২০০৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর, বাসস: ২০২৫ সাল নাগাদ দেশে বৃদ্ধ লোকের সংখ্যা ১ কোটি ৬০ লাখে দাঁড়াবে।

২০০৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি, ঢাকার রাবিতা আল-আলম আল-ইসলামের তথ্যানুযায়ী উর্দুভাষী বাংলাদেশীদের মোট সংখ্যা হলো-২ লাখ ৩৭ হাজার ৪৩০ জন। এরমধ্যে ক্যাম্পে থাকে-১ লাখ ২৬ হাজার ২৮৪ জন। ক্যাম্পের বাইরে থাকে-১ লাখ ১১ হাজার ১৮২ জন।

২০০৬ সালের ২৭ এপ্রিল, বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার: ২০২৫ সাল নাগাদ জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে মুসলমানরা থাকবে শীর্ষে। ইউনিভারর্সিিট অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি চিটাগাং-এর জনসেবা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জাতীয় অধ্যাপক ও ইউনিভার্সিিটর প্রতিষ্ঠাতা ভিসি ড. নুরুল ইসলাস ওয়েবসাইট থেকে এ সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেছেন। প্রতি বছর বিশ্বের মোট জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ২.৩%। আর মুসলমানের বৃদ্ধির হার বিশ্বজনসংখ্যার ২.৯%। ১৯০০ সাল থেকে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত জনসংখ্যার খ্রিস্টান অপরদিকে মুসলমানের সংখ্যা বৃদ্ধির প্রমাণ পাওয়া যায়। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ১৯০০ সালে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ২৬.৯% ছিল খ্রিস্টান অপরদিকে মুসলমানের সংখ্যা ছিল ১২.৪%। ১৯৮০ সলে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৩০% ছিল খ্রিস্টান অন্যদিকে ১৬.৫% ছিল মুসলমান জনসংখ্যা। ২০০০ সালের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ২৯.৯% ছিল খ্রিস্টান আর মুসলমানের সংখ্যা ছিল ১৯.২%। বিশ্বে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত জনসংখ্যার মধ্যে মুসলমানের বৃদ্ধির হার খ্রিস্টানদের চেয়ে বেশী। এভাবে বাড়তে থাকলে আগামী ২০২৫ সালে বিশ্বজনসংখ্যার ২৫% হবে খ্রিস্টান আর ৩০% হবে মুসলমান।

২০০৮ সালের ১৬ জানুয়ারি, বাংলাদেশে বছরে জনসংখ্যা বাড়ছে ২০/২৫ লাখ করে। ২০৩৭ সালে দেশের জনসংখ্যা হবে-২১ কোটি এবং ২০৫১ সালে হবে-২৮ কোটি ছাড়িয়ে যাবে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির এ উধ্র্বগতি রীতিমতো উদ্বেগজনক। বৃদ্ধির এ গতি রোধ করা না গেলে দেশের সব উন্নয়ন পরিকল্পনাই ভেস্তে যেতে পারে।

২০০৯ সালের ২১ জানুয়ারি, প্রথম আলো: জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার না কমালে সমস্যা বাড়বে প্রতি ক্ষেত্রে।

২০০৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো: এক সন্তানের দম্পতি রাষ্ট্রের কাছে বিশেষ সুবিধা পাবেন। এক সন্তানের দম্পতিকে চাকরি, ঋণ, সরকারি সহায়তা, সন্তানদের স্কুলে ভর্তিসহ নানা ক্ষেত্রে সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে মানুষ সন্তান কম নিতে উৎসাহী হবেন। এখন নতুন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হচ্ছে। খসড়া নীতিমালায় ২০১৫ সালে এনএনআর-১ অর্জেনর কথা বলা হচ্ছে। সেই প্রাক্কলন অনুযায়ী ২০৭০ সালে দেশের জনসংখ্যা স্থিতিশীল হবে। তখন জনসংখ্যা হবে ২৫ কোটি। আমার কথা জনসংখ্যা হবে-২৮ কোটি।

