২০০৫ সালের ৬ অক্টোবর, ইনকিলাব-এপি,এএফপি, দি হিন্দু: ভারতের দশ বছর বয়সী সংযুক্ত যমজ সাবাহ (বামে) এবং ফারাহর সফল অস্ত্রোপচার সম্ভব। এ ধরনের যমজ প্রতি ২০ লাখে ১টা হতে পারে। বিশ্বে এ ধরনের সংযুক্ত যমজের সংখ্যা সর্বেমাট ১০ থেকে ২০ জনের মত হতে পারে।

২০০৫ সালের ২৯ অক্টোবর, দিল্লীতে সিরিজ বোমা বিস্ফোরণ: রেড এলার্ট। নিহত ৮০: লস্করে তাইয়্যবোসহ দু'টি সংগঠনের প্রতি অঙ্গুলি নির্দেশ। অন্ধ্র প্রদেশে ট্রেন দুর্ঘটনায় ১৫০ জনের মৃত্যুর আশংকা।

২০০৫ সালের ১ ডিসেম্বর, রয়টার্স: হিন্দু জনসংখ্যা বাড়াতে আর.এস.এস. নেতার জোর আহবান। তিনি সম্প্রতি টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক অনুষ্ঠানে বলেন, হিন্দুদের সন্তান তিনটার কম নয় বরং বেশী হলে আরো ভাল। ১১০ কোটির বেশী জনসংখ্যা অধ্যুষিত এবং বিশ্বের ১০ম অর্থৈনতিক শক্তি ও এশিয়ার তৃতীয় শীর্ষ অর্থৈনতিক দেশ ভারত।

২০০৫ সালের ২ ডিসেম্বর, এপি, রয়টার্স: ভারতে এইডস রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনক বৃদ্ধি। ভারতে বর্তমানে এইচআইভি আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৫১ লাখ ৩০ হাজার বলে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং নয়াদিল্লীতে বিশ্ব এইডস দিবস উপলক্ষে জানান।

২০০৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর, এএফপি: কাশ্মীরে ভূমিকম্প বিধ্বস্ত বাড়ী থেকে মহিলাকে দু'মাস পর জীবিত উদ্ধার।

২০০৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর: ফরবিস ম্যাগাজিনের জরিপ তালিকায় সম্প্রতি বিশ্বের সেরা ধনীদের তালিকায় ভারতীয় মুসলমান কমপিউটার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবসায়ী আজিম প্রেমজি ৩৮তম স্থান লাভ করেন। ১৯৬৬ সালে পিতার মৃত্যুর পর মাত্র দুই মিলিয়ন ডলার (ভারতীয় ৮০ লক্ষ রূপী) মূলধনের পারিবারিক ব্যবসা 'ওয়েস্ট ইন্ডিয়া ভেজিটেবল প্রোডাক্ট' প্রেমজির হাতে 'উইপ্রো' নাম নিয়ে ভারতের অন্যতম সেরা তথ্যপ্রযুক্তি সেবা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে, যার বর্তমান মূলধন আট বিলিয়ন ডলারের ওপর বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৫৫ হাজার কোটি টাকা।

২০০৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর, এএফপি: ভারতের পার্লােমন্ট থেকে ১১ জন এমপিকে বহিস্কার করা হয়েছে। ১৯৫১ সাল থেকে এ পর্যন্ত লোকসভা থেকে কখনই কোন সদস্যকে বহিস্কার করা হয়নি। ঘুষ গ্রহণের জন্য তা'দেরকে লোকসভা সদস্যপদ হারাতে হল।

২০০৬ সালের ৬ জানুয়ারি, ইনকিলাব ডেস্ক-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জর্জ ডবিস্নউ বুশকে সবচেয়ে পরিকল্পিত খুনী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে অভিহিত করেছেন-পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য।

২০০৬ সালের ৯ জানুয়ারি, এপি: ৭০ বছরের তীব্রতম শীতে ভারতে ১১৬ জনের মৃত্যু।

২০০৬ সালের ৯ জানুয়ারি, পিটিআই: বিজেপি মুসলিম-বিরোধী ভাবমর্যাদা থেকে বেরিয়ে আসার সুযোগ হারিয়েছে: আদভানী।

