২০১১ সালের ২৮ জানুয়ারি, প্রথম আলো: ইরাকের রাজধানী বাগদাদে ২৭-০১-২০১১ তারিখ ধারাবাহিক বোমা হামলায় নিহত ৪৯ জন।

২০১১ সালের ৩০ জানুয়ারি, প্রথম আলো: সৌদি আরবের জেদ্দায় প্রবল বৃষ্টিপাতের প্রভাবে সৃষ্ট বন্যায় এক বাংলাদেশিসহ ১১ জনের মৃত্যু।

২০১১ সালের ৩০ জানুয়ারি, প্রথম আলো: মিসরের প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারকের পদত্যাগের দাবিতে কায়রোতে বিক্ষোভের সময় পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়। বিক্ষোভে জ্বলছে মিসর সংঘর্ষে নিহত ৭৪ জন। মন্ত্রিসভা ভেঙে দিয়েও বিপাকে মোবারক।

২০১১ সালের ৩০ জানুয়ারি, প্রথম আলো: জনতার নিয়ন্ত্রণে কায়রো। এ পর্যন্ত সংঘর্ষে নিহত হয় ১২৫ জন।

২০১১ সালের ১ মার্চ, প্রথম আলো: পরিসংখ্যান ব্যুরো জানায়, তারা ২০১০ সালের তথ্য প্রকাশ করেছে। চীনের জনসংখ্যা ১৩৪ কোটি। ২০০০ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, চীনের জনসংখ্যা ছিল ১২৯ কোটির কিছু বেশি। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে ১৯৮০ সালে দেশটি 'এক শিশু' নীতি গ্রহণ করে। এ নীতি গ্রহণের মাধ্যমে ৪০ কোটি জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়েছে। ১৯৫৩ সালে প্রথম আদমশুমারি অনুযায়ী দেশটির জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৬০ কোটি।

২০১১ সালের ১৫ আগষ্ট, প্রথম আলো: আফগানিস্তানে জঙ্গি হামলা, নিহত ১৯ জন।

২০১১ সালের ২১ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: ফিলিপাইনে ঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৫৭ জন।

২০১২ সালের ৩ জানুয়ারি, প্রথম আলো: ব্রিটিশ বেসরকারি সংস্থার তথ্য: ইরাক যুদ্ধে নিহতদের বেশির ভাগই বেসামরিক নাগরিক। ইরাকে দীর্ঘ নয় বছরের সংঘাতে এক লাখ ৬২ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে। নিহত ব্যক্তিদের ৮০ ভাগই মানে এক লাখ ১৪ হাজার বেসামরিক নাগরিক। এএফপি।

২০১২ সালের ১৭ জানুয়ারি, দৈনিক জনকন্ঠ: ১১১ বছরের ইরাকী মহিলার মার্কিন নাগরিকত্ব লাভ-ওয়ারিনা জারা বাহু।

২০১২ সালের ১৭ জানুয়ারি, প্রথম আলো: আফ্রিকায় বিশ্বব্যাংকের চেয়ে বড় ঋণদাতা চীন।

২০১২ সালের ৩১ জানুয়ারি, প্রথম আলো: আগামী শতকে জাপানের জনসংখ্যা দুই-তৃতীয়াংশ কমতে পারে। বর্তমান জনসংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ হলেও ২০৬০ সালের মধ্যে তা আট কোটি ৬৭ লাখে নেমে আসতে পারে এবং এভাবে চলতে থাকলে ২১১০ সালে জনসংখ্যা চার কোটি ২৯ লাখে নেমে আসবে।

২০১২ সালেও চীনের প্রতিরক্ষা বাজেট এবারও ডবল ডিজিটে বাড়ল-১০,৬৪১ কোটি ডলার করা হয়েছে।

২০১২ সালের ১৪ মে, প্রথম আলো: কুসুন্দা ভাষার শেষ উত্তরাধিকারী। নেপালের পশ্চিমাঞ্চলের প্রত্যন্ত এলাকার এক নারী জ্ঞানী মায়া সেন। বয়স ৭৫ বছর। জীবিকার জন্য এই বয়সেও নিয়মিত পাথর ভাঙার মতো কষ্টসাধ্য কাজ করতে হয় তাঁকে। মায়া সেনের এই সংগ্রামের কাহিনীর সঙ্গে জড়িয়ে আছে গোটা পৃথিবী। তিনি পৃথিবীর একটি ঐতিহ্যের শেষ উত্তরাধিকারী। মানবসভ্যতার বিরলতম এক ইতিহাস তাঁর ধমনিতে বহমান। সাবলিলভাবে 'কুসুন্দা' ভাষা বলতে পারেন, পৃথিবীতে একমাত্র ব্যক্তি তিনিই। এমনকি আদীবাসী কুসুন্দা সম্প্রদায়ের লোকজনও এই ভাষায় কথা বলতে পারে না। মায়া সেনের আশঙ্কা, তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে পৃথিবী থেকে হারিয়ে যাবে এই ভাষা।

