১৯১১ সালের ২১ আগস্ট, দা ভিঞ্চির বিখ্যাত চিত্রকর্ম ''মোনালিসা" চুরি হয়।
১৯১১ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর, তুরস্ক ও ত্রিপোলির বিরুদ্ধে ইতালির যুদ্ধ ঘোষণা।
১৯১১ সালের ৫ নভেম্বর,ইতালি তুরস্কের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে এবং ত্রিপোলি দখল করে
১৯১১ সালে যুক্তরাজ্যে নির্মিত মোটর গাড়ির বিখ্যাত ব্রান্ড রোলস রয়েস শুরুর পর থেকে ২০১১ সালে শতবর্ষ পার করেছে।
১৯১২ সালের ১৪ এপ্রিল, হিমবাহের সাথে ধাক্কা খেয়ে বিশ্বের সমুদ্রগামী সর্ববৃহত যাত্রীবাহী জাহাজ 'টাইটানিক' ডুবে যায়।
১৯১২ সালের ১০ এপ্রিল, সাউদাম্পটন থেকে নিউইয়র্কে যাওয়ার সময় সবচেয়ে বড় 'টাইটানিক' জাহাজটি ১৫ এপ্রিল, মধ্যরাতে ২,২০০ জন যাত্রী নিয়ে আটলান্টিক মহাসাগরে একটি হিমশৈলে ধাক্কা লাগার পর 'টাইটানিক' ডুবে যায়। সে সময় বিলাশবহুল এ ব্রিটিশ জাহাজটির ২২শ' যাত্রীর মধ্যে ৭শ' ১১ জনের প্রাণরক্ষা পায়। ১৫০ জন যাত্রীকে স্কয়াড্রন সমুদ্র সৈকতে সমাধী করা হয়। নির্মাতা বিখ্যাত স্টার লাইন কোম্পানী দাম্ভিকতার সাথে বলেছিল-এ জাহাজ কোনদিন ডুববে না এবং এর কোন পরীক্ষামূলক কাজ সম্পন্ন করারও প্রয়োজন নেই। চলে গেলেন টাইটানিকের শেষ সাক্ষী মিলভিনা ডিন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৭ বছর। ৩১-০৫-২০০৯ তারিখ মিলভিনা ডিন ইংল্যান্ডের হ্যাম্পশায়ারে একটি বৃদ্ধাশ্রমে ঘুমের মধ্যে তিনি মারা গেছেন। ১৯১২ সালের ১৫ এপ্রিল মিলভিনা ডিনের বয়স ছিল ৬৩ দিন। নাবিকদের ভুলেই টাইটানিক ডুবেছে।
২০১৬ সালের ১৭ মে, প্রথম আলো: বিশ্বের সবচেয়ে বড় জাহাজের প্রসঙ্গ এলেই আসে। টাইটানিকের নাম। তবে আভিজাত্য ও আকারের দিক থেকে 'হারমনি অব দ্য সিস' টাইটানিকের চেয়ে অনেক এগিয়ে। এই প্রমোদতরিটি টাইটানিকের অপেক্ষা তিনগুণ কিংবা প্রমাণ সাইজের চারটি ফুটবল মাঠের চেয়েও বড়। ১৬তলা জাহাজটি আইফেল টাওয়ারের চেয়েও ৫০ মিটার উঁচু। প্রায় সাত হাজার যাত্রী ধারণক্ষমতার এই জাহাজটি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক রয়্যাল ক্যারিবিয়ান ক্রুজেস লিমিটেডের জন্য তৈরি করা হয়েছে আটলান্টিকের পাড়ে ফ্রান্সের একটি শিপইয়ার্ডে। গত রোববার(১৫-০৫-২০১৬ তারিখ) সাড়ম্বরে এটি ফ্রান্সের বন্দর থেকে প্রথম যাত্রা শুরু করে। আজ মঙ্গলবার(১৭-০৫-২০১৬ তারিখ) যুক্তরাজ্যের সাউদাস্পটনে পৌঁছার কথা জাহাজটির। ২০১৬ সালের ১৭ মে, প্রথম আলো: একই দিনে অর্থাৎ রোববারে আকাশে ডানা মেলেছে বিশ্বের বৃহত্তম উড়োজাহাজটিও। ৮৪ মিটার দীর্ঘ এই উড়োজাহাজ নির্মিত হয়েছে ইউক্রেনে। ধরণক্ষমতা ৬০০ টন। আস্তোনভ আন-২২৫ ম্রিয়া নামের উড়োজাহাজটি প্যারাগুয়ে থেকে ১১৭ টন ওজনের জেনারেটর নিয়ে প্রায় অর্ধেক পৃথিবী ভ্রমণ করে অষ্ট্রেলিয়ার পার্থে অবতরণ করে।এএফপি।
১৯১২ সালের ১৬ এপ্রিল, হ্যারিয়েট কুইম্বি নামের প্রথম মহিলা বিমানচালক ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেন।
