‹ বিশ্ব ও দেশ-বিদেশের তথ্য অংশ ১০৮ / ১১৬

২০১০ সালের ৩০ মে, বাংলাদেশ প্রতিদিন: পৃথিবীর দ্রুতগামী ট্রেনের নাম 'টিভিজি'। ঘন্টায় ৫৭৫ কিলোমিটার বেগে চলে ফ্রান্সের এ ট্রেনটি রেকযর্ড গড়েছে। এ ট্রেনের চাকাগুলো তুলনামূলকভাবে বড় করে বানানো হয়েছে গতি বাড়ানোর জন্য এবং অতিরিক্ত শক্তি যোগাতে বেশি বিদ্যুতের যোগান দেয়া হয়েছে।

২০১০ সালের ৩০ মে, আমাদের সময়: ইউরোপ মহাদেশে ৪৪ ভাগ মালামাল বহন করে সড়ক পথে। আর ৮৫ ভাগ মানুষ চলাচল করে যানবাহনে।

২০১০ সালের ৮ জুন, প্রথম আলো: বেশির ভাগ ব্রিটিশ স্থানীয় মুসলমানদের উগ্রবাদী মনে করে।

২০১০ সালের ১৪ জুন, প্রথম আলো: বিশ্বের সবচেয়ে বড় রেডিওটেলিস্কোপ চালু করল নেদারল্যান্ড।

২০১০ সালের ২৭ জুন, প্রথম আলো: অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্বর্ণমুদ্রা নিলামে ৪০ লাখ মার্কিন ডলারে বিক্রি হয়েছে। ৫২ সেন্টিমিটার ব্যাসের এ মুদ্রাটির ওজন ১০০ কেজি।

২০১০ সালের ২৮ অক্টোবর, প্রথম আলোঃ ১৯৫২ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ উপনিবেশ মালয়েশিয়ায় বাস করার সময় ডরিসের পরিবার এ ফ্রিজটি কেনে। ডরিস ১৯৫৯ সালে তাঁর তিন সন্তান নিয়ে ব্রিটেনে ফিরে আসেন। ডরিসের বয়স ৮৯ বছর বয়স। সেই ফ্রিজটি ৫৮ বছরেও চালু আছে।

২০১০ সালের ২৭ নভেম্বর, প্রথম আলো: ব্রিটিশ গবেষকদের ঘোষণা। ক্লোন করা গবাদি পশুর মাংস ও দুধ সম্পূর্ণ নিরাপদ।

২০১০ সালের ২৭ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: ১৯১০ সালের পর ডিসেম্বরে যুক্তরাজ্যে এত তীব্র ঠান্ডা পড়েনি। তাই চলতি ডিসেম্বর 'শতাব্দীর সবচেয়ে ঠান্ডা ডিসেম্বর' হিসেবে ইতিহাসে স্থান করে নিতে পারে। বিবিসির আবহাওয়া কেন্দ্রের তথ্যমতে, চলতি ডিসেম্বরে ১০০ বছর আগের সেই রেকর্ড ভেঙে যেতে পারে। আশঙ্কা রয়েছে ওরষ্টার শহরের তাপমাত্রা মাইনাস ১৭ ও স্কটল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলের গ্রাম আল্টনাহারার তাপমাত্রা মাইনাস ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যেতে পারে। ইতিমধ্যে আয়ারল্যান্ডের ক্যানলডার্গ এলাকায় তাপমাত্রা মাইনাস ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। বিবিসি।

২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি, প্রথম আলো: মস্কোর বিমানবন্দরে ভয়াবহ হামলা ৩৫ জনের প্রাণহানি।