২০১২ সালের ১৬ মে, প্রথম আলো: নেপালে ১১টি অঙ্গরাজ্য গঠন করা হচ্ছে।

২০১২ সালের ৫ আগস্ট, দৈনিক জনকন্ঠ: টয়োটার ব্যাপক মুনাফা।। ৯৭ লাখ গাড়ি উৎপাদনের লক্ষমাত্রা।

২০১২ সালের ১০ নভেম্বর, বাংলাদেশ প্রতিদিন: তাইওয়ানে প্রথম দুই নারীর বিয়ে।

২০১৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: চীনে ধনী-গরিবের ব্যবধান বেড়েছে-২৭ লাখ মিলিয়নিয়ার এবং ২৫০ জন বিলিয়নিয়ার রয়েছে। অথচ জনগোষ্ঠীর ১৩ শতাংশের দৈনিক আয় ১ দশমিক ২৫ ডলারেরও কম। এই তথ্য ঝাতিসংঘের।

২০১৩ সালের ৬ মার্চ, বাংলাদেশ প্রতিদিন: ১৯২ বাড়ির মালিক একজনই। চীনের সাবেক পুলিশ প্রধান তিনি। চীনের এক পুলিশ কর্মকর্তা ভূয়া পরিচয়পত্র ব্যবহার করেই তিপনি বাড়িগুলো কিনেছেন। চীনের শীর্ষ দুর্নীিতবাজের মধ্যে অন্যতম দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের লিউফেং শহরের ঝাও হাই বিন।

২০১৩ সালের ৭ এপ্রিল, দেনিক জনকন্ঠ: বায়ুদূষণে চীনে বছরে ১২ লাখ মানুষের অকাল মৃত্যু।

২০১৩ সালের ১১ মে, দৈনিক জনকন্ঠ: নদীর বয়স ২ কোটি ৩০ লাখ বছর। চীনের ইয়াংছি বিশ্বের তৃতীয় দীর্ঘতম নদী। উৎস থেকে হিসাব করলে নদীটির দৈর্ঘয ৩ হাজার ৯৮৮ মাইল বা ৬ হাজার ৪১৮ বর্গিকলোমিটার। আন্তর্জািতক বিজ্ঞানীদের একটি দল গবেষণার পর বলছে নদীটির উৎপত্তি আজ থেকে কমপক্ষে ২ কোটি ৩০ লাখ বছর আগে। আর নদীটির উৎপত্তিকাল ৩ কোটি ৬৫ লাখ বছরের বেশি নয়। এ সময় সীমার মধ্যেই এর উৎপত্তি হয়। চীন, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্টেলিয়ার বিশেষজ্ঞরা এ গবেষণাটি পরিচালনা করেন। তিব্বতীয় মালভূমির হিমবাহ থেকে নদীটি প্রবাহিত হচ্ছে।

২০১৪ সালের ৯ মার্চ, দৈনিক জনজন্ঠ: ২৩৯ জন আরোহী নিয়ে চীন সাগরে মালয়েশিয়া বিমান বিধ্বস্ত-উদ্ধার অভিযানে অংশ নিয়েছে ৫ দেশ এবং আরো ২৬ দেশ। এখনো পর্যন্ত বিমানের সন্ধান পায়নি।

২০১৪ সালের ৫ অক্টোবর, প্রথম আলো: ১৭তম ইনচন এশিয়াডের চুড়ান্ত পদক তালিকা। চীনের সঙ্গেই চীনের লড়াই। ১৭তম এশিয়ান গেমসের চূড়ান্ত পদক-তালিকায় চীন। নিচে পদক তালিকা দেয়া হলো :

