২০০৩ সালের ইত্তেফাক পত্রিকার খবর: ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের রায়-সরকারী কর্মচারীদের ধর্মঘট করার অধিকার নেই বলে গত বুধবার(০৬-০৮-২০০৩ তারিখ) এক যুগান্তকারী রায় দিয়ে বলেছেন, ধর্মঘটের ফলে নাগরিকদের অসুবিধা ও অর্থনীতির ক্ষতি হয়।

২০০৩ সালের ২৭ জুন, গুজরাটে ১৪ মুসলমানকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগে জড়িত ২২ হিন্দুকে ভারতের আদালত নির্দোষ ঘোষণা করে।

২০০৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর, ভারতের গুজরাটে আবারও হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গা শুরু হয়।

২০০৩ সালের ৭ ডিসেম্বর, ভারতের হায়দরাবাদে হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গায় ৬ জন নিহত। ১৯ জন গুলিবিদ্ধ।

২০০৪ সালের ২৩ জানুয়ারি: প্রিয়াংকা-রাহুল এখন কংগ্রেসের সদস্য।

২০০৪ সালের ৩০ জানুয়ারি, হিন্দুস্থান অবশ্যই একটি হিন্দু রাষ্ট্র প্রত্যেক ভারতীয়ই হিন্দু: আরএসএস (রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ)।

২০০৪ সালের ২২ মার্চ, রাহুল গান্ধী আমেথি থেকে নির্বাচন করবেন: রাহুল গান্ধী হলো সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর ছেলে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী হলো সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর ছেলে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী হলো ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী পন্ডিত জওহর লাল নেহেরুর মেয়ে, ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী পন্ডিত জওহর লাল নেহেরু হলো কংগ্রেস-এর সাবেক সাধারণ সেক্রেটারী পন্ডিত মতি লাল নেহেরুর ছেলে। রাহুল রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হলে তিনি হবেন নেহেরু পরিবারের ৫ম প্রজন্ম।

২০০৪ সালের ৩১ মার্চ, এএফপি: গতকাল বিজেপি'র নয়াদিল্লীস্থ সদর দপ্তরে দলীয় 'ভিশন ডকুমেন্ট' উপস্থাপনকালে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি প্রেসিডেন্ট ভেংকাইয়া নাইডু (মাঝে), বিজেপি নেতা প্রমোদ মহাজন (বামে) ও যশোবস্ত সিং (ডানে)। ২০২০ সাল নাগাদ ভারতকে একটি পরাশক্তি ও শিল্পোন্নত দেশে পরিণত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে: বিজেপি। দলের লক্ষ্য-পরিকল্পণা ঘোষণা: গরু জবাই নিষিদ্ধ। রামমন্দির নির্মাণ করা হবেঃ নদী সংযোগের অঙ্গীকার।

২০০৪ সালের ১৩ এপ্রিল-এর জরিপঃ ভারতীয় নির্বাচনে ৭৫টি আসনে মুসলমানরাই ফলাফল নির্ধারক। আগামী ২০ এপ্রিল থেকে ভারতে লোকসভা নির্বাচন শুরু হবে। ভারতের লোকসভার ৫৪৫ আসনের মধ্যে ৭৫টি আসনের ফলাফল নির্ধারক করেন মুসলমানরাই। ভারতে বর্তমানে ১৪ কোটি মুসলমান বাস করেন।

২০০৪ সালের ১৩ এপ্রিল, ইনকিলাব-এর সংবাদ: ৭(সাত) কোটি পাউন্ডের বাড়ী কিনলেন এক ভারতীয়। বিবিসি অনলাইন: পশ্চিম লন্ডনে ১২(বার) বেডরুমবিশিষ্ট একটি বাড়ী রেকর্ড পরিমাণ ৭(সাত) কোটি পাউন্ডে বিক্রি হয়েছে। অর্থাৎ এটি হচ্ছে বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে দামী বাড়ী। কিংস্টন প্যালেস গার্ডেনস-এর এ সম্পত্তিটির নতুন মালিক হচ্ছেন ভারতে জন্মগ্রহণকারী বিলিয়নিয়র লক্ষ্ণী মিত্তাল। এরমধ্যে রয়েছে টার্কিশ বাথ, একটি বলরুম, ওক কাঠের একটি ছবির গ্যালারি, একটি মুক্তাখচিত ভূগর্ভস্থ সুইমিংপুল। ভবনটির নিরাপত্তার জন্য রয়েছে ৬৫টি ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা।

