২০০৯ সালের ২৯ মে, প্রথম আলো: স্বজনপ্রীতি ও দলীয় বিবেচনায় সাত বছরে বিডিআরে নিয়োগ পান ১৩ হাজার জওয়ান।
২০০৯ মালের ১৮ জুন, প্রথম আলো: বিদ্রোহের ইঙ্গিত পেয়েও ব্যবস্থা নেননি বিডিআর কর্মকর্তারা। নিহত কর্মকর্তােদর মোবাইল ফোনের কথোপকথন, এসএমএস এবং বেঁচে যাওয়া কর্মকর্তােদর সাক্ষ্য থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। সদর দপ্তর, সেক্টর, ব্যাটিালিয়ন ও সীমান্ত চৌকিতে দায়িত্ব পালনকারী অসামরিক বিডিআর কর্মকর্তা-সৈনিক ও কর্মচারীর সংখ্যা কমবেশি ৭৬ হাজার।
২০০৯ মালের ১৮ জুন, প্রথম আলো: সংসদে প্রধানমন্ত্রী-বিডিআর বিদ্রোহ সম্পর্কে গোয়েন্দা সংস্থা আগাম তথ্য জানাতে পারেনি।
২০০৯ সালের ১৫ জুলাই, প্রথম আলো: বিডিআর-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যােয়র বৈঠক। ঢাকা ১২২৭ ও দিল্লি ৭৭ সন্ত্রাসীকে ফেরত চেয়েছে।
২০০৯ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো: ভবিষ্যতে বিদ্রোহ হলে সেনা আইনে বিচার। এবার হবে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ও বিডিআর আইনে। আসামি আড়াই হাজার, ছয় মাসেও তদন্ত শেষ হয়নি। দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে ন্যায়বিচার হবে কি না বিএনপির সংশয়।
২০০৯ সালের ৫ নভেম্বর, প্রথম আলো: ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিডিআর সদর দপ্তরে বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। সিডিআই সূত্র জানায়, বিডিআর বিদ্রোহের দিন পিলখানায় সাত হাজার ৭৯৪ জন বিডিআর সদস্য উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের বেশির ভাগ ওই দিন সরাসরি বিদ্রোহে অংশ নেন। তাঁদের সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও এ পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে দুই হাজার ১১৪ জনকে। তাঁদের মধ্যে বিডিআর সদস্য ছাড়াও সাধারণ নাগরিক রয়েছেন ৪৩১ জন, বিডিআরে কর্মরত সাধারণ সদস্য আছেন ৩১১ জন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, এ পর্যন্ত দুই হাজার ১০৯ জনকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। ১৬৪ ধারায় স্বাকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন ৪৭৮ জন। এ মামলার আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে দুই হাজার ৯৬৪টি। ঘটনার সময় পিলখানায় উপস্থিত ছিলেন এমন লোকদের মধ্যে ১৩৯ জনের জবানবন্দি পুলিশ সংগ্রহ করেছে। সদর দপ্তরের মামলার পাশাপাশি ঢাকার বাইরে বিদ্রোহের ঘটনায় দায়ের করা ৪০টি মামলায় এক হাজার ৭২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ১২-১১-২০০৯ তারিখ পর্যন্ত বিডিআর সদস্য মারা গেছেন ৪৮ জন।
