২০০৪ সালের ১৫ জুন, সবচেয়ে বেশী খরচ উন্নয়ন খাতে। পাকিস্তানের ৯০,৩০০ কোটি রুপির বাজেট ঘোষণা। রাজস্ব আয়-৫৮,০০০ হাজার কোটি রুপি, উন্নয়ন ও প্রতিরক্ষা খাতে বড় ধরনের বরাদ্দ দিয়েছে। পাকিস্তানের বর্তমান অর্থমন্ত্রী শওকত আজিজ গত শনিবার পার্লােমন্টে ২০০৪-২০০৫ সালের বাজেট ঘোষণা করেন। বাজেটে আগামী ৩ বছরের জন্য ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ও মুদ্রাস্ফীতি ৫ শতাংশে সীমিত রাখার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়।
২০০৪ সালের ২৩ অক্টোবর, আবু রুশদ, পাকিস্তান থেকে ফিরে: নিজেই তৈরী করছে ট্যাঙ্ক মিসাইল ফ্রিগেট সাবমেরিন জঙ্গী বিমান। বেসামরিক খাতের পাশাপাশি সমরাস্ত্র উৎপাদনেও পাকিস্তানের ব্যাপক সাফল্য।
২০০৫ সালের ২০ মে, এএফপি: পাকিস্তানে প্রবৃদ্ধি(২০০৪-২০০৫) এ অর্থবছরে ৮.৩৫% হবে। ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা লাভের পর এ পর্যন্ত দেশটি মাত্র ৫(পাঁচ)বার ৮ শতাংশের বেশী প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পেরেছে। প্রধানমন্ত্রী-শওকত আজীজ।
২০০৫ সালের ১৪ জুলাই, ইনকিলাব পত্রিকার রিপোর্ট-রয়টার্স/এএফপি/এপিঃ পাকিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলীয় সিন্ধু প্রদেশের রাজধানী করাচী থেকে ২৫০ মাইল উত্তর-পূর্ব দিকে সারহান্দ নামে একটি প্রত্যন্ত স্টেশনে ৩টি যাত্রীবাহী ট্রেনের সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩০০ যাত্রী নিহত ও আরো সহস্রাধিক আহত হয়েছে বলে আশংকা করা হচ্ছে।
২০০৫ সালের ২৩ আগষ্ট, পিটিআই ও এএফপি: পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশাররফ বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি বেলেয়ারকে হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলেছেন, অন্যকে দোষারোপ করার আগে নিজের ঘর সামলান।
২০০৫ সালের ২৯ আগষ্ট, ইনকিলাব পত্রিকার সংবাদ-সিনহুয়া: পাকিস্তান ইরানে হামলার বিরোধী: শওকত আজিজ।
২০০৫ সালের ১০ অক্টোবর, ইনকিলাব-পাকিস্তানে জাতীয় বিপর্যয় ঘোষণা-ভূমিকম্পে নিহত ৩০ হাজার মানুষ। আহত হয়েছে ৪২ হাজারের বেশী।
২০০৫ সালের ১১ অক্টোবর-পাকিস্তানে ভূমিকম্পে নিহত ৪০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। ০৩-১১-২০০৫ সালের খবরে প্রকাশ, পাকিস্তানের সীমান্ত প্রদেশ এবং আজাদ কাশ্মীরের নজীরবিহীন ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ছাড়িয়ে গেছে। আহতের সংখ্যা ৩ লক্ষ ছাড়িয়ে গেছে। তাঁবু না পাঠালে প্রচন্ড শীতে মারা যেতে পারেন পাকিস্তানের ভূমিকম্পপীড়িত লাখ লাখ মানুষ।
২০০৫ সালের ১৬ অক্টোবর, এএফপি-পাকিস্তানে ভূমিকম্পের ৬ দিন পর ১৮ মাসের জীবন্ত শিশু।