২০০৬ সালের ১৬ জানুয়ারি, ইনকিলাব ডেস্ক: গণতন্ত্র নিয়ে ভারতীয়রা গর্ব করলেও কাশ্মীর নিয়ন্ত্রণ করছে সেনাবাহিনী: অরুন্ধতী রায়। 'যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি নতজানু ভারত সরকারের সাহিত্য একাডেমী পুরস্কার নেব না'।

২০০৬ সালের ২০ জানুয়ারি, বিবিসি: গুজরাটে ৫ লাখ আদিবাসী খৃষ্টানকে হিন্দু বানাতে চাপ সৃষ্টির অভিযোগ।

২০০৬ সালের ২৭ জানুয়ারি, স্টেটসম্যান, নিউ ইন্ডিয়া প্রেস, এপি: ভারত আমার দ্বিতীয় স্বদেশভূমি: সউদী বাদশাহ। ভারতের প্রেসিডেন্ট ভবনে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহ সউদী আরবের বাদশা আবদুল্লাহ বিন আবদুল আযিযকে অভ্যর্থনা জানান।

২০০৬ সালের ২৯ জানুয়ারী, পিটিআই: নিজামের জুতার জন্য পুরস্কার। বাটা সু মিউজিয়াম নিজামের এক জোড়া জুতা ফেরত পাবার জন্য ২৫ হাজার মার্কিন ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে। ১৭৯০ সালে হায়দরাবাদের নিজাম চপ্পল জোড়া ব্যবহার করতেন। এ জুতা জোড়া ও আরো দুটি দামী বস্তু তাদের মিউজিয়াম থেকে হারিয়ে যায়। এ ঐতিহ্যবাহী জুতা জোড়ার দাম ১ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার।

২০০৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি, পিটিআই: ভারতের একজন বিখ্যাত কেমিষ্ট এক বছর সফল গবেষণার পর অব্যবহৃত পস্নাস্টিক সামগ্রী থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছেন।

২০০৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি, এএফপি: মধ্যপ্রদেশে জুমার সময় মসজিদে হিন্দুদের প্রবেশের চেষ্টা। মুসলমান ও হিন্দু উভয় সম্প্রদায়ই স্থানটিকে পবিত্র মনে করে। মুসলমানরা কামাল মাওলা মসজিদটিতে প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় করেন আর হিন্দুরা প্রতি মঙ্গলবার পূজা অর্চনা করে। একাদশ শতকের এ মসজিদের স্থানকে হিন্দুরা তাদের দেবী সরস্বতীর মন্দিরের স্থান হিসেবে ঘোষণা দেয়।

২০০৬ সালের ৩ মার্চ, ইনকিলাব ডেস্ক: ভারতের নিরাপত্তা বাহিনী অত্যাধুনিক সমরাস্ত্রে সজ্জিত হলেও সফররত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ তাদের উপর সামান্যতম আস্থাও রাখতে পারেননি। নয়াদিল্লীর মৌর্য হোটেলে বুশের ডগ স্কোয়াড। ১৭-সদস্যের ডগ স্কোয়াড নিয়ে এসেছেন।

২০০৬ সালের ৩ মার্চ, পিটিআই: ভারতের আম এবার যুক্তরাষ্ট্রে যাবে।

২০০৬ সালের ৪ মে, বিবিসি/এএফপি: ভারতের বিরোধীদলের শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক বিজেপি নেতা প্রমোদ মহাজন (৫৬) মুম্বাইয়ে মারা গেছেন। গত মাসে তার ছোট ভাইয়ের হাতে গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর হাসপাতালে মৃত্যু।

