১৯৩৮ সালে চীনে লীগ অব নেশনস জাপানী আগ্রাসনের নিন্দা করে।
১৯৪১ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি, তিরিশ বছর প্রবাস জীবন যাপনের পর হো-চি-মিন ভিয়েতনাম আসেন।
১৯৪১ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর, ইরানের রেজা শাহ পাহলভি সিংহাসন পরিত্যাগ করেন।
১৯৪১ সালের ৭ নভেম্বর, পার্ল হারবারে জাপানীদের বোমা আক্রমণ শুরু হয়।
১৯৪১ সালের ৩ ডিসেম্বর, জাপান পাল হারবার আক্রমণ করে।
১৯৪২ সালের ২ জানুয়ারি, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপান ম্যানিলা দখল করে।
১৯৪২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি, সিঙ্গাপুর জাপানের কাছে আত্মসমর্পণ করে।
১৯৪২ সালের ১০ মার্চ, জাপানীরা রেঙ্গুন দখল করেন।
১৯৪২ সালের ৬ এপ্রিল, জাপানী বিমান সর্বপ্রথম ভারতে বোমাবর্ষণ করে।
১৯৪২ সালের ৯ এপ্রিল, আমেরিকা ও ফিলিপিন্সের ৭৬-হাজার সৈন্যকে ৬৫-মাইল হাঁটিয়ে বন্দী শিবিরে নিয়ে যায় জাপানী বাহিনী। ব্যাটান ডেথ মার্চ' খ্যাত এ-যাত্রাপথে ৫ হাজার ৬শ'সৈনিক মরে।
১৮৪২ সালের ২৬ জুন, ব্রিটিশ সেনাবাহিনী চীনের সাংহাই বন্দর অধিকার করে।
১৯৪৪ সালের ২২ ডিসেম্বর, ভিয়েতনাম পিপলস পার্টি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৪৫ সালের ১২ মার্চ, কায়রো সনদ গ্রহণের মধ্য দিয়ে আরব লীগ গঠিত হয়।
১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট, জাপানের হিরোশিমায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের প্রথম পরমাণু বোমা নিক্ষেপ করলে ভয়াবহ ধ্বংসলীলা সাধিত হয়।
১৯৪৫ সালের ১৭ আগষ্ট, ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতা লাভ।
১৯৪৫ সালের ১৮ আগষ্ট, তাইওয়ান সরকার ঘোষণা করেছে যে, তাইহোফুতে নেতাজী সুবাস বসুকে নিয়ে কোন বিমান দুর্ঘটনা ঘটেনি।
১৯৪৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর, হো. চি. মিন ভিয়েতনামের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র প্রকাশ করেন।
১৯৪৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর, জাপানের নিঃশর্ত আত্মসমর্পেনর মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসান।
১৯৪৫ সালের ১৩ নভেম্বর, ড. আহমেদ সুকর্নো ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বািচত হন।
১৯৪৬ সালের ২২ মার্চ, জর্দােনর স্বাধীনতা লাভ।
১৯৪৬ সালে থাইল্যান্ডের রাজা ভূমিবল ক্ষমতায় বসেন। ১৮ বছর বয়সে রাজা ভূমিবল ক্ষমতায় বসেন।
১৯৪৬ সালের ৪ জুলাই, ফিলিপিন্স স্বাধীনতা লাভ করে।
১৯৪৭ সালের ৬ আগষ্ট, থেকে প্রতিবছর এই দিনে হিরোশিমা নগরীতে যুদ্ধবিরোধী শান্তি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। সারা বিশ্ব থেকে হাজার হাজার শান্তিকামী মানুষ হিরোশিমার শান্তি সরণি পার্কে জমায়েত হয়।
১৯৪৭ সালের ২৯ নভেম্বর, আফগানিস্তানকে বিভক্ত করে আরব ও ইহুদীদের জন্য পৃথক রাষ্ট্র গঠনকল্পে জাতিসংঘের প্রস্তাব।
১৯৪৮ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি, শ্রীলঙ্কা স্বাধীনতা লাভ করে।
১৯৪৮ সালের ১৪ মে, ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সবরকম আয়োজন সম্পন্নের পর সর্বেশষ বৃটিশ সেনাদলের ফিলিস্তিন ত্যাগ।
