২০০৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর, ইনকিলাব রিপোর্ট: সাগর মহাসাগরের কথা: পৃথিবীর মোট আয়তনের চার ভাগের তিন ভাগ জুড়ে আছে পানি। এ পানির শতকরা ৯৭ ভাগই রয়েছে মহাসাগরে। বিজ্ঞানীদের মতে, সাগরে মোট পানির পরিমাণ ১,৩৭০ মিলিয়ন ঘনকিলোমিটার। এ পানির সিংহভাগ পাঁচটি মহাসাগর দিয়ে প্রবাহিত। অবশিষ্ট অংশ রয়েছে সাগর, উপসাগরে। আয়তনে পাঁচটি মহাসাগরের মধ্যে প্রশান্ত মহাসাগর সর্ববৃহৎ। আর উত্তর মহাসাগর সবচেয়ে ছোট। প্রশান্ত মহাসাগর প্রায় ১৬ কোটি ৫৭ লাখ ২৩ হাজার বর্গ কি.মি., আটলান্টিক মহাসাগর প্রায় ৮ কোটি ১৬ লাখ ৩২ হাজার, ভারত মহাসাগর প্রায় ৭ কোটি ৩৪ লাখ ২৬ হাজার, এন্টার্কিটকা (দক্ষিণ) মহাসাগর প্রায় ২ কোটি ৩ লাখ ৩০ হাজার এবং আর্কিটক (উত্তর) মহাসাগর প্রায় ১ কোটি ৪৩ লাখ ৫২ হাজার বর্গ কি.মি. এলাকা নিয়ে বিস্তৃত। প্রশান্ত মহাসাগরের গড় গভীরতা ৪,০৭৯ মিটার, সর্বোচ্চ গভীরতা ১০,৯১১ মিটার, আটলান্টিক মহাসগরের গড় গভীরতা ৩,৯২৬ মিটার, সর্বোচ্চ গভীরতা ৯,১৮৮ মিটার, ভারত মহাসগরের গড় গভীরতা ৩,৯৬২ মিটার, সর্বোচ্চ গভীরতা ৭,০০১ মিটার, এন্টার্কিটকা মহাসাগরের সর্বোচ্চ গভীরতা ৫,৭৪৫ মিটার, আর্কিটক মহাসাগরের গড় গভীরতা ১,২৮০ মিটার, সর্বোচ্চ গভীরতা ৫,৪৪১ মিটার। প্রধান প্রধান সাগর উপসাগরের মধ্যে রয়েছে ভূ-মধ্যসাগর (২৯,৬৫,৫৩৮ বর্গ কি. মি.), দক্ষিণ চীন সাগর (২৩,১৮,০৪১ বর্গ কি. মি.), বেরিং সাগর (২২,৭৪,০১১ বর্গ কি. মি.), ক্যারিবিয়ান সাগর (১৯,৪২,৪৯৩ বর্গ কি. মি.), মেক্সিকো উপসাগর (১৮,১২,৯৯৩ বর্গ কি. মি.), ওখটস্ক সাগর (১৫,০৭,৩৭৪ বর্গ কি. মি.), পীত সাগর (১২,৪৩,১৯৫ বর্গ কি. মি.), হাডসন সাগর (১২,২২,৪৭৫ বর্গ কি. মি.), জাপান সাগর (১০,৪৮,৯৪৫ বর্গ কি. মি.), উত্তর সাগর (৫,৭২,৩৮৮ বর্গ কি. মি.), কৃঞ্চ সাগর (৪,৩৬,৪১৩ বর্গ কি. মি.), বাল্টিক সাগর (৪,০৯,২১৮ বর্গ কি. মি.), আন্দামান সাগর (৭,৯৭,৭০০ বর্গ কি. মি.), লোহিত সাগর (৪,৩৭,৭০০ বর্গ কি. মি.), পারস্য উপসাগর, বঙ্গোপসাগর ইত্যাদি। গিনেস ওয়াল্র্ড রেকর্ড-এর ২০০৪ সালের তথ্যানুসারে সমুদ্রের গভীরতম অংশের গভীরতা ১০,৯১১ মিটার বা ৩৫,৭৯৭ ফুট। অন্যদিকে এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকার মতে, স্থলভাগের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতা ৮,৮৫০ মিটার বা ২৯,০৩৫ ফুট। পানির নিচে শব্দের গতিবেগ সেকেন্ডে প্রায় ১,৪৩৩ মিটার। তাই বর্তমানে সাগরের গভীরতা নিরূপণ করা খুব কঠিন নয়। অদ্যাবধি যত মুক্তো পাওয়া গেছে তার মধ্যে ১০ ভাগ ওজনের 'বেরসফোর্ড-হোপ' হচ্ছে সবচেয়ে দামি মুক্তো। এটি বর্তমানে লন্ডনে সংরক্ষিত আছে। ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ইউরোনিয়াম, সোনা, রূপা, তামা, নিকেল, কোবাল্ট, সীসা প্রভৃতি খনিজ সম্পদের প্রধান উৎস সমুদ্র। শুধু প্রশান্ত মহাসাগরেই সন্ধান পাওয়া গেছে ২০৭ বিলিয়ন টন লোহা, ১০ বিলিয়ন টন টাইটেনিয়াম, ২৫ বিলিয়ন টন ম্যাগনেশিয়াম। ইউরোনিয়াম ভাঙার তুলনায় সমুদ্রে মজুত রয়েছে সহস্র গুণ বেশি। বিজ্ঞানীদের মতে, সমুদ্রে যে পরিমাণ ইউরোনিয়াম আছে তার এক শতাংশ উত্তোলন করা সম্ভব হলেও তা দিয়ে সারা পৃথিবীর ৩০০ বছরের জ্বালানি খরচ চলে যাবে।