২০০৯ সালের ১২ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: ঢাকায় মানুষ আর মানুষ। প্রতিদিন ২১৩৬ জন রাজধানীতে ঢুকছে। প্রতিদিন শতাধিক নতুন গাড়ি রাস্তায় নামছে। বংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০৭ সাল পর্যন্ত রাজধানীতে নিবন্ধনকৃত যানবাহনের সংখ্যা ছিল ১০ লাখ ৫৪ হাজার। ২০০৯ সালে হবে-১১ লাখ। এরমধ্যে আছে মোটরগাড়ি, জিপ, মাইক্রোবাস, বাস, মিনিবাস, ট্রাক, অটোরিকসা, মোটরসাইকেল ইত্যাদি। উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে-সারা দেশে সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ৮২টি, এরমধ্যে ৬০টি ঢাকা শহরে। ৩৮টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের ৩২টি ঢাকায়। তথ্য অনুযায়ী ছয়টি বিভাগে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় এক কোটি সাত লাখ ৭৩ হাজারের কিছু বেশি শিক্ষার্থী এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৩০ লাখ ৩০ হাজার (২৮ শতাংশ) ঢাকা বিভাগে। দেখা যায় সবচেয়ে বেশি স্কুল চট্টগ্রাম বিভাগে (৭০৬)টি, আর ঢাকা বিভাগে ৫৮৫টি। পোশাকশিল্পের ১৮ লাখ শ্রমিক, ১০ লাখ নির্মাণ শ্রমিক ও ৫ লাখ রিকসাশ্রমিক বাস করছে। দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৪ শতাংশ আর ঢাকা শহরে বৃদ্ধির হার চার শতাংশ। নাগরিক সমস্যা গভীরতর হচ্ছে। দিন দিন ঢাকা শহরে পানির সমস্যা প্রকট হচ্ছে। এ শহরের মানুষের জন্য প্রতিদিন ২ দশমিক ১ বিলিয়ন লিটার পানির প্রয়োজন। ওয়াসা ৪০০ গভীর নলকুপের মাধ্যমে ১ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন লিটার পানি সরবরাহ করে। বর্তমানে ৪৬ মিটার নিচ থেকে পানি উত্তোলন করতে হচ্ছে। আট বছর আগে ২৬ মিটার নিচে পানি পাওয়া যেত। আর ৩০ বছর আগে মাটির ১১ মিটার নিচ থেকে পানি পাওয়া যেত। ঢাকা শহরের মানুষ গ্যাসের সমস্যায় ভুগছে, দিন দিন এই সমস্যা প্রকট হচ্ছে। একই সমস্যা বিদ্যুৎ নিয়ে। সারা দেশে চার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়, এর ৪০ শতাংশ ব্যবহার করে ঢাকাবাসী মানে ১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।

২০১০ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: সংসদে প্রশ্নোত্তরে দেশে বসতভিটাহীন পরিবারের সংখ্যা ১৪ লাখ ৯১ হাজার ৮৫৫টি। আর শুধু বসতভিটা আছে এমন পরিবারের সংখ্যা ২১ লাখ ৬২ হাজার ৮০৩টি। বসতভিটাসহ পাঁচ শতাংশের কম ভূমি রয়েছে এমন পরিবারের সংখ্যা ৪০ লাখ ৬ হাজার ১৩৭টি।

২০১০ সালের ৯ মার্চ, প্রথম আলো: দেশে প্রজনন হার ২ দশমিক ৭ শতাংশে নেমে এসেছে। ২০০১ সালে ছিল ৩ শতাংশ। সত্তরের দশকে ছিল ৬ দশমিক ৩ শতাংশ।

২০১০ সালের ২১ অক্টোবর, প্রথম আলো: জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। দেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির অন্যতম কারণ জনসংখ্যা: গতকাল বুধবার (২০-১-২০১০ তারিখ) রাজধানীর একটি হোটেলে 'বিশ্ব জনসংখ্যা পরিস্থিতি ২০১০'-এর প্রকাশনা অনুষ্ঠানে খাদ্যমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক এ কথা বলেন।