১৯১২ সালের ৩ জুন, কনস্টানটিনোপলে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে জান-মালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি এবং ২৫,০০০ হাজার লোক আশ্রয় হারান।
১৯১৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি, গ্যালিপলিতে বুলগেরিয়ার সাথে যুদ্ধে সাড়ে ৭ হাজার তুর্কি সৈন্য নিহত।
১৯১৩ সালের ৩১ মার্চ, তুর্কিেদর চাটালজা অধিকার।তুমুল যুদ্ধে প্রায় ৫ হাজার লোক নিহত।
১৯১৩ সালের ৩০ মে, লন্ডন চুক্তির মাধ্যমে বলকান যুদ্ধের অবসান ঘটে।
১৯১৩ সালের ২৯ জুন, নরওয়েতে মহিলাদের ভোটাধিকার স্বীকৃত হয়।
১৯১৩ সালের ১ জুলাই, বুলগেরিয়াকে ঘিরে গ্রীস ও সার্বিয়ার মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়।
১৯১৩ সালের ১১ জুলাই, রুমানিয়া র্কতৃক বুলগেরিয়া আক্রমণ।
১৯১৩ সালের ১০ আগষ্ট, বুখারেস্ট চুক্তি বলকান যুদ্ধের সমাপ্তি।
১৯১৪ সালের ২৮ জুলাই, সার্বিয়ার বিরুদ্ধে অস্ট্রিয়া ও হাঙ্গেরির যুদ্ধ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
১৯১৪ সালের ৩০ জুলাই, প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু।
১৯১৪ সালের ৪ আগস্ট, জার্মািনর বিরুদ্ধে ইংল্যান্ডের যুদ্ধ ঘোষণায় প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা।
১৯১৪ সালের ৮ আগষ্ট, প্রথম বৃটিশ সেনাদল ফ্রান্সে উপনীত হয়।
১৯১৪ সালের ২০ আগষ্ট, জার্মান বাহিনী ব্রাসেলস দখল করে নেয়।
১৯১৪ সালের ৬ আগষ্ট, রাশিয়ার বিরুদ্ধে অস্ট্রিয়া যুদ্ধ ঘোষণা করে।
১৯১৪ সালে জার্মানীর বিরুদ্ধে জাপানের যুদ্ধ ঘোষণা করে।
১৯১৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর, প্রথম মহাযুদ্ধে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে জার্মািন যুদ্ধ ঘোষণা করে।
১৯১৪ সালের ২৯ অক্টোবর, ওয়ারশ যুদ্ধে রুশরা অস্ট্রীয় ও জার্মানদের পিছু হটিয়ে দেয়।
১৯১৪ সালের ৮ ডিসেম্বর, ফকল্যান্ড যুদ্ধে জার্মান নৌবহর সমুদ্রে নিমজ্জিত হয়।
১৯১৪ সালে সমগ্র ইউরোপের মোট জনসংখ্যা বেড়ে হয়েছিল ১৮(আঠার) কোটি। ঠিক এই সময়েই বিশেষ করে আমেরিকায় চলে যাচ্ছিল; এদের সংখ্যাও আমরা ৪ কোটির মতো বলে ধরতে পারি। ইউরোপের জনসংখ্যা ১৮(আঠার) কোটি থেকে বেড়ে ২০০৪ সালে প্রায় ৫০(পঞ্চাশ) কোটিতে গিয়ে দাঁড়িয়েছে।
১৯১৫ সালের ৫ জানুয়ারি, প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তুর্কি বাহিনী ককেশাসে পরাজয়বরণ করে।
১৯১৫ সালের ১৩ জানুয়ারি, মধ্য ইতালীতে ভয়াবহ ভূমিকম্পে ২৯ হাজার লোকের মৃত্যু।
১৯১৫ সালের ১৫ জানুয়ারি,রাশিয়ার ৮ লাখ সৈন্যের একটি বাহিনী পশ্চিম প্রুশিয়ার দিকে অগ্রসর।
১৯১৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, রাশিয়া হাঙ্গেরী আক্রমণ করে।
১৯১৫ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি, ডুবো জাহাজের সাহায্যে জার্মানীর বৃটেন অবরোধ শুরু।
১৯১৫ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি, ব্রিটেন জার্মানীর উপকুল অবরোধ করে।
১৯১৫ সালের ২২ এপ্রিল, প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানীর বিষাক্ত গ্যাস ব্যবহার শুরু।
