২০০৯ সালের ৯ মে, প্রথম আলো: তেলের দাম তিন দফা কমলেও বাসভাড়া কমাননি মালিকেরা। সরকারি ঘোষণার বাস্তবায়ন নেই। বড় বাসে কিলোমিটার প্রতি ৯৪ পয়সা এবং ছোট বাসে ৯৭ পয়সা।

২০০৯ সালের ২ আগষ্ট, প্রথম আলো: গ্যাসের দাম বেড়েছে। ২০০৫ সালের ১ জানুয়ারি সর্বেশষ গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছিল। একটি চুলার মূল্য ছিল-৩৫০/-টাকা তা থেকে বাড়ানো হয়েছে-৪০০/- টাকা। দুইটি চুলার মূল্য ছিল-৪০০/- টাকা তা থেকে বাড়ানো হয়েছে-৪৫০/- টাকা।

২০১০ সালের ১ জুন, প্রথম আলো: জ্বালানির অভাবে বাড়ছে না দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ।

২০১০ সালের ৪ জুন, প্রথম আলো: ২০১০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে গ্যাস সংযোগ পাবে দুই লাখ পরিবার ও ১৪০০ বাণিজ্যিক কারখানা।

২০১০ সালের ৭ জুন, প্রথম আলো: কাতার থেকে বছরে ৩৯ লাখ টন এলএনজি কেনার উদ্যোগ। পাইবলাইন বসানোর জরিপ শেষ। দেশের গ্যাস সংকট মোকাবিলা বিশেষ করে চট্টগ্রাম অঞ্চলের তীব্র গ্যাস ঘাটতি পূরণে এলএনজি (লিকুইড ন্যাচারাল গ্যাস) আমদানির উদ্যোগ জোরদার করা হয়েছে।

২০১০ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো: নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি তেল রাখার জায়গা নেই। তেল পরিবহন নিয়েও সংকট। রেললাইন সংস্কার ও নৌপথ খনন করতে হবে।

২০১০ সালের ৩১ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: জ্বালানিসংকট সারা দেশে। গ্যাসের নতুন সংযোগ বন্ধ। এলপিজির দাম বাড়ছে, সরকারের নিয়ন্ত্রণ নেই।

২০১১ সালের ১২ নভেম্বর, প্রথম আলো: জ্বালানির ভর্তুিক তুলে দিতে চায় সরকার। ভর্তুিক না দিলে ডিজেল হবে ৭২ টাকা, অকটেন-পেট্টোলে লাভ করছে সরকার বিদ্যুতে চাহিদা বৃদ্ধি ৩০ লাখ মেট্রিক টন। ২০১১ সালে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি: দেশে চলতি অর্থবছরে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানির মোট চাহিদা ৬৮ লাখ মেট্রিক টন।

২০১১ সালেলিটারপ্রতি (টাকায়)মে, ২০১১সেপ্টেম্বর, ২০১১নভেম্বর, ২০১১
২০১১ সালেঅকটেন৭৯৮৪৮৯
২০১১ সালেপেট্টল৭৬৮১৮৬
২০১১ সালেডিজেল/কেরোসিন৪৬৫১৫৬
২০১১ সালেফার্নেস তেল৪২৫০৫৫

২০১১ সালের ৩০ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: জ্বালানি তেলের দাম আবারও ৫ টাকা বাড়ল।

২৯-১২-২০১১ তারিখলিটারপ্রতি (টাকায়)অকটেন৯৪ টাকা
২৯-১২-২০১১ তারিখলিটারপ্রতি (টাকায়)পেট্টল৯১ টাকা
ডিজেল/কেরোসিন৬১ টাকাফার্নেস তেল৬০ টাকা

২০১৪ সালের ১৪ জুলাই, প্রথম আলো: বিলম্বের কারণে অনেক গ্যাস বেহাত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় তেল-গ্যাস অনুসন্ধান কোম্পানি বাপেক্স কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার শ্রীকাইলে নতুন ২৫তম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কার করেছে।

২০১৩ সালের ৪ জানুয়ারি, প্রথম আলো: জ্বালানি তেলের দাম আবাড়ও লিটার প্রতি ৫/-বাড়ল।