২০১১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: অন্য সব সাধারণ মুরগির মতো দেখতে হ্যাটি নামের এ মুরগিটি। কিন্তু সে যখন ইয়া বড় এক ডিম পাড়ল, তা দেখে মালিক জেরেমি প্যাগেটের আক্কেল গুড়ুম! সম্প্রতি ইংল্যান্ডের হ্যাম্পশঅয়ারে এ ঘটনা ঘটে। সাধারণ ডিমের চেয়ে আট গুণ বড় সে ডিম। লম্বায় সাড়ে তিন ইঞ্চি, আর পরিধি আট ইঞ্চি। ডেইলিমেইল অনলাইন।

২০১১ সালের ৬ অক্টোবর, প্রথম আলো: ৮৫ বছর বয়সেতে নববধু। জৌলুশ ও প্রাচুর্যের জন্য খ্যাতির কমতি নেই স্পেনের ডাচেস অব আলবার। কিন্তু এবার তিনি আলোচনার অন্য কারণে। ১৯৪৭ সালে তিনি ২১ বছর বয়সে প্রথম বিয়ে করেন ডাচেস অব আলবা। ০৫-০৯-২০১১ তারিখ বিয়ে বর সরকারি কর্মকর্তা এবং তাঁর চেয়ে ২৪ বছরের ছোট। এটি ডাচেস অব আলবার তৃতীয় বিয়ে। তাঁর পূর্ণ নাম মারিয়া ডেল রোজারিও কায়েতানা আলফনসা ভিক্টোরিয়া ইউজিনিয়া ফ্রান্সিসকা ফিতজ-জেমস স্টুয়ার্ট ডি সিলভা। তিনি ৪৭০ কোটি ডলারের মালিক।

২০১২ সালের ৪ মার্চ, বাংলাদেশ প্রতিদিন: ১৫শ বছরের পুরনো বাইবেল চামড়ায় মোড়ানো পশুর চামড়ায় লেখা বাইবেলের প্রথম সন্ধান পাওয়া যায় ২০০০ সালে।

২০১২ সালের ২ এপ্রিল, বাংলাদেশ প্রতিদিন: ১.৮৫ মাইল লম্বা বিয়ের পোশাক রোমানিয়ায় এমন ১.৮৫ মাইল দীর্ঘ ট্রেন তৈরি করে গিনেস ওয়াল্র্ডে স্থান করে নিয়েছে।

২০১২ সালের ৩০ এপ্রিল, প্রথম আলো: সানডে টাইমসের তালিকা-যুক্তরাজ্যে মন্দায়ও ধনী ব্যক্তিদের সম্পদ বেড়েছে। ২০১১ সালে দেশটির ধনী ব্যক্তিরা সম্পদ অর্জেনর ক্ষেত্রে রেকর্ড গড়েছেন। যুক্তরাজ্যের এক হাজার ধনী ব্যক্তির মোট সম্পদের পরিমাণ ৪ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। তাঁদের সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪১ হাজার ৪২৬ কোটি পাউন্ডে। এর আগের রের্কড হয়েছিল ২০০৮ সালে। তখন শীর্ষ এক হাজার ধনী ব্যক্তির সম্পদের পরিমাণ ছিল ৪১ হাজার ২৮৫ কোটি পাউন্ড। এ তালিকা অনুযায়ী, দেশটিতে ১০০ কোটি পাউন্ডের বেশি সম্পদের মালিকের সংখ্যাও বেড়েছে। এখন দেশটির ৭৭ জন নাগরিক ১০০ কোটি বা তারও বেশি পাউন্ডের মালিক। ২০০৮ সালে এ সংখ্যাটি ছিল ৭৫ জন। শীর্ষস্থানীয় ধনী দেখানো হয়েছে ভারতীয় বংশোদ্ভুত ব্যবসায়ী লক্ষী মিত্তালকে। তাঁর সম্পদের পরিমাণ এক হাজার ২৭০ কোটি পাউন্ড।

২০১৩ সালের ২৩ এপ্রিল, দৈনিক জনকন্ঠ: ১৯৩৮ সালে তারা একে অপরের কাছ থেকে বিছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘ ৭৫ বছর পর হাসিমুখে ভাই জন স্টার ও বোন রোজ বার্লে ব্রিটেনে ইন্টারনেটে মিলিত হয়েছে।