২০১০ সালের ২ জানুয়ারি, প্রথম আলো: অধিকারের প্রতিবেদনের তথ্য। ২০০৯ সালে ১৫৪টি বিচারবহির্ভূত। প্রতিবেদনে বলা হয়, বিডিআর বিদ্রোহের পর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ৬৯ জন বিডিআর সদস্যের মৃত্যু হয়।
২০১০ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: ইন্ধনদাতার সন্ধান পায়নি সিআইডি। পুঞ্জীভূত ক্ষোভ থেকে বিডিআর বিদ্রোহ: তদন্তে পাওয়া তথ্য।
২০১০ সালের ২ মার্চ, প্রথম আলো: নির্যাতনে দুই বিডিআর নিহত। বিদ্রোহের পর মারা গেছে ৭০ জন। ঢাকার বাইরে ২৬টি স্থানে বিদ্রোহ।
২০১০ সালের ১৮ এপ্রিল, প্রথম আলো: সীমান্তের ওপারে ৩২টি ফেনসিডিল কারখানা। বিএসএফকে সুনির্দিষ্ট তালিকা দিয়েছে বিডিআর।
২০১০ সালের ১৬ মে, আমাদের সময়: প্রথমবারের মতো ডিজিটাল পদ্ধতিতে নিয়োগ দিতে যাচ্ছে বিডিআর ৭৮তম ব্যাচে দুই ধাপে লোক নিয়োগ।
২০১০ সালের ১৩ জুলাই, প্রথম আলো: পুঞ্জীভূত ক্ষোভ থেকে বিত্রোহ। পিলখানা হত্যাকান্ডের ঘটনায় অভিযোগপত্র। পিন্টু, তোরাব আলীসহ আসামি ৮২৪ জন। বাইরের কোনো ইন্ধনদাতার সন্ধান পায়নি সিআইডি। বর্ডার গার্ড আইন, ২০১০-এর খসড়া অনুমোদন। সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড।
২০১০ সালের ৮ অক্টোবর, প্রথম আলোঃ ২৫ ফেব্রুয়ারি (২০০৯) বিদ্রোহের দিন বিডিআরের কেন্দ্রীয় কোয়ার্টার গার্ডের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা লে. কর্নেল রিয়াজুল করিম এভাবেই সেদিনের অস্ত্র লুটের বিবরণ দেন। এক ঘন্টার মধ্যে লুট হয় সাড়ে তিন হাজার অস্ত্র। পিল খানায় বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় ২৪ রাইফেল ব্যাটালিয়নের ৬৬৭ জনের বিরুদ্ধে করা মামলা।
২০১০ সালের ৯ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিল, ২০১০ পাস। এখন থেকে বিডিআর (বাংলাদেশ রাইফেলস)-এর নাম থাকবে না।
২০১২ সালের ৫ জুলাই, প্রথম আলো: বিডিআর বিদ্রোহের বিচার স্থগিত ও র্যাব ভেঙ্গে দেওয়ার দাবি। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদন।
২০১২ সালের ২১ অক্টোবর, প্রথম আলো: পাঁচ হাজার ৯২৬ জওয়ানের সাজা। বিডিআর বিদ্রোহের মামলার বিচার শেষ। বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ মামলা। ১১ আদালতে বিচার কার্যক্রম। ৮৭০ জনের সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদন্ড। বিচারের মুখোমুখি হন ৬০৪৬ জওয়ান। দন্ডিতদের কারাদন্ডের পাশাপাশি ১০০ টাকা করে জরিমানা। রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ নেই।
২০১৩ সালের ৬ নভেম্বর, প্রথম আলো: আসামি-৮৫০ জন। ১৫২ জনের ফাঁসি, যাবজ্জীবন ১৬১ জনের। বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়েছে ৫৬৯ জনের। বিচার চলাকালে মারা গেছেন চারজন। পিলখানা হত্যা মামলার রায়। বিশ্বের ইতিহাসে নজিরবিহীন।
।বাংলাদেশের বিমানবাহিনী প্রধানগণ:।
| এয়ার ভাইস মার্শাল আবদুল করিম খন্দকার | ০৭.০৪.১৯৭২-১৫.১০.১৯৭৫ |
