১৮৮৪ সালে গঠিত হয় বন বিভাগ। অতি সামান্য পরিবর্তন সংস্কার করে মূলত ব্রিটিশ শাসনামলে গৃহীত আইনকানুন দ্বারা পরিচালিত হয়।

১৮৮৫ সালে চট্টগ্রামে গণ-লাইব্রেরী প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৮৫ সালে কুমিল্লা পাবলিক লাইব্রেরি এবং টাউন হল প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৮৫ সালের ৪ জানুয়ারি, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেলপথটি চালু হয়। এবং ২,৮৩৫ কিলোমিটার দৈর্ঘয রেলপথ আছে-২০১০ সালের সমীক্ষা। ২০-১১-২০১২ তারিখ পর্যন্ত ৪৮টি ট্রেন চলে বাংলাদেশে।

১৮৮৭ সালে নাটোর ভিক্টোরিয়া পাবলিক লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৮৭ সালের ২৫ এপ্রিল, থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর রূপ নেয়। ১৮৮৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে। ২০০৪ সালের ২৫ এপ্রিল, ইনকিলাব: চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরের ব্যস্থ পোতাশ্রয়ের একটি দৃশ্য-চট্টগ্রাম সমুদ্র গতিশীল হয়ে উঠছে। আজ ১১৭ বছর পূর্তিেত ব্যাপক উদ্দীপনা। খ্রিষ্টপূর্ব ৪ সালে চট্টগ্রামে নিরাপদ পোতাশ্রয়ের গোড়াপত্তন হলেও কালক্রমে বিশেষ করে ৯শ' থেকে ১৫শ' সালে চট্টগ্রাম বন্দর দুনিয়াজোড়া পরিচিতি পায়।

১৮৮৯ সালে জমিদার রামরতন ব্যানার্জি ৫২ বিঘা জমির উপর শীতলক্ষ্যা পাড়ের শতকক্ষের মুড়াপাড়া জমিদার বাড়ীটি নির্মাণ করেন। ১৮৯৯ সালে তার বড় ছেলে বিজয় চন্দ্র ব্যানার্জি বাড়ীটির পরিধি আরো বর্ধিত করেন। পরবর্তী সময়ে ১৯০৯ সালে বিজয় চন্দ্র ব্যানার্জির ছোট ভাই জগদীশ চন্দ্র ব্যানার্জি জমিদারের দায়িত্ব পাবার পর বাড়ীর সীমানা আরো বৃদ্ধি করে ১০০ একরে পরিণত করেন। ১৯৪৭ সালে জমিদার জগদীশ চন্দ্র ব্যানার্জি সপরিবারে কলকাতা চলে গেলে তৎকালীন সরকারের দখলে চলে যায় বাড়ীটি। ১৯৪৮ সালে তৎকালীন সরকার বাড়ীটিতে হাসপাতাল স্থাপন করে। ১৯৬৬ সালে এখানে হাই স্কুল ও কলেজ স্থাপিত হয়। এ দোতালা জমিদার বাড়ীটিতে রয়েছে ৯৫টি কক্ষ।

১৮৯০ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার উজানচর বাজারটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৯০ সালে পাবনায় অন্নদা গোবিন্দ পাবলিক লাইব্রেরী স্থাপিত হয়।

১৮৯১ সালে নীলফামারি পাবলিক লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৯৫ সালে চট্টগ্রাম বন্দরে রেলসংযোগ: ১১৮ বছর পর মাত্র ১ শতাংশ পণ্য পরিবহন। বন্দরের হিসেবমতে, গত ২০১২-২০১৩ অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দরে মোট চার কোটি ৩৩ লাখ টন পণ্য পরিবহন করা হয়। এর মাত্র এক শতাংশের সামান্য বেশি বা চার লাখ ৫৭ হাজার টন পরিবহন করা হয় রেলপথে। সৈয়দ ফরহাদ উদ্দিন আহমদ, সচিব-চট্টগ্রাম বন্দর।

১৮৯৭ সালের ১ মে, খুলনায় উমেশ চন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরীর যাত্রা শুরু হয়।

