১৯২৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি, বৃটেন সোভিয়েত ইউনিয়নকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়।
১৯২৪ সালের ২৫ মার্চ, গ্রীসের রাজা দ্বিতীয় জর্জ পদচ্যুত হন।
১৯২৪ সালের ৫ আগষ্ট, তুরস্কে বহুবিবাহ নিষিদ্ধ করা হয়।
১৯২৪ সালে ইতালীর মিলান শহরে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সঞ্চয় ব্যাংকসমূহের প্রতিনিধিদের নিয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
১৯২৫ সালের ১৬ জানুয়ারি, সোভিয়েত কমিউনিষ্ট পার্টির নেতৃত্ব থেকে লিও ট্রটস্কি অপসারিত হন।
১৯২৫ সালের ১ মে, সাইপ্রাসকে বৃটেন কলোনি হিসেবে ঘোষণা করে।
১৯২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর, রুমানিয়ার রাজা দ্বিতীয় ক্যারোল পুত্রের সপক্ষে সিংহাসন ত্যাগ।
১৯২৬ সালের ৩ মে, ইংল্যান্ডের লাগাতার শ্রমিক ধর্মঘট শুর হয়।
১৯২৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর, জার্মানী লীগ অব নেশন্স-এর সদস্যপদ লাভ করে।
১৯২৬ সালের ১২ মে, ইংল্যান্ডের দীর্ঘস্থায়ী সাধারণ ধর্মঘটের অবসান।
১৯২৭ সালের ১ মে, এ্যাডলফ হিটলার বার্লিেন নাজি পার্টির প্রথম বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
১৯২৭ সালের ২৭ মে, বৈমানিক চার্লস গিল্ডবার্গ বিশ্বে প্রথম বিমানে আটলান্টিক পাড়ি দেন।
১৯২৭ সালের ১৪ জুন, বৃটিশ নারীদের ভোটাধিকার স্বীকৃত হয়।
১৯২৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি, পঞ্চম মিগুয়েল পর্তুগালের প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত হন।
১৯২৮ সালের ৭ জুন, ইংল্যান্ডে মহিলা ভোটারদের বয়সসীমা ত্রিশোধ্র্ব থেকে কমিয়ে একুশোধ্র্ব করা হয়।
১৯২৮ সালের ১৮ জুন, এ্যামেলিয়া এয়ারহার্ট যিনি প্রথম মহিলা বিজ্ঞানী হিসেবে আটলান্টিক পাড়ি দেন।
১৯২৮ সালের ৩ জুলাই, লন্ডনে জন বায়ার্ড প্রথম রঙিন টিভি অনুষ্ঠান সম্পচার করেন।
১৯২৮ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর, পেনিসিলিনের আবিস্কারের কথা প্রথম ঘোষিত হয়।
১৯২৮ সালের ৩ নভেম্বর, তুরস্কে আরবী হরফ নিষিদ্ধ করে রোমান হরফ চালু করে।
১৯২৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি, ভ্যাটিকান স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
১৯২৯ সালের ৭ জুন, সার্বেভৗম রাষ্ট্র হিসেবে ভ্যাটিকান সিটির স্বীকৃতি লাভ।
১৯২৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর, বিবিসি প্রথম পরীক্ষামূলক টিভি সম্প্রচার শুরু করে।
১৯২৯ সালে পোলান্ডে পিলসুভিস্কি সংসদে নির্বািচত সদস্যদের অধিবেশনে সৈন্যবাহিনী পাঠিয়ে যেদিন তার ক্ষমতা প্রদর্শন করলেন, সেদিনই গণতন্ত্র মরে গেল।
১৯৩০ সালের ২৮ মার্চ, কনস্টানটিনোপলের নাম পরিবর্তন করে ইস্তাম্বুল ও এ্যাঙ্গোরার নাম আংকারা করা হয়।
১৯৩০ সালের ৮ জুন, রুমানিয়ার রাজা দ্বিতীয় ক্যারল সিংহাসন পুনর্দখল করেন।
