| কোটি ডলার বেশি আয় করেছে চীন | আর পণ্য আমদানিতে মূল্যের দিক থেকে শীর্ষস্থানে আছে যুক্তরাষ্ট্র | গত |
| বছর বৈশ্বিক আমদানির ১২ দশমিক ৩০ শতাংশ ব্যয় করেছে দেশটি | আর কোনো দেশই আমদানি ব্যায়ে ১০ শতাংশ |
| বা তার বেশি যেতে পারেনি | যুক্তরাষ্ট্র গত বছর সারা দুনিয়া থেকে পণ্য আমদানির জন্য দুই লাখ ২৬ হাজার |
| ৫০০ কোটি ডলার ব্যয় করেছে, যা ২০১০ সালের চেয়ে ১৫ শতাংশ বেশি | দ্বিতীয় স্থানে চীন, যার পণ্য আমদানি |
| ব্যয় এক লাখ ৭৪ হাজার ৩০০ কোটি ডলার; যা বৈশ্বিক আমদানির সাড়ে ৯ শতাংশ | জার্মািনর অবস্থান তৃতীয় |
| এক লাখ ২৫ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করেছে দেশটি, যা বৈশ্বিক আমদানির ৬ দশমিক ৮০ |
| শতাংশ | অন্যদিকে সেবা খাতের রপ্তানিতে সমন্বিতভাবে শীর্ষে আছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এর অর্থমূল্য ৭৮ |
| হাজার ৯০০ কোটি ডলার, যার বৈশ্বিক রপ্তানির ২৪ দশমিক ৮০ শতাংশ | এরপর যথাক্রমে যুক্তরাষ্ট্র (৫৭ হাজার ৮০০ |
| কোটি ডলার), চীন (১৮ হাজার ২০০ কোটি ডলার), ভারত (১৪ হাজার ৮০০ কোটি ডলার) এবং জাপান (১৪ |
| হাজার ৩০০ কোটি ডলার) |
| অর্থনীতিতে সেরা পাঁচ সাম্রাজ্য | রোমান সাম্রাজ্যের একটি স্থাপত্য নিদর্শন এখানে দেয়া গেল না |
| যুক্তরাষ্ট্রসহ এমন অর্থৈনতিকভাবে ক্ষমতাবান পাঁচ সাম্রাজ্যের একটি তালিকা তৈরি করেছে বিখ্যাত মার্কিন |
| সাময়িকী ফরচুন: ২০১৫ সালের ২২ আগস্ট, প্রথম আলো: আশরাফুল ইসলাম |
| (১) রোমান সাম্রাজ্য(১০০ খ্রিষ্টাব্দ্য)ঃ এ তালিকার সবার আগে উঠে এসেছে রোমান সাম্রাজ্যের নাম | আজ ২০১৫ |
| সাল থেকে প্রায় দুই হাজার সাল আগে, ১০০ খ্রিষ্টাব্দে রোমানদের সম্পদের মূল্য আজকের বাজারদরে ৫ লাখ |
| কোটি মার্কিন ডলার বা ৫ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি | এই অর্থ বিশ্বের বর্তমান সম্পদের প্রায় ২৫ থেকে ৩০ |
| শতাংশ | ব্যবসা-বাণিজ্যে সিদ্ধহস্ত রোমানদের অর্থ-প্রতিপত্তির মূল উৎস ছিল সমুদ্রপথের বাণিজ্য | মেসোপটেমিয়া |
| বা ইরাকে সংগঠিতভাবে কৃষিবিপস্নবের সূচনাও বিশ্বে সবার আগে করেছিল রোমানরা | রোমানদের আর্থিক |
| ব্যবস্থাপনাও ছিল খুব উন্নত | ব্যাংক নোট প্রচলনসহ বর্তমান আধুনিক ব্যাকিং ব্যবস্থার অনেক কিছুই তাদের |
| হাতে চালু হয় | এসব কারণেই অর্থৈনতিকভাবে শক্তিশালী সাম্রাজ্য হিসেবে ইতিহাসের সবার আগে স্থান পেয়েছে |
| রোমানরা |
| (২) সং সাম্রাজ্য(১২০০ খ্রিষ্টাব্দ)ঃ ত্রয়োদশ শতকের চীনের সং সাম্রাজ্যের অর্থৈনতিক ক্ষমতার মূল উৎস ছিল |
| কৃষিবিপস্নব | কৃষিভিত্তিক সমাজের মাধ্যমে সংদের সম্পদের পরিমাণ ছিল বর্তমান বিশ্ব জিডিপির ২৫ থেকে ৩০ |
| শতাংশ | অর্থনীতিবিষয়ক কিছু ঐতিহাসিক মনে করেন, ব্রিটিশদের অনেক আগে সংরাই শিল্পবিপস্নবের সূচনা |