ক্রমিকসোনারুপাব্রোঞ্জমোট
চীন১৫১১০৯৮৩৩৪৩
দক্ষিণ কোরিয়া৭৯৭১৮৪২৩৪
জাপান৪৭৭৬৭৬১৯৯
কাজাখস্তান২৮২৩৩৩৮৪
ইরান২১১৮১৮৫৭
থাইল্যান্ড১২০৭২৮৪৭
উত্তর কোরিয়া১১১১১৪৩৬
ভারত১১০৯৩৭৫৭
চীনা তাইপে১০১৮২৩৫১
কাতার১০০০০৪১৪
উজবেকিস্তান০৯১৪২১৪৪
বাহরাইন০৯০৬০৪১৯
হংকং০৬১২২৪৩৬
মালয়েশিয়া০৫১৪১৪৩৩
সিঙ্গাপুর০৫০৬১৩২৪
মঙ্গোলিয়া০৫০৪১২২১
ইন্দোনেশিয়া০৪০৫১১২০
কুয়েত০৩০৫০৪১২
সৌদি আরব০৩০৩০১০৭
মিয়ানমার০২০১০১০৪
ভিয়েতনাম০১১০২৫৩৬
ফিলিপাইন০১০৩১১১৫
পাকিস্তান০১০১০৩০৫
তাজিকিস্তান০১০১০৩০৫
ইরাক০১০০০৩০৪
আমিরাত০১০০০৩০৪
শ্রীলঙ্গা০১০০০১০২
কম্বোডিয়া০১০০০০০১
ম্যাকাউ০০০৩০৪০৭
কিরগিজস্তান০০০২০৪০৬
জর্ডান০০০২০২০৪
তুর্কেমনিস্তান০০০১০৫০৬
বাংলাদেশ০০০১০২০৩
লাওস০০০১০২০৩
আফগানিস্তান০০০১০১০২
লেবানন০০০১০১০২
নেপাল০০০০০১০২

২০১৫ সালের ২৫ এপ্রিল, (আর পত্রিকার হিসেবে ২৬ এপ্রিল) ভূমিকম্পে নেপালে শনিবার দুপুর ১২টা ১১মিনিটের সময় কেঁপে উঠল বাংলাদেশ। এ ভূমিকম্পে জীবিত উদ্ধারের আশা আর নেই ০৩-০৫-২০১৫ তারিখ। নিহতের সংখ্যা সাড়ে ছয় হাজার ছাড়াল।

২০১৫ সালের ১৬ আগস্ট, প্রথম আলো : এশিয়া প্যাসিফিকের একক মোবাইল ব্যবহারকারী শীর্ষ-১০ দেশ। একক ব্যববহারকারী-মোট জনসংখ্যা। সূত্র-জিএসএমএ।

ক্রদেশএকক ব্যবহারকারীর সংখ্যাবর্তমান লোকসংখ্যাজনগণের কত ভাগ ব্যবহার
করে
চীন৬৭ কোটি ২০ লাখ১৪০ কোটি৪৮ ভাগ
ভারত৪৬ কোটি ৮০ লাখ১২৭ কোটি ৯০ লাখ৩৬.৫৯ ভাগ
জাপান১১ কোটি ৬০ লাখ১২ কোটি ৭০ লাখ৯১.৩৪ ভাগ
ইন্দোনেশিয়া১০ কোটি ৬০ লাখ২৫ কোটি ৫০ লাখ৪১.৫৭ ভাগ
বাংলাদেশ৬ কোটি ৭০ লাখ১৬/১৭ কোটি৪১.৮৭/৩৯.৪১
পাকিস্তান৫ কোটি ৯০ লাখ১৮ কোটি ৭০ লাখ৩১.৫৫ ভাগ
ভিয়েতনাম৫ কোটি ২০ লাখ৯ কোটি ৩০ লাখ৫৫.৯১ ভাগ
ফিলিপাইন৫ কোটি ১০ লাখ১০ কোটি ১০ লাখ৫০.৪৯ ভাগ
কোরিয়া৪ কোটি ৫০ লাখ৫ কোটি৯০ ভাগ
থাইল্যান্ড৩ কোটি ৮০ লাখ৬ কোটি ৭০ লাখ৫৬.৭২ ভাগ

সারা বিশ্বে মুঠোফোনের একক ব্যবহারকারী প্রায় ৩৬০ কোটি। এর মেধ্য এশিয়া ৫০টি দেশে মুঠোফোন ব্যবহারকারী ১৮০ কোটি। অর্থাৎ বিশ্বের মোট মুঠোফোন ব্যবহারকারীর ৫০ শতাংশের অবস্থান এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে।

