২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর, সাখাওয়াত হোসেন বাদশা: ফারাক্কাসহ ৮টি বাঁধের অশুভ প্রভাব। হারিয়ে গেছে বাংলাদেশের শতাধিক নদী।

২০০৫ সালের ১৩ মার্চ, ইনকিলাব পত্রিকার রিপোর্ট: ফারাক্কার ২৯ বছর পর ইতিহাসে অন্তর্ভুক্ত হলো টিপাইমুখ বাঁধ বিরোধী লংমার্চ। জকিগঞ্জ থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে ভারতের টিপাইমুখে বাঁধ নির্মােণর প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক লংমার্চ।

২০০৫ সালের ২০ মার্চ, আবু রূশদ: ইনকিলাব পত্রিকার রিপোর্ট-বাংলাদেশকে ঘিরে কাঁটাতারের বেড়া। ভারত সীমান্তের ৬৩টি পয়েন্টে জিরো লাইনের ১৫০ গজের ভেতর বেড়া নির্মাণ করেছে।

২০০৫ সালের ৫ এপ্রিল, সাখাওয়াত হোসেন বাদশা: ভারত উজানে গঙ্গার পানি সরিয়ে নিচ্ছে। এজন্য ফারাক্কার উজানে ভারত ভূখন্ডে গঙ্গা অববাহিকায় ৩'শটি ছোট, মাঝারি ও বড় স্টোরেজ রিজার্ভার ও ব্যারাজসহ প্রায় ১৮টি ডাইভার্সন স্ট্রাকচার নির্মাণ করা হয়েছে। এসবের মুল উদ্দেশ্য হচ্ছে শুস্ক মৌসুমে বাংলাদেশকে পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত করা এবং বর্ষা মৌসুমে বাংলাদেশকে পানিতে ভাসানো।

২০০৫ সালের ২১ এপ্রিল, বাসস: বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের সীমান্ত নীতিমালার পক্ষপাতী-পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে অভিন্ন সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে কোন কাঠামো নির্মােণর অনুমতি না দেয়ার ব্যাপারে ১৯৭৪ সালে সীমান্ত নীতিমালা অনুসরণ করার পক্ষে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোর্শেদ খান গতকাল বিকেলে তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের একথা বলেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ অচিহ্নিত ৬.৫ কিলোমিটার সীমান্ত চিহ্নিতকরণ এবং ভারতের অধীনে থাকা ভূমি ও ছিটমহলগুলোর সমাধান চায়।

২০০৫ সালের ৩০ এপ্রিল, প্রথম আলোর রিপোর্ট: চর পড়ে মৃত প্রায় কালীগঙ্গা নদী। অথচ একসময় এ নদীতে নিয়মিতই চলত লঞ্চ-স্টিমার। কমছে নৌপথ বাড়ছে বিপদ-২৪০টি নদ-নদীতে ২৪,১৬০(চব্বিশ হাজার একশত ষাট) কিলোমিটার নৌপথ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ৬(ছয়) হাজার কিলোমিটার নৌপথ, তাও বর্ষায়।

২০০৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর, ইনকিলাব-সাখাওয়াত হোসেন বাদশা: মুন্সির-মুন্সিয়ানায় তিস্তা প্রকল্পের বেহাল অবস্থা। ভারত তিস্তা থেকে ২৫-হাজার কিউসেক পানি সরিয়ে নিচ্ছে। বাংলাদেশ আলোচনার টেবিলে একবারও সাহস করে বলতে পারেনি-ভারত অন্যায়ভাবে তিস্তা থেকে ২৫-হাজার কিউসেক পানি ব্রহ্মপুত্র বেসিন দিয়ে আসামে এবং গঙ্গা বেসিন দিয়ে মালদায় সরিয়ে নিচ্ছে। ফলে শুস্ক মৌসুমে তিস্তা নদীতে যেখানে ৩০-হাজার কিউসেক পানি থাকার কথা সেখানে থাকছে মাত্র ৫-হাজার কিউসেক পানি।

২০০৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর, ইনকিলাব ডেস্ক: ঢাকায় আন্তর্জািতক পরিবেশ সম্মেলনে বিশেষজ্ঞবৃন্দ: টিপাইমুখ বাঁধ বাংলাদেশে ভয়াবহ বিপর্যয় সৃষ্টি করবে।