২০০৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর, সিনহুয়া, ডিপিএ: হাভানায় চতুর্দশ ন্যাম সম্মেলন শুরু। বর্তমানে ন্যামের ১১৬টি সদস্য দেশ রয়েছে। আফ্রিকায় ৫৩টি, এশিয়ায় ৩৮টি, ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলে ২৪টি এবং ইউরোপের ১টি দেশ ন্যামের অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া হাইতি, সেন্ট কিটস ও নেভিস ন্যামের অন্তর্ভুক্ত হলে মোট সদস্যসংখ্যা আরো বৃদ্ধি পাবে। ন্যাম দেশগুলোতে বিশ্বের জনসংখ্যার ৫১ ভাগ বসবাস করে। বিশ্বের ৫৩ ভাগ সাগর এসব দেশের অন্তর্ভুক্ত। ৮৬ ভাগ তেল ন্যাম দেশগুলোতে রয়েছে। ১৯৯২ সালে চীনকে ন্যামের পর্যেবক্ষকের মর্যাদা দেয়া হয়। আরও ২টি দেশসহ মোট সদস্যসংখ্যা হলো-১১৮।
২০০৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর, বিবিসি অনলাইন: যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে বিশ্বের সাড়ে ৪ কোটি শিশু শিক্ষা লাভ থেকে বঞ্চিত।
২০০৬ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর, স্টাফ রিপোর্টার: হৃদরোগে বিশ্বে বছরে ১ কোটি ৬৯ লাখ ৭০ হাজার মানুষ মারা গেছে এবং এ সময়ে বিভিন্ন রোগে সারা বিশ্বে মৃতের সংখ্যা ৫ কোটি ৬০ লাখ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব মতে ১৯৯৯ সালের এ পরিসংখ্যান মানবজাতির জন্য উদ্বেগজনক বলে সেমিনারে ব্যাপক জনসচেতনতা গড়ে তোলার ওপর গুরত্বারোপ করা হয়।
২০০৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর, এএফপিঃ ১০ লাখ বছরের মধ্যে এখন পৃথিবীর উঞ্চতা বেশী।
২০০৬ সালের ১০ অক্টোবর, জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব হিসেবে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ (০৯-১০-২০০৬ তারিখ) দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বান কিই মুনকে জাতিসংঘ মহাসচিব পদে কফি আনানের স্থলাভিষিক্ত হিসাবে মনোনয়ন দিয়েছে। এ নিয়োগ ০১-০১-২০০৭ তারিখ থেকে কার্যকরী হয়েছে। জাতিসংঘের ৬০ বছরের ইতিহাসে বান কিই মুন ৮ম এবং এশিয়ার ২য় ব্যক্তি মহাসচিব হিসেবে যোগদান করেছেন।
২০০৬ সালের ১১ অক্টোবর, বিবিসি অনলাইনঃদক্ষিণ আফ্রিকার ছোট একটি দেশ লেসোথো। এখানে আবিস্কৃত হয়েছে বিশ্বের ১৫তম বৃহৎ হীরক খন্ড। এর মূল্য সোয়া ১ কোটি ডলার।