০৪-০১-২০১৩ তারিখলিটারপ্রতি (টাকায়)অকটেন৯৯ টাকা
০৪-০১-২০১৩ তারিখলিটারপ্রতি (টাকায়)পেট্টল৯৬ টাকা
ডিজেল/কেরোসিন৬৮ টাকাফার্নেস তেল৬০ টাকা

২০১৩ সালের ৮ জানুয়ারি, দৈনিক জনকন্ঠ: তেলের দাম-বিএনপি বাড়িয়েছিল ১৩৬% এবং আওয়ামী লীগ বাড়িয়েছে ৩৮%। সংবাদ সম্মেলনে ড. হাসান মাহমুদ-পরিবেশ ও বনমন্ত্রী।

২০১৫ সালের ২৩ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: বিশ্ববাজারে আর কত কমলে দেশে দাম কমবে? ২০০৪ সালের পর জ্বালানি তেলের দাম সর্বিনম্ন। আন্তর্জািতক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম কমে ব্যারেলপ্রতি মাত্র ৩৬ ডলার ৫ সেন্টে নেমে গেছে। এটি ২০০৪ সাল পরবর্তী গত ১১ বছরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সর্বিনম্ন দাম।

২০১৬ সালের ১৯ জানুয়ারি, প্রথম আলো: বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমে ব্যারেল প্রতি ২৭ ডলার ৬৭ সেন্টে নেমে গেছে। গত ১৩ বছরে এটা সবচেয়ে কম।

২০১৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮০ থেকে ১৫০ ডলা র পর্যন্ত উন্নীত হয়েছিল, সেটা এখন ২২ ডলারে ঠেকেছে।

২০১৬ সালের ৩১ মার্চ, প্রথম আলো: ১৩ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি হচ্ছে। সৌদি আরব থেকে আনা হচ্ছে-৭ লাখ টন এবং আবুধাবি থেকে ৬ লাখ টন জ্বালানি তেল।

২০১৬ সালের ২৫ এপ্রিল, প্রথম আলো: এবার ১ কোপি ১২ লাখ ব্যারেল তেল কেনা হবে।

২০১৬ সালের ২৫ এপ্রিল, প্রথম আলো: জ্বালানি তেলের দাম লিটার প্রতি ১০/- এবং ডিজেল ও কেরোসিন লিটার প্রতি ৩/- করে কমানো হয়েছে।

০৪-০১-২০১৩ তারিখলিটারপ্রতি (টাকায়)অকটেন৯৯ টাকা
০৪-০১-২০১৩ তারিখলিটারপ্রতি (টাকায়)পেট্টল৯৬ টাকা
ডিজেল/কেরোসিন৬৮ টাকাফার্নেস তেল৪২ টাকা(৩১ মার্চ)
২৫-০৪-২০১৬ তারিখলিটার প্রতি টাকায়অকটেন৮৯ টাকা
২৫-০৪-২০১৬ তারিখলিটার প্রতি টাকায়পেট্টল৮৬ টাকা
২৫-০৪-২০১৬ তারিখডিজেল ও কেরোসিনলিটার প্রতি৬৫ টাকা

১৯৭৬ সাল থেকে শ্রমজীবি মানুষের বিদেশে যাওয়া শুরু হয়।

১৯৯৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর, প্রবাসী বাংলাদেশীরা ১৮-বছরে ৩১,৫০০(একত্রিশ হাজার পাঁচশত) কোটি টাকা দেশে পাঠিয়েছে কিস্তু উৎপাদনশীল খাতের ব্যবহার খুবই কম।

২০০২ সালের হিসাব অনূযায়ী: বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বৈধভাবে বাংলাদেশের ২৬,৯৭,৩৩৪ (ছাব্বিশ লক্ষ সাতানব্বই হাজার তিনশত চৌত্রিশ) জন কর্মরত আছেন।

২০০৩ সালের ৩০ জুনের রিপোর্ট: ১৯৮০ সাল থেকে ৩০ জুন ২০০৩ সাল পর্যন্ত বিদেশে গত ২৩(তেইশ) বছরে জনশক্তি রপ্তানি হয়েছে প্রায় ৩৫(পঁয়ত্রিশ) লক্ষ।