২০০৬ সালের ১৭ মার্চ, রেজাউল করিম রাজু: ফারাক্কা মেরে ফেলেছে পদ্মাকে-চুক্তিমত পানি পায়নি বাংলাদেশ। বিপর্যেয়র মুখে ৫ কোটি মানুষ। পানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৯৩৪ সাল থেকে ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত-এ ফারাক্কা চালুর আগ পর্যন্ত শুকনো মৌশুমে পদ্মার হার্ডিজ পয়েন্টে পানির গড় প্রবাহ ছিল এক লাখ কিউসেকের ওপরে। কিন্তু ১৯৭৫-৭৬ সালের শুকনো মৌসুমে এ প্রবাহ নেমে আসে ৭৪ হাজার কিউসেকে। ফারাক্কা বাধ চালুর কারণে এ পানির প্রবাহ কমে যায়। ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার গঙ্গা চুক্তি স্বাক্ষর করলে মানুষ আশান্বিত হয়েছিল মরা পদ্মায় বান ডাকবে। চুক্তি মোতাবেক পানি পাওয়ার কথা ৩৯,১০১ কিউসেক পানি সেখানে ১২-হাজার কিউসেক পানি কম পেয়েছে। পদ্মাকেন্দ্রিক সেচ চালু করা যাচ্ছেনা পানির অভাবে।

২০০৬ সালের ১৮ মার্চ, সাখাওয়াত হোসেন বাদশা: প্রধানমন্ত্রী কি বিষয়টি মনমোহনকে অবহিত করছেন। বাংলাদেশের ভেতর ভারতের ৩০ কি. মি. পাকা রাস্তা: ভারতীয় সেনাবাহিনীর টহল।

২০০৬ সালের ২২ মার্চ, সাখাওয়াত হোসেন বাদশা: দিল্লীর আন্তরিকতাই পানি সমস্যার সমাধান করবে। ছয় কোটি মানুষের আর্সেিনক ঝুঁকির তথ্য নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এখন ভারতে।

২০০৬ সালের ২২ মার্চ, যশোর ব্যুরো: ভারত ৫৪টি নদীতে বাঁধ দিয়ে এদেশকে মরুভূমি বানাচ্ছে-বাসদ আহবায়ক-মোঃ খালেকুজ্জামান।

২০০৬ সালের ৩ মে, ইনকিলাব রিপোর্ট: বৈঠকে ভারতের সুস্পষ্ট বক্তব্যঃ উজানে গঙ্গার পানি নেয়া যাবে না এমন কথা চুক্তিতে নেই।

২০০৬ সালের ২৮ জুলাই, সাজ্জাদ আলম খান: নৌপথের নাব্যতা রক্ষায় ভারতের সহযোগিতা চাইবে বাংলাদেশ। ১৯৭১ সালের নৌপথের দৈর্ঘয ছিল ২৪ হাজার কিলোমিটার। নাব্য্যতা হারিয়ে তা এখন এসে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৮শ কিলোমিটারে। অর্থাৎ ৮৪ শতাংশ নৌপথ ইতোমধ্যেই নাব্যতা হারিয়ে ফেলেছে। বাংলাদেশে প্রবাহমান ২৩০টি নদীর মধ্যে ইতোমধ্যে শুকিয়ে পড়েছে ২৫টি নদী। সূত্রমতে, ভারতের অব্যাহত অসহযোগিতার কারণে প্রতিনিয়ত নৌপথের নব্যতা হারাচ্ছে বাংলাদেশ।

২০০৯ সালের ১৭ এপ্রিল, প্রথম আলো: ঢাকায় যৌথ নদী কমিশনের বৈঠক। ফারাক্কায় পানিপ্রবাহ বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ।

২০০৯ মালের ১৮ জুন, প্রথম আলো: টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ বন্ধের দাবিতে ছাত্র ইউনিয়নের মানববন্ধন। ভারতের মণিপুর রাজ্যের বরাক নদীতে নির্মিত টিপাইমুখ বহুমুখী জল বিদ্যুৎ প্রকল্প' অর্থাৎ টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ বন্ধে সরকারকে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি।