২০১৩ সালের ৩১ আগস্ট, প্রথম আলো: পৃথিবীতে জীবন এসেছে মঙ্গল থেকে ! প্রতিবেশী মঙ্গল থেকেই পৃথিবীতে জীবন এসেছে বলে দাবি করেছেন একজন বিজ্ঞানী। কয়েক শ কোটি বছর আগে পৃথিবীর চেয়ে মঙ্গলের মাটিই প্রাণের বিকাশের জন্য বেশি উপযোগী ছিল বলে বিজ্ঞানীদের মধ্যে যে ধারণা প্রচলিত আছে, তাতে নতুন করে সমর্থন যুগিয়েছে ওই বিজ্ঞানীর গবেষণা। তিনি বলেছেন, মঙ্গল থেকেই উল্কাপিন্ডের মাধ্যমে পৃথিবীতে আগমণ ঘটে জীবনের।

২০১৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর, দৈনিক জনকন্ঠ: ৪৬০ বছর পর শেক্সপিয়ারের স্মৃতি বিজড়িত স্কুলে মেয়ে শিক্ষার্থীেদর পদচারণা।

২০১৩ সালের ৬ নভেম্বর, বাংলাদেশ প্রতিদিন: ইংল্যান্ডে এক গাছে ২৫০ প্রজাতির আপেল ধরে।

।বিংশ শতাব্দীর সূচনা থেকে যারা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন তাঁদের নামের একটি তালিকাঃ।

রবার্ট গ্যাসকয়িন-সিসিল, মারকুয়েস অব১৮৯৫-১৯০২রক্ষণশীল
স্যালিসবারি
আর্থার বালফোর,১৯০২-১৯০৫রক্ষণশীল
হ্যানরি ক্যাম্পবেল-নোরম্যান১৯০৫-১৯০৮রিবারেল
হারবার্ট আসকুইথ১৯০৮-১৯১৬রিবারেল
ডেভিড লয়িড জর্জ১৯১৬-১৯২২রিবারেল
অ্যান্ড্রু বোনার ল'১৯২২-১৯২৩রক্ষণশীল
স্ট্যানলি বালডুইন১৯২৩ ও ১৯২৪-১৯২৯রক্ষণশীল
র্যামসে ম্যাকডোনাল্ড১৯২৪ ও ১৯২৯-১৯৩৫শ্রমিক দল
স্ট্যানলি বালডুইন১৯৩৫-১৯৩৭রক্ষণশীল
নেভিল চ্যাম্বারলিন১৯৩৭-৪০রক্ষণশীল
উইনস্টোন চার্চিল১৯৪০-১৯৪৫রক্ষণশীল
ক্লেমেন্ট অ্যাটলি১৯৪৫-১৯৫১শ্রমিক দল
উইনস্টোন চার্চিল১৯৫১-১৯৫৫রক্ষণশীল
অ্যান্থনি ইডেন১৯৫৫-১৯৫৭রক্ষণশীল
হ্যারল্ড ম্যাকমিলান১৯৫৭-১৯৬৩রক্ষণশীল
অ্যালেক ডগলাস হোম১৯৬৩-১৯৬৪রক্ষণশীল
হ্যারল্ড উইলসন১৯৬৪-১৯৭০শ্রমিক দল
এডোয়ার্ড হীথ১৯৭০-১৯৭৪রক্ষণশীল
হ্যারল্ড উইলসন১৯৭৪-১৯৭৬শ্রমিক দল
জেমস ক্যালাহান১৯৭৬-১৯৭৯শ্রমিক দল
মার্গােরট থ্যাচার১৯৭৯-১৯৯০রক্ষণশীল
জন মেজর১৯৯০-১৯৯৭রক্ষণশীল
টনি বেস্নয়ার১৯৯৭-২০০৭শ্রমিক দল
গর্ডন ব্রাউন২৭-০৬-২০০৭শ্রমিক দল
ডেভিড ক্যামেরন-জোট সরকার১২-০৫-২০১০ থেকেরক্ষণশীল-লিবারেল
ডেভিড ক্যামেরন(দ্বিতীয়বার)০৮-০৫-২০১৫ থেকেরক্ষণশীল

