১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর, রংপুর জেলার পায়রা বন্ধ গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত জমিদার পরিবারে বেগম রোকেয়ার জন্ম এবং মৃত্যু কলকাতায় ভোর রাতে-০৯-১২-১৯৩২ তারিখ। ১৮৯৮ সালে বেগম রোকেয়ার বিয়ে হয় তৎকালীন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট খান বাহাদুর সৈয়দ সাখাওয়াৎ হোসেনের সাথে। ১৯১৬ সালে কলকাতায় 'আঞ্জুমানে খাদেমুন ইসলাম' নামে মুসলিম মহিলা সমিতি গঠন করেন। ১৯২৯ সালে তিনি কলকাতায় প্রথম মুসলিম মহিলা ট্রেনিং স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। ১৮৮১ সালের ২৫ অক্টোবর, বিশ্বখ্যাত স্পেনীয় চিত্রশিল্পী পাবলো পিকাসোর জন্ম, মৃত্যু-০৮-০৪-১৯৭৩ তারিখ। ১৮৮১ সালের ১৯ মে, আধুনিক তুরস্কের প্রতিষ্ঠাতা, স্থপতি ও মহান নেতা মুস্তফা কামাল আতাতুর্ক পাশার জন্ম, ইন্তেকাল-১০-১১-১৯৩৮ তারিখ। ১৮৮২ সালের ৩০ জানুয়ারি, যুক্তরাষ্টের ৩২তম প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডেলানো রুজভেল্টের জন্ম, মৃত্যু-১২-০৪-১৯৪৫ তারিখ। ১৮৮২ সােেলর ৯ এপ্রিল, লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা বাজার গ্রামে কবি ও সাহিত্যিক শেখ ফজলুল করিমের জন্ম, ইন্তেকাল ২৮-০৯-১৯৩৬ তারিখ। ১৮৮২ সালে ইংরেজী সাহিত্যের এক দিকপাল ভার্জিিনয়া উলফের জন্ম, আত্মহত্যা করেন-২৮-০৩-১৯৪১ তারিখ। ১৮৮৩ সালে ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ জন কেইনসের জন্ম, মৃত্যু-১৯৬৩ সালে। ১৮৮৩ সালে ইতালীর স্বৈরশাসক বেনিত্তো মুসোলিনির জন্ম, (স্ত্রীর নাম ছিল ক্লারেটা) সস্ত্রীক নিহত হন-২৮-০৪-১৯৪৫ সালে। ১৮৮৩ সালে বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ থানার উলানিয়া জমিদার পরিবারে মুসলিম ঐতিহ্য ঔপন্যাসিক মোহাম্মদ নুরুল হক চৌধুরীর জন্ম, মৃত্যু-০৩-০২-১৯৮১ তারিখ। ১৮৮৪ সালের ১২ মার্চ, টাঙ্গাইল জেলার বিল্লাইক গ্রামে আইনজীবী ও সাহিত্যিক অতুলচন্দ্র গুপ্তের জন্ম, মৃত্যু-১২-০২-১৯৬১ তারিখ। ১৮৮৪ সালের ৬ এপ্রিল, কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার শ্রীকাইল গ্রামে নরেন্দ্রনাথ দত্তের (ক্যাপ্টেন দত্ত নামে সুপরিচিত) জন্ম, মৃত্যু-২১-০৯-১৯৪৯ তারিখ। তিনি শ্রীকাইল কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন ১৯৪১ সালে। ১৮৮৪ সালের ২০ এপ্রিল, চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী উপজেলার মিজিতলা গ্রামে বৌদ্ধ ধর্মগুরু ও সপ্তম সংঘনায়ক অভয়তিষ্য মহাস্থবিরের জন্ম, মৃত্যু-০১-০৭-১৯৭৪ তারিখ। ১৮৮৪ সালের ২৬ এপ্রিল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার শিবপুর খাঁ পরিবারে উজ্জল রত্ন ও সংগীতজ্ঞ ওস্তাদ আয়েত আলী খাঁ'র জন্ম, মৃত্যুঃ ০২-০৯-১৯৬৭ তারিখ। ১৮৮৪ সালে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী গ্রামে সাবেক বঙ্গীয় আইন সভার ডেপুটি প্রেসিডেন্ট এবং বছরখানেক প্রেসিডেন্ট ছিলেন (১৯৪০ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত) এবং (১৯৫১ থেকে ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত তিনি কলকাতায় তদানীন্তন পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনার ছিলেন) ও প্রাদেশিক পরিষদের সাবেক স্পীকার (১৯৬২-১৯৬৮) আব্দুল হামিদ চৌধুরীর জন্ম, মৃত্যু-০৪-০৯-১৯৬৯ তারিখ। ১৮৮৫ সালের ১৬ এপ্রিল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার কালীকচ্ছ গ্রামের বাঘবাড়িতে বিপস্নবী উল্লাসকর দত্তের জন্ম, কলকাতায় মৃত্যু-১৭-০৫-১৯৬৫ তারিখ। ১৮৮৫ সালের ১০ জুলাই, পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনায় শিক্ষাবিদ, পন্ডিত, বহু ভাষাবিদ ও মনীষী ইমিরিটাস অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ'র জন্ম, ঢাকায় মৃত্যুঃ ১৩-০৭-১৯৬৯ তারিখ। ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে উক্ত সালের জুন মাসে সংস্কৃত ও বাংলা বিভাগে লেকচারার হিসাবে যোগদান করে ২৩ বছর অধ্যাপনা করে ১৯৪৪ সালে (অব.)। ১৮৮৫ সালের ১২ ডিসেম্বর, পাবনা জেলা সিরাজগঞ্জ শহরের কিছু দূরে এবং যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত ধানগড়া গ্রামে মওলানা আবদুল হামিদ খাঁন ভাসানীর জন্ম, মৃত্যুঃ ১৭-১১-১৯৭৬ তারিখ। ১৯২৪ সালে আসামের ধুবড়ী জেলার ভাসানচরে এক বিশাল কৃষক সম্মেলন করেন এবং সেখান থেকেই তাঁর নামের সঙ্গে ''ভাসানী'' শব্দটি যুক্ত হয়।

১৮৮৬ সালের ২ নভেম্বর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর থেকে তিন মাইল উত্তরে রামরাইল গ্রামে আইনজীবী, সমাজকর্মী ও রাজনীতিক শহীদ ধীরেন্দ্র নাথ দত্তের জন্ম, ১৯৭১ সালের ২৯ মার্চ পাক আর্মী কুমিল্লার বাসা থেকে ধরে নিয়ে যায় এবং গুলিতে মৃত্যু-১৪-০৪-১৯৭১ তারিখ। উনি একমাত্র ব্যক্তি প্রথম পাকিস্তানের জাতীয় গণ-পরিষদে বলেছিলেন, বাংলা ভাষা পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করতে হবে। ১৮৮৭ সালের ৩০ অক্টোবর, কলকাতা শহরে শিশু সাহিত্যিক ও কবি সুকুমার রায়ের জন্ম, মৃত্যুঃ ১০-০৯-১৯২৩ তারিখ। তিনি ছিলেন প্রখ্যাত শিশু সাহিত্যিক ও কবি এবং ছড়াকার, শিশুদের জন্য। ১৮৮৭ সালে চীনের প্রধানমন্ত্রী চৌ এন-লাইয়ের জন্ম, মৃত্যু-০৮-০১-১৯৭৬ তারিখ। ১৮৮৭ সালের ৩১ অক্টোবর, চীনা যোদ্ধা এবং জাতীয়তাবাদী চীনের (বর্তমান তাইওয়ান) প্রেসিডেন্ট চিয়াং কাইশেকের জন্ম, মৃত্যু-০৫-০৪-১৯৭৫ তারিখ। ১৮৮৭ সালের ২২ অক্টোবর, দুনিয়া কাঁপানো দশ দিনের লেখক ও সাংবাদিক জন রীডের জন্ম, মৃত্যু-১৯..? ১৮৮৭ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানার শ্যামগ্রাম গ্রামে রাখাল চন্দ্র রায়ের জন্ম, মৃত্যু-০২-১১-১৯৮৯ তারিখ ১০২(একশত দুই) বছর বয়সে। উনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জিলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক ছিলেন। ১৮৮৭ সালের ১ ডিসেম্বর, ঢাকার ভাগ্যকুলে সংস্কৃত পন্ডিত, গবেষক ও শিক্ষাবিদ অমরেশ্বর ঠাকুরের