২০০৯ সালের ৬ নভেম্বর, প্রথম আলোর শুক্রবারের ক্রোড়পত্র: এক নজরে-হিমালয়: সংস্কৃত শব্দ 'হিম' থেকে হিমালয়। উজানে ভারত, নেপাল, তিব্বত, চীন, পাকিস্তান, মিয়ানমার, আফগানিস্তান আর ভুটান। আর ভাটিতে বাংলাদেশ। জমাট পানি: ১৫ হাজার হিমবাহ পাঁচ লাখ বর্গ কিলোমিটার পর্বতকে ঢেকে রেখেছে। সব মিলে আনুমানিক ১২ হাজার কিউবিক কিলোমিটার জমাট পানি আছে এখানে। নদী: হিমালয়ের হিমবাহ গলা পানি দিয়ে সৃষ্টি হয়েছে গঙ্গা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র। বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে বয়ে যাওয়া নদীগুলোর ৮০ শতাংশ পানির উৎস হিমালয়। চিত্র ২০৩০: জাতিসংঘের আন্তসরকার জলবায়ু পরিবর্তন- সংক্রান্ত প্যানেল-আইপিসিসি বলছে, পৃথিবীর তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় ২০৩০ সালের মধ্যে ৯০ শতাংশ হিমবাহ গলে যাবে। হিমবাহ কেন গলছে: উন্নত দেশগুলোর শিল্প প্রতিষ্ঠান থেকে যে কার্বন নিঃসরণ হচ্ছে তার কারণেই ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে পৃথিবী। বাড়ছে বন্যার প্রকোপ ও ব্যপকতা। ধংশ হচ্ছে জীব-বৈচিত্র, পাল্টে যাচ্ছে প্রতিবেশ। বিপন্ন হয়ে উঠছে দক্ষিণ এশিয়ার ১০০ কোটি মানুষের জীবন।

২০১১ সালের ১৯ নভেম্বর, প্রথম আলো: টিপাইমুখ বাঁধ নির্মােণ নিয়ন্ত্রণের জন্য বরাক নদে জলাধার তৈরি হবে। বিশেষজ্ঞ অভিমত-যৌথ সমীক্ষা ছাড়া ভারত এটা করতে পারে না।

২০১১ সালের ২০ নভেম্বর, প্রথম আলো: টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ চুক্তি-উদ্বেগ জানায়নি বাংলাদেশ। টিপাইমুখ প্রকল্পের ব্যাপারে আমরা ভারতের কাছে তথ্য জানতে চেয়েছি। তারেক এ করিম, দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার।

২০১১ সালের ২০ নভেম্বর, দৈনিক জনকন্ঠ: টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ চুক্তি সই।। তীব্র প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে মেঘনা অববাহিকার ৩ কোটি মানুষসহ জীববৈচিত্র পড়বে ভয়াবহ সঙ্কটে।

২০১১ সালের ৩ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: দুই উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক-টিপাইমুখ নিয়ে একই

আশ্বাস ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহনের।

২০১১ সালেল ৪ ডিসেম্বর, প্রথম আলোঃ মনমোহন সিং বললেন-বরাক নদে টিপাইমুখ বাঁধ হবেই।

২০১১ সালের ৮ ডিসেম্বর, দৈনিক জনকন্ঠ: ''টিপাই ইস্যু'' সিলেট অভিমুখে জাতীয় পার্টির লংমার্চ ১০ ডিসেম্বর।

২০১১ সালের ৯ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: মনমোহন প্রতিশ্রুতি ভেঙেছেন: হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ। প্রতিবাদে জাপার লংমার্চ কাল।

২০১১ সালের ১১ ডিসেম্বর, দৈনিক জনকন্ঠ: সিলেটের আলীয়া মাদ্রাসা মাঠে বক্তব্য রাখেন জাপা চেয়ারম্যান এইচ. এম. এরশাদ-টিপাই বাঁধ প্রতিহত করতে প্রয়োজনে জীবন দেব।। আজ টিপাইমুখী লংমার্চ।

২০১১ সালের ২৭ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: সিপিবি-বাম মোর্চার বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা-টিপাইমুখ হবে মরণফাঁদ।