২০১০ সালের ১০ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির জনসংখ্যা ১৩ লাখ ৩১ হাজার ৩২৪ জন। এরমধ্যে মুসলমান পাঁচ লাখ ৬২ হাজার ৯৪৭ জন, বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী পাঁচ লাখ ৯৫ হাজার ৩৭৬ জন, হিন্দু এক লাখ ২৪ হাজার ৯১ জন, খ্রিষ্টান ৩১ হাজার ৭২ জন এবং অন্যান্য ধর্মের রয়েছে আট হাজার ১৩৮ জন। এ তিন জেলায় ৯০৭টি মসজিদ, ৮১১টি মন্দির, ৩৭৫টি গির্জা এবং ৫২৬টি প্যাগোডা বা বৌদ্ধবিহার রয়েছে।

২০১১ সালের ১৫ মার্চ, প্রথম আলো: দেশে ৫ম আদমশুমারি শুরু হয়েছে। দেশে সর্বপ্রথম ১৯৭৪ সালে আদমশুমারি হয়। এরপর ১৯৮১, ১৯৯১ ও ২০০১ সালে আদমশুমারি ও গৃহগণনা হয়। এতে ৪ লাখ লোক গণনার কাজে নিয়োজিত ছিল এবং বাজেট ছিল ২৫২ কোটি টাকা। আর ১৫-০৩-২০১১ তারিখ থেকে ১৯-০৩-২০১১ তারিখ পর্যন্ত গণনার কাজ চলবে।

২০১১ সালের ১৯ জুলাই, দৈনিক জনকন্ঠ: ফের সংবাদ সম্মেলন: দেশের জনসংখ্যা ১৫ কোটিতে পৌঁছতে পারে।। বিবিএস ডিজি। ১৬ জুলাই দেশের জনসংখ্যা ১৪ কোটি ২৩ লাখ ১৯ হাজার ঘোষণা করার একদিন পর ১৭ জুলাই তা ১৫ কোটিতে পৌঁছতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিবিএসের মহাপরিচালক শাহজাহান আলী মোল্লা। আর পঞ্চম আদমশুমারির চূড়ান্ত প্রতিবেদন ২০১২ সালের মার্চ মাসে প্রকাশ করার ঘোষণা দেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের সিআই বলছে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৫ কোটি ৮৬ লাখ আর মিডিয়া বলছে ১৬ কোটি।

২০১১ সালের ২০ জুলাই, প্রথম আলো: পঞ্চম আদমশুমারির ফলাফল। কৃষি মন্ত্রণালয়ের আপত্তি। বিবিএসের হিসাবে ২০১০-২০১১ সালে দেশে মোট চালের উৎপাদন হয়েছে তিন কোটি ৩৩ লাখ টন। আর কৃষি মন্ত্রণালয়ের হিসাবে মোট উৎপাদন তিন কোটি ৪০ লাখ টন। সব মিলিয়ে জনসংখ্যা ১৬ কোটি হতে পারে।

২০১১ সালের ১৪ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: দেশে প্রতিবছরে ২২ লাখ মা গর্ভধারণ করেন। তাঁদের ৫৪ শতাংশ প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীর (চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্য সহকারী, দাই) কাছে প্রসব-পূর্ব সেবা পান। ২৭ শতাংশ মা সন্তান জন্ম দেওয়ার সময় প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীর সেবা পান। আর প্রসব-পরবর্তী সেবা পান ২৩ শতাংশ।

২০১২ সালের ১০ এপ্রিল, প্রথম আলো: জনসংখ্যা ১৪ কোটি ৮০ লাখ। প্রায় ৪% মানুষ গণনা থেকে বাদ পড়েছিল। প্রাথমিক ফলাফলে দেশের জনসংখা ছিল ১৪ কোটি ২৩ লাখ। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৩৪ শতাংশ। প্রতি বর্গিকলোমিটারে বাস করে ৯৬৪ জন। ২০১১ সালের ১৯ জুলাই, দৈনিক জনকন্ঠ: জনসংখ্যা ১৪ কোটি ৮০ লাখ। ঢাকা সিটি নির্বাচন ২৪ মে, মোট ভোটার ঢাকা উত্তরে ভোটার ২১ লাখ ৭২ হাজার ৪২৭ জন। দক্ষিণের ভোটার ১৬ লাখ ৮০ হাজার ৪৯৯ জন।