১৯৩১ সালের ২৮ মার্চ, স্পেনে জেনারেল ফ্রাঙ্কোর ক্ষমতা গ্রহণ।
১৯৩১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর, নাৎসি জার্মান বাহিনীর মস্কো অভিমুখী সাঁড়াশি অভিযান।
১৯৩১ সালে বৃটেনে স্বর্ণ মুদ্রার পরিবর্তে স্টার্লিং চালু হয়।
১৯৩১ সালে রুমানিয়ার রাজা ক্যারল একনায়কতন্ত্র কায়েম করলেন।
১৯৩২ সালের ২৩ এপ্রিল, লন্ডনে শেক্সপিয়ার মেমোরিয়াল থিয়েটারের উদ্ভোধন করা হয়।
১৯৩২ সালের ৫ জুলাই, অলিভিয়েরা সালাজারের পর্তুগালের ক্ষমতা গ্রহণ।
১৯৩২ সালের ২২ আগস্ট, বিবিসির নিয়মিত টিভি সম্প্রচার কার্যক্রম প্রথম শুরু হয়।
১৯৩২ সালের ২৭ আগষ্ট, আমস্টারডামে যুদ্ধবিরোধী শান্তি কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৩৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি, কমিউনিষ্ট ষড়যন্ত্রের অজুহাতে জার্মান নাৎসিরা রাইখ স্ট্যাগে অগ্নিসংযোগ করে।
১৯৩৩ সালের ৩০ জানুয়ারি, এডলফ হিটলার জার্মানীর চ্যান্সেলর নিযুক্ত হন এবং সে দেশে একনায়কতন্ত্রের উত্থান ঘটে।
১৯৩৩ সালের ৫ মার্চ, জার্মানীর সাধারণ নির্বাচনে নাৎসীরা বিজয়ী হয়।
১৯৩৩ সালের ১৩ মার্চ, ইহুদীরা জার্মানী ছাড়তে শুরু করে।
১৯৩৩ সালের ২০ মার্চ, মিউনিখের কাছে জার্মান নাৎসিদের প্রথম বন্দীশিবির স্থাপন।
১৯৩৩ সালের ২৩ মার্চ, এ্যাডলফ হিটলার জার্মািনর একনায়ক হন।
১৯৩৩ সালের ১ এপ্রিল, জার্মানীতে ইহুদী নিধন শুরু।
১৯৩৩ সালের ১০ মে, বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে নাৎসীরা ২৫ হাজার মূল্যবান গন্থে অগ্নিসংযোগ করে।
১৯৩৩ সালের ২৩ ডিসেম্বর, জার্মানীর রাইখস্টাগ অগ্নিকান্ডের মামলা শেষ হয়।
১৯৩৪ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি, রোমানিয়া, গ্রিস, যুগোস্স্নাভিয়া ও তুরস্ক বলকান চুক্তিতে স্বাক্ষর।
১৯৩৪ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি, অস্ট্রিয়ায় কঠোরহস্তে সমাজতন্ত্রীদের বিদ্রোহ দমন শুরু।
১৯৩৪ সালের ২ আগষ্ট, জার্মানীর স্বৈরশাসকরুপে এডলফ হিটলারের আত্মপ্রকাশ।
১৯৩৪ সালের ১৭ মে, বুলগেরিয়ায় নির্বািচত সরকার হটিয়ে সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখল।
১৯৩৪ সালের ৯ অক্টোবর, যুগোস্স্নাভিয়ার রাজা প্রথম আলেকজান্ডার ক্রোয়েশীয় সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত হন।
১৯৩৪ সালের ১ ডিসেম্বর, এতস্কীপন্থী গুপ্তচরদের হাতে বলশিভিক কমিউনিষ্ট নেতা সারগেই কিরভ নিহত হন।
১৯৩৪ সালে বৃটেনে কুইন মেরী জাহাজ ভাসানো হয়।
১৯৩৫ সালের ১৬ মার্চ, হিটলার ভার্সাই চুক্তি ভঙ্গ করে বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগ পুনঃপ্রবর্তন করেন।
১৯৩৫ সালের ২০ মার্চ, বৃটিশ কাউন্সিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৩৫ সালের ২১ জুন, প্যারিসে বিশ্বের নেতৃস্থানীয় শিল্প-সাহিত্যিকদের প্রথম ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্তর্জািতক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয।