২০১৪ সালের ১৯ এপ্রিল, প্রথম আলো: তিস্তা লংমার্চ বগুড়ায়-তিস্তা চুক্তি বাদ দিয়ে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব নয়।

১৯৭৬ সাল থেকে ২১-০১-২০০৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে পেট্রোবাংলার অধীনে সংস্থা বাপেক্স তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে ১৬টি কুপ খনন করেছে এবং ১০টি গ্যাসক্ষেত্র ও একটি তেলক্ষেত্র আবিস্কার করেছে।

১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ ভূতাত্তিক জরিপ বিভাগ দিনাজপুরের বড় পুকুরিয়ায় এ কয়লা খনি আবিস্কার করে। খনি এলাকার দৈর্ঘ ৫.২৫ বর্গিকলোমিটার। ভূগর্ভের ১১৯ থেকে ৫০৬ মিটার গভীরতায় ৬টি স্তরে কয়লা সাজানো আছে এ খনিতে। প্রাথমিক হিসেবে ৩০৬ মিলিয়ন টন কয়লা এখানে মজুদ আছে।

২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর, এম, আবদুল্লাহ: জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি। বিএনপি-আ'লীগ সমানে সমান। বিএনপি সাড়ে ১৪ বছরে ৭ বার বাড়িয়ে ২ বার কমিয়েছে-আ'লীগ ৬ বার বাড়ালেও কমায়নি একবারও। ১৯৭২ সাল থেকে সর্বেশষ গত ২২ ডিসেম্বর, ২০০৪ সাল পর্যন্ত মোট কুড়ি-দফা জ্বালানি তেলের মূল্য পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মূল্যবৃদ্ধির প্রধান কারণ উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেশী দেশ ভারতে পাচাররোধ।

২০০৫ সালের ২৫ মে, ইনকিলাব পত্রিকার রিপোর্ট: সাড়ে ৩-বছরে ৪-বার এবং ৩৪-বছরে ১৭-বার বাড়ানো হয়েছে জ্বালানি তেলের দাম।

২০০৫ সালের ৯ জুলাই, এম. আবদুল্লাহ: নাইকোর অজ্ঞতা ও বিলম্বে রিলিফ কূপ খননই বিস্ফোরণের কারণ-বিশেষ সাক্ষাৎকারে আন্তর্জািতক জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. রফিকুল ইসলাম।

২০০৫ সালের ৬ আগষ্ট, ইনকিলাব পত্রিকার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম: গত অর্থবছরে সার্বিক আমদানী বৃদ্ধি শতকরা ২২ ভাগ। জ্বালানি খাতে ব্যয় বেড়েছে ৩-হাজার ৭শ' কোটি টাকা।

২০০৫ সালের ২৮ আগষ্ট, ইনকিলাব পত্রিকায় জাকারিয়া কাজলের রিপোর্ট: তেলের দাম বাড়াতে হবে: অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান। চ্যালেঞ্জের মুখে অর্থনীতি। বিপিসির লোকসান সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা। বৈদেশিক মুদ্রা পাচার হচ্ছে। সাপ্তাহিক ছুটি ২ দিন করার চিন্তা-ভাবনা। এবার জ্বালানি মূল্য পরিশোধে ব্যয় হবে ২শ' কোটি ডলার।

২০০৬ সালের ১৭ অক্টোবর, স্টাফ রিপোর্টার: বকেয়ার ভূত এবার জ্বালানি খাতে-তেল কয়লা ও গ্যাসের ২ হাজার ৫শ' কোটি টাকা বকেয়া রেখেই বিদায় নেবেন উপদেষ্টা মাহমুদুর রহমান।

২০০৭ সালের ৩০ নভেম্বর, নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী বছরের জন্য ১২ লাখ টন জ্বালানি তেল কেনা হবে। এর জন্য খরচ হবে ৭,৩৩৫ কোটি টাকা। জানা গেছে, দেশে বছরে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের চাহিদা ৩৮ লাখ টন। এর মধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশ দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারিতে পরিশোধনের মাধ্যমে মেটানো হয়।

