২০১৪ সালের ৩ মার্চ, প্রথম আলো: বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন: অবকাঠামো বিনির্মােণ বছরে ২০১১ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ১ হাজার কোটি ডলার দরকার। তবে সড়ক সুবিধার হিসাব দিতে গিয়ে বিশ্বব্যাংক বলছে, বাংলাদেশের প্রতি এক হাজার ব্যক্তির জন্য-১ দশমিক ৬ কিলোমিটার সড়ক রয়েছে এবং ৬২৫ জনের জন্য এক কিলোমিটার সড়ক আছে। ভারতীয় ১০০০(এক হাজার) ব্যক্তির জন্য-৩ দশমিক ৫ কিলোমিটার সড়ক রয়েছে এবং ভারতে ২৮৬ জনের জন্য এক কিলোমিটার সড়ক আছে আর সবচেয়ে বেশি সড়ক রয়েছে-৯ দশমিক ৭ কিলোমিটার প্রতি হাজার ভুটানবাসীর জন্য। ভুটানবাসীর-১০৩ জনের জন্য এক কিলোমিটার সড়ক আছে।
২০১৪ সালের ৪ আগস্ট, প্রখম আলো : অব্যবস্থাপনার বলি নিরীহ যাত্রীরা। ৩০০ যাত্রী নিয়ে লঞ্চডুবি, দুজনের লাশ উদ্ধার নিখোঁজ-১২৫ জন। দুই দশকে নিখোঁজ ও মৃত্যুর খতিয়ান। যখন বড় কোনো দুর্ঘটনা হয়, তখন সরকারের মধ্যে নড়াচড়া শুরু হলেও তা একসময় থেমে যায়। কেউই শাস্তি পায় না। এরপর আবার দুর্ঘটনা বাড়ে, মৃত্যুর মিছিলও বাড়ে। ১৯৯৪-২০১৪ সালে সরকারের হিসেবে-৩৮৯ দুর্ঘটনা আর বেসরকারি হিসেবে-৬৫৮ দুর্ঘটনা। সরকারের হিসেবে মৃত্যু-২৯০০ আর বেসরকারি হিসেবে-৫৫০০ জন। সরকারের হিসেবে নিখোঁজ ৬০০ আর বেসরকারি হিসেবে-১৫০০ জন। ২০ বছরে মৃত্যু-৫,৫০০ জন এবং নিখোঁজ ১,৫০০ জন।
২০১৪ সালের ৯ আগস্ট, প্রথম আলো : ঝুঁকি নিয়ে দেড় হাজার লঞ্চ চলছে সারা দেশে। সমন্বয় নেই নৌ সংস্থাগুলোর।
২০১৪ সালের ২১ অক্টোবর, প্রথম আলো : ওভারটেক করতে গিয়ে দুটি বাস মুখোমুখি। ২০-১০-২০১৪ তারিখ নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার রেজির মোড়ে নাটোর-ঢাকা মহাসড়কে যাত্রীবাহী দুটি বাসের মুখোমুখী সংঘর্ষে ৩২ জন নিহত হয়েছেন এবং ২২ জন আহত হয়েছেন।
২০১৪ সালের ২২ অক্টোবর, প্রথম আলো : বেপরোয়া গতি, চালকের জন্যই ৯১% দুর্ঘটনা। ঢাকায় সবচেয়ে বেশি মারা যায় পথচারী। সড়ক দুর্ঘটনার কারণ-অতিরিক্ত গতি ৫৩.২৮%, বেপরোয়া চালক ৩৭.৩৮%, পথচারীদের ভুল ৩.৫৬% ও অন্যন্য ৫.৭৮%। ১৪ বছরে প্রাণহানি ৪২ হাজার ৫২৬ জন। সূত্র : এআরআই, বুয়েট।
২০১৫ সালের ১ জানুয়ারি, প্রথম আলো : গত বছর সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ৬ হাজার ৫৮২ জনের। আহত হয়েছে-১০ হাজার ৭৭০ জন। ২০১৪ সালে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা ২ হাজার ৭১৩ জন। আবার ২০১৩ সালে দুর্ঘটনা ৭৫০টি।
২০১৫ সালের ২২ জুলাই, প্রথম আলো : বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম সংযোগ সড়ক। প্রাণঘাতী ২২ কি.মি. ৭ মাসে নিহত ৭১ জন। বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম সংযোগ সড়কে দুর্ঘটনা। ১৭ বছরে-মোট প্রাণ হারিয়েছে-৪২৮ জন।
২০১৫ সালের ২৪ জুলাই, প্রথম আলো : সড়ক দুর্ঘটনা কমছে না। এক দশক ধরে শুধুই সিদ্ধান্ত প্রয়োগ নেই। মহাসড়কে অটোরিকশা, নছিমন, করিমন, ভটভটি চলাচল বন্ধ হয়নি।