| এয়ার ভাইস মার্শাল মোহাম্মদ গোলাম তোয়াব | ১৬.১০.১৯৭৫-৩০.০৪.১৯৭৬ |
| এয়ার ভাইস মার্শাল মোহাম্মদ খাদেমুল বাশার | ০১.০৫.১৯৭৬-০১.০৯.১৯৭৬ |
| এয়ার ভাইস মার্শাল আবদুল গফুর মাহমুদ | ০৫.০৯.১৯৭৬-০৮.১০-১৯৭৭ |
| এয়ার ভাইস মার্শাল সদরুদ্দিন | ০৯.১০.১৯৭৭-২২.০৭.১৯৮১ |
| এয়ার ভাইস মার্শাল সুলতান মাহমুদ | ২৩.০৭.১৯৮১-২২.০৭.১৯৮৭ |
| এয়ার ভাইস মার্শাল মমতাজ উদ্দিন আহমেদ | ২৩.০৭.১৯৮৭-০৪.০৬.১৯৯১ |
| এয়ার ভাইস মার্শাল আলতাফ হোসেন চৌধুরী | ০৪.০৬.১৯৯১-০৩.০৬.২০০১ |
| এয়ার ভাইস মার্শাল জামালউদ্দিন আহমেদ | ০৪.০৬.২০০১-০৪.০৪.২০০২ |
| এয়ার ভাইস মার্শাল রফিকুল ইসলাম | ০৪.০৪.২০০২-০৪.০৪.২০০৩ |
| এয়ার ভাইস মার্শাল ফখরুল আজম | ০৪.০৪.২০০৩-০৭.০৪.২০০৭ |
| এয়ার মার্শাল শাহ মোহাম্মদ জিয়াউল রহমান | ০৭.০৪.২০০৭-১৭-০১-২০১৬ |
| এয়ার চিফ মার্শাল আবু এসরার | ১৭-০১-২০১৬ তারিখ থেকে |
১৯৭২ সালের ১৫ মে, পি. এস. সি.'র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। পিএসসিতে নিয়োগের কোনো আইনই হয়নি গত ৩৬ বছরে।
| ড. এ.কিউ.এম. বজলুল করিম(প্রথম কমিশন) | ১৫.০৫.১৯৭২-১৫.১২.১৯৭৭ |
| মহিউদ্দিন আহমদ | ১৫.০৫.১৯৭২-১৫.১২.১৯৭৭ |
| এম. মঈনুল ইসলাম | ২২.১২.১৯৭৭-২১.১২.১৯৮২ |
| ফয়েজ উদ্দিন আহমদ | ১২.১২.১৯৮২-৩১.০৬.১৯৮৬ |
| এস.এম. আল হোসায়নী | ০১.০৬.১৯৮৬-০১.০৫.১৯৯১ |
| অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দীন আহম্মেদ | ১৪.০৯.১৯৯১-৩১.০১-১৯৯৩ |
| মোঃ আমিন মিয়া চৌধুরী(ভারপ্রাপ্ত) | ০১.০২.১৯৯৩-০৬.০৩.১৯৯৩ |
| এস. এম. এ. ফায়েজ | ০৭.০৩.১৯৯৩-০৫.০৩.১৯৯৮ |
| প্রফেসর ড. মো. মোস্তফা চৌধুরী | ২৫.০৩.১৯৯৮-এপ্রিল, ২০০২ |
| অধ্যাপিকা জিন্নাতুননেছা তাহমিদা বেগম | ০৬.০৫.২০০২-০৮.০৫.২০০৭ |
| ড. সা'দাত হুসাইন | ০৮.০৫.২০০৭-২৩-০৮-২০১১ |
| এ. টি. আহমেদুল হক চৌধুরী | ২৪-০৮-২০১১ থেকে |
| ইকরাম আহমেদের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন | ১৩-০৪-২০১৬ তারিখ শেষ |
| ড. মোহাম্মদ সাদিক(সচিব ছিলেন) নতুন চেয়ারম্যান |
১৯৮৪ সাল থেকে বাংলাদেশে ক্যাডার সার্ভিস চালু হয়।
২০০০ সালের ১ নভেম্বর-বি. সি. এস পরীক্ষা দলীয়করণের অভিযোগ।
২০০২ সালের ১০ নভেম্বর, ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট: ২৪তম বিসিএস পরীক্ষা: পদেরসংখ্যা হলো-৪,৫৪৩টি, পদের বিপরীতে সর্বেমাট-১.৮০(এক লক্ষ আশি হাজার) ফরম জমা পড়েছে (পিএসসি)।
২০১১ সালের ২৩ নভেম্বর, প্রথম আলো: পিএসসির ১২তম চেয়ারম্যান জনাব সা'দত হুসাইন আজ বিদায় নিচ্ছেন। ২০১১ সালের ২৪ নভেম্বর, প্রথম আলো: বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) ১৩তম নতুন চেয়ারম্যান হয়েছেন কমিশনের বর্তমান সদস্য এ. টি. আহমেদুল হক চৌধুরী।