২০০৬ সালের ১৭ অক্টোবর, অর্থৈনতিক রিপোর্টার: ১৭-১০-২০০৬ তারিখ বিশ্ব দারিদ্র নিরসন দিবস। ক্ষুদ্র ঋণ দিয়ে কখনো দেশের দারিদ্র নিরসন সম্ভব নয়।-সংবাদ সম্মেলনে সুপ্র নেতৃবৃন্দ।
২০০৬ সালের ৫ নভেম্বর, এএফপি: মস্তিস্ক নিয়ন্ত্রিত বায়নিক হাত।
২০০৬ সালের ৫ নভেম্বর, এএফপি: সংযুক্ত আরব আমিরাতে নির্মিত হচ্ছে বিশ্বের সর্বোচ্চ টাওয়ার ভবন বুরজ দুবাই স্কাইস্র্কযাপার। এ ভবনের নির্মাণকাজের সাথে যুক্ত রয়েছে অন্তত ৩-হাজার শ্রমিক। তাইওয়ানের ১০১তলা ভবনের উচ্চতাও ছাড়িয়ে যাবে।
২০০৬ সালের ১৪ নভেম্বর, এএফপি: স্থুলতাজনিত ডায়াবেটিস মহামারী নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে চলতি শতাব্দীতে বিশ্বের আদিবাসীরা বিলুপ্ত হতে পারে।
২০০৬ সালের ২৪ নভেম্বর, পিটিআই: ফরবিজের জরিপে বিশ্বের শীর্ষ কোম্পানীগুলোর তালিকায় রয়েছে ভারতের ৮টি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান। পৃথিবীর শীর্ষ ৬শটি কোম্পানীর তালিকার মধ্যে ভারতের সবচেয়ে বড় কোম্পানী টাটা আছে ২০টি শীর্ষ কোম্পানীর মধ্যে।
২০০৬ সালের ২ ডিসেম্বর, মক্কা-মদিনায় আণবিক বোমা মারো: মার্কিন লেখক-নতুন বই-'ওয়াইল্ড ফায়ারে' রাখা আবেদন মার্কিন পাঠকদের মধ্যে ভীষণ সাড়া জাগিয়েছে বলে নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ও পাবলিশার্স জানিয়েছে। মাইকেল বলেছেন, আমেরিকার হাতে এখন ২০ হাজার আণবিক বোমা আছে। মাইকেল দাবি করেছেন রাশিয়ানদের অস্ত্রাগার থেকে সুটকেসে বহনযোগ্য ৬৭টি আণবিক বোমা বিলি বা বিক্রি করা হয়েছে। কারণ হিসেবে বলেছে যে, আর যদি ৯ বা ১১ সেপ্টেম্বরের মত ঘটনা ঘটে তা'হলে মক্কা-মদিনায় আণবিক বোমা মারা হবে।
২০০৬ সালের ডিসেম্বর মাসে উইকিলিকস প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ২০০৬ সালের ডিসেম্বর থেকে এ পর্যন্ত উইকিলিকস যে পরিমাণ গোপন নথিপত্র, ভিডিও ফুটেজ, ই-মেইল প্রকাশ করেছে, পৃথিবীর ইতিহাসে তেমনটি আর কখনোই ঘটেনি। কারিগরিভাবে অবিশ্বাস্য রকমের নিখুঁত ওয়েবসাইট উইকিলিকস। শত শত ডোমেইন নামে বিশ্বজুড়ে ২০টিরও বেশি সার্ভাের তাঁরা তাঁদের ম্যাটেরিয়ালগুলো সংরক্ষণ করেন। এটি একটি 'আনসেন্সরেবল সিষ্টেম ফর আনট্রেসেবল মাস ডকুমেন্ট লিকিং অ্যান্ড পাবলিক অ্যানালাইসিস।' এটাকে ধ্বংস করতে হলে সারা বিশ্বের ইন্টারনেট-ব্যবস্থাবেই ধ্বংস করতে হবে। ব্যাপক পড়াশুনার মাধ্যমে ইতিহাস জানা ও সমসাময়িক বৈশ্বিক পরিস্থিতির দিকে রাজনীতিসচেতন দৃষ্টিতে নজর রাখার মধ্য দিয়ে অ্যাসাঞ্জ পরিণত বয়সে এমন এক ধারণায় পৌঁছান যে সব সরকার ও ক্ষমতাধর প্রতিষ্ঠান মিথ্যা বলে, জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করে। সরকারমাত্রই ষড়যন্ত্রকারিদের প্রধান অস্ত্র হচ্ছে গোপনীয়তা। গোপনীয়তা ভেঙে দিতে পারলেই ষড়যন্ত্র ভন্ডুল করা সম্ভব। এ রকম ভাবনা বা দর্শন থেকে তিনি ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে চালু করেন উইকিলিকস নামের এক নতুন ধরনের ওয়েবসাইট, যার কাজই হবে জনগুরুত্বপূর্ণ গোপন নথিপত্র বিশ্ববাসীর সামনে প্রকাশ করা। অ্যাসাঞ্জ গোটা বিশ্বকে এক অভিন্ন জাতিরাষ্ট্র বলে মনে করেন এবং সেই ন্যায়পরায়ণ মুক্ত সমাজ বা 'ওপেন সোসাইটি' প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে নেমেছেন, যুগে যুগে মানুষ যার স্বপ্ন দেখে এসেছে। এ লড়াইয়ে তাঁর সঙ্গে আছে গোটা বিশ্বের জনগণ। উইকিলিকস অলাভজনক আন্তর্জািতক একটি সংবাদ সংস্থা। ভক্তদের অনুদানে চলে এ ওয়েবসাইটটি। জুলিয়ান পল অ্যাসাঞ্জ এর প্রধান সম্পাদক।
২০০৬ সালের ৭ ডিসেম্বর, পিটিআই: বিশ্বের অর্ধেক সম্পদ দুই শতাংশ সেরা ধনীর কাছে। গতকাল নিউইয়র্কে জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলসিঙ্গি ভিত্তিক বিশ্ব উন্নয়ন অর্থনীতি গবেষণা ইনস্টিটিউটের এক রিপোর্টে বলা হয়, ২০০০ সালে সেরা ধনীদের এক শতাংশের মালিকানায় বিশ্বের ৪০ শতাংশ সম্পদ ছিল। ব্যক্তিগত সম্পদের উপর ব্যাপক পর্যােলাচনায় দেখা গেছে যে, ১০ শতাংশ সেরা ধনীর হাতে বিশ্বের ৮৫ শতাংশ সম্পদ রয়েছে। তুলনামূলকভাবে বিশ্বের প্রাপ্ত বয়স্ক জনসংখ্যার শেষ অর্ধেেকর কাছে রয়েছে বিশ্বের সম্পদের মাত্র এক শতাংশ। ২০০০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিটি লোকের কাছে ১ লাখ ৪৪ হাজার ডলার এবং জাপানে ১ লাখ ৮১ হাজার ডলার ছিল। রিপোর্টে বলা হয়, বিশ্বের সেরা ধনীরা বাস করেন উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ এবং ধনী এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলোতে।
২০০৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি, বিশ্বের ২শ' কোটি মানুষ ২০ বছরে চরম পানি সংকটে পড়বে: এফএও।
২০০৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি, বিবিসি: জাতিসংঘের বিশ্বখাদ্য কর্মসূচীর প্রধান জেমস মরিস বলেছেন, বিশ্বে বর্তমানে প্রতিদিন ক্ষুধায় এবং অপুষ্টিতে মারা যায় ১৮ হাজার শিশু।
২০০৭ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি, পিটিআই: ব্যতিক্রমী অস্্রােপচারের মাধ্যমে এক লোকের ১৩.৫ সেন্টিমিটার দীর্ঘ ও ১২ সেন্টিমিটার চওড়া জিহবাকে খাটো করা হয়েছে। বিশ্বের মধ্যে এটিই সবচেয়ে দীর্ঘ জিহবা বলে দাবী করা হয়। লোকটির নাম সুরেশ কুমার(৪৪) বছর। গিনেস বুক অব রেকর্ডেও ২০০৭ সালের সংস্করণ অনুযায়ী সবচেয়ে দীর্ঘ জিহবার অধিকারী বৃটিশ নাগরিক স্টিফেন টেইলর। তার জিহবার দৈর্ঘয ৯.৪ সেন্টিমিটার।
২০০৭ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি, ইনকিলাব ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ ও সংঘাত উসকে দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র: পুতিন।