২০১৫ সালের ২১ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো : নেপালের নতুন সংবিধান গৃহীত। নতুন সংবিধানে যা যা থাকছে-(১) ধর্মিনরপেক্ষ রাষ্ট্র (২) ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা (৩) প্রাচীন যুগ থেকে প্রচলিত ধর্ম ও সংস্কৃতির সুরক্ষা (৪) ধর্মান্তরকরণ নিষিদ্ধ (৫) ধর্মীয় ও লৈঙ্গিক সংখ্যালঘুদের প্রতি বৈষম্য নিষিদ্ধ (৬) সমকামী, উভয়কামী ও তৃতীয় লিঙ্গের সুরক্ষা(এশিয়ার মধ্যে প্রথম) ও (৭) জাতীয় ফুল রডোডেনড্রন, জাতীয় পশু গরু।

২০১৫ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো : মিনায় পদদলিত হয়ে ৭৬৯ জন হাজির মৃত্যু।

ভারত:

খ্রিষ্টপূর্ব ১৯০০ সালে আর্যগণ র্কতৃক উত্তর ভারত দখল।

খ্রিষ্টপূর্ব ১৫০০ সালে হিন্দু ধর্মের জন্ম।

খ্রীষ্টপূর্ব ৫৫১-৪৭৯ কনফুসিয়াস।

খ্রিষ্টপূর্ব ৩২৭: আলেকজান্ডার র্কতৃক ভারত আক্রমণ।

খৃষ্টপূর্ব ৩২২: চন্দ্রগুপ্তের সিংহাসনে আরোহণ।

খ্রিষ্টপূর্ব ৩২২: চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য র্কতৃক বাংলা অধিকার।

খৃষ্টপূর্ব ২৭৩: অশোকের সিংহাসনে আরোহণ।

খৃষ্টপূর্ব ১৮৭: মৌর্য বংশের পতন।

৫৭ খৃষ্টপূর্ব-এর ২৩ ফেব্রুয়ারি, রাজা বিক্রমাদিত্য শক রাজাকে পরাজিত করেন।

৭৮ সালে কণিকের সিংহাসন আরোহণ।

১০০ সালে আর্যগণের বাংলায় আগমণ।

৩১৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি, চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য পাটলীপুত্রের সম্রাট হিসেবে কার্যভার গ্রহণ।

৩৮০ সালে বিক্রমাদিত্যের সিংহাসন লাভ।

৬০০ সালে বঙ্গ ও গৌড়ের উত্থান।

৬০৬ সালে গৌড় রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়।

৬০৬ সালে শশাংকের গৌড় সিংহাসন লাভ।

৬১৯ সাল পর্যন্ত শশাংক ভারতবর্ষ শাসন করেন।

৬২৯ সালে হিউ-এন-সাং-এর ভারতে আগমন।

৬৩২ সালের ১৬ জুন, ইরান ও ভারতীয় পারসিক সমাজে প্রচলিত জোরাস্তীয় পঞ্জিকা প্রবর্তিত হয়।

৬৩৪ সালে হিউয়েন সাং-এর বাংলায় আগমণ।

৭১২ সালে আরব দেশের মুসলমানদের বাংলায় আগমণ।

৭১২ সালের ২ জুলাই, রাওয়ার যুদ্ধ, মুহাম্মদ বিন কাশিম র্কতৃক রাজা দাহিরকে পরাজিত করে সিন্ধু বিজয়।

৭১২ সালে ভারত উপমহাদেশে ইসলামের সূত্রপাত হয়।

৭১১ সালের ১৯ জুলাই, সেনাপতি তারেক-এর স্পেন বিজয়।

৭১২ সালের ২ জুলাই থেকে ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পর্যন্ত ভারতবর্ষ মুসলমানদের শাসন ছিল। ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন থেকে ১৯৪৭ সালের ১৪ আগষ্ট পর্যন্ত ছিল ভারতবর্ষে ইংরেজদের শাসন। এ দীর্ঘসময় তাদের অতিবাহিত হয়েছে বিনদেশী মুসলিম ও ইংরেজ শাসকদের অধীনে। ১৯৪৭-পূর্ব দীর্ঘ এ দু'কাল মিলে ১২শ' বছরেরর অধিককাল ভারতবর্ষ পরাধীন ছিল।

৭৫০ সালে পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা-গোপাল পাল। পাল বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা 'ধর্মপাল'।