১৯৩৫ সালের ১৫ জুলাই, কমিউনিস্ট আন্তর্জািতকের ঐতিহাসিক শপ্তম কংগ্রেস শুরু।
১৯৩৫ সালের ৩০ জুলাই, বিশ্বখ্যাত প্রকাশনা সংস্থা পেঙ্গুইনের বই প্রথম প্রকাশিত হয়।
১৯৩৫ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর, জার্মানী-ইহুদী বিদ্বেষী নুরেমবার্গ আইন অনুমোদন।
১৯৩৫ সালে ব্রিটেন র্কতৃক ভারতবর্ষেক স্বায়ত্বশাসন দান।
১৯৩৫ সালে ফ্রান্সে মসিয়ে ব্লার নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক দলের সরকার গঠিত হয়।
১৯৩৬ সালের ২১ জানুয়ারি, সপ্তম এডওয়ার্ড বৃটেনের সিংহাসনে আরোহণ করেন।
১৯৩৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি, পপুলার ফ্রন্টের বিজয়ের মধ্য দিয়ে স্পেনে বামপন্থী রিপাবলিকান সরকারের ক্ষমতা গ্রহণ।
১৯৩৬ সালের ৩ মে, ফ্রান্সের সাধারণ নির্বাচনে পপুলার ফ্রন্ট জয়ী হয়।
১৯৩৬ সালের ৫ মে, ইতালীয় বাহিনীর আদ্দিস আবাবা দখল।
১৯৩৬ সালের ৯ মে, ইতালি-ইথিওপিয়া একত্রীভুক্ত। রাজা ভিক্টর এমানয়েল নিজেকে সম্রাট ঘোষণা করেন।
১৯৩৬ সালে হল স্পেনে বিদ্রোহ।
১৯৩৬ সালের ২৫ অক্টোবর, ইতালি-জার্মািন চুক্তির মাধ্যমে রোম-বার্লিন অক্ষশক্তি গড়ে ওঠে।
১৯৩৭সালের ২৬ এপ্রিল,স্পেনের গৃহযুদ্ধ চলাকালে জার্মান থেকে গুয়ের্নিকায় বোমাবর্ষণ
১৯৩৭ সালে ফ্রান্সে একটি ষড়যন্ত্র ধরা পড়ে, তার মতলব ছিল ফরাসি প্রজাতন্ত্রকে ভেঙে ফেলা।
১৯৩৮ সালের ১১ মার্চ, জার্মান বাহিনী অস্ট্রিয়ায় প্রবেশ করেন।
১৯৩৮ সালের ১৩ মার্চ, জার্মানীর সাথে অস্ট্রিয়া একীভূত হয়।
১৯৩৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর, বৃটেন, ফ্রান্স, জার্মানী ও ইতালির মধ্যে মিউনিক চুক্তি স্বাক্ষর।
১৯৩৮ সালে নাৎসী জার্মািন অস্টিয়া আক্রমণ করেছে, পৃথিবীর মানচিত্র থেকে তার নাম লুপ্ত করে দিয়েছে।
১৯৩৮ সালে কুইন এলিজাবেথের জাহাজ ভাসানো হয়।
১৯৩৯ সালের ১৫ মার্চ, জার্মানী র্কতৃক চেকোস্স্নোভাকিয়া দখল।
১৯৩৯ সালের ২৮ মার্চ, জেনারেল ফ্রাঙ্কোর মাদ্রিদ অধিকারের মধ্য দিয়ে স্পেনের গৃহযুদ্ধের অবসান।
১৯৩৯ সালের ১ এপ্রিল, স্পেনের গৃহযুদ্ধের অবসান হয়।
১৯৩৯ সালের ৩ এপ্রিল, ডেনমার্ক ও নরওয়েতে জার্মান বাহিনী অনুপ্রবেশ করে।
১৯৩৯ সালের ৭ এপ্রিল, ইতালী আলবেনিয়া দখল করে নেয়।
১৯৩৯ সালের ১৯ আগষ্ট, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও জার্মানীর মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি স্বাক্ষর।
১৯৩৯ সালের ২১ আগস্ট, ব্রিটেনে সিভিল ডিফেন্স কার্যক্রম শুরু হয়।
১৯৩৯ সালের ২৩ আগষ্ট, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও জার্মানীর মধ্যে অনাক্রমণ চুক্তি স্বাক্ষর।
১৯৩৯ সালের ৩১ আগষ্ট, পোল্যান্ড নিয়ে সংকটের কারণে ইউরোপ যুদ্ধের সূচনা।
১৯৩৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর, বৃটেনে ১৯ থেকে ৪১ বছর বয়সী পুরুষদের সেনাবাহিনীতে যোগদান বাধ্যতামূলক করা হয়।