২০০৭ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি, জন্মেই বিশ্ব রেকর্ড: রয়টার্স, বিবিসি অনলাইন: যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামীতে সম্প্রতি জন্ম গ্রহণকারী একটি শিশু বিশ্ব রেকর্ডে স্থান করে নিয়েছে। ২৪ অক্টোবর, ২০০৭ সালে জন্ম গ্রহণকারী এমিলিয়ার ওজন ছিল মাত্র ২শ' ৮৪ গ্রাম (দশ আউন্স) এবং উচ্চতা ছিল মাত্র একটি বলপেনের সমান। ডাক্তারদের ধারনা ছিল ৪শ গ্রামের কম ওজনের শিশু সাধারণত বাঁচে না। কিন্তু এমিলিয়ার বেঁচে থাকাটা এ ক্ষেত্রে অলৌকিক এক বিস্ময়। কেননা সে তার মাতৃগর্ভে ছিল মাত্র ২২ সপ্তাহের কম (২১ সপ্তাহ ৬ দিন) এবং বিশ্বের অকালজাত শিশুদের রেকর্ড। এ শিশু এমিলিয়া টেইলর সুস্থ ও জীবিত আছে।
২০০৭ সালের ২০ মার্চ, বিবিসি অনলাইন: পাচারকারী চক্র প্রতি বছর বিশ্বের ১২ লাখ শিশুকে বিক্রি করছে। পতিতা, ভিক্ষুক ও শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে তারা বাধ্য হচ্ছে।
২০০৭ সালের ২৫ এপ্রিল, স্টাফ রিপোর্টার: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সমীক্ষায় দেখা যায়, প্রতি বছর কেবল সড়ক দুর্ঘটনার কারণে ১২ লাখ মানুষ সারা পৃথিবীতে মৃত্যুবরণ করে। আগামী ২৩ বছরে মৃত্যুর ৩ নম্বর কারণ হবে সড়ক দুর্ঘটনা।
২০০৭ সালের ২৮ এপ্রিল, স্টাফ রিপোর্টার: পেশাগত দুর্ঘটনায় বিশ্বে প্রতি বছর ২০ লাখ শ্রমিক নিহত: ১২ লাখ আহত হয়।
২০০৭ সালের ১৮ মে, বিশিষ্ট সমাজ বিজ্ঞানী ও প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. অনুপম সেন আরো বলেন, পৃথিবীর ৪০০ কোটি মানুষের জীবন দারিদ্র সীমার নীচে। ৮৫ শতাংশ সম্পদ পুঁঞ্জিভূত হয়েছে ১০ শতাংশ ধনী ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের মালিকদের হাতে। পুঁজিবাদী অর্থনীতি মানুষের এ দূরবস্থা ও সম্পদের মেরুকরণ ঠেকাতে পারেনি। বিশ্ব অর্থনীতিতে এ যাবৎকালের বিস্ময় সোভিয়েত অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির মূলে ছিল পরিকল্পিত অর্থনীতি। বর্তমান পৃথিবীতে চীন ও ভারতের বিস্ময়কর অর্থৈনতিক উন্নতির মূলেও রয়েছে পরিকল্পিত অর্থনীতি।
২০০৭ সালের ২৩ মে, এএফপি: বিশ্বের ৭ আশ্চর্য নতুন করে সাজানোর উদ্যোগের মধ্যে বাদ যাচ্ছে মিশরের পিরামিড।
২০০৭ সালের ২৩ মে, আমেরিকায় জনসংখ্যার ৩৩% সংখ্যালঘু। সরকারী সূত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ২০০৬ সালের ১ জুলাই মোট সংখ্যালঘু/ইমির্গযান্ট ছিল ১০ কোটি ৭ লাখ।
২০০৭ সালের ২৬ মে, পিটিআই: বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ শাড়ি নিলামে বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়েছে দুবাইয়ের সারজায়। এ শাড়ির দৈর্ঘ প্রায় ৪৮৬ মিটার বা ১৮,৯৫৪ ইঞ্চি বা ৫২৬.৫ গজ বা ১,০৫৩ হাত লম্বা-এর ওজন ৭৮ কেজি।