২০১৫ সালের ১৫ আগস্ট, প্রথম আলো : ১৭৫২ কিলোমিটার মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত হবে : সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী-ওবায়দুল কাদের বলেছেন।
২০১৫ সালের ২৫ আগস্ট, প্রথম আলো : সড়ক দুর্ঘটনা-চালকের বিরুদ্ধে ৩০২ ধারায় মামলা করা যাবে না। এ ধারায় সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদন্ড-এখন শাস্তি সর্বোচ্চ তিন বছর।
২০১৫ সালের ১০ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো : ১৪ শতাংশ সড়ক ভাঙা।
২০১৫ সালের ১৮ অক্টোবর, প্রথম আলো: ৪৪ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় তিন লাখ প্রাণহানি।
২০১৫ সালের ২০ অক্টোবর, প্রথম আলো: ডবিস্নউএইচওর প্রতিবেদন-বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় বছরে মৃত্যু ২১ হাজার। সড়ক দুঘটনার ক্ষতি মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের (জিডিপি) ১ দশমিক ৬ শতাংশের সমান।
২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর, প্রথম আলো: সড়ক দুর্ঘটনার ৫৯% মামলা মাটিচাপা।
১৯৭৩ সালের ১৪ এপ্রিল, প্রথম সংবিধানের সংশোধনী বিল-১৯৭৩ (১) ১ম সংসদে ৪টি সংবিধানের সংশোধনী পাস হয়। ১৯৭৩ সালের (জুলাই মাসে) ১৪ এপ্রিল, ১ম সংবিধানের সংশোধনী পাস হয়-মুক্তিযুদ্ধকালে গণহত্যাজনিত অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী বিচারের বিষয়টি ছিল। ১৯৭৩ সালের (২২ সেপ্টেম্বর) ২০ সেপ্টেম্বর, ২য় সংবিধানের সংশোধনী পাস হয়-এ সংশোধনীর মাধ্যমে প্রেসিডেন্টকে জরুরী অবস্থা ঘোষণার ক্ষমতা দেয়া হয়। ১৯৭৪ সালের (২৮ নভেম্বর) ২৩ নভেম্বর, তৃতীয় সংবিধানের সংশোধনী পাস হয়-এতে বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তবর্তী অঞ্চলসমূহের বিভাজন ও ছিটমহলগুলোর ব্যবহার সংক্রান্ত মুজিব-ইন্দিরা দিল্লী চুক্তি কার্যকর করা হয়। ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি, ৪র্থ সংবিধানের সংশোধনী পাস হয়-এর মাধ্যমে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পরিবর্তে একদলীয় বাকশাল কায়েম এবং সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিলোপ করে প্রেসিডেন্ট শাসিত পদ্ধতি প্রবর্তেনর মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমান আপনাআপনি প্রেসিডেন্ট হিসেবে আবির্ভূত হন। (২) দ্বিতীয় জাতীয় সংসদে ৫ম ও ৬ষ্ঠ-এ দুটি সংশোধনী আনা হয়। ১৯৭৯ সালের ৬ এপ্রিল, ৫ম সংবিধানের সংশোধনী পাস হয়-এতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত সামরিক শাসনের অধীনে গৃহীত সকল পদক্ষেপের বৈধতা দেয়া হয়। এ সংশোধনীতে সংবিধানের প্রস্তাবনায় 'বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম' সংযোজন করা হয়। ১৯৮১ সালের (১০ জুলাই) ৮ জুলাই, ৬ষ্ঠ সংবিধানের সংশোধনী পাস হয়-ভাইস প্রেসিডেন্ট পদ থেকে প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচন করার সুযোগ সৃষ্টির জন্য বিচারপতি আবদুস সাত্তার এ সংশোধনী পাস করেন।