২০০৪ সালের হিসেব-(১) বাংলাদেশের প্রতি বছর শ্রমিক হিসেবে বিদেশে যাচ্ছে-৩ লাখ। (২) প্রবাসীর সংখ্যা-৪০ লাখ। (৩) আর দেশের ভিতরে প্রায় ১৫ লক্ষ লোক শ্রমবাজারে আসে চাকরি খোঁজার জন্য। এদের জন্য প্রতি বছর প্রয়োজন পোশাক শিল্পের মত একটি নতুন শিল্পখাত সৃষ্টি। এ চাহিদা আমাদের উপলব্ধি করতে হবে।

২০০৪ সালের ৯ জানুয়ারি, ইনকিলাব পত্রিকার সংবাদ: যুক্তরাষ্ট্রে লক্ষাধিক বাংলাদেশীসহ সোয়া কোটি বিদেশী ওয়ার্ক পারমিট পাবেন।

২০০৪ সালের ২২ জানুয়ারি, পৃথিবীর ৩৮টি দেশের জেলখানায় বাংলাদেশের ৫,৫৮৫ জন আটক রয়েছে। এরমধ্যে ১৫১ জন ভারতের কারাগারে আটক রয়েছে।

২০০৪ সালের ২০ জুন, ইনকিলাব পত্রিকার রিপোর্ট: শামসুল ইসলাম-ভিসার দাম বেড়েছে দ্বিগুণ: বহু শ্রমিক নিয়মিত বেতন পান না। সউদী আরবে প্রবাসী বাংলাদেশীদের মজুরি আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস। বর্তমানে সউদী আরবে বাংলাদেশী শ্রমিক কর্মরত রয়েছে প্রায় ১৪ লাখ।

২০০৪ সালের ১৩ জুলাই, শামসুল ইসলাম: জনশক্তি রফতানী হয়েছে ২ লাখ ৭২ হাজার ৭শ'। প্রবাসীরা এক বছরে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে ১৯,০০০ হাজার ৮০০শ' ২৪ কোটি টাকা।

২০০৪ সালের ২৭ জুলাই, স্টাফ রিপোর্টার: ১৯৭৬ সাল থেকে ২০০৩ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় জনশক্তি রফতানী হয়েছে ৩৫ লাখ ৩৬ হাজার ৩০৮ জন। এছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অভিবাসী হয়েছেন আরো প্রায় ১২ লাখ মানুষ। অভিবাসীদের অর্থ ব্যাপক ভূমিকা রাখছে অর্থনীতিতে-রেমিটেন্সের পরিমাণ মোট অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার ২৬.৫ ভাগ। এদের মাধ্যমে দেশে বৈদেশিক মুদ্রা এসেছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৩৭৮ কোটি টাকা। বিশ্বে বর্তমানে ১৭৫ মিলিয়ন মানুষ নিজ জন্মভূমির বাইরে কাজে নিয়োজিত রয়েছেন, যার শতকরা ৮০ ভাগই হচ্ছে শ্রম অভিবাসী।

২০০৪ সালের ২৮ জুলাই, সাজ্জাদ আলম খান, মালয়েশিয়া থেকে: মালয়েশিয়া থেকে ১ লাখ বাংলাদেশী শ্রমিক ফেরত পাঠানো হচ্ছে। ৩শ' শ্রমিক কারাগারে: দুতাবাস নির্বিকার।

২০০৫ সালের ১৩ জুলাই, ইনকিলাব পত্রিকার রিপোর্ট-বাসস ও বিবিসি: বিশ্বের বিভিন্ন কারাগারে ৫ হাজার বাংলাদেশী বন্দী।

২০০৫ সালের ১৬ মার্চ, ইনকিলাব পত্রিকার খবর-গ্রামীণ ব্যংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. ইউনুস অতিসম্প্রতি এক সমাবেশে বলেছেন, ২০৩৫ সালে বাংলাদেশে আসতে বিদেশীদের গ্রীণ কার্ড লাগবে। বিদেশ থেকে এ দেশে আসবে কাজের সন্ধানে। আমি মোঃ জাকির হুসেন (আলমগীর) তাঁর এ মন্তব্যের সাথে এক মত নই এবং এ কথার অর্থও ফাঁকা।

