১৯৩৫ সালের ৩০ জুলাই, বিশ্বখ্যাত প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান 'পেঙ্গুইন' প্রথম বইয়ের প্রকাশনা উৎসব পালন করে।

১৯৩৬ সালের ২৫ মে, নিগ্রো ক্রীড়াবিদ জেসি ওয়েনস বার্লিন অলিম্পিকের ৫টি বিশ্ব রেকর্ড ভঙ্গ করেন।

১৯৩৬ সালে বার্লিেন টেলিভিশনে একটি ফুটবল ম্যাচ প্রথমবারের মত দেখায়।

১৯৩৬ সালের ২৫ অক্টোবর, ইতালী ও জার্মানীর চুক্তির মাধ্যমে রোম-বার্লিন অক্ষশক্তি গড়ে ওঠে।

১৯৩৬ সালের ২৫ নভেম্বর, জার্মানী ও জাপান কমিউনিষ্ট ইন্টারন্যাশনাল বিরোধী চুক্তি স্বাক্ষর করে।

১৯৩৭ সালের ২১ আগষ্ট, চীন ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে অনাক্রমণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

''কীভাবে এল-টুথব্রাশ: মানুষের দাঁত মাজার প্রচলন বহু বছর আগে থেকেই। প্রাচীনকাল থেকে মানুষ দাঁত মাজার উপকরণ হিসেবে গাছের ডাল বা মেসওয়াক ব্যবহারের সঙ্গে পরিচিত ছিল। চীনে শূকরের ঘাড়ের পশম আর বাঁশের সাহায্যে তৈরি এক ধরনের টুথব্রাশ ব্যবহার করা হতো। তবে সেটিও ঠিক স্বাস্থ্যসম্মত ছিল না। প্রথম নাইলনের টুথব্রাশ তৈরি হয় ১৯৩৮ সালে। এটি বাজারজাত করে ডুপন্ট নামে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিষ্ঠান। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সেনাবাহিনীর সুশৃঙ্খল-স্বাস্থ্যসম্মত জীবন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে সাধারণ মানুষ দাঁত মাজার উপকারিতা বুঝতে পারে এবং টুথব্রাশের ব্যবহার শুরু করে। ১৯৪০-এর দশকে তোলা ছবি। নিউইয়র্কের একটি দন্ত চিকিৎসালয়ে শিশুদের দাঁত ব্রাশের নিয়ম শেকানো হচ্ছে। শিশুদের ছবি দেয়া গেলনা।''

১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ আরম্ব হয় জার্মানীর পোলান্ড আক্রমণের মধ্য দিয়ে; শেষ হয়-১৯৪৫ সালের ৯ মে, জার্মানীর বিরুদ্ধে বিজয় অর্জেনর মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের অবসানে বিশ্বব্যাপী বিজয় উৎসব পালিত হয় এবং ১৯৪৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর, জাপানের নিঃশর্ত আত্মসমর্পেনর মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসান। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরুর ৭০তম বার্ষিকীতে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল জার্মান টেলিভিশনে বলেন, 'জার্মািন পোলান্ডে হামলা চালিয়েছে, জার্মািন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা করেছে। আমরা বিশ্বের অন্তহীন দুভোের্গর কারণ ছিলাম। যার ফলাফল ছিল ছয় কোটি মানুষের মৃত্যু।' বিবিসি ও এএফপি।

১৯৩৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু, শেষ হয় ০৯-০৮-১৯৪৫ সালে।

১৯৩৯ সালের ২০ মে, আমেরিকা ও ইউরোপের মধ্যে প্যান আমেরিকান এয়ারওয়েজের বিমান চলাচল শুরু হয়।

১৯৪০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালে জার্মানী, ইতালী ও জাপান ঐক্য গড়ে তোলে।

১৯৪০ সালের ১০ নভেম্বর, গ্রীক বাহিনী আলবেনিয়ায় ইতালীয়দের পরাজিত করে।

১৯৪১ সালের ১ জুলাই, সর্বপ্রথম টেলিভিশনে বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন প্রচারিত হয় ২০ সেকেন্ডে নয় ডলার দরে।

