মোঃ আজহারুল হক ওরফে নসু মিঞার জন্ম, মৃত্যু-১৩-০৭-১৯৭১ তারিখ। তাঁর বড় ছেলে-১৯৫১ সালের ২৫ ডিসেম্বর, ভেলানগর বড়বাড়িতে মোঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ ওরফে বায়েসের জন্ম, মৃত্যু-১০-০৭-২০১২ তারিখ। বায়েসের ছেলে বড় ছেল-১৯৭৭ সালের ২৩ অক্টোবর, ঢাকার আহমদনগর, মিরপুর, ঢাকাতে মোঃ রাকিব আহমদ (রাকু)'র জন্ম। রাকিব ভেলানগর বড়বাড়ির ৯(নবম) পুরুষ। তার ছেলে-১০ম পুরুষ।

১৭৩৮ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানার জিন্নতপুর-কাঠালিয়া গ্রামে যোগাইর জন্ম, বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ভেলানগরে মৃত্যু-১৮১৩ সালে। তাঁর ছেলে ১৭৭০ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানার জিন্নতপুর-কাঠালিয়া গ্রামে সমরের জন্ম, মৃত্যু-ভেলানগর গ্রামে-১৮৪৫ সালে। তাঁর দুই ছেলেঃ (১) ১৭৯৮ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ভেলানগর গ্রামে মুহাম্মদ আলমের জন্ম, মৃত্যু-১৮৭৪ সালে ও (২) মুহাম্মদ কলব্দি। মুহাম্মদ আলমের ছেলে: ১৮২৬ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ভেলানগর গ্রামে মুহাম্মদ ইয়াজউদ্দিনের জন্ম, মৃত্যু-১৯০২ সালে। তাঁর ছেলে ১৮৫৫ সালে ভেলানগর গ্রামে মুহাম্মদ মূল হোসেনের জন্ম, মৃত্যু-১৯৩০ সালে। তাঁর ছেলে দুই ছেলে: (১) মুহাম্মদ সাহেব আলী ও (২) মুহাম্মদ নায়েব আলী। ১৮৮৮ সালে ভেলানগর গ্রামের সরকার বাড়িতে মুহাম্মদ সাহেব আলীর জন্ম, মৃত্যু-১৯৫৬ সালে। তাঁর ছেলে দুই ছেলে: এক ছেলের নাম-১৯১৮ সালে ভেলানগর সরকারবাড়িতে মুহাম্মদ মনু মিয়ার জন্ম, মৃত্যু-১৯৬০ সালে। তাঁর ছেলে ১৯৫৩ সালে মোঃ সুজ্জু মিয়ার জন্ম। তাঁর দুই ছেলেঃ (১) ১৯৮২ সালে মোঃ শফিকুল ইসলামের জন্ম ও (২) মোঃ রফিকুল ইসলাম (১০ম পুরুষের বাস)।

১৭৪০ সালে (ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানার কোন গ্রামের বাসিন্দা জানা নেই) অয়েতীর জন্ম, বাঞ্ছারামপুর উপজেলার রূপসদী গ্রামে মৃত্যু-আণুমানিক ১৮১০ সালে। তাঁর তিন ছেলে: (১) করিম (২) বুধাই ও (৩) রকিবউল্লাহ (কেউ বলে মেয়ের দিক দিয়ে)। ১৭৭০ সালে বুধাইর জন্ম, রূপসদী গ্রামে মৃত্যু-১৮৩৯ সালে। তাঁর ছেলে ১৮০৫ সালে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার রূপসদী গ্রামে মোহাম্মদ বদরউদ্দিনের জন্ম, মৃত্যু-১৮৭০ সালে। তাঁর তিন ছেলে: (১) মোহাম্মদ সোনউদ্দিন (২) মোহাম্মদ রোকনউদ্দিন ও (৩) মোহাম্মদ মনিরউদ্দিন। ১৮৪০ সালে