২০০৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর, তালুকদার হারুণ-দেশের জনশক্তি রফতানীকারক ৭০০(সাত শতাধিক) রিক্রুটিং এজেন্সির মধ্যে বর্তমানে ছয় শতাধিক রিক্রুটিং এজেন্সির কোন কাজ নেই। জনশক্তি রফতানীর বাজার সংকুচিত।

২০০৭ সালের ৬ ডিসেম্বর, নিজস্ব প্রতিবেদক-বিদেশের জেলে ১০ হাজার ৭৬০ জন বাংলাদেশি শ্রমিক। এর মধ্যে ১,৯৩০ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজাও হয়েছে। বাকি ৮,৮৩০ জন পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। এসব শ্রমিকের বেশির ভাগকেই কাজ দেওয়ার নাম করে বিদেশের মাটিতে নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

২০০৮ সালের ২৯ জুন, প্রবাসী-আয় এখন ৭৫০ কোটি ডলার।

২০০৮ সালের ১১ আগষ্ট, বিশ্বজুড়ে প্রবাসী-আয়ের প্রবাহ বাড়ছে ভারত শীর্ষে, বাংলাদেশ ১১তম স্থানে। প্রবাসী আয় ভারত-২,৭০০ কোটি ডলার এবং বাংলাদেশ-৬৪০ কোটি ডলার।

২০০৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: ১৯৭৬ সাল থেকে ২০০৮ সালের নভেম্বর পর্যন্ত সর্বেমাট ৬২,২১,৫১৬ জন বাংলাদেশী কর্মী বিভিন্ন দেশে কর্মসংস্থান লাভ করেছে। এখন বাংলাদেশ থেকে ১০০টিরও বেশী দেশে কর্মসংস্থান লাভ করছে। ২০০৭ সালে বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য ৮,৩২,৬০৯ জন ছাড়পত্র গ্রহণ করেছে।

২০০৯ সালের ২৯ জানুয়ারি, প্রথম আলো: বিদেশে জনশক্তির বাজার নিয়ে শুরুতেই দুশ্চিন্তায় সরকার। * সৌদি আরব নতুন করে ভিসা দিচ্ছে না * কুয়েতে তিন বছর ধরে ভিসা দেয়া বন্ধ * বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, কাতারে শ্রমিক নিয়োগ প্রায় বন্ধের পথে। গত ২০০৭ ও ২০০৮ সালে প্রায় ১৭ লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক বিদেশে পাঠানো হয়েছিল। এরমধ্যে ২০০৮ সালে প্রায় ৯ লাখ শ্রমিককে বিদেশে পাঠানো হয়। প্রবাসীদের পাঠানো আয়(রেমিট্যান্স) হয়েছিল ৯০০ কোটি ডলার।

২০০৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: বাংলাদেশে বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির সংখ্যা ৭৭৫টি।

২০০৯ সালের ২২ মার্চ, আমাদের সময় পত্রিকা: কুমিল্লা থেকে জনশক্তি রফতানি হয় সবচেয়ে বেশি। এ পর্যন্ত ৫৬ লাখ (২১-০৩-২০০৯ তারিখ)। এরমধ্যে শুধু কুমিল্লা থেকে জনশক্তি রফতানি হয়েছে-মোট জনশক্তি রফতানির ১৫ ভাগ। প্রায় ৮,৫০,০০০ হাজার কুমিল্লা থেকে বিদেশে গেছে। পরের অবস্থান চট্টগ্রামের। সেখান থেকে ১২ ভাগ মানে ৬,৭২,০০০ হাজার। তৃতীয় স্থানে আছে ঢাকা ৮ ভাগ মানে ৪,৪৮,০০০ হাজার। ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে জনশক্তি রফতানি হয়েছে মোট রফতানির ৭ ভাগ মানে ৩,৯২,০০০ হাজার। চাঁদপুর ও টাঙ্গাইল থেকে ৬ ভাগ মানে ৩,৩৬,০০০ হাজার। নোয়াখালী থেকে ৫ ভাগ ২,৮০,০০০ হাজার। সিলেট থেকে ৪ ভাগ ২,২৪,০০০ হাজার। মৌলভীবাজার ও লক্ষীপুর থেকে মোট রফতানির ৩ ভাগ মানে ১,৬৮,০০০ হাজার। সবচেয়ে কম হয়েছে ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, বরিশাল ও ফরিদপুর এলাকা থেকে ২ ভাগ মানে ১,১২,০০০।