২০০৬ সালের ২১ মে, মোবায়েদুর রহমান: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর ব্যাংক একাউন্ট নেই। নেই নগদ অর্থ বাড়ি গাড়ী জমিজমা ও স্বর্ণালঙ্কার। দুর্নীিততে যখন বাংলাদেশ শুধুমাত্র হ্যাটট্রিক করেই ক্ষান্ত হয়নি, ৪/৫ বার দুর্নীিততে ফাষ্র্ট হয়ে বিশ্ব রেকর্ড স্থাপন করেছে তখন প্রতিবেশী পশ্চিমবঙ্গ থেকে পাওয়া যাচ্ছে সম্পূর্ণ ভিন্নচিত্র। বাংলাদেশে রাজনীতির রাঘব বোয়ালদের অর্থিবত্তের পরিমাণ যখন শত কোটি বা হাজার বলে শোনা যায় তখন পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রীর অর্থিবত্ত সম্পর্কে শোনা যায় অবিশ্বাস্য কথা। গত ১৪ মে, ইন্টারনেটের খবরে প্রকাশ পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক নির্বাচনের পূর্বে নির্বাচন কমিশনে মূখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য তার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সম্পদের যে ঘোষণা দিয়েছেন সেটা পড়ে এবং জেনে নির্বাচন কমিশনের সদস্যবৃন্দ এবং রাজনৈতিক পর্যেবক্ষকমহলের চক্ষু অবিশ্বাস্যে ছানাবড়া হয়ে গেছে। ঘোষণাপত্রে বুদ্ধদেব বাবু সম্পদের বিবরণ দিয়েছেন নিম্নরুপ: (১) ব্যাংক একাউন্ট-শূন্য। (২) নগদ অর্থ-শূন্য। (৩) ব্যাংক বা অর্থায়ন প্রতিষ্ঠানে আমানত-শূন্য। (৪) সঞ্চয়পত্র-শূন্য। (৫) মোটরগাড়ী-শূন্য। (৬) অলংকার-শূন্য। (৭) কৃষিজমি-শূন্য। (৮) এলআইসি-শূন্য। (৯) ভবন বা বিল্ডিং-শূন্য। মূখ্যমন্ত্রী হিসেবে বুদ্ধদেব বাবুর মাসিক বেতন ৮ হাজার টাকার কিছু বেশী। ২০০০ সালে মূখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগে তিনি দুই কামরাবিশিষ্ট ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন। মূখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এ অতিক্ষুদ্র বাসভবন ছেড়ে তাকে মূখ্যমন্ত্রীর সরকারী বাসভবনে যাওয়ার অনুরোধ করলে তিনি সবিনয়ে এ অনুরোধ প্রত্যাখান করেন। এরপর নিরাপত্তার কারণে পুলিশ বহুবার তাঁকে সরকারী বাসভবনে যাওয়ার অনুরোধ করলেও তিনি তার এ ছোট্ট ফ্ল্যাটে বসবাস করার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন। আজও তিনি পাখির বাসার মত এ ফ্ল্যাটটিতেই বসবাস করছেন। ১৯৭৭ সালে, অর্থাৎ আজ থেকে ২৯ বছর আগে তাদের ক্ষমতায় বসিয়েছেন, আজও তাদের ক্ষমতায় রেখেছেন। ২৯৩-আসনবিশিষ্ট প্রাদেশিক পরিষদের ২০০৬ সালের নির্বাচনে ২৩৫টি আসনে বিজয়ী করে অষ্টমবারের মত ক্ষমতায় পাঠিয়েছে। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এবং অনেক সিপিএম নেতার পাশাপাশি বাংলাদেশের চিত্র মেলে ধরলে লজ্জা ও ক্ষোভে মাথা হেঁট হয়ে যায়। বাংলাদেশের দুর্নীিত দমন করতে পারলে জিডিপির ২ শতাংশ সাশ্রয় হবে।

২০০৬ সালের ২৩ জুলাই, কলকাতা প্রতিনিধি: মুম্বাইয়ে ভিক্ষুকদের বার্ষিক আয় ১৮০ কোটি রুপী। মুম্বাইয়ে ভিক্ষুকদের সংখ্যা ৩(তিন) লাখ।

২১-০৭-২০০৬ তারিখ বাংলাদেশ সময় ৬-৩০ মিনিটে খেলাধুলা করার সময় ৫-বছরের ছেলে প্রিন্স ৬০ ফিট গভীর নলকুপের সরু গর্তে পা পিছলে পড়ে যায়। ২৪-০৭-২০০৬ তারিখ জীবন-মৃত্যুর মাঝে ৫০ ঘন্টা: তারপর ৫০ ঘন্টা পর জন্মদিনেই জীবতি ফিরে এল প্রিন্স।