২০১২ সালের ১০ এপ্রিল, প্রথম আলো: ৩৩তম বিসিএস পরীক্ষা দিতে পারছেন না সাড়ে ১১ হাজার প্রার্থী, কারিগরি জটিলতা। নির্ধািরত সময়ে এক লাখ ৮৩ হাজার ৬২৭ জন প্রার্থী যথাযথভাবে আবেদন করেছেন।
২০১২ সালের ৮ অক্টোবর, ৩৩তম বিসিএস পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস-পিএসসির আঙুল বিজিপ্রেসের দিকে বিজি প্রেসের 'না'। আমাদের দেশে অন্ততঃ এ পর্যন্ত ৭০ বার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটেছে কিন্তু বিচার হয়নি বা শাস্তিও হয়নি।
১৯৭২ সালে আন্তর্জািতক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সদস্য হতে হলে ৫২ মিলিয়ন ডলার চাঁদা দেওয়ার শর্ত ছিল। তবে বৈদেশিক মুদ্রার অভাবে বাংলাদেশ আইএমএফের সদস্য হতে পারছিল না। তখন কানাডার দেওয়া কিছু স্বর্ণমুদ্রা উপহার হিসেবে পেয়ে বাংলাদেশ এ সংস্থার সদস্য হয়েছিল।
১৯৭২ সালে কোটিপতি ছিল ২ জন এবং ১৯৭৫ সালে ছিল ৪৭ জন কোটিপতি।
১৯৯৪ সালের হিসেব অনুযায়ী: ১ কোটি থেকে ৫ কোটি টাকা ব্যাংকে রাখা ব্যক্তির সংখ্যা ছিলো-৪৩৫ জন। সেখানে ১৯৯৮ সালে এ পরিমাণ টাকার মালিক অর্থাৎ কোটিপতির সংখ্যা ছিলো-১,৫০৭ জন।
২০০৬ সালের ৮ ডিসেম্বর, স্টাফ রিপোর্টার: সেন্টার ফর ল' রিসার্চ এন্ড সাপোর্ট আয়োজিত শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা বলেছেন-'মুক্তবাজার অর্থনীতি মুক্তির পথ নয়' এবং দুর্নীিত ও দৈত্যায়নের রাজনীতিতে ১২ লাখ দুর্বৃত্ত কোটিপতি হয়েছে।
২০০৮ সালের ১৪ মার্চ, সমকাল পত্রিকার রিপোর্ট: বাংলাদেশে ১৩ হাজার কোটিপতি আছে। ঢাকা শহরে মাত্র ৬৯টি পাবলিক টয়লেট আছে ও ঢাকা শহর পৃথিবীর সবচেয়ে নোংরা শহর।
২০০৮ সালের ১৬ জুন, আমার দেশ পত্রিকার খবর-দেশে এখন ৩৩ হাজার কোটিপতি আছে-বলেছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ।
২০১০ সালের ১৪ আগষ্ট, আমাদের সময়: বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসেব অনুসারে-২০০৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর, বাংলাদেশে ২৩,১৩০ জন কোটিপতি আছে। তাঁদের পুঁজির পরিমাণ ১,০০,৫৪৪ কোটি টাকা।
।বাংলাদেশে কোটিপতির সংখ্যা কত ২০০০ সালের ৪ জুনের তথ্যানুযায়ী:।
| ক্রমিক নং | তারিখ | কত জনের নিকট | কত কোটি টাকা |
| ৩১-১২-১৯৭৫ | মাএ ৫ জনের নিকট | ১২ কোটি টাকা |
| ৩১-১২-১৯৮১ | ২৭ জনের নিকট | ৫৪ কোটি টাকা |
| ৩১-১২-১৯৮৫ | ১৫০ জনের নিকট | ৩২৭ কোটি টাকা |
| ৩১-১২-১৯৯০ | ২২৫ জনের নিকট | ৭৩০ কোটি টাকা |
| ৩০-১২-১৯৯৬ | ১২১২ জনের নিকট | ৪,৪৫৫ কোটি টাকা |
| ৩০-০৬-১৯৯৯ | ১৮০৪ জনের নিকট | ৫,০৯৮ কোটি টাকা |
।১০ কোটি টাকার বেশী অংকের বেসরকারী একাউন্ট এবং অর্থ জমা:।
| ৩১-১২-১৯৮৪ | ২ জনের নিকট ছিল | ১০১ কোটি টাকা |
| ৩১-১২-১৯৮৭ | ৬ জনের নিকট ছিল | ১২৩ কোটি টাকা |
| ৩১-১২-১৯৯০ | ১৩ জনের নিকট ছিল | ২০৯ কোটি টাকা |
| ০৩-০৬-১৯৯৩ | ১৫ জনের নিকট ছিল | ২৯৪ কোটি টাকা |