২০০৫ সালের ২২ অক্টোবর, এপি, বিবিসি অনলাইন: ৮ অক্টোবরের ভূমিকম্পে পাকিস্তান ও ভারতে এ পর্যন্ত ৭৯ হাজার নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ভূমিকম্পের ফলে ৩০ লক্ষাধিক মানুষ নিরাশ্রয় হয়েছে বলে জাতিসংঘ কর্মকর্তা জানান। উপমহাদেশের ভূমিকম্পে সুনামীর চেয়ে ভয়াবহ। শীতে মৃতের সংখ্যা কল্পনাতীতভাবে বেড়ে যেতে পারে: জাতিসংঘ।
২০০৫ সালের ২৪ অক্টোবর,এপিঃ কাশ্মীর সীমান্ত খুলে দিতে ভারত ও পাকিস্তান সম্মত। উভয় দেশ তাদের ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বিভক্ত কাশ্মীরের দুটি সীমান্তই খুলে দেয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে। উদ্ধার। ধ্বংসপ্রাপ্ত বাড়ীঘর পুনগর্ঠন কাজে কোটি কোটি ডলার ব্যয় হবে: সময় লাগবে দশ বছর।
২০০৫ সালের ৩০ অক্টোবর, ইনকিলাব-বিশেষ সংবাদদাতা: আগামী নভেম্বর মাসে পাকিস্তানের ২শ' সদস্যের প্রতিনিধি দল ইসরাইল সফরে যাচ্ছে।
২০০৬ সালের ৯ জানুয়ারি, এএফপিঃ ভারতের কারণে শান্তি প্রক্রিয়া এগুচ্ছে নাঃ পারভেজ মোশাররফ।
২০০৬ সালের ১৩ অক্টোবর, সিনহুয়া: পাকিস্তানে বিশ্বের বৃহত্তম স্বর্ণখনি ও তামার খনি আবিস্কার বেলুচিস্তান প্রদেশের চাগি এলাকায়।
২০০৭ সালের ১১ জুলাই, ইনকিলাব ডেক্স: পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের লাল মসজিদ কমপেলেক্সের ডেপুটি ইমামের সাথে সরকারী প্রতিনিধিদের সমঝোতার আলোচনা ভেঙ্গে যাবার পর সৈন্যরা মসজিদ ভবনে ঝটিকা অভিযান চালায়। ভয়াবহ সংঘর্ষে প্রধান নেতা গাযীসহ নিহত ৭৮ জন। লাল মসজিদ সঙ্কটের রক্তাক্ত অবসান।
২০০৭ সালের ২৪ অক্টোবর, জনকণ্ঠ পত্রিকার রিপোর্ট: পাকিস্তানে ২১-০১-২০০২ থেকে ১৯-১০-২০০৭ তারিখ পর্যন্ত ৫৬ আত্মঘাতী হামলা-নিহত-৫৭৪ জন।
২০০৮ সালের ১১ জানুয়ারি, ইসলামাবাদ থেকে-মোস্তফা কামাল: পাকিস্তানে ব্রিটিশ আমলের ভূস্বামী প্রথা এখনো রয়ে গেছে। প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, পাকিস্তানে ১০০ থেকে ১১০ জন ভূস্বামী আছে। এদের বেশির ভাগই সিন্ধু এবং বেলুচিস্তান প্রদেশে। পাঞ্জাব ও উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে ভূস্বামীদের সংখ্যা খুব কম। সেখানে বেশির ভাগ জমি এখনো জমিদার-ভূস্বামীদের হাতে। জমিদার-ভূস্বামীদের দাপট না কমালে পাকিন্তানে দারির্দয ঘুচবে না।
২০০৮ সালের ৯ আগষ্ট, সবার প্রশ্ন, আইএসআই চালায় কে? ১৯৪৮ সালে পাকিস্তানের আইএসআই চালায় কে-আইএসআইয়ের সঙ্গে সরাসরি জড়িত রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, তিন সশস্ত্র বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনীর সদর দপ্তর ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আইএসআইয়ের কর্মকর্তােদর অনুপাত হচ্ছে শতকরা ৬৫ ভাগ সামরিক ও বাকি শতকরা ৩৫ ভাগ বেসামরিক। আইএসআইয়ের সদস্যসংখ্যা ২৫ হাজার হতে পারে। এ ছাড়া আরও অন্তত ৩০ হাজার জন সংস্থাটির গোপন সংবাদদাতা হিসেবে কাজ করে।