মোহাম্মদ সোনউদ্দিনের জন্ম, মৃত্যু-১৯০০ সালে। তাঁর চার ছেলে: (১) মোহাম্মদ নঈমউদ্দিন (২) মোহাম্মদ কলিমউদ্দিন (৩) আবদুল মজিদ ও (৪) আবদুল অজেদ। ১৮৭৫ সালে আবদুল অজেদের জন্ম, মৃত্যু-১৯৪০ সালে। তাঁর তিন ছেলে: (১) মোঃ অসেক মিয়া (২) মোঃ অলেক মিয়া ও (৩) মোঃ আবুল হাশেম মিয়া। ১৯২৪ সালে আবুল হাশেম মিয়ার জন্ম, মৃত্যু-১৯৮৫ সালে। তাঁর তিন ছেলে: (১) আবুল হোসেন (২) মোঃ মহসিন ও (৩) আবুল কালাম। ১৯৫২ সালের ৪ এপ্রিল, আবুল হোসেনের জন্ম। তাঁর ছেলে ১৯৯০ সালে মোঃ জাবির হোসেনের জন্ম। ১৮৪৩ সালে মোহাম্মদ রোকনউদ্দিনের জন্ম, মৃত্যু-১৯১৫ সালে। তাঁর চার ছেলে: (১) মোহাম্মদ খলিল ব্যাপারী (২) মোঃ আলতাব আলী (৩) মোঃ গোলাম রসুল ও (৪) মোঃ রমজান আলী। ১৮৭০ সালে মোঃ আলতব আলীর (ডেংগু মিয়া) জন্ম, মৃত্যু-১৯৩৯ সালে। তাঁর তিন ছেলে: (১) মোঃ দারগ আলী (২) মোঃ কেনু মিয়া ও (৩) আবদুল কাদির মিয়া। ১৯০০ সালে মোঃ দারোগ আলীর জন্ম, মৃত্যু-১৯৭৫ সালে। তাঁর চার ছেলে: (১) মোঃ সিদ্দিকুর রহমান (২) মোঃ হারুন মিয়া (৩) আবদুল মতিন (অরুণ) ও (৪) মোসলেম মিয়া। ১৯৩৩ সালে মোঃ সিদ্দিকুর রহমানের জন্ম, মৃত্যু-২০০০ সালে। তাঁর ছয় ছেলের মধ্যে দুই ছেলের পরিচয়: (১) মোঃ কবির মিয়া (১৯৫৭ সালে) (২) মোঃ ফেরদৌস মিয়া। ১৯৬০ সালে মোঃ ফেরদৌস মিয়ার জন্ম। তাঁর ছেলের নাম জানা যায়নি।

১৭৬০ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার রূপসদী গ্রামের বাসিন্দা তুর্কি মুসলমান লাল মাহমুদের জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই। তাঁর ছেলে-১৭৮৯ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার রূপসদী গ্রামের বাসিন্দা তুর্কি মুসলমান এবং ঢাকা শহরের বাদামতুলিতে বসবাসকারী দারোগা আমির উদ-দীনের জন্ম, ঢাকার বাদামতুলিতে মৃত্যু-১৮৬৯ সালে। উনি বাঞ্ছারামপুর উপজেলার প্রথম দারোগা ও প্রথম জমিদার ছিলেন। তাঁর ছেলে-১৮১৬ সালে ইউসুফ আলীর জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই। তাঁর ছেলে-গোলাম মাওলার জন্ম-১৮৪১ সালে, মৃত্যু-জানা নেই। তাঁর একমাত্র কন্যার জন্ম-১৮৬৬ সালে, মৃত্যু-জানা নেই। তাঁর স্বামীর নাম-মোহাম্মদ সোনা মিঞা। সোনা মিঞার-বাড়ি দরিয়াদৌলত গ্রামে। সোনা মিঞার জন্ম-১৮৬০ সালে, মৃত্যু-১৯৩৩ সালে। সোনা মিঞা সাববাড়ির মালিক হন গোলাম মাওলার একমাত্র কন্যার জামাতা হিসাবে। সোনা মিঞার ছেলে-সন্তান না থাকার কারণে বড় বোনের ছেলে মোগল মিঞাকে সাববাড়ি দান