জন্ম, মৃত্যু-২৪-০১-১৯৭৯ তারিখ। ১৮৮৮ সালের ১ জানুয়ারি, চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কাঞ্চনা গ্রামে রায় সাহেব কামিনীকুমার ঘোষের জন্ম, মৃত্যু-১৯৭১ সালের ২৪ এপ্রিল, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাতে। কলকাতা থেকে ফিরে এসে চাঁচা বঙ্গচন্দ্র ঘোষের সঙ্গে ১৯১৩ সাল থেকে আইন পেশায় নিযুক্ত হন। বিয়ের পর ১৯২১ সালে মহাত্মা গান্ধীর ভারত শাসন আন্দোলনের ডাকে সাড়া দিয়ে আইন পেশা ছাড়েন এবং আন্দোলনে সর্বাত্মকভাবে জড়িয়ে পড়েন। ১৮৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি, বিক্রমপুরে রোহিনীকান্তের ঔরসে ও শরৎকামিনী দেবীর গর্ভে নলিনীকান্ত ভট্টশালীর জন্ম, মৃত্যু-০৬-০২-১৯৪৭ তারিখ। ১৫৫৭ সালে মুঘল-পাঠানদের যুদ্ধের সময় কেদার রায়ের রাজ্যে বিক্রমপুর চলে আসেন এবং বসবাস শুরু করেন টঙ্গীবাড়ি উপজেলার পাইকপাড়া গ্রামেই বাস করত বাৎস গোত্রীয় এক ব্রাহ্মণ পরিবার-ভট্টশালীরা। ১৮৮৮ সালের ২০ নভেম্বর, চাঁদপুর জেলার পাইকারদী গ্রামে সাংবাদিক, সাহিত্যিক, 'সওগাত' সম্পাদক ও বেগম পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের জন্ম, মৃত্যু-২১-০৫-১৯৯৪ তারিখ। ১৯১৭ সালে কলকাতা শহরে 'সওকাত' পত্রিকা প্রকাশ করে।

১৮৮৮ সালের ১১ নভেম্বর, মক্কায় ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি মৌলানা আবুল কালাম আজাদের জন্ম, মৃত্যু-২২-০২-১৯৫৮ তারিখ (১৮৯০ সালে বাবা সপরিবারে কলকাতায় আসেন)। মৌলানা আবুল কালাম আজাদের পূর্বপুরুষেরা বাবরের আমলে হেরাট থেকে ভারতে আসেন। প্রথমে তাঁরা ডেরা বাধেন আগ্রায়; পরে ওঠে চলে যান দিল্লীতে। আলেমউলেমাদের এই পরিবারের মাওলানা জামালউদ্দিন ছিলেন আকবরের সময়ের একজন নামজাদা ধর্মগুরু। এ পরিবারের অনেকেই উচ্চপদস্থ রাজকর্মচারী হন। শাহজাহানের আমলে মহম্মদ হাদীকে আগ্রার দুর্গািধপতি করা হয়। মৌলানা আবুল কালাম আজাদের বাবার মাতামহ ছিলেন মৌলানা মুনাবরউদ্দিন। তিনি ছিলেন মোগল যুগের অন্যতম শেষ রুকন-উল-মুদারসসিন। প্রথম শাহজাহানের সময়ে এ পদটির সৃষ্টি হয়। লেখাপড়া আর বিদ্যাচর্চার প্রসারে রাষ্ট্রীয় কাজকর্মের তদারকি করা ছিল এর উদ্দেশ্য। মৌলানা আবুল কালাম আজাদের বাবা মৌলানা খয়রুদ্দিন যখন খুবই ছোট তখন মৌলানা আবুল কালাম আজাদের পিতামহের মৃত্যু হয়। সুতরাং মৌলানা আবুল কালাম আজাদের বাবা তাঁর মাতামহের কাছে মানুষ হন। মৌলানা আবুল কালাম আজাদের বাবার বয়স তখন পঁচিশ। তিনি সোজা মক্কায় চলে গিয়ে সেখানেই থেকে যান। নিজের একটি বাসভবন তৈরি করে শেখ মোহাম্মেদ জাহের বতবির কন্যাকে তিনি বিয়ে করেন। শেখ মোহাম্মেদ জাহের ছিলেন মদিনার একজন বড় তত্ত্বজ্ঞ। আরবদেশের বাইরেও তাঁর নামডাক ছড়িয়ে পড়ে। মিশর থেকে দশ খন্ডের আরবী কেতাব বেরোবার পর ইসলামিক দুনিয়ায় মৌলানা আবুল কালাম আজাদের বাবাও খ্যাতিমান হন। তিনি বহুবার বোম্বাইতে এবং একবার কলকাতায় আসেন। দু জায়গাতেই তাঁর বিস্তর ভক্ত আর শারগেদ ছিল। বাবা ইরাক, সিরিয়া আর তুরস্কেও ব্যাপকভাবে ঘুরেছেন।