২০০৮ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর, প্রয়োজনে লাদেন ও জঙ্গি সন্ধানে পাকিস্তানে হামলা চালাবঃ বারাক হোসেন ওবামা।
২০০৮সালের ৩০ অক্টোবর,পাকিস্তানে নিহত ১৭০ জন,বহু ঘরবাড়ি ধংশ,গৃহহীন ১৫ হাজার।
২০০৮ সালের ১ নভেম্বর, পাকিস্তানে মার্কিন বিমান হামলায় আল-কায়দা নেতাসহ নিহত-৩২ জন।
২০০৮ সালের ৮ নভেম্বর, পাকিস্তানে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ২০ জন।
২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর, ইসলামাবাদে পুরোনো কাপড়ের দোকানে গরিব ক্রেতাদের ভিড়। অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে আন্তর্জািতক মুদ্রা তহবিল পাকিস্তানকে সাত হাজার ৬০০ কোটি ডলার ঋণ দিয়েছে। এএফপি।
২০০৮ সালের ১ ডিসেম্বর, ১০ জঙ্গি হামলা চালায়, প্রশিক্ষণ দেয় লস্কর-ই-তাইয়েবা: আটক জঙ্গি আজমল মুহাম্মদ আমির কাসাব। ২১ বছর বয়সী জঙ্গি হিন্দি, ইংরেজী ও উর্দুেত সমান পারদর্শী। করাচির লস্কর-ই-তাইয়েবার কাছে তাঁরা ১০ জন কমান্ডো প্রশিক্ষণ নেন। তাঁরা সবাই পাকিস্তানী নাগরিক। তাঁদের নামগুলো-আবু আলী, ফাহাদ, ওমর, শোয়েব, উমর, আবু আকাশা, ইসমাইল, আব্দুল রহমান (বড়) ও আব্দুল রহমান (ছোট)।
২০০৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: সোয়াতে শরিয়া আইন চালু করতে পাক সরকার ও তালেবানের চুক্তি। মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ২৬ জঙ্গি নিহত। পেশোয়ারে সরকারের সঙ্গে শরিয়া আইন চালুবিষয়ক চুক্তির পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন তালেবানপন্থী নেতা সুফি মোহাম্মদ। এএফপি।
২০০৯ সালের ৪ মার্চ, প্রথম আলো: লাহোরে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট দলের ওপর বন্দুকধারীদের হামলা। সাত ক্রিকেটার আহত, পুলিশসহ নিহত ৮ জন।
২০০৯ সালের ১৭ মার্চ, প্রথম আলো: জারদারি পিছু হটলেন বেঁচে গেল পাকিস্তান। পুনর্বহাল হচ্ছেন বিচারপতিরা।
২০০৯ সালের ২৪ এপ্রিল, প্রথম আলোঃ পাকিস্তান বিশ্বের জন্য মারাত্মক হুমকি: হিলারি।
২০০৯ সালের ১৪ মে, প্রথম আলো: জঙ্গি দমনে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানকে হামলার অনুমতি পাকিন্তানের।
২০০৯ সালের ১৪ জুন, সমকাল পত্রিকার রিপোর্ট: পাকিস্তানের ২০০৯-২০১০ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। বাজেট ২,৮৬,৪০০ কোটি রুপি বা ৫,৭২৮ কোটি ডলার।
২০০৯ নালের ১৯ জুলাই, প্রথম আলো: পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথমবারের মতো স্বীকার করেছে, গত বছরের ২৬ থেকে ২৯ নভেম্বর-২০০৮ সালে মুম্বাইয়ের দুটি হোটেলে চলা সন্ত্রাসী হামলায় ১৬০ জনের বেশি নিহত হয়। মুম্বাই হামলার সঙ্গে নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তাইয়েবা জড়িত থাকার কথা স্বীকার করল পাকিস্তান।