১৯১৫ সালের ২৬ এপ্রিল, মিত্রশক্তি ও ইতালির মধ্যে লন্ডনচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৯১৫ সালের ৭ মে, প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানরা আমেরিকার'লুসিতানিয়া'জাহাজ ডুবিয়ে দেয়।
১৯১৫ সালের ২২ মে, অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে ইতালীর যুদ্ধ ঘোষণা।
১৯১৫ সালের ৫ সেপ্টেম্বর, জার্মান বাহিনী ওয়ারশ'তে প্রবেশ করে।
১৯১৬ সালের ৬ জানুয়ারি, ব্রিটেনে সেনাবাহিনীতে যোগদান বাধ্যতামূলক করা হয়।
১৯১৬ সালের ২৯ জানুয়ারি, জার্মান বাহিনী প্যারিসে প্রথম জেপেলিন থেকে বোমাবর্ষণ করে।
১৯১৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি, জার্মানীর ফ্রান্স আক্রমণের মধ্য দিয়ে ভার্দুন যুদ্ধ শুরু।
১৯১৬ সালের ৯ মার্চ, পর্তুগালের বিরুদ্ধে জার্মানীর যুদ্ধ ঘোষণা।
১৯১৬ সালের ২৪ এপ্রিল,বৃটিশ শাসনের বিরুদ্ধে আয়ারল্যান্ডে গণঅভ্যুত্থানের সূচনা।
১৯১৬ সালের ২৪ মে, বৃটেনে তরুণদের সেনাবাহিনীতে যোগদান বাধ্যতামূলক করে আইন পাস।
১৯১৬ সালের ৩১ মে, বৃটিশ সেনা দলের কাছে জার্মান নৌবাহিনীর পরাজয়।
১৯১৬ সালের ২ জুন, তুর্কীেদর বিরুদ্ধে আরবীয়দের বিদ্রোহ শুরু।
১৯১৬ সালের ২৭ আগষ্ট, জার্মানীর বিরুদ্ধে রুমানিয়া ও অস্ট্রিয়ার যুদ্ধ ঘোষণা।
১৯১৬ সালের ২১ নভেম্বর, বৃটিশ হাসপাতাল জাহাজ 'ব্রিটানিকা' সমুদ্রে নিমজ্জিত হয়।
১৯১৬ সালের ২৩ নভেম্বর, প্রথম কার্ল অস্ট্রিয়ার সিংহাসনে আরোহণ করেন।
১৯১৬ সালের ১৫ ডিসেম্বর, ৭-লাখ লোক নিহত হওয়ার পর ভার্দুন যুদ্ধের অবসান।
১৯১৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, প্রথম বিশ্বযুদ্ধকালে ব্রিটেনে রুটির রেশন চালু হয়।
১৯১৭ সালের ৮ মার্চ, রাশিয়ার পেত্রোগ্রাদে ফেব্রুয়ারী বিপ্লব শুরু।
১৯১৭ সালের ১৪ মার্চ, রাশিয়ার অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়।
১৯১৭ সালের ১৫ মার্চ, পেত্রোগ্রাদে সেনা বিদ্রোহের ফলে জার-এর ক্ষমতা ত্যাগ।
১৯১৭ সালের ১৫ মার্চ, রুশ সম্রাট দ্বিতীয় নিকোলাস সপরিবারে বিদ্রোহী প্রজাদের হাতে বন্দী হন।
১৯১৭ সালের ২১ মার্চ, বিপস্নবী বাহিনীর কাছে রাশিয়ার জার সস্ত্রীক গ্রেফতার হন।
১৯১৭ সালের ১৬ জুন, সমগ্র রাশিয়ার সোভিয়েত রাজ্যগুলোর প্রথম কংগ্রেস অনুষ্ঠিত।
১৯১৭ সালের ২৭ জুন, আলেকজান্ডার কেরেনস্কি রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হন।
১৯১৭ সালের ২৯ জুন, ইউক্রেন স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
১৯১৭ সালের ১৪ জুলাই, রুশ শাসনমুক্ত হয়ে ফিনল্যান্ড স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
১৯১৭ সালের ২২ জুলাই, আলেকজান্দার কেরেনস্কি রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হন।
১৯১৭ সালের ১০ আগষ্ট, বৃটেনে সর্বপ্রথম বিমান ডাক চালু হয়।
১৯১৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর, আলেকজান্ডার কেরেনস্কি রাশিয়াকে প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করেন।