২০০৬ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর, বুধিয়ার পর আকাশ-চার বছরের বিস্ময় বালক বুধিয়া সিং ৬৫ কিলোমিটার দৌড়িয়ে সারা ভারতে হৈ চৈ ফেলে দিয়েছেন। বুধিয়ার রেকর্ড নিজের করে নিচ্ছেন উড়িষ্যারই আরেক বিস্ময় বালক স্রতানজায়া আকাশ মন্ডল। কিলনের দুর্গািদ ফোর্ট থেকে ইন্ডিয়ান গেটওয়ে ৮০ কিলোমিটার দূরত্ব দৌড়ে অতিক্রমের শেষ পর্যােয় আকাশ।

২০০৬ সালের ১১ অক্টোবর, এএফপি, বিবিসি অনলাইন: ভারতে গতকাল(১০-১০-২০০৬) তারিখ ১৪ বছরের কম বয়সী শিশুদের গৃহস্থালী কাজ ছাড়াও হোটেল রেস্টুরেন্ট, বিনোদন কেন্দ্র, শিল্প-কারখানার ভারী কাজ এমনকি রাস্তার পাশের খুপড়ি দোকানগুলোতে নিয়োজিত করা যাবে না। দেশের প্রায় ১৩ কোটি শিশু শ্রমিক।

২০০৭ সালের ১৮ জানুয়ারি, এএফপিঃ লন্ডন মিউজিয়ামে শাহরুখ খানের মোমের প্রতিকৃতি স্থাপন করা হবে। এর আগে লন্ডনের এ মিউাজয়ামে ভারতীয় অভিনেত্রী ও সাবেক বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাই এবং শক্তিমান অভিনেতা অমিতাভ বচ্চনের মোমের প্রতিকৃতি স্থাপন করা হয়।

২০০৭ সালের ৩০জানুয়ারী,বিবিসি অনলাইনঃভারত মহাকাশভিত্তিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়বে।

২০০৬ সালের ৭ ডিসেম্বর, স্টাফ রিপোর্টার: লন্ডনে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে ব্রিটেনের রাণী ভারতের রতন টাটাকে 'রেসপন্সিবল ক্যাপিটালিজমে' ভূষিত করে। বিভিন্ন বিষয়ে নিয়ম-শৃঙ্খলা পর্যেবক্ষণকারী একটি আন্তর্জািতক সংস্থা ২০০০ সালে এ পদকের প্রবর্তন করে।

২০০৭ সালের ৩ মে, পিটিআই: বলিউড তারকা ঋত্বিক রোশন সর্বািধক করদাতা। সে ২০০৬-২০০৭ অর্থবছরে অগ্রিম কর পরিশোধকারীদের শীর্ষস্থানে অবস্থান করছেন। ঋৃত্বিক ১৫ কোটি রুপীর কিছু বেশি কর পরিশোধ করেছেন। অমিতাভ বচ্চন ১৪ কোটি ২৫ লাখ রুপী এবং সুপারস্টার শাহরুখ খান ১৪ কোটি রুপী কর পরিশোধ করেছেন। অভিষেকের সঙ্গে বিয়ের পর ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন পরিবারের সঙ্গে যোগ দেয়ায় বচ্চন পরিবার হচ্ছে বলিউডে সর্বািধক কর পরিশোধকারী পরিবার। সূত্র জানায়, বচ্চন পরিবার ৩১ মার্চ শেষ হওয়া বছরে প্রায় ২৫ কোটি রুপী কর দিয়েছে। সূত্র জানায়, অমিতাভের পুত্র অভিষেক ৪ কোটি ৭৫ লাখ রুপী, ঐশ্বরিয়া রাই প্রায় ৫ কোটি রুপী কর দিয়েছেন।

২০০৭ সালের ১৮ মে, ইনকিলাব ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কলকাতায় ভয়াবহ বায়ু দূষণ। এক রিপোর্টে বলেছে যে, কলকাতার প্রায় ২ কোটি বাসিন্দাদের মধ্যে ৭০ ভাগই শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভূগছে।

২০০৭ সালের ৬ জুলাই, ইনকিলাব ডেক্স: ভারতে ৮ ইঞ্চি ব্যাসের একটি লোহার পাইপের ১৮০ ফুট লম্বা পাইবে ১১০ ফুট গভীরে চলে যায় ৬ বছরের শিশু। সুরুজ নামের ছেলেটি খেলতে খেলতে হঠাৎ করে ৮ ইঞ্চি ব্যাসের লোহার পাইবে পড়ে যায়। তাকে উদ্ধার করা হয়েছে ঠিকই-কিন্তু জীবিত নয় মৃত অবস্থায়।