১৯৩৯ সালের ৩ সেপ্টেম্বর, জার্মানীর বিরুদ্ধে মিত্রশক্তির যুদ্ধ ঘোষণা।
১৯৩৯ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর, জার্মান বাহিনী ওয়ারশ পৌঁছে।
১৯৩৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর, ব্রিটেনে পরিচয়পত্র প্রথা চালু হয়।
১৯৩৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও জার্মানী এক চুক্তির মাধ্যমে পোলান্ডের বিভক্তি মেনে নেয়।
১৯৩৯ সালের ৮ অক্টোবর, পশ্চিম পোলান্ড জার্মানীর অঙ্গীভূত হয়।
১৯৩৯ সালের ৮ নভেম্বর, হিটলারের জার্মান বাহিনী ব্রিটেন আক্রমণ করে।
১৯৩৯ সালের ২৭ ডিসেম্বর, তুরস্কের আনাতোলিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে ১০ সহস্রাধিক লোক নিহত হয়। বিপুল সম্পদহানি।
১৯৩৯ সালে গ্রীসে জন মেটালেক্স সকল ক্ষমতা দখল করলেন।
১৯৩৯ সালে বৃটেনে প্রথম পরিচয়পত্র চালু করে।
১৯৪০ সালের ৮ জানুয়ারি, বৃটেনে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে মাখন,চিনি ইত্যাদির রেশন চালু করে।
১৯৪০ সালের ১২ মার্চ, ফিনল্যান্ড ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষর।
১৯৪০ সালের ৯ এপ্রিল, জার্মান বাহিনীর নরওয়ে ও ডেনমার্ক আক্রমণ।
১৯৪০ সালের ১৭ এপ্রিল, জার্মানীর কাছে যুগোস্স্নাভিয়ার পরাজয়।
১৯৪০ সালের ২০ এপ্রিল, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটিশ ব্রিগেড ফ্রান্সে পদাপর্ণ করে।
১৯৪০ সালের ১৫ মে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে জার্মানী নেদারল্যান্ড দখল করে।
১৯৪০ সালের ১৭ মে, জার্মান বাহিনী ফ্রান্স দখল।
১৯৪০ সালের ২৮ মে, বেলজিয়ামের সেনাবাহিনী জার্মানীর কাছে আত্মসমর্পণ করে।
১৯৪০ সালের ১০ জুন, ইতালীয় বাহিনী বৃটেন ও ফ্রান্স আক্রমণ।
১৯৪০ সালের ১৪ জুন, জার্মান সেনাবাহিনী ফ্রান্স দখল করে।
১৯৪০ সালের ১৭ জুন, রাশিয়ার লাটভিয়া দখল।
১৯৪০ সালের ২২ জুন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানী ফ্রান্সকে আত্মসমর্পণ চুক্তি স্বাক্ষরে বাধ্য করে।
১৯৪০ সালের ৪ আগষ্ট, ইতালীয় সৈন্যরা কেনিয়া, সুদান ও বৃটিশ সোমালিল্যান্ড দখল করে।
১৯৪০ সালের ৮ আগষ্ট, জার্মান বিমান বাহিনী বৃটেনে ব্যাপক বোমাবর্ষণ করে।
১৯৪০ সালের ৬ সেপ্টেম্বর, রুমানিয়ার রাজা দ্বিতীয় ক্যারল পুত্রের পক্ষে সিংহাসন ত্যাগ করেন।
১৯৪০ সালের ২৮ অক্টোবর, ইতালী গ্রীস আক্রমণ করে।
১৯৪০ সালের ২৭ নভেম্বর, দেহরক্ষীদের হাতে রুমানিয়ার প্রধানমন্ত্রী ইয়োর্গাসহ ৬৪ ব্যক্তি নিহত।
১৯৪০ সালে জার্মান বাহিনী ওয়ারশ পৌঁছে।
১৯৪১ সালের ৬ এপ্রিল,ইতালীর সাথে আঁতাত করে জার্মান বাহিনী গ্রীস ও যুগোস্স্নাভিয়া আক্রমণ।
১৯৪১ সালের ২৪ মে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বৃটিশ রণতরী হুড ডুবে যায়।
১৯৪১ সালের ২ জুন, ইংল্যান্ডে কাপড়ের রেশন প্রথা চালু হয়।