১৮৯৮ সালের ৪ এপ্রিল, বাংলা চলচ্চিত্রের জনক হীরালাল সেন প্রথম বাংলা চলচ্চিত্র প্রদর্শন করেন।

১৮৯৮ সালের পোষ্ট অফিস এ্যাক্ট অনুসারে এতদাঞ্চলে ডাক বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বাংলাদেশে ৯,৫৪২টি পোষ্ট অফিস আছে, ১৫-১০-২০০০ তারিখের হিসেব মতে-এর কর্মচারির সংখ্যা প্রায় ৪০ হাজার।

১৮৯৮ সালে কুমিল্লা থেকে ঢাকায় এসে ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসায় শিক্ষকতা শুরু করেন মাওলানা আবদুস সোবহান। মাওলানা আবদুস সোবহানের নামে এলাকার নাম রাখা হয় 'সোবহানবাগ'। জমি কিনে বাগানবাড়ি তৈরি করেন। কুমারটুলির বাসা থেকে গাড়িতে করে সোবহানবাগের বাগানবাড়িতে আসতেন তিনি। মাওলানা আবদুস সোবহান আদিল মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরের দাদা। ১৯৪০ সালে আবদুস সোবহান মারা যান।

১৯০০ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার বালুয়াকান্দি বাজার(রূপসদী) প্রতিষ্ঠিত।

১৯০০ সালে ঢাকা বার লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯০০ সালে ফজলুল হক কলকাতা হাইকোর্টে অ্যাডভোকেট হিসেবে নথিভূক্ত হলেন।

১৯০১ সালে জগদিন্দ্রনাথ রায় প্রতিষ্ঠা করেন নাটোরের কাপুড়িয়াপট্টিতে ভিক্টোরিয়া পাবলিক লাইব্রেরী।

১৯০১ সালে কুড়িগ্রাম ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল পাবলিক লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯০১ সালে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ছিল-২ কোটি ৮৯ লাখ।

১৯০১ সালের ৭ ডিসেম্বর, বৃটিশ এক নাগরিক মি. বল্টন ঢাকার নবাববাড়ি আহসান মঞ্জিলে জেনারেটর দ্বারা প্রথম বিদ্যুৎ সরবরাহ করেন। ১৯৩০-এর দশকে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা ব্যক্তি মালিকানায় নিয়ে আসা হয় একটি স্টিল কোম্পানী (উঊঠঈঙ)'র মাধ্যমে ও বাণিঝ্যিকভাবে বিদ্যুৎ বিতরণের জন্য ১৯৩৭ সালে ধানমন্ডি পাওয়ার হাউজটি প্রথম স্থাপন করা হয়।