| করেছিল | ওই সময়ের চীনে মাথাপিছু গড় আয় প্রবৃদ্ধি বর্তমান বিশ্বের অনেক উন্নত দেশের চেয়ে বেশি ছিল |
| (৩) মোগল সাম্রাজ্য(আনুমানিক ১৭০০ খ্রিষ্টাব্দ): ষোড়ক শতকের মোগল সাম্রাজ্যের অর্থৈনতিক প্রতিপত্তি প্রমাণ |
| করে ভারতীয় উপমহাদেশের উজ্জ্বল অতীতের কথা | অনেক অর্থনীতিবিদ মনে করেন, মোগলদের অধীন ভারতের |
| মাথাপিছু আয় ওই সময়ের ইংল্যান্ড বা ফ্রান্সের সমপর্যােয়র ছিল | মোগলদের আয়ত্তে থাকা সম্পদের পরিমাণ |
| বর্তমান বিশ্ব জিডিপির হিসাবে প্রায় ২৫ শতাংশ | মোগল শাসকদের শান-শওকত ইউরোপীয়দের চেয়েও বেশি ছিল |
| বলে অনেকে মনে করেন | মোগলদের প্রবর্তিত করব্যবস্থা ছিল বিশ্বমানের | সোনাসহ বিভিন্ন মূল্যবান ধাতুর |
| বাণিজ্যও মোগলদের অর্থের অন্যতম উৎস ছিল |
| (৪) ব্রিটিশ সাম্রাজ্য(আনুমানিক ১৮৭০ খ্রিষ্টাব্দ): ব্রিটিশদের অর্থৈনতিক প্রতিপত্তি বোঝাতে বলা হয় যে |
| ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সূর্য কখনো অস্ত যায় না | ভারতীয় উপমহাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কলোনি স্থাপনের |
| মাধ্যমে শাসন করা ব্রিটিশদের অর্থের মূল উৎস ছিল কর আদায়ের দক্ষতা | শিল্পবিপস্নবও এই অর্থৈনতিক প্রতিপত্তির |
| অন্যতম উৎস ছিল | বর্তমান বাজারদরে বিশ্ব জিডিপির প্রায় ২১ শতাংশের সমপরিমাণ সম্পদ ছিল ব্রিটিশ |
| সাম্রাজ্যের অধীনে | অর্জিত সম্পদের একটি বড় অংশই আসত ব্রিটিশ কলোনি থেকে |
| (৫) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র(১৯৫০ খ্রিষ্টাব্দ): দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্র অর্থৈনতিক প্রতিপত্তিতে সবাইকে |
| ছাড়িয়ে যায় | এ সময় বর্তমান বিশ্ব জিডিপির ৫০ শতাংশের সমান পরিমাণ সম্পদের মালিক ছিল যুক্তরাষ্ট্র |
| জার্মািন, জাপানসহ সেই সময়ের বিশ্বের বড় অর্থনীতির দেশগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাওয়া এর একটি অন্যতম |
| কারণ | এরপর থেকে আজ পর্যন্ত অর্থৈনতিক পরাশক্তি হিসেবে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে | মাইক্রোসফট, অ্যাপল, |
| ফেসবুকের মতো প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো হালের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থৈনতিক শক্তির মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ |
| করছে | মধ্যপ্রাচ্যেসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যুদ্ধ জয়ও আমেরিকার এ অর্থৈনতিক শক্তি অর্জেন সহায়ক ভূমিকা |
| রেখেছে |
২০১৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: প্রাচীনতম পোশাক ৫ হাজার বছর আগের ফ্যাশন। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক-ছেঁড়া ও বিবর্ণ একটি পোশাকের সন্ধান মিলেছে মিসরের একটি প্রাচীন সমাধিতে। এটিই বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো পোশাক-বলেছেন প্রত্নতত্ত্ব গবেষকেরা।