১৯৪৮ সালের ১৫ মে, ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৪৮ সালের ১৮ জুলাই, মিশর, সিরিয়া ও সউদী আরব একযোগে ইসরাইল আক্রমণ করে।
১৯৪৮ সালের ১৯ জুলাই, আরব-ইহুদী যুদ্ধবিরতি কার্যকর।
১৯৪৮ সালের ২৩ জুলাই, মালয়েশিয়ায় কমিউনিষ্ট পার্টি নিষিদ্ধ করা হয়।
১৯৪৮ সালের ১৫ আগষ্ট, কোরিয়া প্রজাতন্ত্র (দক্ষিণ কোরিয়া) গঠিত হয়।
১৯৪৮ সালের ৯ সেপ্টেম্বর, পৃথক রাষ্ট্র হিসেবে গণপ্রজাতন্ত্রী উত্তর কোরিয়ার প্রতিষ্ঠা লাভ।
১৯৪৮ সালে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইল নামক ইহুদি রাষ্ট প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরপরই ১০ লাখ আরবকে হতে হয় গৃহহীন।
১৯৪৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর, অপরাধকার্যে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে জাপানী প্রধানমন্ত্রী হিদেকি তোজো'র ফাঁসি হয়।
১৯৪৯ সালের ১৮ জুলাই, লাওসের স্বাধীনতা লাভ।
১৯৪৯ সালের ২১ সেপ্টেম্বর, চীন প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা।
১৯৪৯ সালের ১ অক্টোবর, গণপ্রজাতন্ত্রী চীন সরকার গঠিত হয়।
১৯৪৯ সালের ৯ ডিসেম্বর, ইন্দোনেশিয়ার প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৫০ সালের ১ মার্চ, গাজা ও আকাবা ছেড়ে দিতে ইসরাইলের সম্মতি।
১৯৫০ সালের ২৭ এপ্রিল, বৃটেন ইসরাইল রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়।
১৯৫০ সালের ২৫ জুন, উত্তর কোরীয় সেনাবাহিনী দক্ষিণ কোরিয়া আক্রমণ করলে কোরিয়ায় যুদ্ধ শুরু হয়।
১৯৫০ সালের ২ জুলাই, আমেরিকার সেনাবাহিনী দক্ষিণ কোরিয়ায় অবতরণ করে।
১৯৫০ সালের ২১ অক্টোবর, চীনের সেনাবাহিনী তিব্বত দখল করে।
১৯৫১ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি, নেপালে সাংবিধানিকভাবে রাজতন্ত্র কায়েম হয়।
১৯৫১ সালের ৭ জুলাই, কোরিয়ায় যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু।
১৯৫১ সালের ৪ সেপ্টেম্বর, জাপানে শান্তি সম্মেলনের অনুষ্ঠান সম্প্রচারের মধ্য দিয়ে আন্তঃ মহাদেশীয় টেলিভিশন সম্প্রচার শুরু।
১৯৫২ সালের ২৮ এপ্রিল, জাপান সার্বেভৗমত্ব ফিরে পায় ও গণপ্রজাতন্ত্রী জাপান প্রতিষ্ঠিত।
১৯৫৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি, নেপালের রাজা সাংবিধানিক রাজতন্ত্র কায়েম করেন।
১৯৫৩ সালের ২৯ মে, তেজিং নোরগে ও এ্যাডমন্ড হিলারী সর্বপ্রথম এভারেস্টে পদার্পন।
১৯৫৩ সালের ২৭ জুলাই, কোরিয়ার যুদ্ধবিরতির পর অস্ত্র সংবরণ চুক্তি স্বাক্ষর।
১৯৫৩ সালের ২৭ জুলাই, মালদ্বীপের স্বাধীনতা লাভ।
১৯৫৩ সালে ফ্রান্সের কাছ থেকে কম্বোডিয়া স্বাধীনতা লাভ করে।
১৯৫৪ সালের ২৯ এপ্রিল, তিব্বত নিয়ে ভারত ও চীনের মধ্যে পঞ্চশীলা চুক্তি সম্পাদন।
১৯৫৪ সালে কমিউনিস্ট উত্তর ও মার্কিন মদদপুষ্ট দক্ষিণ ভিয়েতনাম ভাগ হয়ে গিয়েছিল দেশটি। ভিয়েতনাম যুদ্ধের কিছু বিষয় এখনো দৃশ্যমান। ২১ বছর যুদ্ধের পর ১৯৭৫ সালের ৩০ এপ্রিল ভিয়েতনামের যুদ্ধ শেষ হয়।
১৯৫৪ সালের ৮ অক্টোবর, হো চি মিন-এর নেতৃত্বে সংগ্রামরত কমিউনিষ্টদের হ্যানয় দখলে।