১৯১৭ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর, জার্মান সেনাবাহিনী রুশ সৈন্যদের রিগা ত্যাগে বাধ্য করে।
১৯১৭ সালের ২১ সেপ্টেম্বর, লাটভিয়া'র স্বাধীনতা ঘোষণা।
১৯১৭ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর, আলেকজান্ডার কেরনেস্কির নেতেৃত্বে রশিয়ার তৃতীয় কোয়ালিশন সরকার দায়িত্ব নেয়।
১৯১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর, রাশিয়ার জার ও তার পরিবারের সদস্যদের সাইবেরিয়ায় নির্বাসন দেয়া হয়।
১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর, ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার জেমস বার্লেফার ফিলিস্তিনে ইহুদীদের জন্য পৃথক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অনুমোদন-সূচক বালফোর ঘোষণা দেন।
১৯১৭ সালের ৬ নভেম্বর, রাশিয়ার বিপস্নবী নেতা ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিনের নেতৃত্বে বলশেভিক পার্টির সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু।
১৯১৭ সালের ৭ নভেম্বর, লেলিনের নেতৃত্বে রাশিয়ায় পৃথিবীর প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠি হয়। রাশিয়াতে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক বিপস্নব ঘটে।
১৯১৭ সালের ৯ নভেম্বর, বিপস্নব-উত্তর রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে কৃষক-শ্রমিকের প্রথম সরকার গঠিত হয়।
১৯১৭ সালের ৫ ডিসেম্বর, রাশিয়ার বিপস্নবী সরকার ও জার্মানীর মধ্যে সন্ধি চুক্তি স্বাক্ষর।
১৯১৭ সালের ৯ ডিসেম্বর, রাশিয়ার অধিকার থেকে ফিনল্যান্ড স্বাধীন হয়।
১৯১৭ সালে কুখ্যাত ব্যালফোর ঘোষণার মাধ্যমে গ্রেট বৃটেন সিদ্ধান্ত নেয় পৃথিবীর সকল দেশ থেকে ইহুদী আমদানী করে ফিলিস্তিনে একটি ইহুদী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার।
১৯১৮সালের ৬ ফেব্রুয়ারি,বৃটিশ পার্লােমন্টে ত্রিশোধ্র্ব মহিলাদের ভোটাধিকার স্বীকৃত হয়।
১৯১৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি, সোভিয়েত লাল ফৌজ প্রতিষ্ঠা হয়।
১৯১৮ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি, রাশিয়া থেকে পৃথক হয়ে এস্তোনিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা।
১৯১৮ সালের ৩ মার্চ, পোল্যান্ড, লিথুয়ানিয়া, কোর্টল্যান্ড, রিগা ও বেলোরাশিয়ায় জার্মান বাহিনীর কাছে রুশ সৈন্যদের আত্মসমর্পণ।
১৯১৮ সালের ৯ মার্চ, রাশিয়ার রাজধানী পেত্রোগ্রাদ থেকে মস্কোয় স্থানান্তর করা হয়।
১৯১৮ সালের ৩ জুন, স্বাধীন পোল্যান্ড গঠনের দাবী স্বীকৃতি লাভ করে।
১৯১৮ সালের ১৫ জুলাই, প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ফরাসীদের বিরুদ্ধে জার্মান আক্রমণের সূচনা হয়।
১৯১৮ সালের ১৫ আগষ্ট, রাশিয়ার সাথে যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক ছিন্ন করে।
১৯১৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর, মিত্রশক্তি জার্মানীর হিল্ডেনবার্গ লাইন অতিক্রম করে।