২০০৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: খেলাপি ঋণ আদায়ে যুগান্তকারী রায় পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্টের। ঋণ অবলোপন সুবিধাভোগীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা। ১৯৭১ সালের পর যত ঋণ অবলোপন করা হয়েছে তা ফেরৎ দিতে হবে। সাবেক প্রেসিডেন্ট জেনারেল পারভেজ মোশাররফের শাসনামলে পাঁচ হাজার ৪৬০ কোটি রুপি ঋণ অবলোপনের প্রস্তাব অনুমোদন করে এসবিপি।
২০১০ সালের ৩ জানুয়ারি, আমাদের সময়: মার্কিন বাহিনীর ৯০ ভাগ হামলা ব্যর্থ, নিহত ৭০৮ বেসামরিক নাগরিক। গত এক বছরে আল-কায়েদা ও তালেবান নেতাদের হত্যা করতে ৪৪টি বিমান হামলা হয়েছে। তবে ৪৪টি হামলার মধ্যে কেবল ৫টি হামলা মূল লক্ষস্থলে আঘাত আনতে পেরেছে।
২০১০ সালের ২৬ মার্চ, প্রথম আলো: পাকিস্তানের জন্য হোক দুঃখ প্রকাশ দিবস। বাবা সব সময় বলতেন, 'বাঙালিরা পাকিস্তান গড়েছে, আর আমরা পাঞ্জাবিরা তা ভেঙেছি।' একসময় তিনি বলেছিলেন, ২৩ মার্চ পাকিস্তান দিবস হলে ২৬ মার্চ দুঃখ প্রকাশ দিবস এবং ১৬ ডিসেম্বর জবাব দিবস হওয়া উচিত। হামিদ মীর: ইসলামাবাদে জিয়ো টিভির নির্বাহী সম্পাদক। ই-মেইল: হামিদ.মীর@জিয়ো.টিভি।
২০১০ সালের ৪ এপ্রিল, প্রথম আলো: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানি বলেছেন, '১৮তম সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৭৩ সালের সংবিধানে ফিরে যাওয়ার ব্যাপারে আমি খুবই সতর্ক।
২০১০ সালের ১৩ এপ্রিল, প্রথম আলো: পাকিস্তানের ক্রিকেটার (শোয়েব মালিক)-এর সাথে ভারতের টেনিস তাঁরকা সানিয়া মির্জার অবশেষে ১২ এপ্রিল বিয়ে হয়ে গেল।
২০১০ সালের ২৯ মে, প্রথম আলো: পাকিস্তানের লাহোরে সংখ্যালঘু আহমদিয়া সম্প্রদায়ের দুটি মসজিদে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় কমপক্ষে ৮০ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে সাত পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১০৮ জন।
২০১০ সালের ১০ জুন, প্রথম আলো: সুস্মিতা সেন ও ওয়াসিম আকরামের বিয়ে। তবে এবার ঘোষণা দিয়েছেন, যেকোনো সময় বিয়ে করবেন। বিয়ের জন্য অবশ্য পাত্রীর পছন্দ পাকিস্তানি পাঠানকে।
২০১০ সালের ১৪ জুন, প্রথম আলো: নিউইয়র্ক টাইমের প্রতিবেদন। আফগানিস্তানে এক লাখ কোটি ডলারের খনিজ সম্পদের সন্ধান।
২০১০ সালের ২ জুলাই, প্রথম আলো: একাত্তরে গণহত্যার জন্য ক্ষমা চাইবে না পাকিস্তান। শেখ সাবিহা আলম, লাহোর থেকে।
২০১০ সালের ৩ জুলাই, প্রথম আলোঃ লাহোরের মাজারে আত্মঘাতী বোমায় নিহত ৫০ জন।