২০১২ সালের ১৫ জুলাই, জনসংখ্যা প্রায়-১৫ কোটি। গত দশ বছরে দেশের জনসংখ্যা বেড়েছে এক কোটি ৪৫ লাখ। সবচেয়ে বেশি মানুষ বসবাস করছে ঢাকা শহরে এক কোটি ৫০ লাখ। প্রতি বছর মানুষ বাড়ে ২৫ লক্ষ করে।

২০১২ সালের ১৭ জুলাই, (বিদেশে প্রায় ৮০ লাখ লোক আছে)। ২০১২ সালের ১৭ জুলাই, জনসংখ্যা প্রায়-১৬ কোটি। গত দশ বছরে দেশের জনসংখ্যা বেড়েছে এক কোটি ৪৫ লাখ। সবচেয়ে বেশি মানুষ বসবাস করছে ঢাকা শহরে এক কোটি ৫০ লাখ। দেশে আদিবাসী জনসংখ্যা ১৫ লাখ ৮৬ হাজার ১৪১ জন। আদমশুমারি অনুযায়ী দেশে খানার সংখ্যা তিন কোটি ১৮ লাখ ৬৩ হাজার ৩৯৬। পরিবারের গড় ৪.৪ জন। ১০০ নারীর বিপরীতে ১০৩ জন পুরুষ। সবচেয়ে মানুষ বাস করে ঢাকা জেলায় এক কোটি বিশ লাখ ৪৩ হাজার ৯৭৭ জন। প্রতি বর্গিকলোমিটারে বাস করে আট হাজার ২২৯ জন। সবচেয়ে কম মানুষের বাস বান্দরবন জেলায় তিন লাখ ৮৮ হাজার ৩৩৫ জন। এই জেলায় প্রতি বর্গিকলোমিটারে বাস করে ৮৭ জন। পুরুষের মধ্যে স্বাক্ষরতার হার ৫৪ দশমিক ১ শতাংশ আর নারীর মধ্যে স্বাক্ষরতার হার ৪৯ দশমিক ৪ জন। আর আমার বিশ্বাস লিখতে-পড়তে পারে ২৫ শতাংশ মানুষ।

১০ বছরে হিন্দু জনসংখ্যা ৯ লাখ কমেছে:

সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তায় অভাববোধ বাস্তাব ও অনুমিত। সম্পত্তি দখলের উদ্দেশ্যে কিছু লোক নানা ঘটনা ঘটাচ্ছে। কেন্দ্রীয়ভাবে কিছু নেতা বা রাজনৈতিক দল সংখ্যালঘুদের ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি দেয়। তবে স্থানীয় পর্যােয় সেই প্রতিশ্রুতি পালিত হয় না। ড. আনিসুজ্জামান-ইমেরিটাস অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

তুলনামূলক তথ্য সারণি (আদমশুমারি অনুযায়ী)

শতকরা১৯৫১১৯৬১১৯৭৪১৯৮১১৯৯১২০০১২০১১
মুসলিম৭৬.৯৮০.৪৮৫.৪৮৬.৭৮৮.৩৮৯.৭৯০.৪
হিন্দু২২.০১৮.৫১৩.৫১২.১১০.৫৯.২৮.৫
বৌদ্ধ০.৭০.৭০.৬০.৬০.৬০.৭০.৬
খ্রিষ্টান০.৩০.৩০.৩০.৩০.৩০.৩০.৩
অন্যান্য০.১০.১০.২০.৩০.৩০.২০.১

২০১২ সালের ২২ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো: সূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

২০১২ সালেল ১৫ নভেম্বর, দৈনিক জনকন্ঠ: বাংলাদেশের জনসংখ্যা রিপোর্ট জাতিসংঘ-১৫ কোটি ২৪ লাখ। আর বাহিরে আছে ৭৬ লাখ বাংলাদেশী।