১৯৪৭ সালে পূর্ব পাকিস্তানে ২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ছিল। ১৯৫৭ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বিদ্যুৎ বিভাগকে সরকারের আওতায় নিয়ে আসে। পূর্ব-পাকিস্তানের পানি ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ঊচডঅচউঅ স্থাপন করা হয় ১৯৫৯ সালে এবং ১৯৭২ সালে এটি পরিবর্তিত হয়ে পিডিবি নাম ধারণ করে। ১৯৫৯ সালে ওয়াপদা গঠিত হয় এবং ১৯৬০ সালে পূর্ব পাকিস্তানে ৮৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছিল। ১৯৬৫ সালে ২০১ মেগাওয়াট; ১৯৭১ সালে ৭০০ মেগাওয়াট; ১৯৯৭ সালে আমাদের চাহিদার পরিমাণ ৩,০০০ মেগাওয়াট হওয়ার কারণে উৎপাদন হওয়ার কথা ২৯০০-৩০০০ মেগাওয়াট। সেক্ষেত্রে উৎপাদন হয়েেেছ মাত্র ১৬০০-২০০০ মেগাওয়াট। ২০০১ সালের ১৬ এপ্রিল-পল্লী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড(আরবি) এযাবৎ মোট ৩২ লক্ষ ১২ হাজার ১শত ২৮টি বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করেছে। যার মধ্যে বর্তমান সরকারের সময় ১৮ লক্ষ ১৩ হাজার ২শত ২টি বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হয়েছে। গত ৫ বছরে বিদ্যুৎ খাতে ১০ হাজার ৫শত ২৩ কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে। ২০০১ সালের ১৬ এপ্রিল, বিদ্যুৎ বিতরণ লাইনের পরিমাণ ১ লক্ষ ৭০ হাজার ৯৬৪ কিলোমিটার এবং গ্রাহক সংখ্যা ৫২ লক্ষ ৬৬ হাজার ৪৭৯টি অর্থাৎ বর্তমান সরকারের আমলে ৪৫ হাজার ৪৮৯ কিলোমিটার বিতরণ লাইন এবং ২১ লক্ষ ৬১ হাজার ৩২০টি গ্রাহক সংযোগ বৃদ্ধি করা হয়েছে। ১০-১০-২০০১ সাল থেকে ১৮-০৬-২০০৫ সাল পর্যন্ত বিদ্যুৎ গ্রাহক বেড়েছে ২৪ লাখ। গত তিন বছরে আগের গ্রাহকসংখ্যার প্রায় ৪৪ শতাংশ। ২০০১ সালের ২২ এপ্রিল, ইত্তেফাকের রিপোর্ট: হরিপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্ধোধনকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন-আগামী ২০২০ সাল নাগাদ সবার জন্য বিদ্যুৎ নিশ্চিত করা হবে। প্রকৃতপক্ষে আদৌ তা সফল হবে বলে আমার মনে হয় না, কারণ ২০০০ সালের মধ্যে সবার জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বাসস্থান নিশ্চিত হওয়ার কথা থাকলেও এ পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন হয়নি। ২০০৩ সালের ২ সেপ্টেম্বর, ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে: বাংলাদেশে মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী গ্রাহকের সংখ্যা-৭১(একাত্তর) লক্ষ। এরমধ্যে শহরে বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী গ্রাহকের সংখ্যা প্রায়-২৪(চব্বিশ) লক্ষ এবং গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী গ্রাহকের সংখ্যা-৪৭(সাতচল্লিশ) লক্ষ। দেশের শতকরা ৩২ ভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় রয়েছেন। ২০০৩ সালের ৪ সেপ্টেম্বর ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট: কর্মশালায় পিডিবির চেয়ারম্যান বলেন-আগামী ২০২০ সাল নাগাদ সবার জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে হলে ঐ সময় ১৪(চৌদ্দ) হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে ৭ ট্রিলিয়ন ঘনফুট(৭-টিসিএফ) গ্যাস সরবরাহ করতে হবে এবং দরকার ৭০(সত্তর) হাজার কোটি টাকার। ২০০৪ সালের ২৯ জানুয়ারি, ফেঞ্চুগঞ্জ দ্বিতীয় ইউনিট নির্মােণ ৫বার দরপত্র আহবান ও ঘাপলা: ২০২০-এর মধ্যে সবার জন্য বিদ্যুৎ সুদূরপরাহত। কারণ স্বাধীনতার ৩২ বছরে মাত্র ৩০০০ মেগাওয়াট নতুন বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে আমরা সক্ষম হয়েছি। এ থেকেই বোঝা যায় যে, আমাদের গতি কত ধীর। ২০২০ সালে আমাদের চাহিদা হবে ১৭,৫০০ মেগাওয়াট, এ বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে আমাদের সময় লাগবে কমপক্ষে ১০০ বছর। ২০০৫ সালের ৩০ এপ্রিল, পর্যন্ত সারাদেশে পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকসংখ্যা ৬০ লাখ ২১ হাজার ৭৯৯ জন। আলহাজ সোহরাব উদ্দিনের এক প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুৎ মন্ত্রী সংসদকে জানান।