ওশেনিয়া মহাদেশ-দেশের সংখ্যা ১৪টি দেশ।

১৭৮৮ সালের ২৬ জানুয়ারি, অস্ট্রেলিয়ার সিডনী শহরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন।

১৮৩৫ সালের ২৯ আগষ্ট, অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন নগরী আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন।

১৮৪৮ সালের ১৮ মার্চ, অস্ট্রেলীয় শাসনের বিরুদ্ধে মিলানে পাঁচ দিনব্যাপী বিপস্নব শুরু হয়।

১৮৫৭ সালের ২২ এপ্রিল, দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার প্রথম পার্লােমন্টের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়।

১৮৫৯ সালের ৬ জুলাই, অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডকে পৃথক কলোনির মর্যাদা দেয়া হয়।

১৮৭৭ সালেল ১৫ মার্চ, অস্টেলিয়ার মেলবোর্ণে প্রথম সরকারীভাবে টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়, তাতে অংশ নেয় স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া এবং ক্রিকেটের জনক ইংল্যান্ড। চার দিন ধরে চলা ম্যাচটি উপভোগ করেন সাড়ে ২০ হাজার দর্শম।

১৮৯৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর, নিউজিল্যান্ডে প্রথম মহিলারা ভোট দেয়।

১৯০০ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর, কমনওয়েলথ অব অস্ট্রেলিয়া ফেডারেল ইউনিয়ন গঠিত হয়।

১৯০৬ সালের ২৬ ডিসেম্বর, বিশ্বের প্রথম পূর্ণৈদর্ঘ ছায়াছবি 'দি স্টোরি অব দি কেলিং গ্যাং' সর্বপ্রথম অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে প্রদর্শিত হয়।

১৯০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর, নিউজিল্যান্ড স্বাধীন হয়।

১৯১৩ সালের ১২ মার্চ, অষ্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন।

১৯১৫ সালের ২৫ এপ্রিল, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের গ্যালিপোলি অভিযানে অস্টেলীয় ৯-হাজার সৈন্য নিহত এবং ২০ হাজার সৈন্য আহত।

১৯৩২ সালের ১৯ মার্চ, সিডনি-হারবার ব্রিজ চালুর। (৮০ বছর পালিত হয়)

১৯৫৮ সালের ৩ জানুয়ারি, স্যার এডমন্ড হিলারি দক্ষিণ মেরুতে পদার্পণ করেন।

১৯৭০ সালের ১০ অক্টোবর, সাবেক বৃটিশ উপনিবেশ ফিজির স্বাধীনতা লাভ।

১৯৮১ সালের ১৭ অক্টোবর, কমনওয়েলথ থেকে ফিজিকে বহিস্কার করা হয়।

১৯৮২ সালে অস্ট্রেলিয়ায় পোকামাকড়ের এ দৌড় প্রতিযোগিতার সূচনা হয়। পুরো ব্রিসবেন শহরের মধ্যে কার এলাকার তেলাপোকারা দ্রুত দৌড়াতে পারে, তা নিয়ে তুমূল তর্ক বেধেছিল বারে মদপান করতে আসা দুজন লোকের মধ্যে। গাড়ি পার্কের একটা জায়গায় বিষয়টা হাতেনাতে পরীক্ষা করে দেখার সিদ্ধান্ত নিলেন নাছোড়াবান্দা দুই তর্কবাজ। খেলাটা দারুন পছন্দ করল পানশালার অন্য লোকেরা, আর এভাবেই তেলাপোকা দৌড়ের জন্ম হলো। প্রতিবছর ২৬ জানুয়ারি উদযাপিত হয় এটি। আর এখন অনেক দেশেই বসে এ আসর।