২০০৪ সালের ২০ এপ্রিল, থেকে ভারতে লোকসভা নির্বাচন শুরুঃ এএফপি/ রয়টার/বাসস: ২০ লাখ সৈন্য ও পুলিশের ছত্রছায়ায় সেদেশের ৬৭ কোটি ভোটার চরম সহিংসতা ও দাঙ্গা-হাঙ্গামার আতঙ্কের মধ্যদিয়ে ৫৪৫ আসনের মধ্যে ৫৪৩টি পার্লােমন্টারী আসনের ৭ লাখ ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে যাবেন। অবশ্য দু'টি আসনে প্রেসিডেন্ট নিয়োগ দেন। মোট জনসংখ্যার শতকরা ৮০ ভাগেরও বেশী হিন্দু, শতকরা ১৩ ভাগ মুসলমান, শতকরা ২ ভাগ খ্রিষ্টান, শতকরা ২ ভাগ শিখ ও শতকরা ১ ভাগেরও কম বৌদ্ধ। ৭ লক্ষাধিক পোলিং ষ্টেশনের মাধ্যমে ভোট গণনা সম্পন্ন হবে। ভারতে মোট ৭৫৩টি রেজিষ্টার্ড এবং কয়েকশ' স্বাধীন রাজনৈতিক দল এ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতাপ্রাপ্ত ভারতের চতুর্দশ জাতীয় নির্বাচন। রাজনীতির বেদীমূলে গান্ধী পরিবার দুই টুকরা হয়ে গেল। ইন্ধিরা গান্ধীর এক পুত্র সঞ্জয় গান্ধীর স্ত্রী মানেকা গান্ধী। অপর পুত্র রাজীব গান্ধীর স্ত্রী সোনিয়া গান্ধী। সঞ্জয় ও রাজীব উভয়েই নিহত হওয়ার পর মানেকা এবং সোনিয়া। মানেকা তার পুত্র বরুণ গান্ধীকে নিয়ে যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। সোনিয়া গান্ধী কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট। তার পুত্র রাহুল এবং কন্যা প্রিয়াঙ্কা কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।

২০০৪ সালের ২৮ এপ্রিল-এর সংবাদ: ভারতে কেবলমাত্র বায়ু দূষণের কারণে মৃতের সংখ্যা গড়ে প্রতি বছরে ৫০ হাজার মানুষ।

২০০৪ সালের ১৮ মে, রয়টার্স, এএফপি, বিবিসি-এর সংবাদ: ভারতে শেয়ার বাজারের ইতিহাসে ভয়াবহ ধস। একদিনে বাজার থেকে সোয়া লাখ কোটি টাকা উধাও।

২০০৪ সালের ১৯ মে, (বুধবার, স্থানীয় সময় সকাল ১১-৪০ মিনিটের সময়) ভারতীয় নৌবাহিনীর এক অফিসার লে. কমান্ডার সত্যব্রত ধাম প্রথম বাঙ্গালী হিসেবে এভারেষ্ট শৃঙ্গ জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করেছেন।

২০০৪ সালের ২৫ জুন, ইনকিলাব পত্রিকার রিপোর্ট: বুড়োদের কান্ড। ঘটনাটি অবশ্য ১৯৯৮ সনের। সেবছর ভারতের মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত হয় ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল অ্যাথলেটিক্‌স। এতে অংশ নেয় শতায়ুত্তীর্ণ এক বুড়ো। নাম তার যোগিন্দর সিং। একশ' বছর পার হওয়া এ বুড়োর অ্যাথলেটিক্‌স-এ অংশগ্রহণ করাটাই ছিল একটি অনন্য রেকর্ড। তার উপর তিনি চাকতি নিক্ষেপ করে দিব্যি জয় করে নিয়েছেন চ্যাম্পিয়নশীপ। গোল্ড মেডেল গলায় পরে 'তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় যোগিন্দর জানিয়েছেন, তার বয়স ১০৫ বছর। ১৯১০ সালে জার্মােনর বার্লিেন অনুষ্ঠিত অ্যাথলেটিক্‌স-এ তিনি টিন-এজার হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। যোগিন্দর অবশ্য এখানেই নিরস্ত হওয়ার পাত্র নন। তার ইচ্ছা ভবিষ্যতে এ ধরনের আরও ওয়াল্র্ড রেকর্ড সৃষ্টি করা।