৭৭০ সালে ধর্ম পালের সিংহাসন আরোহণ।

১০০৬ সালে সুলতান মামুদের ভারত আক্রমণ।

১০১৯ সালের ৮ জুলাই, সুলতান মাহমুদের দূত খলীফা কাদের বিল্লাহ'র দরবারে পৌঁছে।

১০৫০ সালে সেন বংশের উত্থান।

১০৫২ সালে রাজপুতরা লালকেল্লা(জবফভড়ৎফ) নামে দুর্গ শহর গড়ে তুলেছিল দিল্লীতে। ১১৯২ সালে মুসলিম সুলতান শেহাবউদ্দীন মোহাম্মদ ঘোরীর সেনাপতি সে দুর্গ অধিকার করে কায়েম করেন সুলতানী শাসন। ১৩৯৮ সালে দুর্ধর্ষ আক্রমণকারী চেংগীজ খাঁ'র আক্রমণে ও লুন্ঠনে লন্ডভন্ড হয় দিল্লী। ১৫৫৬ সালে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে সম্রাট বাবর পরাজিত করেন ইব্রাহীম লোদীকে। ভারতবর্ষে প্রতিষ্ঠা করেন মোঘল সাম্রাজ্য। তিনি রাজধানী স্থাপন করেন আগ্রায়। দিল্লীকে রাজধানী করার সিদ্ধান্ত নেন সম্রাট শাহজাহান। ১৬৩৮ সালে নির্মাণ করেন চারদিক ঘিরে সুউচ্চ প্রস্তর প্রাচীর এবং প্রাচীর অভ্যন্তরে প্রতিষ্ঠা করেন সুবিখ্যাত লালকেল্লা (জবফভড়ৎফ)। রেডফোর্ডের সম্মুখভাগে, অদূরে ১৬৪৪-৫৮ সালে সম্রাট শাহজাহান নির্মাণ করেন এ জামে মসজিদ। ১৭৩৯ সালে নাদীর শাহ র্কতৃক লুন্ঠিত হয় দিল্লী। তিনি ময়ূর সিংহাসন ও কোহিনূর মনি নিয়ে যান নিজ দেশ পারস্যে। ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহ (প্রথম আজাদী লড়াই) ব্যর্থ হওয়ার মধ্যদিয়ে প্রতিষ্ঠা লাভ ব্রিটিশ শাসন। ১৯১২-১৯৩১ পর্যন্ত পুরানা দিল্লীই থাকে ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী। নয়াদিল্লী নির্মাণ সমাপ্ত হলে সেখানে হয় রাজধানী স্থানান্তরিত। যে স্থানটিতে ক্রীড়াকেন্দ্র সেখানে শ্বেতাঙ্গ শাসকদের দিল্লী দরবার বসেছিল ১৮৭৭ সালে, ১৯০৩ সালে ও ১৯১১ সালে। ওই লালকেল্লায় ১৮৭৭ সালে ইংল্যান্ডের মহারানী ভিক্টোরিয়াকে ঘোষণা করা হয়েছিল ভারতসম্রাজ্ঞী। তারপর ১৯৪৭ সালের ১৫ আগষ্ট ইউনিয়ন জ্যাক হল চিরদিনের জন্য অবনমিত, অপসারিত। উড্ডীন হল স্বাধীন ভারতের জাতীয় পতাকা।

১০৭৪ সালে হেমন্ত সেনের সিংহাসন লাভ।

১০৯৭ সালে বিজয় সেনের সিংহাসন লাভ।

১০৯৮ থেকে ১১৬০ সাল পর্যন্ত বিজয় সেনের রাজত্বকাল।

১১২৪ সালে পাল বংশের বিলুপ্তি ঘটে।

১১৩৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর, মুর বাহিনীর কাছে আরাগঁর রাজা আলকমের পরাজয়।

১১৫৮ সালে বল্লাল সেনের সিংহাসন লাভ।

১১৭৩ সালে মুহাম্মদ ঘোরী গজনীর শাসনভার গ্রহণ করেন।

১১৭৭ সালের ৩০ জুন, বয়লার যুদ্ধে ফিরিঙ্গীদের হাতে অসংখ্য মুসলমানের শাহাদাত বরণ।

১১৭৯ সালে লক্ষণ সেনের সিংহাসন লাভ।

১১৮৬ সালে মুসলমানের ভারত আক্রমণ। ১১৯১ সালে পৃথ্বিরাজ চৌহান জয়ী হয়।

১১৯২ সালে পৃথ্বিরাজ চৌহানকে পরাস্ত করে সাহাবুদ্দিন ভারতে মুসলমানের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।