(৩) তৃতীয় জাতীয় সংসদে ৭ম সংবিধানের সংশোধনী পাস হয়। ১৯৮৬ সালের (১১ নভেম্বর) ১০ নভেম্বর, ৭ম সংবিধানের সংশোধনী পাস হয়-এ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ থেকে ১৯৮৬ সালের ১১ নভেম্বর পর্যন্ত এরশাদের সামরিক শাসনামলে জারিকৃত সকল ফরমান, আদেশ-নির্দেশ, বিধি এবং কৃত অন্যান্য কর্মকান্ডকে বৈধতা দেয়া হয়। (৪) ৪র্থ জাতীয় সংসদে ৮ম, ৯ম ও ১০ম সংবিধানের সংশোধনী পাস হয়। ১৯৮৮ সালের (৯ জুন) ৭ জুন, ৮ম সংবিধানের সংশোধনী পাস হয়-এ সংশোধনীর মাধ্যমে ইসলামকে রাষ্ট্রীয় ধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। ১৯৮৯ সালের (১১ জুলাই) ১০ জুলাই, ৯ম সংবিধানের সংশোধনী পাস হয়-এর মাধ্যমে নির্বািচত ভাইস প্রেসিডেন্টের পদ সৃষ্টি এবং একই সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধান করা হয়েছিল। ১৯৯০ সালের ১২ জুন, ১০ম সংবিধানের সংশোধনী পাস হয়-এ সংশোধনীর মাধ্যমে মহিলাদের জন্য ৩০টি আসন সংরক্ষণ এবং প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সম্পর্কিত সংবিধানের বাংলা ভাষা সংশোধন করা হয়। (৫) ৫ম জাতীয় সংসদে ১১তম ও ১২তম সংবিধানের সংশোধনী পাস হয়। ১৯৯১ সালের ৬ আগষ্ট, ১১তম ও ১২তম সংবিধানের সংশোধনী একই দিনে পাস হয়। ১১তম সংশোধনীতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের নিয়োগ, ক্ষমতা প্রয়োগ এবং গৃহীত সকল পদক্ষেপ বৈধ করতে সংবিধানের একাদশ সংশোধনী পাস করা হয়। তারপর ঐতিহাসিক ১২তম সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পূনঃপ্রবর্তন করা হয়। (৬) ৬ষ্ঠ জাতীয় সংসদে ১৩তম সংবিধানের সংশোধনী পাস হয়। ১৯৯৬ সালের ২৬ মার্চ, ১৩তম সংবিধানের সংশোধনী পাস হয়-ভোররাতে পাসকৃত ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধান করা হয়েছে। (৭) ৭ম জাতীয় সংসদে সংবিধানের কোন প্রকার সংশোধনী পাস হয়নি কারণ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে কিন্তু আওয়ামী লীগের দুই তৃতীয়াংশ সংসদ সদস্য ছিল না বলে সংবিধানের সংশোধন আনতে পারেনি। (৮) ৮ম জাতীয় সংসদে ১৪তম সংবিধানের সংশোধনী পাস হয়। ২০০৪ সালের ১৬ মে, ১৪তম সংবিধানের সংশোধনী পাস হয়-এতে সংযোজন করা হয় জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩০ থেকে ৪৫টিতে উন্নীত করে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে বন্টন ব্যবস্থা করা হয়। (৯) ৯ম জাতীয় সংসদের ২০১১ সালের ৩০ জুন, অর্থাৎ বৃহস্পতিবার পাস হয় বহুল আলোচিত সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী বিল। এ বিলটির মাধ্যমে দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে থাকা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্ত, বর্তমান সরকারের মেয়াদেই অর্থাৎ পাঁচ বছর মেয়াদ শেষ হওয়ার ৯০ দিন পূর্বেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান, রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতি পুনঃপ্রবর্তন, রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম ও বিসমিল্লাহ থাকলেও ধর্মিনরপেক্ষতা ও সকল ধর্মের স্বাধীনতা নিশ্চিত ক রা হয়। নির্বাচন কমিশনে দু'জন কমিশনারও বাড়ানো হয়। ২০০৫ সালের ৩০ আগষ্ট, ইনকিলাবের স্টাফ রিপোর্টার: সংবিধানের ৫ম সংশোধনী অবৈধ: হাইকোর্ট। মোস্তাক, সায়েম ও জিয়ার ক্ষমতা গ্রহণ বেআইনী। সুপ্রিম কোর্টের-আপীল বিভাগে স্থগিত। ৫ম সশোধনী বাতিল হলে দেশে সাংবিধানিক সংকট দেখা দেবে-বিচারপতি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী। ৫ম সংশোধনী বাতিল হলে ওলট-পালট হয়ে যাবে গোটা রাষ্ট্রব্যবস্থা। আওয়ামী লীগের প্রতিক্রিয়া-জজ সাহেবদের ভাল পদক্ষেপ। স্বাধীন বাংলাদেশের ৩২ বছরে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে ১৪টি সংশোধনী হলেও ৫ম সংশোধনীর মত এত ব্যাপকতর সংশোধন-সংযোজন-বিয়োজন কমই হয়েছে।
১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আমলে সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনী পাস করে বাংলাদেশে সংসদীয় পদ্ধতির পরিবর্তে প্রেসিডেন্ট শাসিত সরকার কায়েম। সংসদে কোনো আলোচনা ছাড়াই বিলটি উত্থাপনের মাত্র এক ঘন্টার মধ্যেই তা পাশ হয়।
১৯৭৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রচলিত সকল রাজনৈতিক দল বাতিল ও বেআইনী ঘোষণা করে 'বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ'(বাকশাল) নামে একটি জাতীয় দল গঠন করেন।
১৯৭৫ সালের ১৬ জুন সংবাদপত্রের 'কালো দিবস'। ১৯৭৫ সালের এই দিনে তৎকালীন একদলীয় বাকশাল সরকার মাত্র ৪টি সংবাদপত্র সরকারী মালিকানায় নিয়ে দেশের অন্য সব সংবাদপত্র ও সাময়িকী বন্ধ করে দেয়। সেই থেকে সাংবাদিকরা ১৬ জুন সংবাদপত্রের কালো দিবস হিসেবে পালন করে আসছে।
১৯৮৬ সালের ১০ নভেম্বর, বাংলাদেশের সংবিধানের ৭ম সংশোধনী গৃহীত হয়। এতে সামরিক আইন প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।
১৯৮৯ সালের ১০ জুলাই,বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে সংবিধানের ৯(নবম) সংশোধনী পাশ।
২০০৪ সালের ১৬ মে, জাতীয় সংসদে সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনী বিল পাস: আওয়ামী লীগ অনুপস্থিত * পক্ষে ২২৬ ভোট * বিপক্ষে ১। আগামী ১০ বছরের জন্য মহিলা আসন সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদের সদস্য সংখ্যা অনুসারে হবে। মহিলা সংরক্ষণ করা হয়েছে ৪৫টি। সংবিধান সংশোধনী আনা হয়েছে শেখ মুজিবের আমলে ৪(চার) বার মানে ৪র্থ সংশোধনী পর্যন্ত। এরশাদের আমলে সংবিধানের সংশোধনী আনা হয়েছে ৪(চার)বার মানে ৮ম সংশোধনী পর্যন্ত। জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়ার আমলে সংবিধান সংশোধনী আনা হয়েছে ৬(ছয়) বার।