২০০৪ সালের ১০ জুলাই, ইনকিলাব-ভারতীয় অর্থমন্ত্রী চিদামবরাম বলেছেন, ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যয়বৃদ্ধির প্রস্তাব প্রতিবেশী পাকিস্তানের জন্য কোন বিশেষ সংকেত পাঠাচ্ছে না। কারণ, ভারত ও পাকিস্তান চলমান শান্তি প্রক্রিয়ার প্রতি দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ। উল্লেখ্য, ভারতের বাজেটে প্রতিরক্ষা ব্যয় প্রস্তাব করা হয়েছে ৭৭(সাতাত্তর) হাজার কোটি রুপি। গত বছর এ বাজেট ছিল ৬০,৩০০ কোটি রুপি। এবার শতকরা ৩০ ভাগ বাড়ানো হয়েছে।

২০০৪ সালের ১০ জুলাই, বিবিসি: ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতাসীন বাম ফ্রন্ট সরকার বলেছে, এখনো সেখানে জনসংখ্যার ২৭ শতাংশের বেশী মানুষ দারিদ্রসীমার নিচে বাস করে ২৭.০২ শতাংশ।

২০০৪ সালের ১৯ জুলাই, রয়টার্স: বর্তমান জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার অব্যাহত থাকলে ২০৩৫ সালে ভারতের জনসংখ্যা চীনকে ছাড়িয়ে যাবে। আগামী ২০৩৫ সালে ভারতের জনসংখ্যা দাঁড়াবে ১৪৬ কোটি।

২০০৪ সালের ২৬ জুলাই, ইনকিলাব পত্রিকার সংবাদ, পিটিআই: হিন্দু-মুসলিম বিয়ে বৈধ করল দিল্লী হাইকোর্ট।

। ভারতের জনগণ রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের শিকার:।

মানবাধিকার লঙ্ঘণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানালেই সন্ত্রাসী: অরুন্ধতি রায়

২০০৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর, ইনকিলাব পত্রিকার-স্টাফ রিপোর্টার: বিখ্যাত লেখিকা ও মানবাধিকার আন্দোলনের নেত্রী অরুন্ধতি রায় বলেছেন, ভারতীয়রা এখন রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের শিকার। পৃথিবীর বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে পরিচিত ভারত উৎপীড়ক রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। গত ১৬ আগষ্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সান ফ্রান্সিসকোতে প্রদত্ত এক বক্তিতায় তিনি এ অভিমত ব্যক্ত করেন। ২০০২ সালেই সেখানে নিরাপত্তা হেফাজতে নিহত হয়েছে ১ হাজার ৩০৭ জন ভারতীয়।

২০০৪ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর, পিটিআই: দক্ষিণ আফ্রিকার শ্রেষ্ঠ ১০(দশ) জনের তালিকায় ভারতীয় অহিংসবাদী নেতা মোহন দাস করম চাঁদ গান্ধী স্থান করে নিয়েছেন।

পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের শ্রেষ্ঠতম তাজমহলমোগল সম্রাট শাহজাহান এ সমাধি সৌধটি তাঁর প্রাণপ্রিয় স্ত্রী মমতাজ
মহলের মৃত্যুর দুই বছর পর নির্মাণ করেন১৬৫৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর, তাজমহল নির্মাণ করা হয়

।ভারতে ১৬৫৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর, আজ (২৭-০৯-২০০৪ তারিখ) বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্যের শ্রেষ্ঠতম তাজমহলের ৩৫০ বছর।