১৮৮৮ সালের ৪ ডিসেম্বর, ফরিদপুর জেলার খন্দরপাড়ায় শিক্ষাবিদ ও বাঙালি ঐতিহাসিকদের পুরোধা অধ্যাপক রমেশচন্দ্র মজুমদারের জন্ম, মৃত্যুঃ ১২-০২-১৯৮০ তারিখ ভারতে। ১৮৮৮ সালের ১০ ডিসেম্বর, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার বিহার গ্রামে ব্রিটিশ শাসন বিরোধী আন্দোলনের প্রথম শহীদ প্রফুল্ল চাকীর জন্ম এবং ১৯০৮ সালে নিজের পিস্তলের গুলিতে আত্মহত্যা করেন। ১৮৮৯ সালের ১৬ এপ্রিল, যুক্তরাজ্যে ইংরেজ অভিনেতা ও চিত্রপরিচালক চার্লি চ্যাপলিনের জন্ম, আমেরিকায় মৃত্যু-২৫-১২-১৯৭৭ তারিখ। ১৯১৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে এক রিলের নির্বাক ''মেকিং এ লিভিং'' দিয়ে মহান চলচ্চিত্রশিল্পী চ্যাপলিনের যাত্রা শুরু হয়। ১৮৮৯ সালের ২০ এপ্রিল, জার্মান ফ্যাসীবাদী একনায়ক এডলফ হিটলারের জন্ম হয় অস্ট্রিয়ায়, ১৯৪৫ সালের ৩০ এপ্রিল, চুড়ান্ত পরাজয়ের পূর্বে ভূ-গর্ভস্থ বাঙ্কারে এডলফ হিটলার আত্মহত্যা করেন। (মৃত্যু-১৯৪৫ সালের ৩০ এপ্রিল ইংলিশ চ্যানেলের ওপর ব্রিটিশ বৈমানিকের গুলিতে হিটলারকে বহনকারী বিমান ভূপাতিত। হিটলার নিহত হয়েছেন, তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে আসা হচ্ছে লন্ডনে। ২১ বছর বয়সী হ্যারিকেন জেট ফাইটার পেস্ননের বৈমানিকের গুলিতে ফুয়েরারকে জার্মান বিমানটি ভূপাতিত হয় ইংলিশ চ্যানেলের ওপর। ধারনা করা হচ্ছে, জার্মান নেতা দ্বীপরাষ্ট্র ইংল্যান্ড আক্রমণের অগ্রগতি সরেজমিন প্রত্যক্ষ করার অনির্ধািরত অভিযানে ছিলেন।) হিটলারের জার্মান নাগরিত্ব বাতিল করা হয়। হিটলার নিজেই ইহুদি এবং উত্তর আফ্রিকান বংশোদ্ভুত।

১৮৮৯ সালের ৫ আগষ্ট, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য (ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি-১৯২০) কমরেড মুজাফফর আহমদের জন্ম নোয়াখালী জেলার সন্দ্বীপে, মৃত্যুঃ ১৮-১২-১৯৭২ তারিখ কলকাতায়। ১৮৮৯ সালের ১৪ নভেম্বর, ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী পন্ডিত জওহরলাল নেহেরুর জন্ম, মৃত্যু-২৭-০৫-১৯৬৪ তারিখ। ১৮৮৯ সালের ৩ ডিসেম্বর, পশ্চিমবঙ্গের মেদিনিপুর জেলার হাবিবপুর গ্রামে বিপ্লবী ক্ষুধিরাম বসুর জন্ম, পালাবার সময় ক্ষুধিরাম গ্রেফতার হন এবং ইংরেজ বিরোধী বিপস্নবী ক্ষুধিরামের ফাঁসি কার্যকর হয়-১১-০৮-১৯০৮ তারিখ। ক্ষুধিরাম বড় লাটকে মারতে যেয়ে মেরে ফেলে ভারতবাসীকে। ১৮৮৯ সালে ভারতের জলপাইগুড়িতে শিক্ষাবিদ স্যার আহমদ ফজলুর রহমানের জন্ম, মৃত্যু-১৯৪৫ সালে। উনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন। ১৮৯০ সালে চারসাদ্দাই তহশিল, জেলা পেশোয়ারে সীমান্ত গান্ধীর নাম, ভারত-রত্ন বাদশা খান বা খান আবদুর গফফার খানের জন্ম, ভারতীয় উপমহাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রবাদ পুরুষ মৃত্যু-২০-০১-১৯৮৮ তারিখ। (তাঁর আসল বয়স-এর চাইতে অনেক বেশি বা কেউ মনে করে যে, ১৮৮০ সালে প্রকৃত জন্ম)। তিনি ছিলেন হিন্দু-মুসলমান