১৯৫৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি, চীনে সেনাবাহিনীতে যোগদান বাধ্যতামূলক করা হয়।
১৯৫৫ সালের ২৩ এপ্রিল, ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহ্যবাহী বান্দুং নগরীতে আফ্রো-এশিয়ার নেতারা ঐতিহাসিক সম্মেলনে মিলিত হয়ে নির্জোট আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন।
১৯৫৬ সালের ২৭ জুলাই, প্রেসিডেন্ট নাসেরের উদ্যোগে মিসরে সুয়েজ খাল রাষ্ট্রায়ত্ত করা হয়
১৯৫৬ সালে বেজিং ইউনিভার্সিিট অফ চাইনিজ মেডিসিন প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৫৭ সালের ১১ এপ্রিল, সিঙ্গাপুরের স্বশাসন অর্জন।
১৯৫৮ সালের ৩০ জুন, সিলোনের(শ্রীলংকা) তামিলরা স্বাধীন রাজ্যের দাবী ঘোষণা করে।
১৯৫৯ সালের ১০ মার্চ, গণ-অভ্যুত্থান ব্যর্থ হলে তিব্বতের আধ্যাত্মিক নেতা দালাই লামা ভারতে গিয়ে আশ্রয় নেন। ১০-০৩-২০০৯ সালে ব্যর্থ অভ্যুত্থানের ৫০তম বার্ষিকী পালন।
১৯৫৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর, সুলতান শাসিত ব্রুনাই স্বায়ত্তশাসন লাভ করে।
১৯৫৯ সালের ২৬ অক্টোবর, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট পার্ক চুং হি নিহত হন।
১৯৬০ সালের ১৯ জানুয়ারি, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের মধ্যে নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৯৬০ সালের ২০ জুলাই, সিংহলের মিসেস শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে বিশ্বের সর্বপ্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বািচত হয়েছেন।
১৯৬০ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর, বাগদাদে তেল রফতানীকারক সংস্থা 'ওপেক' প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৬০ সালের ২০ ডিসেম্বর, দক্ষিণ ভিয়েতনাম জাতীয় মুক্তিফ্রন্ট গঠিত হয়।
১৯৬১ সালের ১০ জুন, কুয়েত স্বাধীনতা লাভ করে।
১৯৬৩ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর, মালয়েশিয়া স্বাধীনতা লাভ করে।
১৯৬৩ সালে দক্ষিণ কোরিয়া ছিল একটি দরিদ্র দেশ। সুদের হার ৮-শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশ। আবার জাপানে সুদ হার তেমন নেই বললেই চলে তারাও উন্নতি করিয়াছে।
১৯৬৪ সালের ২৮ মে, ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা (পিএলও) গঠিত হয়।
১৯৬৪ সালের ৯ আগষ্ট, স্বাধীন,সার্বেভৗম ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে 'সিঙ্গাপুর' স্বীকৃতি লাভ করে।
১৯৬৪ সালের ২০ সেপ্টেম্বর, আফগান পার্লােমন্টে নতুন সংবিধান অনুমোদন।
১৯৬৪ সালের ২ নভেম্বর, বাদশাহ ফয়সল সউদী আরবের সিংহাসনে আরোহণ করেন।
১৯৬৪ সালে চীন র্কতৃক পরীক্ষামূলক আণবিক বোমা বিস্ফোরণ।
১৯৬৫ সালের ২৫ জানুয়ারি, ইন্দোনেশিয়া জাতিসংঘ ত্যাগ করে।
১৯৬৫ সালের ২৬ জুলাই, মালদ্বীপের স্বাধীনতা লাভ।
১৯৬৫ সালের ৯ আগস্ট, সিঙ্গাপুর স্বাধীনতা লাভ করে।
১৯৬৭ সালে ৮ আগস্ট, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জাতিসমূহ প্রতিষ্ঠা করে আসিয়ান (অংংড়পরধঃরড়হ ড়ভ ঝড়ঁঃয ঊধংঃ অংরধহ ঘধঃরড়হং-অঝঊঅঘ).