১৯৮৭ সালের ১৭ অক্টোবর, কমনওয়েলথ থেকে ফিজিকে বহিস্কার করা হয়।

১৯৮৮ সালে বিশ্বের সর্বপ্রথম পস্নাস্টিকের মুদ্রা অস্ট্রেলিয়ার রিজার্ভ ব্যাংক তৈরী নোট বাজারে ছাড়ে। একপাশে ধাতব ছাপ দেওয়া ওই নোটটি ছিল দশ ডলারের। কাগজের মুদ্রার চেয়ে দীর্ঘস্থায়ী বিবেচনা করে এটি তৈরী করা হয়েছিল। তা ছাড়া সেই নোটের হলোগ্রাম নকল করাও ছিল কঠিন। কিন্তু এটি কাগজের নোটের বিকল্প হতে পারেনি।

২০০০ সালের ১৯ মে, ফিজির পার্লােমন্টে অনুপ্রবেশ করে জর্জ স্পেইটের নেতৃত্বে একদল বিদ্রোহী প্রধানমন্ত্রী মহেন্দ্র চৌধুরীকে অন্তরীণ ও ক্ষমতাচ্যুত করে।

২০০০ সালের ২৭ মে, ফিজির প্রেসিডেন্ট র্কতৃক সে দেশের নির্বািচত প্রধানমন্ত্রী মহেন্দ্র চৌধুরী বরখাস্ত হন।

২০০০ সালের ৯ জুলাই, ফিজিতে প্রধানমন্ত্রী মহেন্দ্র চৌধুরীসহ অন্য জিম্মিদের মুক্ত করতে ক্ষুব্ধ জর্জ স্পেইটের সাথে সামরিক সরকারের চুক্তি।

২০০০ সালের ২৬ জুলাই, ফিজির বিদ্রোহী নেতা জর্জ স্পেইট সেনাবাহিনী র্কতৃক গ্রেফতার।

২০০০ সালের ২৯ জুলাই, ফিজির প্রধানমন্ত্রী ও বিদ্রোহী নেতা জর্জ স্পেইটকে দ্বীপাঞ্চলে কারারুদ্ধ।

২০০০ সালের ১১ অক্টোবর, ফিজির অভ্যুত্থান প্রচেষ্টায় জড়িত বিদ্রোহী নেতা জর্জ স্পেইট ও তার ১৫ সহযোগীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ।

২০০১ সালের ১৩ আগষ্ট, সিডনী হ'তে এএফপি: আগামী বছর শিশুদের জন্য ডায়াবেটিস টিকা পরীক্ষা করা হবে।

২০০৪ সালের ৯ জানুয়ারি, ইনকিলাব পত্রিকার সংবাদ: বিদেশী সংবাদ সংক্ষেপ-সিডনী হারবারে ৭৫ ফুটের প্রমোদতরী। কার্বন ফাইবারের তৈরী তিন খোলের একটি প্রমোদতরী বাসানো হয়। এ্যালেন ম্যাকার্থার নামের এক ইংরেজ মহিলা নৌবিহারের জন্য অস্ট্রেলিয়ার একটি প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে এটি তৈরী করান। এটি দিয়ে এ্যালেন ম্যাকার্থার সারাবিশ্বের রেকর্ড ভাঙতে চান।