ঐক্যের প্রতীক। ১৮৯০ সালের ১৯ মে, ভিয়েতনামের বিপ্লবী জন নেতা হো. চি. মিনের জন্ম, মৃত্যু-০৩-০৯-১৯৬৯ তারিখ। ১৮৯০ সালের ২ অক্টোবর, ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর জন্ম, তাসখন্দে মৃত্যুঃ ২৩-০৯-১৯৬৫ তারিখ। ১৮৯০ সালে ফদিপুরে অবিভক্ত বাংলার অন্যতম তেজস্বী মুসলিম লীগ নেতা, প্রথম মুসলমান সরকারী কৌসুলি, ফরিদপুর আইনজীবী সমিতির সুদীর্ঘকালের সভাপতি ও বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের একদা প্রবীণতম আইনজ্ঞ খান বাহাদুর মৌলভী মোহাম্মদ ইসমাইলের জন্ম, মৃত্যু-ঢাকায় ০৮-০৫-১৯৮১ তারিখ। ১৮৯০ সালে পাঁচবাগ, গফরগাঁও, ময়মনসিংহে উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেম, বাংলার প্রথম স্বাধীনতাকামী রাজবন্দী (জাতীয় সংসদে স্বীকৃত) এবং একাধারে তিন দশক ধরে নির্বািচত এম.এল.এ. ও এম.এন.এ. হয়রত মাওলানা শামসুল হুদা পাঁচবাগী(রহ.)'র জন্ম, মৃত্যু-২৪-০৯-১৯৮৮ তারিখ। ১৮৯০ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার রতনপুর গ্রামে নবাব কে. জি. ফারুকীর জন্ম, কলকাতায় মৃত্যু-১৯৮৪ সালে। তিনি ১৯২৯ থেকে ১৯৩৩ সাল পর্যন্ত বাংলার মন্ত্রী ছিলেন। ১৮৯২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর, পশ্চিমবাংলার মেদেনীপুরে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর জন্ম, ঢাকায় মৃত্যুঃ ০৫-১২-১৯৬৩ তারিখ। ১৮৯২ সালের ২৭ নভেম্বর, বাঙালি শিক্ষাবিদ, সমাজ সেবক ও লেখক স্যার আজিজুল হকের জন্ম, মৃত্যু-১৯-০৩-১৯৪৭ তারিখ। ১৮৯৩ সালের ৯ এপ্রিল, বিপস্নবী রাহুল সাংকৃত্যায়ণের জন্ম, মৃত্যুঃ ১৪-০৬-১৯৬৩ তারিখ। ১৮৯৩ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর গ্রামে সাবেক পূর্ব পাকিস্তানের মূখ্যমন্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট নূরুল আমীনের জন্ম, পাকিস্তানে মৃত্যুঃ ০২-১০-১৯৭৪ তারিখ। ১৮৯৩ সালের ৬ অক্টোবর, গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার বংশাই নদীর তীরে শেওরাতলী গ্রামে দারিদ্রপীড়িত এক পরিবারে বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ মেঘনাথ সাহার জন্ম, মৃত্যু-১৯৫৬ সালে বিখ্যাত এই জ্যোতিঃ পদার্থিবদ মৃত্যুবরণ করেন। দোকানদার বাবার ছেলে হিসেবে সবাই ভেবেছিল ছেলেটিও দোকানি হবে। ১৯০৯ সালে এন্ট্রান্স ও ১৯১১ সালে এফ. এ. পাস করেন। তিনি জগৎ বিখ্যাত পদার্থ ও অংক শাস্ত্রবিদ। ১৯৩৪ সালে ভারতীয় বিজ্ঞান কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

১৮৯৪ সালের ১৯ জুলাই, ঢাকায় পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমউদ্দিনের জন্ম, রাজনীতিবিদ খাজা নাজিমুদ্দিনের ইন্তেকাল-২২-১০-১৯৬৪ তারিখ। খাজা নাজিমউদ্দিনকে ১৯৫৩ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে উৎখাত করেন গোলাম মোহাম্মদ ও আইয়ূব খানের সহযোগিতায় তখনকার পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা সচিব মেজর জেনারেল ইস্কান্দার মির্যা। মীর