১৯৬৮: গণভোটের মাধ্যমে দেশটির সুলতানকে সরানো হয়। মালদ্বীপে রাজতন্ত্রের অবসানের পর এটি একটি যুগান্তকারী ঘটনা। ইব্রাহিম নাসির প্রেসিডেন্ট হন। প্রজাতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়। ১৯৭৮: নাসির অবসর নেন এবং প্রেসিডেন্ট মামুন আবদুল গাইয়ূম মালদ্বীপের ক্ষমতায় ছিলেন ৩০ বছর। ভারত মহাসাগরের দক্ষিণে ১,১০০টি প্রবাল দ্বীপ নিয়ে মালদ্বীপ গঠিত হয়। ২০০৫ সালের ৫ জুন থেকে মালদ্বীপে বহুদলীয় ব্যবস্থা চালু হচ্ছে।
১৯৬৬ সালের ১৩ আগষ্ট, চীনের কমিউনিষ্ট পার্টি প্রধান মাও সেতুং চীন জাতির উদ্দেশ্যে সাংস্কৃতিক বিপস্নবের ডাক দেন।
১৯৬৭ সালের ৮ আগষ্ট, দক্ষিণ এশীয় জাতিসংঘের সংস্থা আশিয়ান প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৬৮ সালের ৩১ আগষ্ট, ইরানের খোরাসানে ভয়াবহ ভূমিকম্পে ১৮ হাজার লোক প্রাণ হারান।
১৯৬৯ সালের ৬ জুন, দক্ষিণ ভিয়েতনামে অস্থায়ী বিপস্নবী সরকার গঠিত হয়।
১৯৬৯ সালের ৩১ জুলাই, কম্বোডিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রিন্স সিহানুক পদত্যাগ করেন।
১৯৬৯ সালের ২১ আগষ্ট, ইসরাইল জেরুজালেমের পবিত্র মসজিদ আল আকসায় অগ্নিসংযোগ করে। পবিত্র মসজিদটি ধ্বংস করাই ছিল অগ্নিসংযোগের লক্ষ্য।
১৯৭০ সালের ১১ সেপ্টেম্বর, ইসলামী সম্মেলন সংস্থা (ওআইসি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৭১ সালের ২৭ জানুয়ারি, ভিয়েতনাম যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।
১৯৭১ সালের ১৮ জুলাই, ইরাক জর্ডােনর সাথে সম্পকোের্চ্ছদ করে।
১৯৭১ সালের ১৫ আগষ্ট, বৃটেনের আশ্রিত রাজ্য বাহরাইন-এর স্বাধীনতা লাভ।
১৯৭১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর, কাতারের স্বাধীনতা ঘোষণা।
১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি, বৃটেন কমিউনিষ্ট চীনে প্রথম রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করে।
১৯৭২ সালের ২০ মার্চ, জাপানের মাউন্টফুজি পর্বেত ওঠার সময় তুষারপাতে ১৯ পর্বতারোহীর মৃত্যু।
১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল, ইরানে ভয়াবহ ভূমিকম্পে ৩ সহস্রাধিক লোকের মৃত্যু, বিপুল সম্পদহানি।
১৯৭২ সালের ২২ মে, সিলোনের নাম পরিবর্তন করে শ্রীলংকা প্রজাতন্ত্র ঘোষিত হয়।
১৯৭২ সালের ১৮ জুলাই, প্রেসিডেন্ট সাদাত মিসর থেকে রুশ সামরিক উপদেষ্টাদের প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন।
১৯৭২ সালে স্বাধীন তামিল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গেরিলা সংগঠন এলটিটিই গড়ে তোলেন ভেলুপিল্লাই প্রভাকরণ। এলটিটিইর নেতা ভেলুপিল্লাই প্রভাকরণ কারও প্রিয় কারও শত্রু।
১৯৭৩ সালের ২৭ জানুয়ারি, ভিয়েতনামে যুদ্ধবিরতী কার্যকর হয়।
১৯৭৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি, ভিয়েতনাম মার্কিন যুদ্ধবন্দীদের প্রথম দলকে মুক্তি দেয়।
১৯৭৩ সালের ২৯ মার্চ, সর্বেশষ মার্কিন সেনাদল ভিয়েতনাম ত্যাগ করে।