| ৩১-১২-১৯৯৬ | ৬২ জনের নিকট ছিল | ১,৭৭৭ কোটি টাকা |
| ৩১-১২-১৯৯৮ | ৫৮ জনের নিকট ছিল | ১,৩০৭ কোটি টাকা |
| ৩০-০৬-১৯৯৯ | ৫৪ জনের নিকট ছিল | ১,১৬৫ কোটি টাকা |
| ১৯৭৫ সালে কোটি | টাকার বেশি অর্থ আছে | এমন ব্যাংক হিসাব ৪৭টি |
| ২০০১ সালে কোটি | টাকার বেশি অর্থ আছে | পাঁচ হাজার ৭৯৯টি |
| ২০১২ সালে কোটি | টাকার বেশি অর্থ আছে | ২৭ হাজার লোকের কাছে |
| ০৩-০৬-২০১২ | দুই কোটি টাকার মালিক | চার হাজার সাষষ্টি জন |
| ২০১৪ সালে এক কোটি | টাকার মালিক আছে | ৫১,৫৫০ জন ব্যক্তি |
| ২০১৫ সালে এক কোটি | টাকার মালিক আছে | ৫৭,৫১৬ জন ব্যক্তি |
সূএঃ বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকাশিত সিডিউল্ড ব্যাংক স্ট্যাটিসটিকস।
দেশে কোটি টাকার হিসাবধারী ১ লাখ ১৪ হাজার ২৬৫ জন।
| ১ | ২০১৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত | গত ৫ বছরে বেড়েছে | ৩৬ হাজার ১১৫ জন |
| ২ | ২০১১ সালে কোটি টাকার ছিলেন | ৭৮ হাজার ১৫০ জন |
| ২০১২ সালে কোটি টাকার ছিলেন | ৯০ হাজার ৬৫৫ জন |
| ২০১৩ সালে কোটি টাকার ছিলেন | ৯৮ হাজার ৫৯১ জন | এবং |
| ২০১৪ সালে কোটি টাকার ছিলেন | ১ লাখ ৮ হাজার ৯৭৪ |
| ২০১৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর | ১ লাখ ১৪ হাজার ২৬৫ | জন হিসেবধারী |
সংসদে প্রশ্নোত্তর-অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন এসব তথ্য।
১৯৭২ সালের ৭ জুলাই থেকে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিযুক্ত হন, ১৯৭৭ সালের ৮ জুলাই পর্যন্ত তিনি দায়িত্ব পালন করেন।
| বিচারপতি এম ইদ্রিস | ০৭.০৭.১৯৭২-০৮.০৭.১৯৭৭ |
| বিচারপতি এ. কে. এম. নুরুল ইসলাম | ০৮.০৭.১৯৭৭-১৭.০২.১৯৮৫ |
| বিচারপতি এ.টি.এম. মাসুদ | ১৭.০২.১৯৮৫-১৭.০২.১৯৯০ |
| বিচারপতি সুলতান হোসেন খান | ১৭.০২.১৯৯০-২৪.১২.১৯৯০ |
| বিচারপতি এম. এ. রউফ | ২৫.১২.১৯৯০-১৮.০৪.১৯৯৫ |
| বিচারপতি এ.কে.এম. সাদেক | ২৭.০৪.১৯৯৫-০৬.০৪.১৯৯৬ |
| সচিব মোহাম্মদ আবু হেনা | ০৯.০৪.১৯৯৬-০৮.০৫.২০০০ |
| সচিব এম.এ. সাঈদ | ২২.০৫.২০০০-২১.০৫.২০০৫ |
| বিচারপতি এম.এ. আজিজ | ২৩.০৫.২০০৫-২১.০১.২০০৭ |
| সচিব ড. এ. টি. এম. শামসুল হুদা | ০৫.০২.২০০৭-০৭.০২.২০১২ |
| সচিব কাজী রকিব উদ্দীন আহমেদ | ০৮.০২.২০১২.থেকে |
২০০৫ সালের ২২ মে, ৬-দফা সংস্কার প্রস্তাব দিয়ে সিইসি সাঈদের বিদায়। অষ্টম সিইসি হিসেবে ২০০০ সালের ২৩ মে, ৫ বছর আগে চ্যালেঞ্জ দিয়ে শুরু আক্ষেপ দিয়ে শেষ। ৬-দফা সংস্কার প্রস্তাবগুলো হচ্ছে-(১) ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন প্রবর্তন, (২) ইলেকট্রনিক ভোটার রোলের আইনি বিধান, (৩) পৌরসভা ও সিটি কর্পোেরশন নির্বাচনে সেনাবাহিনী নিয়োগের বিধান, (৪) পৌরসভা ও সিটি কর্পোেরশন নির্বাচনে ইলেকটোরাল ইনকুয়ারী কমিটি গঠনের বিধান, (৫) সম্পূর্ণ স্বাধীন নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ও বিসিএস নির্বাচন ক্যাডার প্রতিষ্ঠা এবং (৬) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়কে সম্পূর্ণভাবে নির্বাচন কমিশনের অধীনে ন্যস্ত করে কমিশনের নিয়ন্ত্রণে রাখা। সিইসি প্রেসিডেন্টকে জানান, এ প্রস্তাবগুলো পূর্ণাঙ্গ নির্বাচন।