১৯৪১ সালের ১৪ আগস্ট, রুজভেল্ট ও চার্চিল আটলান্টিক চার্টার নামে পরিচিত শান্তি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

১৯৪১ সালের ৭ নভেম্বর, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পার্ল হারবারে জাপানীদের বোমা হামলা শুরু হয়।

১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

১৯৪১ সালের ১১ ডিসেম্বর, জার্মানী ও ইতালী আমেরিকার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

১৯৪২ সালের ১ জানুয়ারি, জাতিসংঘ ঘোষণা স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৪২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি, জাপানের কাছে বৃটিশ বাহিনীর আত্মসমর্পণ।

১৯৪২ সালের ৪ জুন, প্রশান্ত মহাসাগরের মিডওয়ে দ্বীপে মিত্রশক্তি ও জাপানের মধ্যে নৌযুদ্ধ শুরু।

১৯৪২ সালের ৮ নভেম্বর, মিত্রশক্তি'র উত্তর আফ্রিকায় পদার্পণ।

১৯৪২ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপান ম্যানিলা দখল করে।

১৯৪২ সালের ৮ ডিসেম্বর, গ্রেট ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

১৯৪২ সালের ৩১ ডিসেম্বর, জাতিসংঘ ঘোষণা স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৪৩ সালের ১৪ জানুয়ারি, ব্রিটেন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন বিশেষ সম্মেলন।

১৯৪৩ সালের ২৩ জানুয়ারি, বৃটিশ সেনাবাহিনীর ত্রিপোলি দখল।

১৯৪৩ সালের ১৩ মে, আফ্রিকায় র্জামান ও ইটালীয় বাহিনী আত্মসমর্পণ করে।

১৯৪৩ সালের ২২ মে, কমিউনিস্টদের আন্তর্জািতক সংগঠন 'কমিন টাম' ভেঙ্গে দেয়া হয়।

১৯৪৩ সালের ১০ জুন, তৃতীয় কমিউনিষ্ট আন্তর্জািতকের বিলুপ্তি ঘটে।

১৯৪৩ সালের ৮ সেপ্টেম্বর, মিত্রশক্তির কাছে ইতালীর নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ।

১৯৪৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর, জেনারেল আইসেন হাওয়ার মিত্র বাহিনীর সর্বািধনায়ক নিযুক্ত।

১৯৪৩ সালে মিত্র বাহিনী সালনেতে অবতরণ করে।

১৯৪৪ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে বিশেষত যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউরোপের পুনর্গঠনকে সামনে রেখেই জাতিসংঘের প্রস্তাবে বিশ্বব্যাংক বা ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংক ফর রিকনস্ট্রাকশন এন্ড ডেভেলপমেন্ট প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথমে এশিয়া এবং আফ্রিকান দেশগুলো বিশ্বব্যাংকের উন্নয়ন সহায়তা না পেলেও ১৯৬০-এর দশক থেকে এশিয়া, আফ্রিকা ও ল্যাটিন আমেরিকার উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রতি বিশ্বব্যাংকের উন্নয়ন ঋণ সহায়তা সম্প্রসারিত হয় এবং আশির দশক থেকে বিশ্বব্যাংক দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ভাগ্যোন্নয়নের কথা বলে সুনির্দিষ্ট প্রকল্পসমূহে অর্থৈনতিক ঋণ সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।

১৯৪৪ সাল থেকে বিবিসির খবর সারা পৃথিবীব্যাপী প্রচার করা হয়।

১৯৪৪ সালের ২৫ আগষ্ট, মিত্রবাহিনী প্যারিস দখল করে।

১৯৪৪ সালের ১৩ অক্টোবর, মিত্রশক্তি এথেন্স মুক্ত করে।

১৯৪৪ সালে স্পেন শহরের প্রধান চত্বরে একদল বন্ধুর মধ্যে শুরু হওয়া সাধারণ একটা টমেটোযুদ্ধ কালক্রমে পরিণত হয়েছে পৃথিবীর বৃহত্তম 'ফুড ফাইট' বা 'খাবার যুদ্ধে'। প্রতিবছর আগষ্ট মাসের শেষ বুধবার টমেটোতে থিকথিক মাটিতে পিছলে পড়তে আর ময়লা হওয়ার আনন্দ উপভোগের জন্য ছোট্‌্র স্প্যানিশ শহর বুনলে জমায়েত হয় অন্তত ১০ হাজার মানুষ।