১১৯২ সালে পৃথ্বিরাজ চৌহানকে পরাজিত করে (পৃথ্বিরাজ পরাজয়ের পর ও মৃত্যুবরণ করে)। ১১৯৩ সালে সুলতান কুতুবদ্দীন আইবেক দিল্লীতে প্রতিষ্ঠা করেন একটি মসজিদ। তার নাম দেন কুওতুল ইসলাম। এর ১৬০ ফুট দূরে শুরু করেন একটি মিনার নির্মােণর কাজ। কিন্তু শেষ করে যেতে পারলেন না কুতুবদ্দীন। তাঁর ইন্তেকালের পর সুলতান হলেন তাঁর জামাতা ইলতুতমিশ। তিনিই সমাপ্ত করলেন নির্মাণ কাজ (১২৩১-৩২ খ্রি.) এবং তাঁর পীর হযরত কুতুবউদ্দীন বখতিয়ার কাকী (রহ.)-এর নামানুসারে নামকরণ করলেন 'কুতুবমিনার'। স্থাপত্যের এক অপূর্ব নিদর্শন কুতুবমিনার। পৃথিবীর এ জাতীয় সুন্দরতম সৌধরাজির মধ্যে এটি একটি। ভারতীয় উপমহাদেশের প্রাচীনতম স্মৃতিসৌধসমূহের মধ্যে কুতুবমিনার অন্যতম। উচ্চতা ২৪০ ফুট।

১১৯৬ সালে প্রথম ধর্মযুদ্ধ শুরু হয়।

১২০৪ সালে বখতিয়ার খিলজীর বাংলার শাসনভার গ্রহণ।

১২০৪ সাল সেন বংর্শের অবসান হয়।

১২০৪ সালে বখতিয়ার খিলজী বাংলা আক্রমণ করেন।

১২০৫ সালে মুসলমানের বঙ্গ বিজয় বাংলার জন্য এক নবযুগের সূচনা করে। বাংলা ভাষার অনুকুল পরিবেশের সৃষ্টি হয় এবং প্রধান ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবার সুন্দর সুযোগ-সুবিধাও আসে। মুসলমানের বাংলা বিজয়ের সূচনায় বলতে গেলে বাংলা সাহিত্যে উল্লেখযোগ্য তেমন কিছুই ছিল না। ইখতিয়ার উদ্দিন বিন বখতিয়ার খিলজী র্কতৃক বঙ্গ বিজয় ও মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠার পূর্বেই তৎকালীন বাংলায় অনেকগুলি মুসলিম জনপদ গড়ে ওঠে। ১২০৫ থেকে ১৭৫৭ সাল পর্যন্ত মুসলিম শাসনামলে মুসলিম জনসংখ্যা আরও বৃদ্ধি পায়।

১২০৫ সালের ১০ মে, বখতিয়ার খিলজীর বঙ্গ বিজয়ের মাধ্যমে এ অঞ্চলে ফার্সী ভাষা চর্চার এক নতুন অধ্যায় সূচিত হয়। দীর্ঘ সাড়ে ছয়শত বছর (১২০৩ সাল থেকে ১৮৩৮ সাল পর্যন্ত ফার্সী ভাষা এতদঞ্চলের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত ছিল)।

১২০৫ সালের পর থেকে বঙ্গদেশে প্রথম মুসলমান হন দিনাজপুর অঞ্চলের বাসিন্দা জাতিতে মঙ্গোলিয়ান কোচ নামে পরিচিতি। বখতিয়ার খিলজী র্কতৃক বঙ্গ বিজয় ও মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠার পূর্বেই কোচ নেতাকে ইসলাম ধর্মে রুপান্তরিত করে নাম রাখা হয় মোহাম্মদ আলী কোচ। সে-ই বঙ্গদেশের প্রথম মুসলমান বলে প্রমাণিত হয়।

১২০৬ সালের ৯ জুন, কুতুবউদ্দিন আইবেক দিল্লীর স্বাধীন সুলতান পদে আসীন হন।

১২০৬ সালের ২৪ জুলাই, কতুবুদ্দিন আইবেকের সিংহাসন আরোহণ।

১২১১ সালে ইলতুতমিশ দিল্লীর সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হয়। ১২১১-১২৩৬ সাল পর্যন্ত রাজত্বকাল ছিল।

১২২৬ সালের ২৭ এপ্রিল, বাবর দিল্লীর বাদশাহ হন এবং মোগল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়।