২০১২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। বিদায়ী সিইসি ড. এ. টি. এম. শামসুল হুদার এ বক্তব্যকে যথার্থ বললেন রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
১৯৭২ সাল থেকে ২০০৬ সালের ১৯ আগষ্ট পর্যন্ত, বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে ১.৫(এক লক্ষ পঞ্চাশ) হাজার মানুষ এবং আহত হয়েছে ৫(পাঁচ) লক্ষাধিক। ট্রাফিক পুলিশের কর্তেব্য অবহেলা: দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। ২০০৬ সালের ২০ আগষ্ট, মিথুন কামাল।
১৯৮২ সালে তদানীন্তন সরকার এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে দুর্ঘটনার জন্য দায়ী ড্রাইভারদের সর্বোচ্চ শাস্তি ১৪-বছরের জেল এবং তাদের জামিনের অযোগ্য ঘোষণা করে বিধান প্রণয়ন করেছিলেন। কিন্তু ড্রাইভার ও বাস মালিকরা এতে ভয়ানক বিক্ষুব্ধ হলে এ শাস্তি শিথিল করে দেয়া হয়।
১৯৯৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি-যানজটে বছরে লোকসানের পরিমাণ ২০০(দুইশত)কোটি টাকা।
১৯৯৮ সালের ১১ নভেম্বর, অর্থমন্ত্রী বলেন-বণ্যাওোর পুণর্বাসন কমসূচী বিঘ্নিত হচ্ছে; হরতালে ক্ষতির পরিমাণ ৩৮৬(তিনশত ছিয়াশি) কোটি টাকা।
১৯৯৭ সালের ২৩ নভেম্বরের তথ্যানুযায়ী: জাপান ও বৃটেনের তুলনায় বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫০ গুন বেশি প্রাণহানি ঘটে।
২০-১০-২০০২ তারিখে ইত্তেফাক রিপোর্ট অনুসারে: ২০০১ সালে বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩,৩০৪ জনের প্রাণহানি ঘটিয়াছে। পংঙ্গুত্ববরণ করিয়াছে প্রায় ৪(চার) হাজার মানুষ।
৩১-১০-২০০২ তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট: যোগাযোগমন্ত্রী বলেছেন-বাংলাদেশে ৬০% থেকে ৭০% ড্রাইভিং লাইসেন্স ভূয়া।
২০০৩ সালের ১৩ এপ্রিল, প্রচন্ড ঝড়ের কবলে পড়ে কিশোরগঞ্জের নাগচিনি নদীতে দু'শতাধিক যাত্রী নিয়ে এমভি শরীয়তপুর নামক দ্বিতল লঞ্চডুবি ২১টি লাশ উদ্ধার।
২০০৩ সালের ২১ এপ্রিল, বুড়িগঙ্গা ও মেঘনায় ঘুর্ণিঝড়ের কবলে পড়ে দু'টি লঞ্চ ডুবে দেড় শতাধিক যাত্রীর প্রাণহানি। ঝড় ও বজ্রপাতে দেশের বিভিন্নস্থানে ২৭-জন নিহত।
২০০৩ সালের ৮ জুলাই, স্মরণকালের ভয়াবহ লঞ্চ দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে রাতে চাঁদপুরের কাছে মেঘনার মোহনায় এমভি নাসরিন-২ নামের একটি লঞ্চ ডুবে গেলে নিহত হন ৬০০(ছয়শত) যাত্রী। বাংলাদেশের ইতিহাসে-এর চেয়ে বড় দুর্ঘটনায় একসঙ্গে এটিই সব্র্বোচসংখ্যক মৃত্যুর ঘটনা।