১৯৪১ সালের ১৫ জুন, নাৎসি বাহিনীর হাতে প্যারিসের পতন ঘটে।
১৯৪১ সালের ৩১ জার্মািনতে গথিক হরফ নিষিদ্ধ ও রোমান হরফ চালু হয়।
১৯৪১ সালের ২২ জুন, শান্তিচুক্তি লঙ্ঘণ করে হিটলারের নাৎসী বাহিনীর সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রমণ।
১৯৪১ সালের ২৩ জুন, সোভিয়েত লালফৌজ জার্মানীর নাৎসি বাহিনীর বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রতিরোধ যুদ্ধ শুরু করে।
১৯৪১ সালের ৩ জুলাই, মিত্র বাহিনীর কাছে সিরিয়ার আত্মসমর্পণ।
১৯৪১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর, জার্মান বাহিনী কিয়েভ দখল করে।
১৯৪১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর, জার্মানীর নাৎসী বাহিনী মস্কো অভিমুখে সাঁড়াশি অভিযান শুরু।
১৯৪১ সালের মাঝামাঝি ইউরোপে হিটলারের জয়জয়কার সময়।
১৯৪১ সালে দ্বিতীয় বিশ্ব-যুদ্ধে জার্মান বাহিনীর অগ্রাভিযানের মুখে রুশ সরকারের মস্কো ত্যাগ।
১৯৪১ সালে হিটলার জার্মান বাহিনীর সর্বময় কর্তৃত্ব গ্রহণ করেন।
১৯৪২ সালের ২০ জানুয়ারি, নাৎসি কর্মকর্তারা ইউরোপের অসুস্থ ইহুদীদের গ্যাস চেম্বারে হত্যার এবং অন্যদের পূর্বাঞ্চলীয় দেশসমূহে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়।
১৯৪২ সালের ৫ মে, বৃটিশ বাহিনী মাদাগাস্কার দখল করে।
১৯৪২ সালের ১৪ জুলাই, কংগ্রেস ওয়াকিং কমিটি ব্রিটিশবিরোধী ঐতিহাসিক 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলনের প্রস্তাব গ্রহণ করে।
১৯৪২ সালের ২২ আগষ্ট, জার্মান বাহিনী স্তালিনগ্রাদ অবরোধ করে।
১৯৪২ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মান বাহিনী রাশিয়ার স্তালিনগ্রাদ আক্রমণ।
১৯৪২ সালের ১৯ নভেম্বর, সোভিয়েত ইউনিয়ন স্তালিনগ্রাদে জার্মান বাহিনীর ওপর পাল্টা আক্রমণ শুরু করে।
১৯৪২ সালের ৩১ ডিসেম্বর, স্তালিনগ্রাদের লড়াইয়ে জার্মান বাহিনীর পরাজয় বরণ করে।
১৯৪২ সালে প্রাচ্যে বৃটিশ বাহিনীর ক্রমাগত ভাগ্য বিপর্যয় ঘটতে থাকে।
১৯৪২ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্যাটন অফ আলামিনের সমাপ্তি ঘটে।
১৯৪৩ সালের ৩১ জানুয়ারি, সোভিয়েত লাল ফৌজ ১৭-মাসব্যাপী লড়াইয়ের পর জার্মান দখল থেকে স্তালিনগ্রাদ পুনরুদ্ধার করে।
১৯৪৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, সর্বেশষ জার্মান সেনাদলের আত্মসমর্পেণর ফলে সোভিয়েত লালফৌজ স্তালিনগ্রাদের যুদ্ধে বিজয় অর্জন করে।
১৯৪৩ সালের ১৩ জুন, ফ্রান্সের জাতীয় মুক্তি কমিটি গঠিত হয়।
১৯৪৩ সালের ৫ জুলাই, তুরস্কের যুদ্ধে রেড আর্মির কাছে নাৎসিদের পরাজয়।
১৯৪৩ সালের ২৫ জুলাই, ইতালীর স্বৈরশাসক মুসোলিনিকে ক্ষমতা থেকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়।
১৯৪৩ সালের ৮ সেপ্টেম্বর, মিত্র শক্তির কাছে ইতালি নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
১৯৪৩ সালের ৮ সেপ্টেম্বর, চেকোস্স্নোভাকিয়ার লেখক, সমালোচক, সাংবাদিক ও স্বাধীনতা সংগ্রামী জুলিয়াস ফুচিকের মৃত্যুদন্ড।