জাফরের বংশধর মেজর জেনারেল ইস্কান্দার মির্যা। ইরানি বংশদ্ভূত এস. পি. টুনি মির্যার ছেলে হলো মেজর জেনারেল ইস্কান্দার মির্যা। ইস্কান্দার মির্যার জন্ম বাংলায় ছিল। সেনাবাহিনীর সহায়তায় ১৯৫৫ সালে ইস্কান্দার মির্যা পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেলের পদ দখল করেন। আর বরখাস্ত করেন মোহাম্মদ আলীকে। ১৯৫৬ সালে আরেক বাঙালি রাজনীতিক হোসেন শহীদ সোহওয়ার্দীেক পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেন। আর নিজেকে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হিসাবে ঘোষণা দেন। ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর, প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্যা পাকিস্তানে সামরিক আইন জারী করে ১৯৫৮ সালের ৮ অক্টোবর, প্রধান সেনাপতি আইয়ূব খানকে দেশে আইন-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য প্রধান সামরিক প্রশাসক নিযুক্ত করেন। ১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবর, প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্যােক দেশত্যাগে বাধ্য করে নিজে জেনারেল আইয়ূব খান পাকিস্তানের স্বনির্বািচত প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত হন। আবার ১৯৬৯ সালের ২৫ মার্চ, জেনারেল ইয়াহিয়া খান পাকিস্তানের স্বনির্বািচত প্রেসিডেন্ট ফিল্ড মার্শাল আইয়ূব খানকে সরিয়ে নিজে ক্ষমতা দখল করেন। সে বছরই সাবেক প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্যা লন্ডনে মারা যান। কিন্তু তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খান পাকিস্তানের প্রথম প্রেসিডেন্টকে নিজ দেশে দাফনের অনুমতি দেননি। তাই লন্ডন থেকে ইস্কান্দারের মরদেহ ইরানে নেওয়া হয় এবং পরে তেহরানে তাঁকে দাফন করা হয়। জেনারেল ইয়াহিয়া খান রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে থাকেন। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছিল। কিন্তু ইয়াহিয়া খান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে অস্বীকৃতি জানান। সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালি জনগণের সাথে এটি ছিল সবচেয়ে বড় বিশ্বাসঘাতকতা। ১৯৭১ সালের পর পাকিস্তান এবং বাংলাদেশে বারবার রাজনীতিতে সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ করেছে। জেনারেল জিয়াউল হক ১৯৭৭ থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিলেন। তারপর আবার ১৯৯৮ সাল থেকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রক্ষমতায় আছেন জেনারেল (অব.) পারভেজ মোশাররফ ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত। ১৯৬৯ সালে ইস্কান্দার মির্যােক তেহরানে দাফন করা হলেও তাঁর প্রেতাত্মা এখনো জীবিত। শুধু নাম বদল হয়েছে, কিন্তু চরিত্র বদলায়নি। জেনারেল আইয়ূব খান, জেনারেল ইয়াহিয়া খান, জেনারেল জিয়াউল হক এবং জেনারেল পারভেজ মোশাররফ হোসেন হয়ে বেঁচে ছিলেন।