২০০৭ সালের ১ ডিসেম্বর, প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক-খসড়া কয়লানীতি চুড়ান্ত করার লক্ষ্যে সুপারিশ প্রণয়নের জন্য গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির গতকালের সভায় বিষয়টি নির্ধারণ করা হয়েছে-দেশে কয়লাসম্পদের পরিমাণ তিন হাজার ৩০০ মিলিয়ন(৩৩০ কোটি) মেট্রিক টন। অর্থাৎ এ পর্যন্ত আবিস্কৃত খনিগুলোতে এ পরিমাণ কয়লা রয়েছে। কিন্তু কয়লার মজুদ ধরা হবে ২২৪ কোটি ৭০ লাখ (দুই হাজার ২৪৭ মিলিয়ন) টন। কারণ খনিতে থাকলেও যে কয়লা খনির গভীরতা ও প্রযুক্তিগত কারণে তোলা যাবে না, তাকে মজুদ বলা যাবে না।

২০০৮ সালের ২৬ এপ্রিল, অদ্য ২৫-০৪-২০০৮ তারিখ হতে সরকারী ঘোষণা অনুযায়ী প্রতি ঘন মিটার গ্যাসের মূল্য ১৬ টাকা ৭৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর পূর্ব ২০০৪ সালের জুলাই মাসে সিএনজির প্রতি ঘনমিটার-এর মূল্য ছিল ৮ টাকা ৫০ পয়সা। তখন প্রতি লিটার অকটেনের দাম ছিল ৩৫ টাকা এখন এক লিটার অকটেনের মূল্য ৬৭ টাকা।

২০০৮ সালের ২৪ মে, জ্বালানি তেলের রেকর্ড পরিমাণ মূল্যবৃদ্ধি। বিপিসির লোকসান মাসে ১,৪০০ কোটি টাকা। বছরে লোকসান ১৬,৮০০ কোটি টাকা।

২০০৮ সালের ১ জুলাই, জ্বালানি তেলের দাম বাড়লঃ ১(এক) লিটার অকটেন(৩০-০৬-২০০৮ পর্যন্ত ছিল ৬৭.০০ টাকা) আর (০১-০৭-২০০৮ তারিখ থেকে মূল্য নির্ধারণ করা হলো ৯০.০০ টাকা)। পেট্রল-এর মূল্য ছিল ৬৫.০০ টাকা আর এখন ৮৭.০০ টাকা, ডিজেল-এর মূল্য ছিল ৪০.০০ টাকা আর এখন ৫৫.০০ টাকা, কেরোসিন-এর মূল্য ছিল ৪০.০০ টাকা আর এখন ৫৫.০০ টাকা, ফার্নেস অয়েল-এর মূল্য ছিল ২০.০০ টাকা আর এখন ৩০.০০ টাকা এবং এলপিজি গ্যাস-এর মূল্য ছিল ৬০০.০০ টাকা(প্রতি সিলিন্ডার) আর ০১-০৭-২০০৮ তারিখ থেকে প্রতি সিলিন্ডার-এর মূল্য ১০০০.০০ টাকা।

২০০৮ সালের ২৭ অক্টোবর, জ্বালানি তেলের দাম কমেছেঃ ১(এক) লিটার অকটেন(০১-০৭-২০০৮ তারিখ থেকে মূল্য নির্ধারণ করা হলো-৯০.০০ টাকা এবং ২৭-১০-২০০৮ তারিখে দাম নির্ধারণ করা হলো-৮০ টাকা)। পেট্রল-এর মূল্য ছিল ৮৭.০০ টাকা আর এখন ৭৮.০০ টাকা, ডিজেল-এর মূল্য ছিল ৫৫.০০ টাকা আর এখন ৪৮.০০ টাকা, কেরোসিন-এর মূল্য ছিল ৫৫.০০ টাকা আর এখন ৪৮.০০ টাকা, ফার্নেস অয়েল-এর মূল্য ছিল ৩০.০০ টাকা আর এখন ৩০.০০ টাকা এবং এলপিজি গ্যাস-এর মূল্য ছিল ১,০০০.০০ টাকা (প্রতি সিলিন্ডার) আর ২৭-১০-২০০৮ তারিখ থেকে প্রতি সিলিন্ডার-এর মূল্য ১০০০.০০ টাকা। ০১-০৭-২০০৮ সালে গড় বৃদ্ধির হার ছিল ৩৫ ভাগ আর ২৭-১০-২০০৮ তারিখ কমানোর গড় হার ১১.৭৩ শতাংশ এবং আজ থেকে বাসের ভাড়াও কমছে।