২০১৬ সালের ২৫ এপ্রিল, ডিসকবারীতে জানতে পারলাম যে, লন্ডন শহরটা ছিল ৫ কোটি ৬০ লক্ষ বছর পূর্বে জলাশয়।
২০১৬ সালের ১৩ মে, প্রথম আলো: বিশ্বের শহরাঞ্চলের ৮০ ভাগ মানুষই বায়ুদূষণে আক্রান্ত।
২০১৬ সালের ৭ জুন, প্রথম আলোঃ বিশ্বে খাদ্য উৎপাদন হয় =৩১,১৩৪(একত্রিশ হাজার একশত চৌত্রিশ) কোটি ডলারের। এর ৩০ শতাংশ খাদ্য নষ্ট হয়ে যায় মানে=৯,৪০০(নয় হাজার চারিশত) কোটি ডলারের।
২০১৬ সালের ২০ জুন, প্রথম আলো: ৩ লাখ রোহিঙ্গা নিয়ে বিপাকে বাংলাদেশ। বিশ্বে ২ কোটি শরণার্থী বাংলাদেশি ১১ হাজার।
/
এশিয়া মহাদেশ: দেশের সংখ্যা-৪৬টি।
৫২৬ সালের ২০ মে, সিরিয়ায় ভূমিকম্পে আড়াই লাখ লোকের মৃত্যু।
৬১০ সালে মুহাম্মদ প্রথম ইসলাম ধর্মের জন্মদাতা।
৬২২ সালের ২৭ ডিসেম্বর, ১২ রবিউল আওয়াল(১ হিজরী) মোতাবেক ২৭ ডিসেম্বর, ৬২২ সালে 'কোবা মসজিদ' মদিনার কোবা পল্লীতে অবস্থিত। এ মসজিদ ইসলামের প্রথম মসজিদ হিসেবে খ্যাত। হযরত মুহাম্মদ(স.) নিজ হাতে নির্মিত এটি প্রথম মসজিদ। তিনি এ মসজিদে প্রথম জুমআ'র নামাজ আদায় করেন। তাই একে প্রথম জুমআ' মসজিদও বলে।
৬২৫ সালের ১৩ জুলাই, দুমাতুল জান্দাস অভিযান পরিচালিত হয়।
৬২৮ সালের ৯ জুলাই, রাসুলুল্লাহ(স.) র্কতৃক রাজন্যবর্গের কাছে ইসলাম গ্রহণের আমন্ত্রণজানিয়ে পত্র প্রেরণ।
৬৩৪ সালে হযরত ওমর(রা.) খলিফা নিযুক্ত হন।
৬৩৯ সালের ২৭ জুলাই, হযরত উমর(রা.) র্কতৃক পারস্য ও খোরাসান বিজয়।
৬৬১ সালের ৫ জুলাই, ইমাম হাসান(রা.) ও মুয়াবিয়া(রা.)-এর মধ্যে সন্ধি স্থাপন।
৬৬৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি, বিশিষ্ট সাহাবী আবু মুসা আশরায়ী(র) ইন্তেকাল।
৬৬৭ সালের ২৯ জুলাই, মুসলমানদের লিবিয়া বিজয়।
৬৮০ সালের ১০ মহররম (হিজরী সনের প্রথম মাস), (বর্তমান ইরাকের অন্তর্গত) মহানবী হজরত মুহাম্মদ (স.)-এর জামাতা হজরত আলী (রা.) ছেলে হজরত ইমাম হোসেন (রা.) বা মহানবী হজরত মুহাম্মদ (স.)-এর দৌহিত্র হজরত ইমাম হোসেন(রা.) শাহাদাৎ বরণ করেন। খিলাফত অধিকারের এক রক্তাক্ত যুদ্ধে কারবালার প্রান্তরে উমাইয়া বংশীয় মুয়াবিয়ার ছেলে ইয়াজিদের হাতে শহীদ হন রাসুলুল্লাহর (স.)-এর প্রাণপ্রিয় দৌহিত্র। মূলত সেই শোকাবহ আত্মত্যাগের ঘটনার স্মরণে প্রতিবছর ১০ মহররম মুসলমানেরা পবিত্র আশুরা পালন করে।
৬৮৪ সালের ২ জুলাই, খানায়ে কাবার সংস্কার।
৭৫০ সালের ১০ জুলাই, উমাইয়া বংশীয় খেলাফতের শেষ দিবস।
৭৫০ সালের ১১ জুলাই, খলিফা দ্বিতীয় মারওয়ান নিহত হওয়ার মধ্য দিয়ে উমাইয়া বংশের খেলাফতের অবসান।
৭৫০ খৃষ্টাব্দে আব্বাসি খলিফাদের শাসন শুরু হয়।
৭৬২ সালের ৬ জুলাই, মুকান যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
৯৪৬ সালের ১৭ জানুয়ারি, পশ্চিম পারস্যের শাসক অদুদ-উদ-দৌলা তুর্কীেদর বাগদাদ থেকে বহিস্কার করেন।