২০০৪ সালের ২৬ নভেম্বর, ৩-সাঁতারুকে ডলফিনের বুদ্ধিদীপ্ত আচরণ: বিবিসি অন লাইন: নিউজিল্যান্ড উপকুলে একদল ডলফিন একটি বিরাট শ্বেত হাঙ্গরের হামলা থেকে তিনজন সাঁতারুকে রক্ষা করেছে। এসব সাঁতারু নর্থ দ্বীপের হোয়ানগারেলের কাছে একটি সৈকতে সাঁতারের প্রশিক্ষণ গ্রহণকালে ৩-মিটার দীর্ঘ একটি হাঙ্গর তাদের দিকে তেড়ে এলে তারা ভয় পেয়ে যায়। হাঙ্গরটি তাদের কয়েক মিটারের মধ্যে চলে আসে। এ সময় একদল ডলফিন তাদের রক্ষায় এগিয়ে আসে। উপকুলে নিরাপদে পৌছানো নাগাদ ডলফিনগুলো সাঁতারুদের প্রায় ৪০-মিনিট আগলে রাখে। মেরিন জীববিজ্ঞানীরা বলেছেন, ডলফিনদের এ বুদ্ধিদীপ্ত আচরণ নজিরবিহীন নয়। সাঁতারু বব হোয়েব্‌স তার অপর দু'জন সহকর্মী নিয়ে সাঁতারের প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন। এ সময় তার কন্যাও সঙ্গে ছিল।

২০০৬ সালের ৩ এপ্রিল, এপি: অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এক সুপারসনিক জেট আবিস্কার করেছে। নয়া সুপারসনিক জেট। গতি ঘন্টায় ৮ হাজার কিলোমিটার এবং ৫ হাজার মাইল।

২০০৮ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি, পাহারাদার ইগল: অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন নগরীর অন্যতম দর্শনীয় সেন্টার। আলোকসজ্জার জন্য ১৬৩ মিটার উচ্চতায় এর চূড়ায় রয়েছে ছোট ছোট অনেক বাতি। এগুলোই ঠোকরানোর বস্তু হয়ে উঠেছে সাদা রঙের কাকাতুয়াদের। কিন্তু এতে ক্ষতির মুখে পড়েছে সেন্টারটি। ঝাঁকে ঝাঁকে কাকাতুয়া কাকাতুয়া এসে ঠুকরে নষ্ট করে ফেলছে ৬৩ হাজার মার্কিন ডলারের বাতি। এ বাতিগুলো রক্ষায় কর্তৃপক্ষ পাহাড়াদার হিসেবে বসিয়েছে 'জোরো' নামের একটি ইগলকে। এটি কাকাতুয়া দেখামাত্র তাড়িয়ে দেয়।এএফপি।

২০০৮ সালের ১ নভেম্বর, নিউজিল্যান্ডে ডাইনোসর যুগের প্রাণীর সন্ধান। ওয়েলিংটনের অভয়ারণ্যে পাওয়া টুয়াটারা। ২০০ বছরের মধ্যে এ ধরনের চমকপ্রদ আবিস্কার এ প্রথম।

২০০৮ সালে নিউজিল্যান্ডের ২৮ বছরের এক ব্যক্তি নিজের একটি আঙুল কেটে রান্না করে খেয়ে ফেলেন। এটি দুনিয়ায় নিজের মাংস খাওয়ার জানা আট ঘটনার একটি।

২০০৯ সালের ৬ জুন, প্রথম আলো: অস্ট্রেলিয়ার প্রতি তিনজনের একজন কোনো না কোনো অপরাধের শিকার।

২০০৯ সালের ৬ জুন, প্রথম আলো: অস্ট্রেলিয়ার ৭৪৮ ধরনের সরীসৃপ পাওয়া যায়। সংখ্যাটি বাকি সব দেশের সম্মিলিত সংখ্যার চেয়ে বেশি।