(২০০৫ সালের ২৬ জুন-এর সংসদ খবর)। ২০০৫ সালের বাংলাদেশ অর্থৈনতিক সমীক্ষায় জানানো হয়, ২০০১ সালের জুন পর্যন্ত দেশের বিদ্যুৎ গ্রাহকের সংখ্যা ছিল ৫৫ লাখ ৩০ হাজার। ২০০৪ সালের জুন মাসে বৃদ্ধি পেয়ে ৭৯ লাখ ৬০ হাজারে উন্নীত হয়েছে। ২০০৫ সালে চাহিদার পরিমাণ ৫,৫০০ মেগাওয়াট কিন্তু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৫,০০০ মেগাওয়াট থাকা সত্বেও প্রকৃত উৎপাদন হচেছ মাত্র ৩,৭০০ মেগাওয়াট। কোন সরকারই বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়মিত করতে পারেনি। কারণ জনগনের কথা ভাবেনি। সব সরকারই লুটপাটে ব্যস্ত থাকে। ২০০৬ সালের ১১ এপ্রিল, বিশেষ সংবাদদাতা: সাড়ে ৪ বছরে ৬০ শতাংশ গ্রাহক বাড়লেও উৎপাদন মাত্র ২৪ শতাংশ। সাংবাদিকদের প্রশ্নবাণে জর্জিরত বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। ২০০১ সালে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিল ৩ হাজার ৩৩ মেগাওয়াট। আর গত সাড়ে ৪ বছরে নতুন বিদ্যুৎ যোগ হয়েছে ৯১৫ মেগাওয়াট। এখন সর্বোচ্চ উৎপাদন ৩ হাজার ৭৫১ মেগাওয়াট। বৃদ্ধির হার ২৪ শতাংশ। ২০০১ সালে মোট বিদ্যুৎ গ্রাহক ছিল-৫৫ লাখ ৩ হাজার। ২০০৬ সালে মোট বিদ্যুৎ গ্রাহক হল-৮৮ লাখ ৬৭ হাজার। গ্রাহক বৃদ্ধির হার ৬০ শতাংশ। এ সময়ে ৬৮ হাজার কিলোমিটার বিতরণ লাইন সম্প্রসারণ হয়েছে। ১১ হাজার ৮২৫টি নতুন গ্রাম বিদ্যুৎ সরবরাহের আওতায় এসেছে। আগামী আগষ্ট-সেপ্টেম্বরে বার্জ মাউন্টেড উৎপাদন ইউনিটের মাধ্যমে ৩০০ থেকে ৪৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। শতকরা ২৯.৪৯ ভাগ পরিবার বিদ্যুৎ সুবিধা পায়। ১৯৯৬ সালে মাথাপিছু বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিল-৯৫ কিলোওয়াট ঘন্টা, আর ১৯৯৬ সালে সঞ্চালন লাইন ছিল-৩৪২৬-কিলোমিটার এবং বিতরণ লাইন ছিল-১ লাখ ২১ হাজার ৮১৭-কিলোমিটার। ২০০১ সালে মাথাপিছু বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিল-১২৯-কিলোওয়াট ঘন্টা, ২০০১ সালে সঞ্চালন লাইন ছিল ৩৭৩৮ কিলোমিটার এবং বিতরণ লাইন ছিল ১ লাখ ৭৬ হাজার ১৭৯ কিলোমিটার। ২০০৬ সালে মাথাপিছু বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিল-১৫৮-কিলোওয়াট ঘন্টা, আর ১৮-০৪-২০০৬ সালে সঞ্চালন লাইন ছিল ৪৩৮০ কিলোমিটার এবং বিতরণ লাইন ছিল ২ লাখ ৪২ হাজার ৮৩২ কিলোমিটার। ১৯৯৬ সালে বিদ্যুতের মোট গ্রাহক সংখ্যা ছিল ৩০ লাখ ৯০ হাজার ৮২৯ জন। ২০০১ সালে বিদ্যুতের মোট গ্রাহক সংখ্যা ছিল-৫ লাখ ৩০ হাজার। ১৮-০৪-২০০৬ সালে বিদ্যুতের মোট গ্রাহক সংখ্যা ছিল-৮৮ লাখ ৬৭ হাজার। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: ২০০১ সাল থেকে ০১-০৪-২০০৫ সাল পর্যন্ত ১২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। বিদ্যুৎখাত এখন পুরাপুরি বিপর্যস্ত। এখন জনগনের প্রতি ৫ জনে ১ জন বিদ্যুৎ পায়, তা-ও অনিয়মিতভাবে। তথ্য-বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৫,২০০ মেগাওয়াট, উৎপাদন হয় ৩,০০০ মেগাওয়াট, পিক ডিমান্ড ৪,০০০ মেগাওয়াট, ঘাটতি ১,০০০ মেগাওয়াট। ২০২০ সালে সর্বিনম্ন চাহিদা হবে ১৫,০০০ মেগাওয়াট। সাধারণ ভোক্তা-৪৩%, শিল্প-৪২%, কৃষি-৬%, বাণিজ্যিক-৯%। বাংলাদেশে মাথাপিছু বিদ্যুৎ-১২০ কিলোওয়াট(২০০৭), ভারতে-৩৫০ কিলোওয়াট, মালয়েশিয়ায়-২,৪০০ কিলোওয়াট। ''সবাইকে'' বিদ্যুৎ দেয়া হবে-২০২০ সালে (সরকারী সিদ্ধান্ত)। বাংলাদেশে বিদ্যুতায়িত গ্রামের সংখ্যা-৩৬%, ভারতে-৮৬% ও পাকিস্তানে-৫৫%। সূত্র: ইউএন এসকাপ, সিপিডি, আরইবি। ২৬-১১-২০০৯ তারিখ পল্লী বিদ্যুতের দাম ১০ শতাংশ বাড়ছে। বর্তমানে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) আওতাধীন ৭০টি সমিতির মাধ্যমে দেশের প্রায় ৪৮ হাজার গ্রামে বিভিন্ন শ্রেণীর ৭৮ লাখ ৪১ হাজার ৬৫০ জন গ্রাহকের মধ্যে সরবরাহ করা হয়। মোট বিদ্যুতায়িত লাইন দুই লাখ ১৯ হাজার ৫৪১ কিলোমিটার। গ্রাহকদের মধ্যে গৃহস্থালি পর্যােয়র গ্রাহকই হচ্ছে ৬৭ লাখ ৭৯ হাজার ৩২০ জন। বাণিজ্যিক গ্রাহক ৭ লাখ ৮২ হাজার ৪৮ জন। শিল্প এক লাখ ২৮ হাজার ২৫৫ জন। সেচ গ্রাহক এ বছর হবে দুই লাখ ৪৬ হাজার। এ ছাড়া রয়েছে ১৪ হাজারের মতো রাস্তার বাতির সংযোগ ও গ্রাহক। বিদ্যুৎ উৎপাদন (০৫-০১-২০০৯) ৩,৮৬০ মেগাওয়াট।