২০১২ সালের ১১ জানুয়ারি, প্রথম আলো: বছরে সাড়ে ছয় লাখ নারী গর্ভপাত করান।

''২০১৩ সালের ৩১ অক্টোবর, প্রথম আলো: বাল্যবিবাহ জনসংখ্যার জন্য হুমকি। ২০৫০ সালে দেশের জনসংখ্যা হবে ২২ কোটি বা ২৪ কোটি। তখন বছরে জন্ম ও মৃত্যুর সংখ্যা সমান হবে। ৩০ লাখ শিশুর জন্ম হচ্ছে প্রতিবছর। মারা যাচ্ছে শিশুসহ ১০ লাখ লোক। ৪০ বছর পর দেশের জনসংখ্যা স্থিতিশীল হবে। জনসংখ্যা ২০ বা ২৪ কোটিতে পৌঁছে স্থিতিশীল হবে। বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন প্রকাশ। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে বড় বাধা কিশোরী মায়েরা। ৬৬% নারীর বিয়ে হয় কিশোরী বয়সে। এশিয়ায় কিশোরী গর্ভধারণের হার সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশে।''

২০১৬ সালের ২৩ জুন, প্রথম আলো: বিবিএসের(বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর) প্রতিবেদন: গড় আয়ু এখন ৭০ বছর ১০ মাস ২৪ দিন। তবে নারীরা পুরুষের চেয়ে আড়াই বছর বেশি বাঁচেন। গড়ে নারীরা-৭২ বছর এবং পুরুষরা গড়ে ৬৯ দশমিক ৪ বছর বাঁচেন।

২০১৬ সালের ২৩ জুন, প্রথম আলো:: বিবিএসের(বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর) প্রতিবেদন: এক বছরের ব্যবধানে দেশে হিন্দু জনসংখ্যা বেড়েছে। ২০১৪ সালে ছিল হিন্দু জনসংখ্যা-৯ দশমিক ৯ শতাংশ। ২০১৫ সালে বেড়ে হয়েছে ১০ দশমিক ৭ শতাংশ। এখন হিন্দু জনসংখ্যা বেড়ে মহয়েছে-১ কোটি ৭০ লাখ। এক বছরের ব্যবধানে হিন্দু জনসংখ্যা বেড়েছে-১৫ লাখ। মোট জনসংখ্যার ১ দশমিক ১ শতাংশ খ্রিষ্টান এবং বৌদ্ধ।

২০১৬ সালের ১ জুলাই, প্রথম আলো: বাংলাদেশে অবস্থানকারী বৈধ বিদেশি নাগরিক ১ লাখ ১১ হাজার ৫৭৫ জন। ৯১০ জন বিদেশি নাগরিকের ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে। বর্তমানে বাংলাদেশে ২০,৬৫৬(বিশ হাজার ছয়শত ছাপ্পান্ন) জন ভারতীয় নাগরিক অবস্থান করে।

১৯৭৬ সালের ১৮ এপ্রিল, মওলানা ভাসানী ফারাক্কা বাঁধের জন্য মিসেস ইন্দিরা গান্ধীকে এ বিষয়ে একটি পত্র দেন।

১৯৭৬ সালের ১৬ মে, মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ফারাক্কা অভিমুখে লংমার্চ করে রাজশাহী থেকে কানসার্ট পর্যন্ত মিছিল পরিচালনার কর্মসূচী ঘোষণা ও কার্যকর করেন।

১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর, ভারতের সাথে স্বাক্ষরিত গঙ্গার পানিবল্টন চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ পানি পাচ্ছে না। ১ জানুয়ারি, থেকে শুরু হওয়া শুকনো মওসুমের প্রথম ১০ দিনে বাংলাদেশের পানি পাওয়ার কথা-৬৭,৫১৬ কিউসেক। পেয়েছে ৩৭,৯৬৬ কিউসেক। দ্বিতীয় ১০দিনে পাওয়ার কথা-৫৬,৬৭৩ কিউসেক। পেয়েছে ৩৫,০০০ কিউসেকের মতো। সবমিলে বাংলাদেশ প্রথম ২০দিনে পানি কম পেয়েছে ৫২,২২৩ কিউসেক। গঙ্গার পানিবল্টন চুক্তি কার্যকর হয় ১৯৯৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে। এ ১০ বছরের কোন বছরই বাংলাদেশ চুক্তির সিডিউল অনুযায়ী পানি পায়নি।