১৯৪৫ সালের ২৫ এপ্রিল, জাতিসংঘ সনদ প্রস্তুতির লক্ষ্যে মিত্রশক্তির সানফ্রান্সিসকো সম্মেলন শুরু।

১৯৪৫ সালের ২৯ এপ্রিল, ইতালীতে জার্মান বাহিনী মিত্রশক্তির কাছে আত্মসমর্পণ করে।

১৯৪৫ সালের ৭ মে, মিত্রশক্তির কাছে জার্মািন নি:শর্ত আত্মসমর্পণ করে।

১৯৪৫ সালের ৮ মে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মািনর নাৎসি বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে মিত্র শক্তির কাছে আত্মসমর্পণ করে।

১৯৪৫ সালের ৯ মে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্র বাহিনী জয়লাভ করে।

১৯৪৫ সালের ২৬ জুন, সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৪৫ সালের ১৬ জুলাই, এ ভূ-পৃষ্ঠের বুকে প্রথম আণবিক বোমা পরীক্ষার দিন ছিল। আমেরিকার তৈরী আণবিক বোমা। যার প্রথম পরীক্ষামূলক বিস্ফোরণ ঘটানো হয় আমেরিকার নিজেরই নিউ মেক্সিকোর উত্তরাঞ্চলের মরুভূমিতে। আর এর ২০ দিনের মাথায় অর্থাৎ ৬ আগষ্ট তারিখে ওই মারণাস্ত্রের সফল প্রয়োগ হয় জাপানের হিরোশিমা ও ৯ আগষ্ট নাগাসাকির মাটিতে। প্রথম বোমার আঘাতে হিরোশিমা ও নাগাসাকি শহরের প্রায় ১.৪(এক লক্ষ চল্লিশ হাজার) লোক মারা যায়।

১৯৪৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত কয়টি দেশ পারমাণবিক বোমা তৈরী করেছে:

ক্রমিকদেশকোন সালেপরমাণু বোমা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ২০(বিশ) হাজার বোমা আছে১৯৪৫প্রথম
সোভিয়েত ইউনিয়ন(রাশিয়া)-৬৭টি বোমা১৯৪৯ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর,দ্বিতীয়
ব্রিটেন নিজস্ব পারমাণবিক বোমা তৈরীর কথা ঘোষণা করে১৯৫২ সালের ২৬তৃতীয়
ফেব্রুয়ারী,
ফ্রান্স১৯৫৩৪র্থ
১৯৬৪ সালে চীন র্কতৃক পরীক্ষামূলক আণবিক বোমা বিস্ফোরণ১৯৬৪৫ম
ইসরাইল ও দক্ষিণ আফ্রিকা ১৯৭৯ সালে পারমাণবিক বিস্ফোরণ১৯৭৯৬ষ্ঠ
ঘটায়
ভারত-এর পরপর পাকিস্তান বোমা পরীক্ষা করেছে১৯৯৮৭ম
পাকিস্তানমে, ১৯৯৮৮ম
উত্তর কোরিয়া পরমাণু বোমা পরীক্ষা করেছে ৯৯ অক্টোবর, ২০০৬ এরমধ্যে উত্তর৯ম দেশ
অক্টোবর, সোমবার গ্রিনিচ সময় ১টা ৩৬ মিনিটেকোরিয়া ৯ম পরমাণু শক্তিধর দেশ
ইরানের পরমাণু শক্তি অর্জেনর ঘোষণা করেন-তবে পরমাণু১১-০২-২০১০ থেকে ইরান এখন১০ম দেশ
অস্ত্র তৈরির কোনো ইচ্ছা তাঁর দেশের নেই'পরমাণু শক্তিধর দেশ'
বিশ্বে সর্বেমাট ২,০৪৮টি পরমাণু অস্‌্ররে পরীক্ষা চালানো
হয়েছেএরমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র চালিয়েছে ১,০৩২টি এবং সোভিয়েত
ইউনিয়ন ৭১৫টি