করেন। ১৮৭১ সালে খান সাহেব মৌঃ তোজাম্মল আলী ওরফে মোঘল মিঞার জন্ম, রূপসদী মৃত্যু-১৯৫৮ সালে। মোঘল মিঞা (ব্রিটিশ সরকার র্কতৃক খান সাহেব উপাধি দ্বারা ভূষিত হয়েছিলেন)। তাঁর মেঝো ছেলে-১৯০৬ সালে রূপসদী গ্রামে মোঃ দানা মিঞার জন্ম, মৃত্যু-২০০০ সালে। তাঁর মেঝো ছেলে-১৯৪৭ সালে রূপসদী গ্রামে মোঃ জাহাঙ্গীরের জন্ম। তাঁর ছেলে-খান জাহান আলীর(নাঈম) জন্ম-১৯৯২ সালে।

১৭৬৫ সালে ইয়েমেনে মওলানা আল-আয়াতের জন্ম, সোঁনারগায়ে মৃত্যু-১৮৪১ সালে। তাঁর ছেলে ১৭৯৩ সালে ভারতের দিল্লীতে মওলানা ধনগাযীর জন্ম, ঢাকার সোঁনারগায়ে মৃত্যু-১৮৭০ সালে। তাঁর ছেলে ১৮২০ সালে ঢাকার সোঁনারগায়ে মওলানা মাহমুদ হুজাগলের জন্ম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ফতেপুর গ্রামে মৃত্যু-১৮৯৮ সালে। তাঁর ছেলে ১৮৪৮ সালে ঢাকার সোঁনারগায়ে মুনশি কমিরউদ্দিনের জন্ম, মৃত্যু-১৯২৭ সালে। তাঁর ছেলে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ফতেপুরর গ্রামে ১৮৭৫ সালে মওলানা আবদুর রহমানের জন্ম (রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন) রূপসদী গ্রামের উত্তর পাড়ায় মৃত্যু-১৯৪৯ সালে। তাঁর তিন ছেলেঃ (১) ১৯০৩ সালে মৌলভী আবদুল হক (জহর মৌলভী)'র জন্ম, মৃত্যু-১৯৮০ সালে (২) ১৯০৭ সালে মৌলভী ফজলুর রহমান (তাহের মৌলভী)'র জন্ম, মৃত্যু-১৯৮০ সালে ও (৩) ১৯১০ সালে মৌলভী লুৎফর রহমান (ছেনা মৌলভী)'র জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই। মৌলভী ফজলুর রহমান (তাহের মৌলভী)'র তিন ছেলেঃ (১) ১৯৩৯ সালে মোঃ মাহফুজুর রহমানের জন্ম, মৃত্যু-১৯৯৩ সালে (২) ১৯৫২ সালের এপ্রিল মাসে আবুল আরফানের জন্ম। ও (৩) ১৯৬১ সালে শামীম আহমেদের জন্ম। আবুল আরফানের তিন মেয়ে: (১) ১৯৮৭ সালের ৭ মার্চ, ওম্মে সালমা (তন্বী)'র জন্ম। (২) ১৯৯০ সালে ওম্মে হাবিবা (স্বর্না)'র জন্ম। ও (৩) ২০০২ সালে তাসফিয়া রহমানের জন্ম। এদের পূর্ব পুরুষরা ইয়েমেন থেকে ভারতের দিল্লীতে আসে তারপর দিল্লী থেকে ঢাকার সোঁনারগায়ে এসে বসতি স্থাপন করে বসবাস শুরু করে। সোঁনারগাও থেকে মওলানা হুজাগল বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ফতেপুর গ্রামে বসতি স্থাপন করেন। তারপর আবার ফতেপুরর গ্রাম থেকে মওলানা আবদুর রহমান ও মাওলানা লাল মিয়া মৌলভী রূপসদী গ্রামে বসবাস শুরু করেন। তাঁদের ৮(আট) পুরুষের বংশ লতিকা।