২০০৫ সালের ৩০ আগষ্ট, ইনকিলাবের স্টাফ রিপোর্টার: সংবিধানের ৫ম সংশোধনী অবৈধ: হাইকোর্ট (২৯-০৮-২০০৫ তারিখ)। মোস্তাক, সায়েম ও জিয়ার ক্ষমতা গ্রহণ বেআইনী। সুপ্রিম কোর্টের-আপীল বিভাগে স্থগিত। ৫ম সশোধনী বাতিল হলে দেশে সাংবিধানিক সংকট দেখা দেবে-বিচারপতি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী। ৫ম সংশোধনী বাতিল হলে ওলট-পালট হয়ে যাবে গোটা রাষ্ট্রব্যবস্থা। আওয়ামী লীগের প্রতিক্রিয়া-জজ সাহেবদের ভাল পদক্ষেপ। স্বাধীন বাংলাদেশের ৩২ বছরে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে ১৪টি সংশোধনী হলেও ৫ম সংশোধনীর মত এত ব্যাপকতর সংশোধন-সংযোজন-বিয়োজন কমই হয়েছে।
২০০৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর, ইনকিলাব পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার: হাইকোর্ট সীমা লংঘণ করেছে-এর্টিন জেনারেল। ৫ম সংশোধীর রায় ২ মাস স্থগিত।
২০০৫ সালের ৩ সেপ্টেম্বর, ইনকিলাব-শাহীন রাজা: বিরোধীদলের আন্দোলনে নতুন মাত্রা-সংবিধানের ৫ম সংশোধনী। সম্প্রতি হাইকোর্টের রায়ে সংবিধানের ৫ম সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা ও সুপ্রিম কোর্টে তা স্থগিত হওয়ার পর সরকারবিরোধী আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ হতে যাচ্ছে। এ রায়কে পুঁজি করে আওয়ামী লীগসহ ১৪-দল সরকারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সারাদেশে প্রচার চালাবে।
২০০৫ সালের ৪ ডিসেম্বর, স্টাফ রিপোর্টারঃ মাইনরিটি ল'ইয়ার্স এসোসিয়েশন কনভেনশনে বক্তরা-এ সংবিধান ছুঁড়ে ফেলে দিতে হবে। ১৯৭২ সালের সংবিধান পুনরুদ্ধার করতে হবে।
২০১০ সালের ২৮ আগষ্ট, জনকন্ঠ পত্রিকার রিপোর্টঃ ২০০৫ সালের ২৯ আগষ্ট, বিচারপতি এ. বি. এম. খায়রুল হক এবং বিচারপতি এ. টি. এম. ফজলে কবীর সংবিধানের ৫ম সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেন। ২০১০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, সংবিধানের ৫ম সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে আপীল বিভাগ রায় ঘোষণা করে; তৎকালীণ প্রধান বিচারপতি মোঃ তাফাজ্জাল ইসলাম পিন পতন নীরবতার মধ্যে ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন। ২৭-০৭-২০১০ তারিখ সুপ্রীমকোর্টের আপীল বিভাগ ৫ম সংশোধনী মামলার পুর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করে। আবার ২০১০ সালের ২৬ আগষ্ট, বিচারপতি এ. এইচ. এ. শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক এবং বিচারপতি মোঃ জাকির হোসেন ৭ম সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর পরই রিটকারীর আইনজীবী আপীল করার জন্য সার্টিফায়েড কপি সংগ্রহ করেছেন। এখন বিষয়টি আপীল বিভাগে গিয়ে নির্ধািরত হবে।