৯৪৯ সালের ১ জুলাই, বাগদাদে শিয়া-সুন্নী মারাত্মক দাঙ্গা সংঘটিত হয়।
১০৩৭ সালের ৭ জুলাই, সেলজুকী রাষ্ট্রের সূচনা হয়।
১১৮৭ সালের ৪ জুলাই, সুলতান সালাহউদ্দিন আইয়ুবীর বায়তুল মোকাদ্দাস অধিকার।
১২৫৮ সালের ১৭ জানুয়ারি, মঙ্গোলরা ইরাকের রাজধানী বাগদাদ দখল করে এবং ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপে লিপ্ত হয়।
১২৫৮ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি, হালাকু খান বাগদাদে নারকীয় ধ্বংসলীলা চালান।
১২৯০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর, প্রবল ভূমিকম্পে চীনে লক্ষাধিক লোকের মৃত্যু।
১২৯৩ সালের ২০ মে, জাপানের কামাকুরাতে প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্পে ৩০ হাজার লোকের মৃত্যু।
১২৯৫ সালের ১৭ জানুয়ারি,মোঙ্গলরা বাগদাদ নগরী দখল, নজীরবিহীন ধ্বংসকান্ডে লিপ্ত হয়।
১৩৯৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলের কেন্দ্রস্থলে ৬১০ বছরের পুরোনো গ্রেট সাউথ গেট নির্মাণ করা হয়। ১১-০২-২০০৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার ঐহিত্য গ্রেট সাউথ গেট পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। সিউলে প্রবেশের মূল ফটক ছিল এটি এবং পর্যটন কেন্দ্রেও ছিল।
১৫২৭ সালের ২৮ জুন, ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা প্রতিষ্ঠিত হয়। ২৮-০৬-২০০৯ তারিখ ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তার ৪৮২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হয়।
১৫৭৬ সালে পর্তুগীজরা পৌঁছল চীনদেশে।
১৬৭৪ সালে তাদের এ রকম একটি পুরনো ঐতিহ্য হচ্ছে পশ্চিম জাপানের ইয়াকুনি শহরে নিশিকি নদীর উপর ইটের গাঁথুনির উপর কাঠের সেতু ২শ' মিটার দৈর্ঘেযর এই সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল। অবশ্য বিভিন্ন সময়ে একে সংস্কার ও নবায়ন করা হয়েছে।
১৮২১ সালে সিংগাপুর জেনারেল হসপিটাল প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮২৮ সালের ২৮ ডিসেম্বর, ভূমিকম্পে জাপানের ৩০-সহস্রাধিক লোকের মৃত্যু।
১৮৩৪ সালে ব্রটিশ সরকার চীনের ব্যবসায়ে ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির যে একচেটে অধিকার ছিল সেটা তুলে দিয়ে সমস্ত ব্রিটিশ বণিককে এ ব্যবসা চালাবার অধিকার দিলেন।
১৮৪০ সালে ইংরেজরা চীনের সঙ্গে যুদ্ধ বাধিয়ে দিল, ১৮৬০ সালে প্রাচীন নগরী পিকিং আক্রমণ করে।
১৮৪১ সালের ২৬ জানুয়ারি, হংকং বৃটিশ সার্বেভৗম ভূখন্ডে পরিণত হয়।
১৮৪২ সালের ১ জানুয়ারি, কাবুলের কাছে ব্রিটিশ বাহিনী আত্মসমর্পণ করে।
১৮৪২ সালের ২৬ জুন, ব্রিটিশ সেনাবাহিনী চীনের সাংহাই বন্দর অধিকার করে।
১৮৪২ সালের ২৯ আগষ্ট, নানকিন চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে অ্যাংলো-চীন যুদ্ধ শেষ হয়।