১৭৭০ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার চারগাছ গ্রামে আলমের জন্ম, মৃত্যু-মরিচাকান্দি গ্রামে। তাঁর ছেলে ১৭৯৯ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার চারগাছ গ্রামে পান্ডব আলীর জন্ম, মৃত্যু-মরিচাকান্দি গ্রামে। তাঁর ছেলে ১৮২৭ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার মরিচাকান্দি গ্রামের বাসিন্দা গোলাম আলীর জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই। তাঁর ভাই ১৮২৯ সালে জনাব মোঃ ইউসুফ আলী সরকারের জন্ম, মৃত্যু-১৯০৯ সালে। ১৮৫৮ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার মরিচাকান্দি গ্রামে মোঃ দেলোয়ার আলী সরকারের জন্ম, মৃত্যু-১৯৩৮ সালে। দেলোয়ার আলী সরকারের বড় মেয়ের জন্ম-১৮৮৬ সালে। ১৮৯২ সালে মরিচাকান্দি গ্রামের সরকারবাড়িতে মোঃ বজলুর রহমানের জন্ম, মৃত্যু-১৯৬৫ সালে। ১৯৪০ সালে মরিচাকান্দি গ্রামের সরকারবাড়িতে মোঃ বজলে হাসান জাহেদীর জন্ম। ১৯৬৮ সালে মোঃ রফিকুর হাসান জাহেদীর জন্ম। তাঁর ছেলে মোঃ ইয়াসিন হাসান জাহেদী, অস্ট্রেলিয়ায় ২০০৮ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি জন্ম। তাঁদের ৮ম(পুরুষ) পুরুষের বংশ তালিকা দেয়া হলো।

১৭৭৪ সালের ১৭ অক্টোবর, ঝিনাইদহ জেলার হরিণাকুন্ডু থানার হরিশপুর গ্রামে (কুষ্টিয়া জেলায়) বাউল সম্রাট, মরমী সাধক ও কবি ফকির লালন শাহের জন্ম, মৃত্যু-১৭-১০-১৮৯০ তারিখ।

১৭৮১ সালে ফরিদপুর জেলার তৎকালীন মাদারীপুর মহকুমার শামাইল গ্রামে ভূমিষ্ঠ হন বৃটিশ বিরোধী সংগ্রামের বীর সেনানী হাজী শরীয়াত উল্লাহ(রহ.) জন্ম, মৃত্যু-২২-০১-১৮৩৯ তারিখ। হাজী শরীয়াত উল্লাহ(রহ.) ছিলেন মুসলিম রেনেসাঁর অগ্রপথিক। হাজী শরীয়াত উল্লাহ(রহ.) ১৭৯২ সালে জ্ঞান অর্জেনর জন্য কলকাতা চলে যান। ১৭৯৯ সালে মৌলভী বাসারত আলী-হাজী শরীয়াত উল্লাহ(রহ.)কে সঙ্গে নিয়ে মক্কা শরীফ গমন করেন। তিনি মক্কায় ২০(বিশ) বছর অবস্থান করেন। দুদু মিয়া কে ছিলেন-হাজী শরীয়তউল্লাহর পুত্র-দুদু মিয়ার আসল নাম মুহম্মদ মুহসীন। তিনি ফরায়েজি আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ দান করেন এবং ১৮৬২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর, ফরাজী আন্দোলনের নেতা পীর মুহাম্মদ মুহসীন উদ্দীন আহমদ ওরফে দুদু মিয়ার ইন্তেকাল। ১৮২৮ সালে নবাব আব্দুল লতিফ ফরিদপুরে জন্মগ্রহণ করেন; তিনি ১৮৪৮ সালে কলকাতা মাদ্রাসার ইংরেজী ও আরবী বিষয়ের অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন, ১৮৬২ সালে নবাব আব্দুল লতিফ মুসলমানদের মধ্যে