২০০৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর, জ্বালানি তেলের দাম কমেছে: ১(এক) লিটার অকটেন (০১-০৭-২০০৮ তারিখ থেকে মূল্য নির্ধারণ করা হলো-৯০.০০ টাকা, ২৭-১০-২০০৮ তারিখে দাম নির্ধারণ করা হলো-৮০ টাকা এবং ২৪-১২-২০০৮ তারিখে দাম পুনঃনির্ধারণ করা হলো-৭৭ টাকা)। পেট্রল-এর মূল্য ছিল ৮৭.০০ টাকা আর এখন ৭৮.০০ টাকা এবং ২৪-১২-২০০৮ তারিখে দাম পুনঃনির্ধারণ করা হলো-৭৪ টাকা, ডিজেল-এর মূল্য ছিল ৫৫.০০ টাকা আর এখন ৪৮.০০ টাকা এবং ২৪-১২-২০০৮ তারিখে ডিজেলের দাম পুনঃনির্ধারণ করা হলো-৪৬ টাকা (১২-০১-২০০৯ তারিখ পুনঃনির্দারণ করা হলো-৪৪ টাকা)। কেরোসিন-এর মূল্য ছিল ৫৫.০০ টাকা আর এখন ৪৮.০০ টাকা এবং ২৪-১২-২০০৮ তারিখে দাম পুনঃনির্ধারণ করা হলো-৪৬ টাকা (১২-০১-২০০৯ তারিখ কেরোসিন-এর মূল্য পুনঃনির্ধারণ করা হলো-৪৪ টাকা)। ফার্নেস অয়েল-এর মূল্য ছিল ৩০.০০ টাকা আর এখন ৩০.০০ টাকা এবং এলপিজি গ্যাস-এর মূল্য ছিল ১,০০০.০০ টাকা (প্রতি সিলিন্ডার) আর ২৭-১০-২০০৮ তারিখ থেকে প্রতি সিলিন্ডার-এর মূল্য ১০০০.০০ টাকা। ০১-০৭-২০০৮ সালে গড় বৃদ্ধির হার ছিল ৩৫ ভাগ আর ২৭-১০-২০০৮ তারিখ কমানোর গড় হার ১১.৭৩ শতাংশ এবং বাসের ভাড়াও কমছে। জ্বালানি তেলের দাম আর একটু কমল এবং ২৪-১২-২০০৮ তারিখ থেকে বাস ও মিনিবাসের ভাড়াও কমছে। এক পয়সাও ভাড়া কমেনি। গত জুলাই মাসে (এক বেরেল-১১৭.৩৫ লিটার) তেলের দাম উঠেছিল ১৪৭ ডলার এবং ১৩-০১-২০০৯ তারিখে কমে হয়েছে ৩৯ ডলার।

২০০৯ সালের ২১ জানুয়ারি, প্রথম আলোঃ কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘয ১৫৫কিমি। বর্তমানে বাংলাদেশে ৭৮টি পাটকল আছে। ১৭টি চিনির কল আছে। বাংলাদেশের মোট জ্বালানির ১৬ ভাগ প্রাকৃতিক গ্যাস। এ পর্যন্ত ২২টি গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছে। আর ১২টি গ্যাসক্ষেত্র থেকে গ্যাস উত্তোলন করা হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গ্যাসক্ষেত্রটি সবচেয়ে বড়। বাংলাদেশের উৎপাদিত মোট চায়ের ২৫ ভাগ দেশে ব্যবহৃত হয়।

২০০৯ সালের ২৭ জানুয়ারি, প্রথম আলো: ১৩ লাখ টন জ্বালানি তেল ও দেড় লাখ টন ইউরিয়া আমদানি হবে।

২০০৯ সালের ১৯ মার্চ, প্রথম আলো: জ্বালানি তেল বেঁচে বিপিসির মাসে লাভ ৩৫০ কোটি টাকা। একই সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের শুল্ক হিসাবে সরকারি কোষাগারে জমা হচ্ছে আরও ২৫০ কোটি টাকা। ২০০৮ সালের নভেম্বর থেকে এ অবস্থা চলছে।