১৯১৮ সালের ৩ অক্টোবর, বুলগেরিয়ার জার ফার্দিনান্দের সিংহাসন ত্যাগ।
১৯১৮ সালের ৩ অক্টোবর তারিখে হাঙ্গেরিতে প্রথম বিপ্লব হল।
১৯১৮ সালের ৩০ অক্টোবর, চেকোস্স্নোভাকিয়াকে প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হয়।
১৯১৮ সালের ৩ নভেম্বর, কিয়েল জার্মান নৌবহরে বিদ্রোহ ঘটে।
১৯১৮ সালের ৯ নভেম্বর, জার্মান বিপ্লবের ফলে সম্রাট দ্বিতীয় উইলিয়াম ক্ষমতাচ্যুত হন এবং জামার্নী প্রজাতন্ত্র ঘোষিত হয়।
১৯১৮ সালের ১২ নভেম্বর, অস্ট্রো-হাঙ্গেরি সাম্রাজ্য বিলুপ্তির মাধ্যমে অস্ট্রিয়া প্রজাতন্ত্র গঠিত।
১৯১৮ সালের ১৮ নভেম্বর, লাটভিয়াকে স্বাধীন প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হয়।
১৯১৮ সালের ২১ নভেম্বর, জার্মান সামরিক নৌবহর মিত্রশক্তির কাছে আত্মসমর্পণ করে।
১৯১৮ সালের ২৯ নভেম্বর, লিথুনিয়াকে প্রজাতন্ত্র ঘোষণা।
১৯১৮ সালের ৮ ডিসেম্বর, ব্রিটেন জেরুজালেম দখল করে।
১৯১৮ সালের ১৪ ডিসেম্বর, বৃটেনের সাধারণ নির্বাচনে মহিলারা প্রথম ভোটাধিকার প্রয়োগ করে।
১৯১৮ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তুরস্ক আত্মসমর্পণ করে।
১৯১৮ সালে বৃটিশ সেকেন্ড আর্মি জার্মানীর ভুখন্ডে প্রবেশ করে।
১৯১৯ সালের ৫ জানুয়ারি, সার্ব, ক্রোয়েট ও স্স্নোভেকদের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯১৯ সালের ১৫ জানুয়ারি, জার্মান কম্যুনিষ্ট নেতা কার্ল লিয়েব ও রোজা লুক্সেমবার্গ প্রতিবিপ্লবীদের হাতে নিহত হন।
১৯১৯ সালের ১৮ জানুয়ারি, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ভার্সাই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
১৯১৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি, বেনিতো মুসোলিনির ইতালিতে ফ্যাসিবাদী দল গঠন।
১৯১৯ সালের ২ মার্চ, মস্কোয় কমিউনিস্ট আন্তর্জািতকের প্রথম কংগ্রেস শুরু হয়।
১৯১৯ সালের ৪ মার্চ, সমাজতন্ত্রীদের আন্তর্জািতক সংগঠন কমিনটার্ম প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯১৯ সালের ১৮ মার্চ, স্বাধীনতা আন্দোলন দমনের জন্য ব্রিটিশ সরকার আইন পাস করে।
১৯১৯ সালের ২৮ এপ্রিল, লীগ অব নেশনস প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯১৯ সালের ৬ জুন, সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে ফিনল্যান্ডের যুদ্ধ ঘোষণা।
১৯১৯ সালের ১৮ জুলাই, প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষে শান্তি উৎসব পালিত।
১৯১৯ সালের ৩০ জুলাই, জার্মানীকে প্রজাতন্ত্র ঘোষণার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়।
১৯১৯ সালের ১০ নভেম্বর, লন্ডন ও প্যারিসের মধ্যে বিমান ডাক চলাচল শুরু।
১৯১৯ সালের ১ ডিসেম্বর, ইংল্যান্ডের কমন্স সভায় ন্যান্সি এ্যাস্টর প্রথম মহিলা সদস্য হিসেবে যোগ দেন।
১৯১৯ সালে বৃটেন বৈরুত দখল করে।
১৯২০ সালের ১৬ জানুয়ারি, প্যারিসে লীগ অব নেশনস-এর প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়।