পূর্তি উৎসব শুরু

২০০৪ সালের ৩ অক্টোবর, এএফপি, রয়টার্স ও বিবিসি: ভারতের নাগাল্যান্ড ও আসামে ৪টি শক্তিশালী বোমার বিস্ফোরণে কমপক্ষে নিহত ৪৫ জন এবং ১০০ জন আহত।

২০০৪ সালের ২৮ নভেম্বর, প্রতিরক্ষা রিপোর্টার: শঠতা ভারতের নতুন সমর মতবাদ। ২১ শতকে যুদ্ধ হবে পানি, জ্বালানি ও পরিবেশ নিয়ে। খৃষ্টপূর্ব ৩১২ সাল থেকে ৩০০ সালের মধ্যে লিখিত 'অর্থশাস্ত্রে' 'প্রতারক কুটনীতিক' চানক্য শত্রুকে কাবু করার যে নীতিমালা বা তত্ত্ব উপস্থাপন করেছিলেন তাকে কেন্দ্র করেই সম্প্রতি ঘোষিত ভারতীয় সমর মতবাদে শঠতাকে মূল কৌশলরুপে গ্রহণ করা হয়েছে।

২০০৪ সালের ৩ ডিসেম্বর, এএফপি: ২০ বছরে মারা গেছে ১৫ হাজার লোক: আক্রান্ত ৮ লাখ। ভুপালে কীটনাশক কারখানা এখনো বিপজ্জনক। ১৯৮৪ সালের ৩ ডিসেম্বর, সকালে কারখানাটি থেকে বিষাক্ত গ্যাস মিথাইল আইসোসায়ানেট-এর নির্গমন শুরু হবার পর সাড়ে তিন হাজারেরও বেশী লোক প্রাণ হারায়।

২০০৫ সালের ১৬ মার্চ, জনকন্ঠের খবর: ভারতের জাতীয় বাজেট ১১,৮০০(এগার হাজার আটশত) কোটি ডলার এবং সামরিক বাজেট হলো-১,৯০০(এক হাজার নয়শত) কোটি ডলার। ১৭৩০ কি. মি. বেড়ার নির্মাণ কাজ সমাপ্ত। ২০০৬ সালের মধ্যে বাকি কাজ শেষের পরিকল্পনা।

২০০৫ সালের ৩০ মার্চ, পিটিআই: ইনকিলাব পত্রিকার রিপোর্ট-ভারতের মানবাধিকার রেকর্ড অত্যন্ত খারাপ। মুসলিম বিতারন উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে-যুক্তরাষ্ট্র।

২০০৫ সালের ৮ এপ্রিল, এপি: দীর্ঘ ৫৭ বছর পর উভয় কাশ্মীরের মধ্যে সরাসরি বাস সার্ভিস চালু।

২০০৫ সালের ২২ মে, ইনকিলাব পত্রিকার রিপোর্ট: ভারতের ৩০ কোটিরও বেশী লোক এখনও দারিদ্রসীমার নিচে বসবাস করছে। যাদের দৈনিক আয় এক ডলারেরও কম। কংগ্রেসের একটা বড় ভোট ব্যাংক এরাই।

২০০৫ সালের ২৪ মে, বিবিসি: ১৯৭১-এর মার্কিন গোপন নথি প্রকাশ নিক্সন প্রশাসন এশিয়ায় বড় ধরনের যুদ্ধের আশংকা করছিল। সম্প্রতি মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর ১৯৭১ সালের সরকারী বেশ কিছু নথিপত্র প্রকাশ করেছে। ঐসব নথিপত্রে দেখা যাচ্ছে যে, সে সময়কার মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিক্সন প্রশাসন এশিয়ায় একটি বড় ধরনের যুদ্ধের আশংকা করছিল। যা এমনকি পারমাণবিক যুদ্ধের রূপ নিতে পারতো। আর পরমাণু যুদ্ধ পর্যন্ত না গড়ালেও ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে পাকিস্তান, চীন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি প্রথাগত যুদ্ধ শুরুর আশংকা তখন প্রবল হয়ে উঠছিল বলে ঐসব নথিতে দেখা যাচ্ছে। ১৯৬৯ থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক সম্পর্ক নিয়েই রয়েছে এসব নথিপত্র। নথির একাদশ খন্ডে রয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক সংকট ১৯৭১ অর্থাৎ বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রাম।