২০১৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো : ১৭ সেপ্টেম্বর, সংসদে সংবিধানের ষোড়শ সংসশোধনী বিল পাস হয়। এর মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউনসিলের কাছ থেকে সংসদের কাছে ন্যস্ত হয়েছে। বিলটির পক্ষে ভোট পড়ে ৩২৭টি। বিপক্ষে কোনো ভোট পড়েনি। বাংলাদেশ সংবিধানের ১৬তম সংশোধনী হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে সংসদের কাছে সর্বময় ক্ষমতা হস্তান্তর। বিচারপতিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্তা নেবে সংসদ। তিনশত সাতাশ জন সংসদ সদস্য সংসদে উপস্থিত ছিলেন।
১৯৭৪ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি, বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারী শুরু।
(১) ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল-৭ কোটি ১৪ লাখ।
১৯৮১ সালে দেশে দ্বিতীয় আদমশুমারি শুরু হয়।
(২) ১৯৮১ সালে ছিল-৮ কোটি ৭১ লাখ।
(৩) ১৯৯১ সালে ছিল-১০ কোটি ৬৩ লাখ।
(৪) ২০০১ সালে ছিল-১৩ কোটি। (১) পুরুষ ৬.৭১ ও (২) ৬.২৯ কোটি নারী এবং বৃদ্ধির হার ১.৫৮%।
(৫) ২০১১ সালে ১৪ কোটি ৯৮ লাখ। সালে বৃদ্ধির হার ছিল ১.৩৭%।
(৬) ২০১২ সালের ১৬ জুলাই, ১৫ কোটি ২৫ লাখ ১৮ হাজার ০১৫ জন। (১) ৭.৬৪ কোটি পুরুষ ও ৭.৬২ কোটি নারী।
১৯৭৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি, ডিএমপি প্রতিষ্ঠার সময় রাজধানীর জনসংখ্যা ছিল ৩২ লাখ।
২০০৪ সালের ২৭ মে, অর্থৈনতিক রিপোর্টারঃ ২০০১ সালের শুমারি অনুসারে বাংলাদেশের ৪২ শতাংশ পরিবারের চাষযোগ্য কোন জমি নেই। দারির্দয বিমোচন সংলাপে তথ্যপ্রকাশ।
২০০৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর, ইনকিলাব পত্রিকার রিপোর্ট: ইউএনএফপিএ'র রিপোর্ট: বাংলাদেশের জনসংখ্যা-১৫ কোটি: ৪০ ভাগই দারিদ্র সীমার নীচে। সারাবিশ্বে জন্মহার ১.২ হলেও বাংলাদেশের জন্মহার ২। এ হারে জনসংখ্যা বাড়লে ২০৫০ সালে দেশের জনসংখ্যা হবে ২৬ কোটি ৫৪ লাখ। বর্তমানে বিশ্বের মোট প্রজনন হার ২.৬৯ এবং বাংলাদেশের ৩.৪৬। বর্তমানে বাংলাদেশে ১৫ বছরের নীচে নারী শিক্ষার হার ৬৯ ভাগ এবং পুরুষ ৫০ ভাগ। বর্তমানে বিশ্বের জনসংখ্যা-৬শ' ৩৭ কোটি ৭৬ লাখ। ২০৫০ সালে বিশ্বের জনসংখ্যা-৯৩০(নয়শত ত্রিশ) কোটি বা ১,০০০ কোটি। পৃথিবীর ২শ' ৮০ কোটি লোক অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার প্রতি ৫ জনের ২ জন এখনও দৈনিক মাথাপিছু ২-ডলারের কমে জীবন-যাপন করে।
২০০৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর, স্টাফ রিপোর্টারঃ দেশে বর্তমানে প্রায় ১১ লাখ খৃষ্টান আছে।
২০০৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর, অর্থৈনতিক রিপোর্টার: ২০৩০ সালে দেশের ৪টি মহানগরীর জনসংখ্যা হবে-১০ কোটি। বিশ্ব ব্যাংকের উন্নয়ন ডাটাবেজ সূচকে এ সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।