প্রথমবঙ্গীয় আইন পরিষদের সদস্য মনোনীত হন, ১৮৭৭ সালে নবাব আব্দুল লতিফ কলকাতায় প্রেসিডেন্সি ম্যাজিস্ট্রেট পদে উন্নীত হন এবং ১৮৮৪ সালে নবাব আব্দুল লতিফ চাকুরী থেকে অবসর গ্রহণ করেন, মৃত্যুঃ ১০-০৭-১৮৯৩ তারিখ। ১৮৪৯ সালের ৬ এপ্রিল, উড়িষ্যার কটকে বিচারপতি স্যার সৈয়দ আমীর আলীর জন্ম; মৃত্যু-১৯২৮ সালে (লন্ডন)। ১৮৭৩ সালে সৈয়দ আমীর আলী ব্যারিস্টার হন। ভারতীয়দের মধ্যে প্রথম প্রিভি কাউনসিল হন সৈয়দ আমীর আলী। সৈয়দ আমীর আলী রচনা করেন 'দি স্পিরিট অব ইসলাম এবং এ শর্ট হিস্ট্রি অব দি সারাসিন'। ১৮৯০ সালের ২ জানুয়ারি, সৈয়দ আমীর আলী কলকাতা হাইকোর্টের মুসলমানদের মধ্যে প্রথম বিচারপতি নিযুক্ত হন। ১৮৬৮ সালে এম. এ. (ইতিহাস)-এ পাস করেন হুগলি কলেজ থেকে, তিনি বাঙালি মুসলমানের মধ্যে প্রথম এম. এ. পাস এবং প্রথম ব্যারিস্টারও তিনি। ১৮৭০ সালে ড. স্যার আবদুল্লাহ আল-মামুন সোহরাওয়ার্দীর জন্ম, মৃত্যু-১৯৩৫ সালে কলকাতায়। তিনি ১৯০৮ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনকারী বাঙালি মুসলমান। ১৮৫৭ সাল থেকে ১৯০০ সাল পর্যন্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাত্র ১৯৮ জন বাঙালি মুসলমান স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। উনিশ শতকে সীমিত পরিসরে সমাজে নারীশিক্ষার প্রয়াস চালানো হয়। উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে মুসলিম নারীসমাজের শিক্ষাবিস্তার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় যে ক'জন মহিলা উদ্যোগ নেন তাঁদের মধ্যে বিবি তাহেরা নেসা, ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী (১৮৩৪-১৯০৩), করিরুন্নেসা খানম (১৮৫৫-১৯২৬) এবং রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন (১৮৮০-১৯৩২) তাহেরা নেসা প্রথম বাঙালি মুসলিম মহিলা লেখক। তিনি ১৮৬৫ সালে বামাবোধিনী পত্রিকায় 'শিক্ষা ও সামাজিককতায় নারীর অধিকার' সম্পর্কে একটি রচনা প্রকাশ করেন। ১৮৭৩ সালে নবাব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করেন। ১৯১৫-১৬ সাল পর্যন্ত কোনো মুসলমান মেয়ে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় পাস করেননি; ১৯১৮-১৯ সালে মাত্র একজন মেয়ে এ পরীক্ষায় পাস করেন। তবে ১৯২১-২২ সালে ১০২ জন মুসলিম ছাত্রী ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় পাশ করেন। বাংলার মুসলিম সমাজে আধুনিক শিক্ষার অগ্রগতি (১৮৮৫-১৯২১)-মোঃ আবদুল্লাহ আল-মাসুম।