২০০৩ সালের ২৫ জুনের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্টঃ গঙ্গা ব্যারেজ নির্মােণ অর্থ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। ব্যয় হবে ৬(ছয়) হাজার কোটি টাকা। ফারাক্কা বাঁধের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে দেশের দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলের আংশিক এলাকায়। এ নেতিবাচক প্রভাব থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য গঙ্গা ব্যারেজ নির্মাণ প্রয়োজন।

২০০৪ সালের ১৩ জানুয়ারি, ভারতে আন্তঃনদী সংযোগ সৃষ্টি করবে জীবনমরণ সমস্যা: আন্তর্জািতক ফারাক্কা কমিটিতে অভিমত-আন্তর্জািতক নদী গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র, মেঘনা নদীর উজানে পানি প্রত্যাহার ও এর প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশে যেমন মরুকরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে তেমনি কৃষি, পরিবেশসহ সমগ্র সমাজ জীবনেই-এর বিরুপ প্রভাব পড়ছে।

২০০৪ সালের ১৮ জানুয়ারি, প্রমাণিত হল গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তির অন্তঃসার শূন্যতা-১৭১ বছর পর হলদিয়া-পাটনা নৌপথ চালু হয়েছে গত ১৫-০১-২০০৪ সাল থেকে। শুস্ক মৌসুমে বাংলাদেশ যখন গঙ্গা নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত হয়ে ধুঁকে ধুঁকে মরছে, তখন এ প্রাক শুস্ক মৌসুমে হলদিয়া-পাটনা নৌচলাচল শুরু হওয়ার ঘটনাটি বিশেষজ্ঞদের ভাবিয়ে তুলছে। প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি হাসিনা-দেবগৌড়া পানি চুক্তিটি একটি শুভংকরের ফাঁকি ছাড়া আর কিছুই না? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারত বেশী মাত্রায় পানি প্রত্যাহার করে ঐ নৌপথটি চালু রাখার ব্যবস্থা করেছে।

২০০৪ সালের ১৮ জানুয়ারি, সাম্রাজ্যবাদীরা পানি নিয়ে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা করছে: আর্সেিনক আতংক ছড়াচ্ছে। মুম্বাইয়ে বিশ্ব সামাজিক ফোরামের সমাবেশে অভিমত।

২০০৪ সালের ১৯ জানুয়ারি, ভবিষ্যতে ভারতের কাছ থেকে বাংলাদেশকে বার্ষিক ভিত্তিতে গঙ্গার পানি কিনতে হবে। মুম্বাইয়ে বিশ্বায়ন বিরোধী সমাবেশে ভারতীয় নদী বিশেষজ্ঞদের অভিমত।

২০০৪ সালের ২১ জানুয়ারি, চলতি শতাব্দীতেই পানি নিয়ে ভারতের সাথে বাংলাদেশের যুদ্ধ হতে পারে: মুম্বাইয়ে সেমিনারে ভারতীয় বিশেষজ্ঞগণ-ভারতের আন্তঃনদী সংযোগ পরিকল্পনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের অত্যন্ত দুর্বল প্রতিবাদের তীর্ব সমালোচনা করেছেন খোদ ভারতেরই পানি ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞগণ।

২০০৪ সালের ৮ মে, ভারত বড় বড় নদীতে বাঁধ দিলে এদেশ দুর্ভিেক্ষর দেশে পরিণত হবে। 'আন্তঃনদী সংযোগ প্রকল্প' গোলটেবিল বৈঠকে বক্তাগণ-আন্তর্জািতক সকল রীতিনীতি লংঘণ করে অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে পনের বছর মেয়াদে ১২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ভারত সরকার এ প্রকল্প গ্রহণের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো এখন তার সাথে সে দেশের সকল রাজনৈতিক দল ঐক্যমত্য পোষণ করেছে। কিন্তু বাংলাদেশকে চিরতরে দুর্ভিেক্ষর দেশে পরিণত করার ভারতীয় চক্রান্তের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে পারছে না।