১৯৭৩ সালের ১৬ জুলাই, আফগানিস্তানের শেষ বাদশাহ জহির শাহ ক্ষমতাচ্যুত হন।
১৯৭৩ সালের ২৭ জানুয়ারি, ভিয়েতনামে যুদ্ধবিরতী কার্যকর হয়।
১৯৭৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি, ভিয়েতনাম মার্কিন যুদ্ধবন্দীদের প্রথম দলকে মুক্তি দেয়।
১৯৭৩ সালের ২৯ মার্চ, সর্বেশষ মার্কিন সেনাদল ভিয়েতনাম ত্যাগ করে।
১৯৭৩ সালের ২৮ আগষ্ট, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বন্দী বিনিময় চুক্তি স্বাক্ষর।
১৯৭৩ সালের ৬ অক্টোবর, ইসরাইলের সাথে মিশর ও সিরিয়ার যুদ্ধ শুরু হয় এবং ২২ অক্টোবর, যুদ্ধবিরতি কার্যকর।
১৯৭৪ সালের ১৬ মে, ইসরাইলের একাধিক জঙ্গী বিমান দক্ষিণ লেবাননের কয়েকটি গ্রামে ৭টি ফিলিস্তিনী উদ্বাস্তুু শিবিরে প্রচন্ড হামলা চালিয়ে ২৭ জন ফিলিস্তিনী হত্যা ও ১৩৮ জনকে আহত করে।
১৯৭৪ সালে মালটায় সাধারণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা।
১৯৭৫ সালের ১৭ এপ্রিল, কম্বোডিয়ায় গৃহযুদ্ধের অবসান।
১৯৭৫ সালের ১৭ এপ্রিল, কম্বোডিয়ায় কমিউনিস্ট খেমাররুজ বাহিনীর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল।
১৯৭৫ সালের ১৮ এপ্রিল, কম্বোডিয়া আমেরিকার দখল থেকে মুক্ত হয়।
১৯৭৫ সালের ২৯ এপ্রিল, চীনের হাতে বৃটেন আনুষ্ঠানিকভাবে হংকং হস্তান্তর করে।
১৯৭৫ সালের ৩০ এপ্রিল, উত্তর ভিয়েতনামের কাছে মার্কিন সমর্থনপুষ্ট দক্ষিণ ভিয়েতনামের আত্মসমর্পেণর মধ্য দিয়ে ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসান হয়।
১৯৭৫ সালের ৩০ এপ্রিল, উত্তর ভিয়েতনাম ও ভিয়েত কং মুক্তি বাহিনীর কাছে সায়গলের তাঁবেদার সরকার বিনাশর্তে আত্মসমর্পণ করে।
১৯৭৫ সালের ১৭ মে, প্রথম মহিলা পর্বতারোহী জাপানের জুনকার এভারেষ্ট জয় করেন।
১৯৭৫ সালে চীনের নতুন সংবিধান ঘোষণা।
১৯৭৫ সালে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু)-এর জন্ম। আকুর সদস্যসংখ্য বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইরান, মিয়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলংকা। এ ৮টি দেশ বর্তমানে আকুর সদস্য। সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আন্তর্জািতক লেনদেন সহজ করা ও পারস্পারিক বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ কমানোর জন্য আকু স্থাপন করা হয় ১৯৭৫
১৯৭৬ সালের ৫ জুন, আট বছর বন্ধ থাকার পর সুয়েজ খাল পুনরায় খুলে দেয়া হয়।
১৯৭৬ সালের ২৪ জুন, উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম পুনরেকত্রীকরণ হয়।
১৯৭৬ সালের ২৮ জুন, ইসরাইল র্কতৃক জেরুজালেম দখল।
১৯৭৬ সালের ৬ জুলাই, চীনের কমিউনিষ্ট সামরিক নেতা জুদে'র মৃত্যু।
১৯৭৬ সালের ১২ অক্টোবর, চীনে মাও সেতুং-এর স্ত্রী জিয়াং জিংসহ আরো ৩-জন শীর্ষ রেডিক্যাল নেতা গ্রেফতার।
১৯৭৭ সালের ১৮ জুলাই, ভিয়েতনাম জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