১৯৪৫ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত পারমাণবিক বোমা কোন দেশে কয়টি মজুদ আছেঃ

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রইউএসএসআর/রাশিয়াযুক্তরাজ্যমোট
১৯৪৫০৬টি--০৬টি
১৯৫০৩৬৯টি০৫টি-৩৭৪টি
১৯৬০২০,৪৩৪টি১,৬০৫টি৩০টি২২,০৬৯টি
১৯৭০২৬,৬৬২টি১১,৬৪৩টি২৮০টি৩৮,৬৯৬টি
১৯৮০২৪,৩০৪টি৩০,০৬২টি৩৫০টি৫৫,২৪৬টি
১৯৯০২১,০০৪টি৩৭,০০০টি৩০০টি৫৯,২৩৯টি
১৯৯৫১২,১৪৪টি২৭,০০০টি৩০০টি৩০,৩৪৪টি
২০০০১০,৫৭৭টি২১,০০০টি১৮৫টি৩২,৬৩২টি
২০০৯৯,৪২০টি১৪,০০০টি১৬০টি২৩,৩৭৫টি
ফ্রান্সচায়নাইন্ডিয়া-
১৯৭০৩৬টি৭৫টি--
১৯৮০২৫০টি২৮০টি--
১৯৯০৫০৫টি৪৩০টি--
১৯৯৫৫০০টি৪০০টি--
২০০০৪৭০টি৪০০টি--
২০০৯৩০০টি২৪০টি৫০-৬০টি-
পাকিস্তান-
২০০৯৭০-৯০টি---
১৯৪৫থেকে ২০০৯পর্যন্ত বিশ্বে সর্বেমাট পারমাণবিকআছে২,৬১,৯৮১টি
বোমা

১৯৪৫ সালের ৬ আগষ্ট, জাপানের হিরোশিমা নগরীতে ''লিটল বয়'' নামে ২০ হাজার টনের পারমাণবিক বোমার আঘাত হেনেছিল আমেরিকা। ৬ আগষ্ট হিরোশিমা দিবস। হিরোশিমা-আক্রমণের আগে লোকসংখ্যা-দুই লাখ ৫৫ হাজার। আহত-৬৯ হাজার-তাৎক্ষণিক মৃত্যু-৬৬ হাজার-পরবর্তী সময়ে মৃতের সংখ্যা (১৯৪৫ সালের শেষ পর্যন্ত) ৭৪ হাজার। মোট মৃত্যু (১৯৫০ পর্যন্ত) প্রায় দুই লাখ।

১৯৪৫ সালের ৯ আগষ্ট, জাপানের নাগাসাকিতে ''ফ্যাট ম্যান'' আমেরিকার দ্বিতীয় আণবিক বোমা বর্ষণ। নাগাসাকি-আক্রমণের আগে লোকসংখ্যা-এক লাখ ৯৫ হাজার। আহত-২৫ হাজার। তাৎক্ষণিক মৃত্যু-৩৯ হাজার-পরবর্তী সময়ে মৃতের সংখ্যা (১৯৪৫ সালের শেষ পর্যন্ত) ৪১ হাজার। মোট মৃত্যু (১৯৫০ পর্যন্ত) প্রায় ৮০ হাজার।

১৯৪৫ সালের ১৪ আগষ্ট, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অন্তিম লগ্নে জাপান রাশিয়ার কাছে আত্মসমর্পণ।

১৯৪৫ সালে জাতিসঙ্গ প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৪৬ সাল থেকে জাতিসংঘের সচিবদের নামসমূহ:

১৯৪৬ট্রাইগভি লাই, নরওয়ে১৯৮২জেভিয়ার প্যারেজ ডি কুয়েলার, পেরু
১৯৫৩ডেগ হামারএসকজোল্ড, সুইডেন১৯৯২বুট্রুস বুট্রুস-গালি, মিশর
১৯৬২উ থান্ট, বার্মা (মায়ানমার)১৯৯৭কফি আনন, গানা
১৯৭২কোর্ট ওয়াইল্ডহেম, অস্টেরিয়া২০০৭বান কি-মুন, সাউথ কোরিয়া