১৮৪২ সালের ২৯ আগষ্ট, নানকিন চুক্তি অনুযায়ী হংকং ভূখন্ড বৃটেনকে ইজারা দেয়া হয়।
১৮৭০ সালে রিকশার উৎপত্তি জাপানে হয়।
১৮৭৩ সালের ৫ জুলাই, পারস্যের শাহ নাসির উদ্দিন কাচার ১৭-দিনব্যাপী বৃটেনে মৈত্রী সফর শেষ করেন।
১৮৭৭ সালে জাপানে টোকিও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৮২ সালে কোরিয়ার দরজা বাইরের জগৎকে খুলে দেওয়া হয়।
১৮৮৩ সালের ২৬ আগষ্ট, ইন্দোনেশিয়ার ক্রাকাতোয়া আগ্নেয়গিরিতে অগ্ন্যুৎপাতের ফলে ৩৬-হাজার লোকের প্রাণহানি ঘটে।
১৮৮৩ সালের ২৭ আগষ্ট, ইন্দোনেশিয়ায় বন্যা-জলোচ্ছাসে ৩৬ হাজার লোকের প্রাণহানি।
১৮৮৫ সালে চীন এবং ব্রিটিশদের মধ্যে বেশ ভদ্র শর্তেই দুয়ের মধ্যে সন্ধি হয়ে গেল।
১৮৮৯ সালে দ্বিতীয় আন্তর্জািতক স্থাপিত হল, তার লোকবল এবং মর্যাদাও ক্রমে বাড়তে লাগল।
১৮৯৪ সালের ১ আগষ্ট, চীন ও জাপানের মধ্যে যুদ্ধ শুরু।
১৮৯৫ সালের ২ জুন, জাপান চীনের কাছ থেকে ফরমোজা দখল করে নেয়।
১৯০০ সালের ১৩ জুন, চীনে বক্সার বিদ্রোহ শুরু হয়।
১৯০৯ সালে চীনা ইউনিভার্সিিট অফ মাইনিং এন্ড টেকনোলজি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯১১ সালের ৯ অক্টোবর, চীনে রাজতান্ত্রিক শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ শুরু হয়।
১৯১১ সালে চীনদেশে গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা ও সান ইয়াৎ সেনের রাষ্ট্রপতিপদ লাভ।
১৯১২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি, ভাইসরয় ইউয়ান শি-কাই চীনের কার্যকরী শাসক হন।
১৯১২সালের ১২ ফেব্রুয়ারি, মাঞ্চু রাজতন্ত্র উৎখাতের মধ্য দিয়ে চীন প্রজাতন্ত্রে পরিণত হয়।
১৯১২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি, চীনের সম্রাট পুই সিংহাসন ত্যাগ করেন।
১৯১৫ সালের ২০ মার্চ, চীনে ভয়াবহ ভূমিকম্পে ১০ সহস্রাধিক লোক নিহত হন।
১৯১৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি, স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আফগানিস্তানের অভ্যুদয়।
১৯১৯ সালের ২৭ মার্চ, আমানুল্লাহ র্কতৃক আফগানিস্তানের স্বাধীনতা ঘোষণা।
১৯১৯ সালে কোরিয়ানরা সবচেয়ে বড়ো বিদ্রোহ করে।
১৯২০ সালের ২৩ মে, এশিয়ার প্রথম কমিউনিষ্ট সংগঠন ''ইন্দোনেশিয়ার কমিউনিষ্ট পার্টি''।
১৯২০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর, প্রবল ভূমিকম্পে চীনে এক লাখ লোকের মৃত্যু ঘটে।
১৯২০ সালের ১৬ ডিসেম্বর,চীনের কানসু প্রদেশে ভূমি ধসে ১ লাখ ৮০ হাজার লোকের মৃত্যু।
১৯২১ সালের ৩১ মার্চ, মঙ্গোলিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা।
১৯২১ সালের ৫ মে, চীনে বিপস্নবী সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯২১ সালে চীনের ''কমিউনিষ্ট পার্টি'' প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯২১ সালের ১০ জুলাই, মঙ্গোলিয়া স্বাধীনতা লাভ করে।