২০০৯ সালের ১২ আগষ্ট, সাড়ে ছয় লাখ উট হত্যা করবে অস্ট্রেলিয়া। আউটব্যাকের স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, উটগুলো পানির সন্ধানে সেখানকার আদিবাসীদের বাড়িঘরে ঢুকে পড়ছে, পানির পাইপ ভেঙে ফেলছে, স্নানঘরের ভেতর ঢুকে পড়ছে, কমোড ভেঙে ফেলছে। প্রতি আট থেকে নয় বছরে সেখানে উটের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় উটের সংখ্যা প্রায় ১০ লাখ। অস্ট্রেলিয়ায় মরু অঞ্চলে মালামাল বহনের জন্য ১৮৪০ সালে অভিযাত্রীরা অস্ট্রেলিয়ায় উট আনেন। এর পর থেকে সেগুলো সেখানে বাস করছে এবং বংশবৃদ্ধি করছে।

২০০৯ সালের ২৮ মে ডিসেম্বর, প্রথম আলো: মাগরে ৭০ দিন পার করল অস্ট্রেলিয়ার সেই কিশোরী। সমুদ্রপথে একা বিশ্ব ভ্রমণে বের হওয়া অস্ট্রেলিয়ার সেই কিশোরী জেসিকা ওয়াটসন (১৬)। ১৮-১০-২০০৯ সাল থেকে শুরু শেষ করবে আগামী মে মাসে। ৭০ দিনে আট হাজার নটিক্যাল মাইল পাড়ি দিয়েছে। জেসিকা ওয়াটসন ২৩ হাজার নটিক্যাল মাইল পাড়ি দেওয়ার পরিকল্পনা। তাঁর নৌকা ১০ মিটার লম্বা। মোকাবিলা করতে হয়েছে ১০ থেকে ১২ ফুট উঁচু ঢেউ।

২০১০ সালের ১৩ মার্চ, প্রথম আলো: অস্টেলিয়ার মেলবোর্নে দীর্ঘতম মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়। মেলবোর্ন ফুড অ্যান্ড ওয়াইন ফেস্টিভলের বার্ষিক এ আসরে এক হাজার ৩১২ ফুট দীর্ঘ একটি টেবিলে একসঙ্গে ৯০০ জন ওই ভোজে অংশ নেন। রয়টার্স।

২০১০ সালের ১৭ মে, প্রথম আলো: অস্ট্রেলিয়ার 'দস্যি মেয়ে' জেসিকাকে বীর আখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী কেভিন রাড। ২০০৯ সালের ১৮ অক্টোবর, জেসিকা ওয়াটসন তার সমুদ্র যাত্রা শুরু করেন এবং ২১০ দিন সমুদ্রে কাটিয়ে ২৩ হাজার নটিক্যাল মাইল পাড়ি দিয়ে সিডনি পোতাশ্রয়ে নোঙর করে জেসিকা ১৫-০৫-২০১০ তারিখ সে ৩৩ ফুট লম্বা ইয়টটি নিয়ে বাড়ি ফিরে আসার পর 'দেশ প্রেরণার ঢেউয়ে দুলছে'। জেসিকা ১৭ বছরে পা দিবে ১৮-০৫-২০১০ তারিখ।

২০১০ সালের ২৫ জুন, প্রথম আলো: অস্ট্রেলিয়ার প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন জুলিয়া গিলার্ড।

২০১০ সালের ২৭ নভেম্বর, প্রথম আলো: ৫০ দিন সাগরে ভেসেও বেঁচে গেল ওরা বেঁচে যাওয়া তিন কিশোর। ৬ অক্টোবর, ২০১০ তারিখের ঘটনা নিউজিল্যান্ডের টোকিলাউ অঞ্চলের একটি দ্বীপ থেকে আরেকটি দ্বীপে যাচ্ছিল তারা। দ্বীপ দুটির মধ্যে ব্যবধান ছিল ৬০ মাইল। ছোট্ট ডিঙি নৌকায় করে পথ পাড়ি দিতে গিয়ে হঠাৎ দিক হারিয়ে ফেলে। চলে যায় প্রায় এক হাজার মাইল দূরে গভীর সমুদ্রে।