২০০৫ সালের ২৬ মে, সকালের ইন্ডিয়ান ইটিবির নিউজ এ বলা হয়েছে যে, ভারতে ট্রেন লাইন-এর দূরত্ব-৬৩ হাজার কিলোমিটার, বছরে ট্রেনে চলাচল করে-৫৫০ কোটি মানুষ এবং ইন্ডিয়ান রেলওয়েতে চাকুরীজীবির সংখ্যা-১৫.৫ সাড়ে পনের লক্ষ।

২০০৫ সালের ৪ জুন, ইনকিলাব পত্রিকার রিপোর্ট: ভারতে প্রতিবছর ২৩ লাখের বেশী পর্যটক তাজমহল দেখতে আসেন আর এসব থেকে বছরে ৩০(ত্রিশ) কোটি ডলার আয় হয়। এ বার্ষিক আয়ের ৭ শতাংশ ওয়াকফ বোর্ড দাবী করেছে।

২০০৫ সালের ১০ জুন, ইনকিলাব পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার: ভারতে আশ্রিত ১ কোটি সংখ্যালঘুকে ভোটার করতে হবে: হিন্দু বৌদ্ধ খিষ্ট্রান ঐক্যপরিষদ-বাংলাদেশে ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে দেয়া হবে না।

২০০৫ সালের ১৫ জুন, ইনকিলাব পত্রিকা: ভারতের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও বিরোধী জোট এনডিএ'র আহবায়ক জর্জ ফার্নােন্ডজ আদভানীকে সমর্থন দিয়ে বলেন, ''পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ ১৯৩৫ সাল পর্যন্ত ধর্মিনরপেক্ষ ছিলেন। তদানীন্তন কংগ্রেস নেতা জওহর লাল নেহেরুর আচরণের কারণেই জিন্নাহ আলাদা রাষ্ট্রের সংগ্রামে নামতে বাধ্য হন। পাকিস্তানের জন্মের আগে এবং পরেও জিন্নাহ ঘোষণা করেন যে, পাকিস্তান কোন ধর্মীয় রাষ্ট্র হবে না, এ রাষ্ট্র হবে সকলের জন্য সমান।'' জর্জ ফানর্রােন্ডজ জোরের সঙ্গে বলেন, ''আদভানী'' পাকিস্তান সফরে গিয়ে জিন্নাহ সম্পর্কে যা কিছু বলেছেন, তা সবই সঠিক। তাকে দেশদ্রোহী হিসেবে আখ্যায়িত বা সমালোচনা করার পরিবর্তে তাঁর বক্তব্য নিয়ে আলোচনা হওয়াই উত্তম।

বস্তুতঃ জিন্নাহ বা মুসলিম লীগ ভারতবর্ষের বিভক্তি চায়নি। ১৯৪৬ সালে কেবিনেট মিশন অখন্ড ভারতীয় কনফেডারেশনের যে ফর্মুলা হাজির করে, তা জিন্নাহ ও মুসলিম লীগ দাঁড়ি-কমাসহ গ্রহণ করে। কিন্তু তা গ্রহণ করেননি কংগ্রেস নেতা জওহরলাল নেহেরু, সে সঙ্গে মহাত্মা গান্ধী এবং বল্লভ ভাই প্যাটেল প্রমুখও। তাঁরা যখন দেখেন যে, তিন ইউনিটের পশ্চিম ও পূর্ব উভয় ইউনিটই হবে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ, তখনই তাঁরা কেবিনেট মিশন পরিকল্পনা প্রত্যাখান করেন এবং দেশ বিভক্তির জন্য জেদ ধরে বসেন। শুধু তাই-ই নয়, বড়লাট ওয়াভেল কেবিনেট মিশন পরিকল্পনার ব্যাপারে অটল থাকায় জওহরলাল নেহেরু স্বয়ং লন্ডন গিয়ে অনেক দেন-দরবার করে লর্ড ওয়াভেলের স্থলে তার বন্ধু লর্ড মাউন্ট ব্যাটেনকে নিয়োগের ব্যবস্থা করেন। ইতিহাসের ছাত্রমাত্রই জানেন যে, ভারত মুসলমানরা ভাগ করেনি, ভারত ভাগ করেছে হিন্দুরা। হিন্দুত্ববাদীরা।