২০০৭ সালের ৯ আগষ্ট, কলিকাতা থেকে কালীপদ দাস: সারা পশ্চিমবঙ্গে অসংগঠিত শিল্প কর্মীেদর সফল ধর্মঘট। সংখ্যায় তারা প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ অসংগঠিত শ্রমিক এ ধর্মঘটে অংশ নিয়েছেন।

২০০৭ সালের ২৬ আগষ্ট কলকাতা থেকে কালীপদ দাস: ২৫-০৮-২০০৭ তারিখ ভারতের হায়দ্রাবাদে শক্তিশালী বোমা হামলায় নিহত-৪৪: আহত-৭০ জন।

২০০৭ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর, পিটিআই: বিশ্বের শ্রেষ্ঠ মুসলিম ধনী ভারতের আজিম প্রেমজি। ভারতের সফটওয়ার সম্রাট বলে খ্যাত আজিম প্রেমজি মুসলমানদের মধ্যে বড় ধনী।

২০০৭ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর, পিটিআই: ভারতের সমৃদ্ধ সফটওয়্যার শিল্পের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় চীন উত্তর-পূর্বঞ্চলীয় লিওনিং প্রদেশের উপকুলীয় দালিয়ান শহরে বিশ্বের বৃহত্তম সফটওয়ার ও আইটি পল্লী নির্মাণকাজ শুরু করেছে।

২০০৭ সালের ২৬ নভেম্বর, এ.টি.এম. ইসহাক: টানা চতুর্থবারের মতো ভারতের সেরা ধনী লক্ষী মিত্তাল। চীনের শীর্ষ ৪০ ধনীর সমান সম্পদের মালিক ভারতের সেরা তিনজন। ফোর্বস ম্যাগাজিনের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী ভারতের শীর্ষস্থানীয় ৪০ ধনীর মোট সম্পদের বর্তমান মূল্য হচ্ছে ৩৫ হাজার ১০০ কোটি ডলার। এরমধ্যে শীর্ষস্থানীয় তিন ধনকুবেরই হচ্ছেন ১২ হাজার কোটি ডলার মূল্যের সম্পদের মালিক। ফোর্বস এশিয়া ম্যাগাজিন আরও জানায়, ভারতে বর্তমানে ৫৪ জন বিলিওনিয়ার রয়েছেন। যাঁদের প্রত্যেকেই ন্যূনতম ১০০ কোটি ডলার থেকে শুরু করে হাজার হাজার কোটি ডলার মূল্যের সম্পদের মালিক। এরমধ্যে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার ১০০ কোটি ডলারের সম্পদ রয়েছে বিশ্বের অন্যতম প্রধান ইস্পাত ব্যবসায়ী লক্ষী মিত্তাল-এর। গত বছরের তুলনায় এবার 'ভারতীয় বিলিওনিয়ার' ক্লাবে নতুন মুখ যোগ হয়েছে ১৮টি। ধনীদের দ্বিতীয় স্থানে আছেন মুকেশ আম্বানির সম্পদের মূল্য চার হাজার ৯০০ কোটি ডলার। তৃতীয় স্থানে আছেন অনিল আম্বানির সম্পদের পরিমাণ চার হাজার ৫০০ কোটি ডলার। ৪র্থ স্থানে আছেন কুশল পাল সিং-এর সম্পদের মূল্য তিন হাজার ৫০০ কোটি ডলার।

২০০৭ সালের ১১ ডিসেম্বর, সাত বছরে মাধ্যমিক। অবাক কান্ড। মাত্র সাত বছরে মাধ্যমিক বা এস.এস.সি. পাস করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে গোটা ভারতবর্ষেক। এ খুদে পড়ূয়ার নাম সুষমা। বাড়ি উত্তর প্রদেশের রায়বেরিলি। তার বাবা একজন শ্রমজীবি। নাম তেজ বাহাদুর বর্মা। সুষমার ভাই শৈলেন্দ্র একই রেকর্ডের অধিকারী। ১৪ বছরের শৈলেন্দ্র এখন ভারতের কনিষ্ঠতম কমপিউটার ইঞ্জিনিয়ার। এ কীর্তিমান ছেলেমেয়েকে মানুষ করার জন্য বাহাদুর বর্মা রায়বেরিলি ছেড়ে রাজধানী শহর লক্ষ্নৌ এসেছেন। সুষমার আগে অবশ্য বিহারের পাটনার নয় বছরের ছাত্র তথাগত তুলশী মাধ্যমিক পাস করে রেকর্ড গড়ে। জাপানের একটি টেলিভিশন চ্যানেল এ দুই ভাইবোনকে সে দেশে নিয়ে যাচ্ছে।-কলকাতা প্রতিনিধি।