১৯৪৩ সালের ১২ সেপ্টেম্বর, জার্মানরা মুসোলিনীকে বন্দীদশা থেকে মুক্ত করে।
১৯৪৩ সালের ১৩ অক্টোবর, ইতালির রোম শহরে বিশ্বের প্রথম চলচ্চিত্র উৎসব শুরু হয়।
১৯৪৪ সালের ১৮ জানুয়ারি, জার্মান অবরোধ থেকে লেনিনগ্রাদ মুক্ত হয়।
১৯৪৪ সালের ২০ জানুয়ারি, জার্মানীর বার্লিেন বৃটিশ বিমান বাহিনীর ২৩শ' টন বোমাবর্ষণ।
১৯৪৪ সালের ৬ মার্চ, দিবালোকে বার্লিেন মার্কিন বাহিনীর ব্যাপক বোমাবর্ষণ।
১৯৪৪ সালের ১৭ মার্চ, মার্কিন বিমান বাহিনী ভিয়েনায় বোমা বর্ষণ করে।
১৯৪৪ সালের ১৯ মার্চ, জার্মান সৈন্যদের হাঙ্গেরী দখল।
১৯৪৪ সালের ২২ এপ্রিল, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রবাহিনী নিউ গিনিতে প্রবেশ করে।
১৯৪৪ সালের ৬ জুন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে মিত্র বাহিনী ফ্রান্সের নরম্যান্ডিতে আক্রমণের সূচনা করে।
১৯৪৪ সালের ৬ জুন, ৪০০ জাহাজ নিয়ে মার্কিন, বৃটিশ ও কানাডীয় সৈন্যরা অবতরণ করে নরম্যান্ডি অঞ্চলে। এ দিনটিকে বলা হয় উ-উধু ১. সেখানে মার্কিন, বৃটিশ ও কানাডিও বাহিনীর অবতরণ ও অভিযানই ঘটিয়ে ছিল জার্মানীর পরাজয়।
১৯৪৪ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি, ব্রিটিশ জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত শ্বেতপত্র প্রকাশ।
১৯৪৪ সালের ১৩ জুন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালে আবিস্কৃত প্রথম উড়ন্ত বোমা লন্ডনে আঘাত হানে।
১৯৪৪ সালের ১৭ জুন, আইসল্যান্ডকে স্বাধীন প্রজাতন্ত্র ঘোষণা।
১৯৪৪ সালের ২৭ জুন, পোল্যান্ডে সামরিক শাসনের অবসান।
১৯৪৪ সালের ১৮ আগষ্ট, জার্মান কমিউনিষ্ট নেতা আর্নেষ্ট থেলম্যানকে হত্যা করা হয়।
১৯৪৪ সালের ১৯ আগষ্ট, প্যারিসে সশস্ত্র অভ্যুত্থানের সূচনা।
১৯৪৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ থেকে ফিনল্যান্ড নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়।
১৯৪৪ সালের ২৩ অক্টোবর, রুশ সৈন্যরা পূর্ব প্রুশিয়া দখল করে নেয়।
১৯৪৪ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ''বিশ্বব্যাংক'' প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৪৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি, সোভিয়েত ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে একমত হয়।
১৯৪৫ সালের ২৪ এপ্রিল, সোভিয়েত সেনাবাহিনী বার্লিেন প্রবেশ করে।
১৯৪৫ সালের ২৮ এপ্রিল, ইতালির স্বৈরশাসক মুসোলিনি ও তাঁর স্ত্রী ক্লারেটা নিহত।
১৯৪৫ সালের ৩০ এপ্রিল, জার্মানীর একনায়ক হিটলার ও তার সঙ্গিনী ইভা ব্রাউনের আত্মহত্যা।
১৯৪৫ সালের ৮ মে, সোভিয়েত লাল ফৌঁজের বার্লিন বিজয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানীর পরাজয়।
১৯৪৫ সালের ৯ মে, জার্মানীর বিরুদ্ধে বিজয় অর্জেনর মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের অবসানে বিশ্বব্যাপী বিজয় উৎসব পালিত হয়।