১৯২১ সালের ২৩ আগষ্ট, প্রথম ফয়সল ইরাকের বাদশাহ হিসেবে অভিষিক্ত হন।
১৯২২ সালের ১১ সেপ্টেম্বর, ফিলিস্তিনে বৃটিশ ম্যান্ডেট ঘোষিত হয়।
১৯২৩ সালের ২৫ মে, ট্রান্স জর্ডান (জর্ডান রাজ্য) স্বাধীন হয়।
১৯২৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর, জাপানের টোকিও এবং ইয়োকোহামায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে দুই লাখ লোক নিহত হয়।
১৯২৩ সালের ১৯ অক্টোবর, কামাল পাশার নেতৃত্বে আধুণিক ধর্মিনরপেক্ষ রাষ্ট্র তুর্কি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯২৩ সালে গোটা জাপানে গাড়ি ছিল প্রায় এক লাখ। এর মধ্যে কার ৬৫ হাজার আর ট্রাক ৩৫ হাজার। ১৯২৯ সালে আমদানি করা হয় ১৬ হাজার গাড়ি, যেখানে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ছিল মাত্র এক হাজার। ১৯৩৩ সালে নিসান আর ১৯৩৭ সালে টয়োটার জন্মের মধ্য দিয়ে বড় মাপের ব্যবসা শুরু হয়। ২০০৮ সালে অটোমোবাইল রপ্তানি হয়েছে ছয় কোটি ৩০ লাখ ৫ হাজার ১৭টি, যার মধ্যে ২ কোটি ৪১ লাখ ৯৬০টি টয়োটা। জাপানে গাড়ির ব্যবসার সুদিনে ভাটা।
১৯২৬ সালের ৮ জানুয়ারি, বাদশাহ আবদুল আজিজ ইবনে সউদ জাজিরাতুল আরবের বাদশাহ হিসেবে অধিষ্ঠিত হন।
১৯২৬ সালের ২৬ মে, জাপানের তোকহি আগ্নেয়গিরির অগুৎপাতে কিতো শহর ধ্বংস হয়।
১৯২৬ সালের ২৫ ডিসেম্বর, সম্রাট হিরোহিতো জাপানের সিংহাসনে আরোহণ করেন।
১৯২৭ সালের ২২ মে, চীনের নানশাহে প্রচন্ড ভূমিকম্পে দুই লাখ লোকের মৃত্যু হয়।
১৯২৭ সালের ১ আগষ্ট, চীনের লালফৌজ গঠিত হয়।
১৯২৮ সালের ৬ অক্টোবর, চিয়াং কাইশেক চীনের প্রেসিডেন্ট নির্বািচত হন।
১৯৩০ সালের ৩০ মার্চ, বামপন্থী চীনা সাহিত্য সংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৩১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর, উত্তর-পূর্ব চীনে জাপানী আগ্রাসন শুরু হয় এবং জাপান মাঞ্চুরিয়া দখল করে নেয়।
১৯৩২ সালের ২৮ জানুয়ারি, জাপানীদের সাংহাই দখল।
১৯৩২ সালের ৩১ মে, জাপানের প্রধানমন্ত্রী কি ইনুকাই নিহত হন।
১৯৩৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি, জাপান 'লীগ অব নেশন' ত্যাগ করে।
১৯৩৩ সালে এভারেষ্টের ওপর দিয়ে বিমান-অভিযান।
১৯৩৪ সালের ২৭ জুন, সউদী আরব ও ইয়েমেন মরুযুদ্ধের সমাপ্তি ঘোষণা করে।
১৯৩৪ সালের ১৬ অক্টোবর, চীনে চিয়াং কাই-শেকের বিরুদ্ধে ১ লাখ সেনাসহ মাও সেতুং ৯ হাজার মাইল লংমার্চ শুরু করেন।
১৯৩৫ সালে মাও সেতুং দক্ষিণ চীনের জিয়াং জি প্রদেশ থেকে লং মার্চ শুরু হয়ে ৬(ছয) হাজার মাইল পথ অতিক্রম করে চীনের সানজি প্রদেশের উত্তরে ইয়েনানে কম্যুনিষ্ট বাহিনীর মধ্যে পৌঁছে।
১৯৩৭ সালের ৭ জুলাই, জাপান র্কতৃক চীন আক্রমণ এবং চীন-জাপানের যুদ্ধ আরম্ভ।
১৯৩৭ সালের ২২ সেপ্টেম্বর, চীনের কমিউনিষ্ট পার্টির সিদ্ধান্তক্রমে ১০ বছরব্যাপী গৃহযুদ্ধের অবসান।