২০০৮ সালের ১১ জানুয়ারি, ভারতে রাষ্ট্রপতির বেতন বেড়ে দ্বিগুণ পাবেন লাখ রুপি।

২০০৮ সালের ১১ জানুয়ারি, ভারতের বাজারে আসছে এক লাখ রুপি বা আড়াই হাজার ডলার মূল্যের ''টাটা ন্যানো'' গাড়ি। ৩৩ অশ্বশক্তিসম্পন্ন চার দরজা ও পাঁচ আসনের গাড়িটি এ বছরই বিক্রির জন্য বাজারে ছাড়া হবে। ৬২৪ সিসির টাটা ন্যানোর তিনটি মডেল থাকবে। 'টাটা মোটরস' বিশ্বের সবচেয়ে কম দামি গাড়ি বাজারে ছাড়তে যাচ্ছে।

২০০৮ সালের ১১ জানুয়ারি, পত্রিকার সংবাদ-বলিউড তারকা অক্ষয় কুমার তারকাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ইনকাম টেক্স দেন। প্রায় ২৬ কোটি ভারতীয় রুপি।

২০০৮ সালের ২৯ জানুয়ারি, ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের মালিহাবাদের চাষি কলিমূল্লাহ খান এবারের পদ্মশ্রী সম্মাননা পেয়েছেন। একটি গাছে ৩০০ জাতের আম ফলিয়ে তিনি এ পুরস্কার লাভ করেন। তাঁর আম চাষে হাতেখড়ি বাবার কাছে। পরে তিনি উচ্চ ফলনশীল জাতের আম নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। তাঁর কর্মদক্ষতায় খুশি হয়ে ইরান সরকার তাঁকে সে দেশে থাকার আমন্ত্রণ জানায়। কিন্তু সবিনয়ে সেই আমন্ত্রণ ফিরিয়ে দেন কলিমূল্লাহ খান।

২০০৮ সালের ২৯ জানুয়ারি, বিজ্ঞাপনের বাদশা শাহরুখ খান। বিজ্ঞাপনী সংস্থাগুলোর দেওয়া তথ্যমতে, শুধু বিজ্ঞাপন করেই শাহরুখ খান ২০০৭-২০০৮ অর্থবছরে আয় করবেন ১.৫ বিলিয়ন রুপি। এ আয় নাকি অমিতাভ বচ্চনের চেয়েও বেশি। বিজ্ঞাপন থেকে একই সময়ে বচ্চনের আয় ১.২ বিলিয়ন রুপির মতো। বিজ্ঞাপন থেকে আয়ের দিক দিয়ে এর পরের অবস্থানে আছেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ও হৃতিক রোশন। ওয়েবসাইট।

২০০৮ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি, কলকাতা প্রতিনিধি: পৃথিবীর সবচেয়ে সম্পদশালী বালাজি মন্দির। ভারতের অন্ধ্র প্রদেশে তিরুমালা পাহাড়ের ওপর দাঁড়িয়ে আছে পৃথিবীর সবচেয়ে সম্পদশালী মন্দিরটি। মন্দিরের অবস্থান তামিলনাড়ু আর অন্ধ্র প্রদেশের সীমান্তে। গোটা বিশ্বে এ মন্দির বালাজি মন্দির হিসেবে পরিচিতি। এখন মন্দিরটির সম্পদের পরিমাণ ৩০ হাজার কোটি রুপি। এ মন্দিরের নামে ব্যাংকে রয়েছে ৫০০ কোটি রুপির স্থায়ী আমানত। ২০০৬ সালে এ মন্দিরে আয় হয়েছিল ৭৮৩ কোটি রুপি। প্রতিদিন এ মন্দিরে পূজায় লাগে ১০০ টন ফুল।