২০০৭ সালের ৩১ মে, এএফপি: বিশ্বে প্রতি ৩ জন ধূমপায়ীর মধ্যে ১ জনের বাস চীনে। চীনে প্রতি বছর পরোক্ষ ধূমপানে ১ লাখ লোক মারা যায়।
২০০৭ সালের ২১ জুন, ২০৬০ সালে পৃথিবী ধ্বংস হবে। লিখে গেছেন বিজ্ঞানী নিউটন।
২০০৭ সালের ৩০ জুন, সারাবিশ্বে ধনীদের সম্পদের পরিমাণ আগের বছরের চেয়ে গত বছর ১১% বেড়েছে। এর ফলে ধনীদের মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৭.২ ট্রিলিয়ন ডলার। বিগত ৭ বছরের মধ্যে গত বছরই সবচেয়ে বেশী সম্পদ গড়েছেন ধনি লোকেরা। মেরিল লিন্স এন্ড ক্যাপজিমেনি গ্রুপ র্কতৃক বিশ্বব্যাপী পরিচালিত এক জরিপে আরো জানা গেছে, গত বছর সারাবিশ্বে ৯৫ লাখ লোকের সন্ধান পাওয়া গেছে যারা কমপক্ষে এক মিলিয়ন ডলারের মালিক। তাদের বাড়ির মূল্যকে এর সাথে যুক্ত করা হয়নি। ২০০৫ সালে এমন ব্যক্তির সংখ্যা ছিল ৮৭ লাখ। গত ১১ বছর থেকেই এ গ্রুপটি এ ধরনের জরিপ চালাচ্ছে। জরিপে আরো জানা যায়, সারাবিশ্বে যত ধন-সম্পদ রয়েছে তার এক চতুর্থাংশ হচ্ছে ৯৫ লাখ ধনীর দখলে।
২০০৭ সালের ৪ জুলাই, বিবিসি অনলাইন, আল জাজিরা: ইউনাইটেড স্টেটস অব আফ্রিকা গঠনে ৫৩ রাষ্ট্রের মতৈক্য। আক্রা শীর্ষ সম্মেলনে দ্রুত ও ধীর প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক।
২০০৭ সালের ৪ জুলাই, ইনকিলাব ডেক্স: বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বিশ্বে প্রায় ২শ' কোটি মানুষ হেপাটাইটিস বি ভাইরাসে আক্রান্ত এবং ৪০ কোটির বেশী মানুষ এ রোগ বহন করছে। দক্ষিণ এশিয়ায় এ ভাইরাস বহন করছে ৪ কোটি ৩০ লাখেরও বেশী মানুষ। আর বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৫% হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের দীর্ঘেময়াদী বাহক এবং এদের ২০% লিভার ক্যান্সার ও সিরোসিসের কারণে মারা যেতে পারে। অন্য এক হিসাবে দেখা গেছে পেশাদার রক্তদাতাদের ২৯% এ ভাইরাসের বাহক।
২০০৭ সালের ২৯ জুন, বিবিসি:বিশ্বের অনেক অঞ্চলে বিশেষ করে সাব-সাহারা অঞ্চল এবং মধ্য এশিয়ার ৫ কোটি লোক মরুকরণের কারণে তাদের ঘরবাড়ী ছাড়তে বাধ্য হবে।-জাতিসংঘ রিপোর্ট।
২০০৭ সালের ১০ জুলাই, পিটিআই: ২০০৫-এর নভেম্বরেই প্রস্তাবিত হয় ১৭৭টি সৌধ। পরবর্তী ২ বছরে তা থেকে ভোটাভুটির মাধ্যমে কেটে-ছেঁটে বেছে নেয়া হয় ৭টিকে। সপ্তাশ্চর্যের শীর্ষে তাজমহল ভারতে আনন্দ-উল্লাস। ৭ম আশ্চর্যে বাকিগুলি হলঃ চীনের মহাপ্রাচীর, ব্রাজিলের রিওডি জেনিরোর খ্রিষ্টমূর্তি, পেরুর মাচু পিচ্চু, মেক্সিকোর চিচেন ইৎজা পিরামিড, জর্ডােনর প্রাচীন শহর পেট্রার ধ্বংসস্তুপ ও রোমের কলোসিয়াম।
২০০৭ সালের ২১ জুলাই, এএফপি: গিনেজ বুকে রেকর্ড: বিশ্বের সবচেয়ে মোটা মানুষ এক মেক্সিকান। ৫৯০ কেজি ওজনবিশিষ্ট লোকটি ২৩০ কেজি ওজন কমাবার পরও তাঁর ৩৬০ কেজি ওজন আছে। ইউরিব বলেন, ২০০৯-এর সংস্করণে সবচেয়ে ওজন কমানো ব্যক্তি হিসেবে তাঁর নাম স্থান পাবে।