১৯৪৫ সালের ৩ অক্টোবর, বিশ্ব ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৪৫ সালের ২০ নভেম্বর, নুরেমবার্গ আন্তর্জািতক বিচারালয়ে নাৎসি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু হয়।

১৯৪৫ সালের ২৭ সিসেম্বর, আন্তর্জািতক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) গঠিত হয়।

১৯৪৬ সালের ১০ জানুয়ারি, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রথম বৈঠক লন্ডনে অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৪৬ সালের ৮ এপ্রিল, লীগ অব নেশন্সের শেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৪৬ সালের ১৮ এপ্রিল, হেগে আন্তর্জািতক বিচারালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৪৬ সালের ৪ নভেম্বর, জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৪৬ সালের ২ সেপ্টেম্বর, পরাজয় মেনে নিয়ে জাপান নিঃশর্ত আত্মসম্র্পণ করলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসান হয়।

১৯৪৬ সালের ১১ ডিসেম্বর, ইউনিসেফ প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৪৬ সালের ১৪ ডিসেম্বর, আন্তর্জািতক শ্রম সংস্থা 'আই. এল. ও.' প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৪৭ সালে মিশরের মিউজিক এজেন্ট সেমেদা মুস্তফা, প্রথম বিবাহটি করেছিলেন। ২০০১ সালের ৯ আগষ্ট: মিশরের মিউজিক এজেন্ট সেমেদা মুস্তফা, ৭৮(আটাত্তর) বছর বয়স, তার দুই শততম স্ত্রী'র ছবিটি সাংবাদিকদের দেখিয়েছেন। জনাব মুস্তফা এ পর্যন্ত ২০৩টি বিবাহ করেছেন। এ সুবাদে তিনি গিনেস বুক অব ওয়াল্র্ড রেকর্ডে স্থান লাভের প্রত্যাশী। ২০০-শতাধিক বিবাহ করলেও মাত্র ৩ সন্তানের পিতা জনাব সেমেদা মুস্তফা জানান তাঁর প্রথম বিবাহটি হয়েছিল ১৯৪৭ সালে।

১৯৪৮ সালের ১০ জানুয়ারি, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস ঘোষণা গৃহীত হয়।

১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৪৮ সালের ৮ জুন, ভারত ও ব্রিটেনের মধ্যে আন্তর্জািতক বিমান চলাচল শুরু হয়।

১৯৪৮ সালে (উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার) রাষ্ট্রসমূহ গড়ে তোলে আমেরিকার রাষ্ট্রসংঘ (ঙৎমধহরুধঃরড়হ ড়ভ অসবৎরপধহ ঝঃধঃবং-ঙঅঝ).

১৯৪৮ সালের ১৬ জুলাই, ইতিহাসের প্রথম বিমান ছিনতাইয়ের ইতিহাস। তারপর ১৯৭০ সালের ৯ সেপ্টেম্বর, প্রথম ব্রিটিশ বিমান ছিনতাই শুরু করে। তারপর ১৯৭১ সালের ২৪ নভেম্বর, ইতিহাসের অঅরেকটি আলোচিত বিমান ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। ১৯৭৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর, ছিনতাইয়ের বিমান ঢাকায়। ১৯৮৫ সালের ২৩ নভেম্বর, ইজিপ্ট ফ্লাইট ৬৪৮ এটিকে ইতিহাসের ভয়াবহতম ছিনতাইয়ের ঘটনাগুলোর একটি মনে করা হয়। ১৯৯৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর, ভারতীয় ফ্লাইট ৮১৪ নামের যত্রিীবাহী বিমান নেপালের কাঠমন্ডুর ত্রিভূবন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট থেকে ভারতের ইন্দরাগান্ধী এয়ারপোর্টেও দিকে যাচ্ছিল। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর, দুঃস্বপ্নের নাই ইলেভেন সকাল বেলা।