২০১০ সালের ২৯ জুলাই, প্রথম আলো: পাকিস্তানে বড় ধরনের ১১টি বিমান দুর্ঘটনা। এখানে সে তথ্য সংক্ষেপে তুলে ধরা হলোঃ ১৯৬৫ সালের ২০ মে, পিআইএর ৭০৭ বোয়িং কায়রো বিমান বন্দরে বিধ্বস্ত হয়ে ১২৪ জন নিহত হয়। ১৯৭০ সালের ৬ আগষ্ট, পিআইএর বিমান ফকার এফ-২৭ ঝড়বৃষ্টিতে পড়ে ইসলামাবাদে ৩০ জন আরোহী সবাই নিহত। ১৯৭২ সালের ৮ ডিসেম্বর, পিআইএর বিমান ফকার এফ-২৭ রাওয়ালপিন্ডিতে বিধ্বস্ত হয়ে ২৬ জনই নিহত। ১৯৭৯ সালের ২৬ নভেম্বর, পিআইয়ের বোয়িং ৭০৭ সৌদি আরব থেকে হজযাত্রীদের নিয়ে জেদ্দা বিমানবন্দরে ওড়ার কিছুক্ষণ পরই বিধ্বস্ত হয়ে ১৫৬ জন নিহত। ১৯৮৬ সালের ২৩ অক্টোবর, পেশোয়ার নগরে অবতরণ করতে গিয়ে বিধ্বস্ত হয় ফকার এফ ২৭ বিমান ৫৪ জন আরোহীর মধ্যে নিহত হয় ১৩ জন। ১৯৮৮ সালের ১৭ আগষ্ট, যুক্তরাষ্ট্রে নির্মিত সামরিক বিমান হারকিউলিস সি-১৩০ বিধ্বস্ত হয়ে তৎকালীন সামরিক শাসক জেনারেল মোহাম্মদ জিয়াউল হকসহ ৩০ নিহত হন। ১৯৮৯ সালের ২৫ আগষ্ট, গিলগিট থেকে ওড়ার পর পিআইএর একটি ফকার বিমান ৫৪ জন আরোহী নিয়ে নিখোঁজ হয়। ১৯৯২ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর, নেপালের কাঠমন্ডু যাওয়ার পথে পিআইএর এয়ারবাস বিধ্বস্ত ১৬৭ জন প্রাণ হারায়। ২০০৩ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি, ১৭ জন আরোহী নিহত হয়। ২০০৩ সালের ভাড়া করা সেসনা ৪০২-বি বিমান করাচির কাছে আরব সাগরে ১১ জনসহ আরোহী নিহত। ২০০৬ সালের ১০ জুলাই, মুলতান থেকে লাহোর যাওয়ার পথে ফকার এফ-২৭ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে চারজন ক্রুসহ ৪১ জন যাত্রী নিহত হয়। ২৮-০৭-২০১০ তারিখ সকালে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের উত্তরে মারগালা পাহাড়ি এলাকায় বিমান দুর্ঘটনায় ১৫২ জন আরোহীর সবাই নিহত।
২০১০ সালের ৩১ জুলাই, প্রথম আলো: পাকিস্তানে বন্যায় ৩১৩ জনের প্রাণহানি।
২০১০ সালের ২১ অক্টোবর, প্রথম আলো: পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডন্ট ফারুক আহমেদ খান লেঘারির জীবনবসান। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশদের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভের পর থেকে ক্ষমতা আসা প্রেসিডেন্টের মধ্যে ফারুক আহমেদ খান লেঘারি ছিলেন অষ্টম।
২০১০ সালের ১ নভেম্বর, আমাদের সময়: পাক গোয়েন্দা সংস্থায় ২৫ শতাংশ নারী নিয়োগের ঘোষণা।
২০১০ সালের ১২ নভেম্বর, প্রথম আলো: করাচিতে সিআইডি ভবনে জঙ্গি হামলায় ২০ নিহত
২০১০ সালের ১৪ নভেম্বর, প্রথম আলো: পাকিস্তানের সব নির্বািচত সরকার ব্যর্থ: পারভেজ মোশাররফ।
২০১০ সালের ১২ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: উইকিলিকসের তথ্য: পাকিস্তানে ৪৩টি জঙ্গিঘাঁটি আছে: ভারত।