১৯২০ সালের ২৩ জানুয়ারি, সাবেক কাইজারকে জার্মানীর হাতে তুলে দিতে ডাচ সরকারের অস্বীকৃতি।
১৯২০ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি, এ্যাডলফ হিটলারের নেতৃত্বে জার্মানীতে তৃতীয় রাইখ গঠনের আহবান।
১৯২০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি, হাঙ্গেরীতে রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আয়োজন চূড়ান্ত হয়।
১৯২০ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি, চেকোস্স্নোভাকিয়ার সংবিধান গৃহীত হয়।
১৯২০ সালের ২৮ এপ্রিল, আজারবাইজানে সোভিয়েত শাসন কায়েম হয়।
১৯২০ সালের ১৭ মে, বার্লিেন রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে সেনা অভ্যুত্থান ব্যর্থ হয়।
১৯২০ সালের ৮ জুলাই, ব্রিটেন কেনিয়া অধিগ্রহণ করে।
১৯২০ সালের ২৪ জুলাই, ফরাসীদের সিরিয়া দখল।
১৯২১ সালের ৮ মার্চ, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ আদায় করতে সংযুক্ত বাহিনী জার্মানী দখল করে।
১৯২১ সালের ৮ মে, রুমানিয়ায় কমিউনিস্ট পার্টি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯২১ সালের ১৮ মে, হাওয়ার্ড বারির নেতৃত্বে এভারেষ্ট গিরিশৃঙ্গ সংক্রান্ত প্রথম তথ্যানুসন্ধান অভিযান শুরু হয়।
১৯২১ সালের ২২ জুন, ৫২টি দেশের ৬০৫ জন প্রতিনিধির উপস্থিতিতে মস্কোয় তৃতীয় কমিউনিষ্ট আন্তর্জািতক শুরু হয়।
১৯২১ সালের ৩ জুলাই, মস্কোয় বিপ্লবী ট্রেড ইউনিয়নসমূহের আন্তর্জািতক কংগ্রেসের শুরু।
১৯২২ সালের ১৫ জানুয়ারি, হেগে স্থায়ী আন্তর্জািতক আদালত প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯২২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি, বৃটেনের শাসনাধীন থেকে মিশরের স্বাধীনতা লাভ।
১৯২২ সালের ৫ আগষ্ট, বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন জার্মান ত্যাগ করে আমেরিকায় আশ্রয় গ্রহণ।
১৯২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর, বেনিতো মুসোলিনি ইতালিতে প্রথম ফ্যাসিবাদী সরকার গঠন।
১৯২২ সালের ২০ অক্টোবর, রোম চুক্তির ফলে ইটালীতে মুসোলিনীর ফ্যাসিবাদী সরকার ক্ষমতাসীন হলো।
১৯২২ সালের ৩০ অক্টোবর, ইতালিতে বেনিতো মুসোলিনির ফ্যাসিবাদী মন্ত্রিসভা গঠন।
১৯২৩ সালের ১৩ আগস্ট, মোস্তফা কামাল পাশা তুরস্কের প্রেসিডেন্ট নির্বিচত।
১৯২৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর, লন্ডনের তৃতীয় গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
১৯২৩ সালের ১৩ অক্টোবর, আংকারাকে তুরস্কের নতুন রাজধানী করা হয়।
১৯২৩ সালের ২৯ অক্টোবর, কামাল আতাতুর্কের নেতৃত্বে ধর্মিনরপেক্ষ ও আধুনিক তুর্কি প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা লাভ।
১৯২২ সালের ৬ ডিসেম্বর, স্বাধীন আইরিশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯২৩সালের ১৬ নভেম্বর,নজিরবিহীন মুদ্রাস্ফীতির পর জার্মািনতে নতুন মুদ্রা ব্যবস্থা চালু হয়।
১৯২৪ সালের ২৬ জানুয়ারি, রাশিয়ার পেত্রোগ্রাদের নাম পরিবর্তন করে লেনিনগ্রাদ রাখা হয়।