২০১০ সালের ৩০ মার্চ, প্রথম আলো: নতুন বিদ্যুৎ-সংযোগ বন্ধ। ০৮-০৯-২০১০ তারিখে চট্টগ্রামে একগুচ্ছ উন্নয়ন প্রকল্প ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। ডিসেম্বরের মধ্যে আরও ১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। ২০১৫ সালে সারা দেশে ১১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। ০২-০১-২০১১ তারিখ বাণিজ্য মেলা উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-এ বছর ২৩৬১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে। ২০১১ সালের ৪ আগষ্ট, প্রথম আলো: বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড চাহিদা সম্পর্কে বিভ্রান্তি। চাহিদা ও উৎপাদন সম্পর্কে যে তথ্য সরবরাহ করে, তা বিভ্রান্তিকর। গত ১৮-০৭-২০১১ তারিখ সর্বোচ্চ উৎপাদনের রেকর্ড ছিল চার হাজার ৯৩৬ মেগাওয়াট। এর আগে ১২-০৬-২০১১ তারিখ রেকর্ড ছিল চার হাজার ৮৯০ মেগাওয়াট। গত মঙ্গলবার (০২-০৮-২০১১ তারিখ) দিবাগত রাত চারটায় বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে পাঁচ হাজার ২৫ মেগাওয়াট। বিদ্যুৎ এমন একটি শক্তি, যা চাহিদার চেয়ে বেশি উৎপাদন করা যায় না। চাহিদার চেয়ে কম উৎপাদিত হলে লোডশেডিং করা হয়। কিন্তু চাহিদার বেশি উৎপাদন করে সেটা কোথাও রাখা যায় না। বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদা সাত হাজার ৫০ মেগাওয়াট আর উৎপাদন করা যায় পাঁচ হাজার মেগাওয়াট ঘাটতি থাকে দুই হাজার মেগাওয়াট।