২০১০ সালের ২৭ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: পাকিস্তানের মাদার তেরেসা। ১৯৬০ সালে মানবসেবা ও ধর্ম প্রচারের জন্য জার্মািন থেকে ভারতবর্ষের উদ্দেশে রওনা হন। কিন্তু ভিসা-বিষয়ক জটিলতায় তাঁকে পাকিস্তানের করাচিতে অবস্থান করতে হয়। ওই সময় করাচির একটি এলাকায় কুষ্ঠ রোগ মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছিল। রোগীদের অমানুষিক যন্ত্রণা ফাউকে ব্যথিত করে। তাঁর বর্তমান বয়স ৮১ বছর। থাকেন পাকিস্তানে। চিরকুমারী। তা সত্ত্বেও তিনি অগণিত সন্তানের স্নেহময়ী জননী। হতদরিদ্র ও অসহায় মানুষ তাঁকে 'আম্মা' বলে ডাকে। ৫০ বছর ধরে যেখানেই মানুষ রোগ-শোক, জরা-ব্যাধি ও বিপর্যােয় পড়েছে, সেখানেই ছুটে গেছেন তিনি। পুরো জীবন মানবসেবায় উৎসর্গ করা জার্মান বংশোদ্ভূত এ নারীর নাম রুথ ফাউ। ফাউ জানান দ্বিতয়ি বিশ্বযুদ্ধের পর তিনি তাঁর জন্মস্থান জার্মািনতে থাকাকালে মানবসেবায় আত্মোৎসর্গ করার সিদ্ধান্ত নেন। চিকিৎসক হয়ে তিনি ফরাসি বিপস্নবের সময় গছিত 'ডটার্স অব দ্য হার্ট অব মেরি' নামের জনকল্যাণমূলক সংস্থায় যোগ দেন
২০১১ সালের ৩ জানুয়ারি, প্রথম আলোঃ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে বলেছেন, যুদ্ধ চালানোর সামর্থ নেই ভারত-পাকিস্তানের।
২০১১ সালের ১১ জানুয়ারি, দৈনিক জনকন্ঠঃ ১৯৭১ সালে-এ পূর্ব পাকিস্তানে গণ-হত্যার সাথে জড়িত পাকিস্তানের সামরিক জান্তা। পাকিস্তানের হামুদুর রহমান কমিশন-১৯৭১-এ বাংলাদেশে বেসামরিক নাগরিক হত্যার সঙ্গে জড়িত পাকিস্তানী বাহিনীর সদস্যদের সামরিক আদালতে বিচারের কথা বলেছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত তাদের বিচার হয়নি। এমনকি প্রতিবেদনটি থেকে গেছে গোপনীয়। এ রিপোর্টে বিজয়ের আগমুহুর্তে বুদ্ধিজীবী হত্যার কঠোর সমালোচনা করা হয়।
২০১১ সালের ১৮ জানুয়ারি, প্রথম আলো: পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একটি মিনিবাসে বোমা বিস্ফোরণে নিহত ১৭ জন।
২০১১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: পাকিস্তানে গাড়িবোমা ও গুলিতে নিহত ১৪ জন।
২০১১ সালের ১০ মার্চ, প্রথশ আলো: ০৯-০৩-২০১১ তারিখ পাকিস্তানে আবার কিশোর আত্মঘাতীর বোমা হামলা। নিহত ৩৭ জন, আহত ৪৫ জন।
২০১১ সালের ১৪ মে, প্রথম আলোঃ পাকিস্তানে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত-৮০ জন। ওসামা হত্যার বদলা: তালেবান।
২০১১ সালের ২৪ মে, প্রথম আলো: করাচির নৌঘাঁটিতে জঙ্গি হামলা। সেনাবাহিনীর সঙ্গে ১৬ ঘন্টা গোলাগুলি, নিহত ১৭ জন। আল-কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেন হত্যার প্রতিশোধ নিতে এবার পাকিস্তানে নৌবাহিনীর বিমানঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে তালেবানরা।
২০১১ সালের ৩ জুন, প্রথম আলো: তালেবানের হামলায় পাকিস্তানে ৭৫ জন নিহত।
২০১১ সালের ২৬ জুলাই, প্রথম আলো: করাচিতে সহিংসতায় ৪৪ জনের প্রাণহানি।
২০১১ সালের ১৫ আগষ্ট, প্রথম আলো: পাকিস্তানে ৬৪তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করতে এসে তাঁরা এ বোমা হামলার শিকার হন। পাকিস্তানে বোমা ও রকেট হামলায় নিহত ১৫ জন।