১৭৯০ সালে ইদেল শাহ'র বাবার জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই। (ইদেল শাহ তাঁর বাবার সাথে দশদনা গ্রামে আসছে এবং বসতি স্থাপন করেন। তাঁরা কোথা থেকে আসছে শাহ জাহাঙ্গীর আলম বলতে পারেনি) তাঁর ছেলে-১৮১৬ সালে ইদেল শাহ'র জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই। তাঁর ছেলে-১৮৪৩ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার দশদনা গ্রামে মোঃ মঙ্গল ব্যাপারীর জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই। তাঁর চার ছেলে: (১) মুনশি দেলোয়ার আলী (২) মুনশি শাহজাহান মিয়া (৩) মুনশি আবদুস সোবহান ও (৪) আবদুল কাদের ব্যাপারী। এক ভাইয়ের পরিচয়-১৮৭০ সালে মুনশি দেলোয়ার আলীর জন্ম, মৃত্যু-জানা নেই। তাঁর পাঁচ ছেলে: (১) মৌলভী আবদুর রহিম (২) মৌলভী রজ্জব আলী (৩) মৌলভী আবদুল লতিফ (৪) মৌলভী কলিমউল্লাহ (৫) ডাক্তার সলিমউল্লাহ (৬) পুংক্কানি ফুফু ও (৭) মনজুরা বেগম। এক ভাইয়ের পরিচয়-১৮৯৮ সালে বি-বাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার দশদনা গ্রামে মৌলভী আবদুর রহিম দারোগার জন্ম, মৃত্যু-২৪-১০-১৯৬৪ তারিখ দশদনা গ্রামে। তাঁর পাঁচ ছেলে ছয় মেয়ের পরিচয়: (১) খোরশেদা বেগমের জন্ম-১৯২৭ সালে (২) শাহ একলেমুর রেজা (বাচ্চু মিয়া), বি.এ. জন্ম-১৯২৯ সালে-মৃত্যু-১৯৭০ সালে (৩) নাজনিন বেগমের (টুনু) জন্ম-১৯৩২ সালে (৪) জাহানারা বেগমের জন্ম-১৯৩৪ (৫) ছোট মনোর জন্ম-১৯৩৬ সালে (৬) শাহ সালাউদ্দিন (সগির) জন্ম-১৯৩৯ সালে (৭) শাহ মহিউদ্দিন আহমেদ (ইলেকট্রিক ডিপেস্নামা) জন্ম-১৯৪২ সালে (৮) পোকরাজ বেগমের জন্ম-১৯৪৪ সালে (৯) শাহ কামালউদ্দিন, বি. কম. জন্ম-১৯৪৬ সালে (১০) শাহ জাহাঙ্গীর আলম, বি.এ. জন্ম-১৯৫০ সালে ও (১১) হাসিনা বেগমের জন্ম-১৯৫২ সালে। এক ভাইয়ের পরিচয়-১৯৫০ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার দশদনা গ্রামে শাহ জাহাঙ্গীর আলমের জন্ম। তাঁর এক ছেলে এক মেয়ে: শাহ ওবায়দুর রহিম (সাগর), এম.এ. (রাষ্ট্রবিজ্ঞান)-এর জন্ম-১৯৮৫ সালে ও (২) সাবাহ ফারিহা (নাশা), এম.বি.বি.এস.(-এর জন্ম-১৯৮৯ সালে) তৃতীয় বর্ষে লেখাপড়া করে ময়মনসিংহ কমিউনিটি ব্যজড মেডিকেল কলেজ, বাংলাদেশ। তাদের ৭ম পুরুষের বংশ লতিকা।

১৮০৩ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার খাল্লা গ্রামে দারোগা নযম-উদ-দীনের জন্ম, কলকাতা যেয়ে দারোগার চাকুরী নেন এবং কতকাতা মেডিকেল হাসপাতালে মারা গেছেন-১৮৫২ সালে।