১৯৮৫ সালের ২২ আগষ্ট, বাংলাদেশে ৬% লোক বিদ্যুৎ সুবিধা পায়।

১৯৯১ সালের ২ আগষ্ট, খনিজ ও বিদ্যুৎমন্ত্রীর ভাষ্য-বাংলাদেশে ১০(দশ) হাজার গ্রামে বিদ্যুৎ ছিল এবং ২০০২ সালের হিসেবে ২০(বিশ) হাজার গ্রামে বিদ্যুৎ আছে।

২০০০ সালের ২৬ জানুয়ারি-নীতিমালা নির্ধারণ: ২০২০ সালে সবার জন্য বিদ্যুৎ। এ কথার অর্থ ফাঁকীবাজি কথা বলা। যেমন বলা হয়েছিল যে, ২০০০ সালের মধ্যে সবার জন্য অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষা। বাস্তবে কি তা'হয়েছে। না হয়নি। এখনও শ্রমজীবী মানুষকে আশার বাণী শোনায় এবং ২০২০ সালে সবার জন্য বিদ্যুৎও হবে না।

২০০০ সালের জুন-৩(তিন) কোটি পরিবারের মধ্যে দেশে ৫২-লক্ষ পরিবার বিদ্যুৎ সুবিধা পাচ্ছে।

২০০০ সালের ২ অক্টোবর-বাংলাদেশের ৮০ ভাগ মানুষকে বিদ্যুৎবিহীন রেখে দারিদ্র বিমোচন সম্ভব নহে।

২০০০ সালের ৩১ ডিসেম্বর: দেশে শতকরা ১৭ ভাগ লোক বিদ্যুৎ সুবিধা পায়। দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ২৪ জেলায় গ্যাস সংযোগ দেয়া হয়েছে।

২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত জোট সরকারের আমলে মোট বরাদ্দ ছিল-১৪,০৪৬.১৯ কোটি টাকা। এরমধ্যে ব্যয় হয়েছে-১৩,৫১২.৩৪ কোটি টাকা। সরকারিভাবে এ সময়ে ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হলেও-বেসরকারিভাবে এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়নি।

৩০-১০-২০০২ তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে: সারাদেশকে বিদ্যুতের নেটওয়ার্কে আনতে ১৫(পনের) হাজার কোটি টাকার মহাপরিকল্পনা ঘোষণা-এ পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২০ সাল নাগাদ দেশের সকল পল্লী এলাকা বিদ্যুতায়নের আওতায় আনা হবে। এ লক্ষ্যে প্রায় ২,১০,০০০(দুই লক্ষ দশ হাজার) কিলোমিটার বিদ্যুৎ লাইন নির্মাণ এবং ৫৪০টি বিদ্যুৎ বিতরণ উপকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হবে।

৩১-০৩-২০০৩ তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে: বাংলাদেশে বিদ্যুৎ পৌঁছেছে প্রায় ৪০(চল্লিশ) হাজার গ্রামে। এ পরিসংখ্যান ঠিক নয়।

২০০৩ সালের ২৭ জুলাই, ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে: দুটি বেসরকারী বিদ্যুৎ কেন্দ্র বিক্রির প্রস্তাব করেছে সরকার। দুটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ক্ষমতা ছিল ৮১০ মেগাওয়াট।

২০০৪ সালের ২৭ জুলাই, বাসসঃ দেশে প্রতিবছর গড়ে ৮ ভাগ হারে বিদ্যুৎ চাহিদা বাড়ছে।

২০০৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর, এম. আবদুল্লাহ: লোডশেডিং-এর অন্ধকারে ঢেকে যাবে সরকারের সব সাফল্য। ২০০৬ সালে বিদ্যুৎ ঘাটতি ১(এক) হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যাবে। প্রতি বছর বিদ্যুতের চাহিদা গড়ে ৮ থেকে ১০ শতাংশ বা ৩০০(তিনশত) মেগাওয়াট হারে বৃদ্ধি পেলেও উৎপাদন সে হারে বাড়ছে না।