১৯৭৮ সালের ১৭ জানুয়ারি, ইস্রায়েল-মিশর শান্তি সম্মেলন।
১৯৭৮ সালের ৫ মার্চ, ইরান-জার্মানীর সাথে কুটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে।
১৯৭৮সালের ১৬সেপ্টেম্বর,উত্তর-পূর্ব ইরানে প্রলয়ংকরী ভূমিকম্পে ২৫-হাজার লোকের মৃত্যু।
১৯৭৮ সালের ৮ ডিসেম্বর, ইসরাইলের প্রথম এবং বিশ্বের দ্বিতীয় মহিলা প্রধানমন্ত্রী গোল্ডামায়ার-এর মৃত্যু।
১৯৭৯ সালের ১৬ জানুয়ারি, প্রচন্ড গণবিক্ষোভের মুখে ইরানের শাহ মোহাম্মদ রেজা শাহ পাহলভী সিংহাসনচ্যুত হয়ে দেশ ত্যাগ করেন।
১৯৭৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি, ইরানের মরহুম নেতা খোমেনির নেতৃত্বে বিপস্নবের চুড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। তখন থেকে আমরা শুনতে থাকি যে, ফান্ডামেন্টালিজম বা মৌলবাদ বা মৌলবাদী রাজনীতির কথা। এর পূর্বে কখনও মৌলবাদ বা মৌলবাদী রাজনীতির কথা শুনিনি।
১৯৭৯ সালের ১ এপ্রিল, ইরানে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ঘোষিত হয়।
১৯৭৯ সালের ১৬ জুলাই, সাদ্দাম হোসেন ইরাকের প্রেসিডেন্ট হিসেবে হাসান আল বকরের স্থলাভিষিক্ত হন।
১৯৮০ সালের এপ্রিল মাসে তেহরানে মার্কিন দূতাবাসে কর্মরত ৫২ জনকে জিম্মি করা হয়। ৭ মাস পর প্রেসিডেন্ট জিম্মি কার্টােরর নির্দেেশ তাঁদেরকে উদ্ধারে একটি সামরিক অভিযান চালানো হয়। রাতের অন্ধকারে মিসর থেকে সামরিক হেলিকপ্টারগুলো উড়ে ইরান ভূখন্ডে প্রবেশ করে। কিন্তু তাবাস মরুভূমিতে এসব হেলিকপ্টার ধুলিঝড়ে বিধ্বস্ত হয়।
১৯৮০ সালের ১৯ জুলাই, তুরস্কের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নিহাত এরিস নিহত।
১৯৮০ সালের ১২ সেপ্টেম্বর, সামরিক অভ্যুত্থান হয়েছিল।
১৯৮০ সালের ২২ সেপ্টেম্বর, ইরান ও ইরাকের অঘোষিত যুদ্ধের শুরু।
১৯৮০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর, কমিউনিষ্ট পার্টির পলিটব্যুরো দলটির সব সদস্য ও তরুণ কমিউনিষ্ট-কর্মীর কাছে একটি খোলা চিঠি পাঠায়। চিঠিতে তাঁদের এক সন্তাননীতি গ্রহণ করার আহবান জানান। গত ৩০ বছরে ২০১০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর, চীনে এক সন্তান নেওয়ার কারণে ৪০ কোটি লোক কম জন্মেছে।
১৯৮১ সালের ৭ জুন, ৮টি ইসরাইলী জেট জঙ্গী বিমান মাত্র এক মিনিটেরও কম সময়ে বাগদাদের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত ইরাকের নির্মাণাধীন একটি পারমাণবিক চুল্লিতে ১৬টি এক টন ওজনের বোমা নিক্ষেপ করে পরমাণু স্থাপনাটি ধ্বংস করে দেয়। আর এভাবেই ইরাকী প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের পরমাণু কর্মসূচী নস্যাৎ করে দেয়। কোন যুক্তি বা কারণ ছাড়াই ইরাকের পারমাণবিক গবেষণাগারটি অতর্কিত বিমান আক্রমণে ইসরাইল যখন বিধ্বস্ত করে দেয় তখন কি তথাকথিত 'সভ্যতার সংঘাত' শুরু হয়েছিল না তখন 'সন্ত্রাসের বিপক্ষে যুদ্ধ' ঘোষিত হয়েছিল? মূলত এ সবই ফাঁকা শেস্নাগান আর চাতুর্যপূর্ণ ভনিতা।