১৯৪৯ সালের ৩ এপ্রিল, নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (ন্যাটো) প্রতিষ্ঠিত হয়। যার সদস্য সংখ্যা ২৮টি।

১৯৪৯ সালের ১২ আগষ্ট, জেনেভা কনভেশন ও জেনেভা, সুইজারল্যান্ড-এ ৫৮টি রাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবন্দি ও যুদ্ধাহত ব্যক্তিদের সাথে আচরণবিধির উপর ৪টি আন্তর্জািতক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। (ক) যুদ্ধ বন্দীদের ব্যাপারে সিদ্ধান্তগ্রহণ (খ) যুদ্ধাহত ব্যক্তিদের চিকিৎসা ও সাহায্য প্রদান (গ) ক্ষতিগ্রস্থ দেশসমূহের ক্ষতিপূরণদান ও আদায়ের ব্যবস্থা করা ও (ঘ) যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা।

১৯৫০ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি, চীন ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষর।

১৯৫০ সালে বিশ্বে মোটরগাড়ীর সংখ্যা ছিল প্রায়-৭ কোটি। ২০০০ সালে মোটরগাড়ীর সংখ্যা-৬০ কোটি এবং ২০০৩ সালে মোটরগাড়ীর সংখ্যা-৭০(সত্তর) কোটি আর ২০২০ সালে বিশ্বে মোটরগাড়ীর সংখ্যা হবে-১২০(একশত বিশ) কোটি।

১৯৫১ সালের ১৯ জুন, সামরিক জোট ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৫১ সালের ৮ সেপ্টেম্বর, সান ফ্রান্সসিসকোতে ৪৯টি দেশ জাপানের সাথে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করে।

১৯৫২ সাল থেকে বিশ্বে প্রথম বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতা শুরু হয়।

১৯৫৩ সালের ২৫ এপ্রিল, ছিল ডিএনএ আবিস্কারের বার্ষিকী। আবিস্কার করেন ব্রিটিশ বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস ক্রিক ও জেমস ওয়াটসনকে। ডিএনএ আবিস্কারের ৬০ বছর পুর্তি জন্ম বার্ষিকী পালন করেন। ১৯৬২ সালে আবিস্কারটি মহাগুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়। ডিএনএ আবিস্কারের জন্য ফ্রান্সিস ক্রিক ও জেমস ওয়াটসনকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

১৯৫৩ সালের ২৯ মে, নেপালের শেরপা তেনজিং নোরগেকে নিয়ে ও নিউজিল্যান্ডের পর্বতারোহী স্যার এডমন্ড হিলারি সর্বপ্রথম পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেষ্ট জয় করেন। শুক্রবার (১১-০১-২০০৮) তারিখ এভারেষ্ট প্রথম বিজয়ী স্যার এডমন্ড হিলারি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অকল্যান্ডের একটি হাসপাতালে মারা গেছেন।

১৯৫৩ সালের ২ ডিসেম্বর, ভারত-সোভিয়েত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৫৪ সালের ৬ মে, চার মিনিটের কম সময়ে এক মাইল পথ দৌড়ে রজার ব্যানিস্টার রেকর্ড স্থাপন করেন।

১৯৫৪ সালের ১৯ মে, ভারত-মার্কিন সামরিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৫৪ সালের ২৬ জুন, বিশ্বের সর্ব প্রথম পারমাণবিক চুল্লি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে তা সাধারণ মানুষের বাড়ি পৌঁছে দেয়া হয়েছিলো। সূত্র রয়টার্স ও বিবিসি। বর্তমান পৃথিবীর ৩২টি দেশের পারমাণবিক কেন্দ্রগুলোতে বিশ্বের ১৬ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়। পারমাণবিক কেন্দ্রের ৫০তম বার্ষিকী পালনের সম্মেলন প্রাক্কালে আন্তর্জািতক আনবিক শক্তি সংস্থা ঘোষণা করেছে যে বিশ্বের পরিবর্তন রোদ করার লক্ষ্যে পারমাণবিক চুল্লি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাত্রা বাড়াতে হবে।