২০০৫ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি, বাসস: মার্কিন কংগ্রেস ম্যান এডোলফেস টাওনসের অভিযোগ। শুধু কাশ্মীরেই ৯০(নব্বই) হাজার মুসলমান হত্যা করা হয়।

২০০৫ সালের ১৩ আগষ্ট, ইনকিলাব-এএফপি: ১৮৫৭ সালের ৮ এপ্রিল, সিপাহীবিদ্রোহের অগ্রণী সৈনিক মঙ্গল পান্ডের ফাঁসি হয়। মঙ্গল পান্ডে চরিত্রে আমির খান, আমির খান অভিনীত ছবি 'মঙ্গল পান্ডে' মুক্তি পেল। উপমহাদেশের বৃটিশ শাসনের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রথম শহীদের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন ভারতের বলিউড চিত্রজগতের জনপ্রিয় অভিনেতা আমির খান। 'মঙ্গল পান্ডের উত্থান কাহিনী' নামের চলচ্চিত্র গতকাল(১২-০৮-২০০৫খ্রিঃ) সারাবিশ্বে মুক্তি পায়। ৫০ কোটি টাকায় হিন্দী ও ইংরেজীতে নির্মিত এ ছবি বিশ্বময় সাড়া জাগায়। হিন্দীতে 'মঙ্গল পান্ডে' নামে এ ছবিটি মুক্তি পায়। ১৮ মাসের অবিরাম প্রচেষ্টায় আমির খান ছবির মুক্তি ঘটাতে সক্ষম হন। ২০০১ সালে অস্কার বিজয়ী 'লাগান' ছবির পর এ 'মঙ্গল পান্ডে' মুক্তি পেল। দুই ছবিতে আমির খান বৃটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামের ভূমিকায় অবিস্মরণীয় অভিনয় করেছেন। ছবির কাহিনীটি এমন যে বৃটিশ বাহিনীতে সাম্রাজ্যবাদী সরকার এক ধরনের বন্দুক চালু করে যার কার্তুজ দাঁত দিয়ে ছিঁড়তে হতো। আর তাতে শূকর ও গরুর চর্বি মেশানো আছে বলে গুজব রটে যায়। এতে করে হিন্দু ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের সৈন্যরাই একযোগে ক্ষিপ্ত হয়ে বিদ্রোহ করে। ছবির বৃটিশ সৈন্যের ভূমিকায় ছিল বৃটিশ অভিনেতা টবি স্টিফেনস। ২০০৩ সালে এ ছবির সূচনা পর্বের উদ্ভোধনে বলিউডে বৃটিশ যুবরাজ প্রিন্স চার্লস উপস্থিত ছিলেন।

২০০৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর, ইনকিলাব-এপি, এএফপি, ডেইলি টাইমস: কাশ্মীর থেকে অবিলম্বে ভারতীয় সৈন্য হটাও-অরুন্ধতী রায়।

২০০৫ সালের ৭ সেপ্টেম্বর, ইনকিলাব পত্রিকার অর্থৈনতিক রিপোর্টার: জিডিপির দিক থেকে ভারত চীনকে অতিক্রম করতে পারবে না।-অর্থনীতিবিদ শ্রীকান্ত চ্যাটার্জি। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির যে কয়টি কারণ রয়েছে তার অন্যতম কারণ চীন-ভারতের উন্নতি। গত ১০/১২ বছরে চীনে জ্বালানির ব্যবহার ছয়গুন বাড়িয়েছে। ভারতে বেড়েছে সাড়ে তিনগুণ। এর ফলে জ্বালানির চাহিদা ব্যাপক বেড়েছে। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতো রয়েছেই।