২০০৯ সালের ১৬ এপ্রিল, প্রথম আলোঃ বিদেশ থেকে তিন মাসে লাশ হয়ে ফিরেছেন ৬৩৫ বাংলাদেশি কর্মী। গড়ে দিনে লাশ এসেছে সাতটি, মৃত্যুর কারণ বলা হয় হৃদরোগ ও দুর্ঘটনা।

২০০৯ সালের ২২ এপ্রিল, প্রথম আলো: আলোচনা সভায় বক্তাদের অভিমত-প্রবাসীদের আয় পোশাকশিল্পের তুলনায় দ্বিগুণ, তবু অবহেলিত।

২০০৯ সালের ৯ মে, প্রথম আলো: আরও ৬৪ বাংলাদেশি কর্মীর লাশ এসেছে। এরা দরিদ্র বলে বিষয়টি সরকারের নীতিনির্ধারকেরা আমলে নিচ্ছেন না। এক দিনেই এসেছে ১২ লাশ।

২০০৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো: বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন-বিদেশে যাওয়ার জন্য এ দেশের শ্রমিকদের চড়া মূল্য দিতে হয়। বাংলাদেশের একজন শ্রমিককে বিদেশে যাওয়ার জন্য দুই হাজার ৩০০শত মার্কিন ডলার (এক লাখ ৬০ হাজার টাকা) অর্থ খরচ করতে হয়। এই টাকা একজন শ্রমিকের বিদেশে চাকরির ১৮ মাসের বেতনের সমান।

২০০৯ সালের ৭ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো: জনশক্তি রপ্তানি অর্ধেেক নেমেছে। সৌদি আরব ও মালয়েশিয়া লোক নিচ্ছে না বিকল্প বাজার খোঁজার উদ্যোগ নেই।

২০০৯ সালের ৭ নভেম্বর, প্রথম আলো: মালয়েশিয়ার জেল ও শিবিরে বন্দী দেড় হাজার বাংলাদেশি। আর কুয়েতে বকেয়া বেতনের দাবিতে চার হাজার বাংলাদেশি শ্রমিকের কর্মিবরতি।

২০০৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: প্রবাসী কর্মীরা রাষ্ট্রকে শুধু দিচ্ছেন, পাচ্ছেন না কিছুই।

পাঁচ বছরে জনশক্তি রপ্তানির চিত্র:

সালমোট জনশক্তি রপ্তানিমোট রেমিট্যান্স কোটি টাকায়
২০০৫২,৫২,৭০২ জন২৭,৩০৪,৩৩,০০,০০০ টাকা
২০০৬৩,৮১,৫১৬ জন৩৮,৩৬৬,৫৬,০০,০০০ টাকা
২০০৭৮,৩২,৬০৯ জন৪৫,৭২৪,৪৪,০০,০০০ টাকা
২০০৮৮,৭৫,০৫৫ জন৬২,২১০,৪২,০০,০০০ টাকা
২০০৯৪,৪১,১১২ জন৬৭,৯৭১,৮২,০০,০০০ টাকা

২০১০ সালের ২৮ জানুয়ারি, প্রথম আলো: (১৯৯৬-২০০৯) গত ১৪ বছরে তিন লাখ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছে। ১৯৭৬-২০০৯ পর্যন্ত ৬৭ লাখ ৪১ হাজার ১৮৭ জন বাংলাদেশী কর্মীর বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

২০১০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: এ পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে লক্ষাধিক নারীকর্মীসহ ৬৭ লক্ষাধিক মানুষ বিদেশে গেছেন।

২০১০ সালের ১৬ মে, প্রথম আলো: কানাডাতে বাংলাদেশের বাঙালীর সংখ্যা হলো প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজারের মতো।

২০১০ সালের ২৪ মে, প্রথম আলো: জনশক্তি রপ্তানি: বেশি যান কুমিল্লা ও চট্টগ্রামের লোক, পিছিয়ে উত্তরাঞ্চল।

২০১০ সালের ২৭ জুন, প্রথম আলো: বিভিন্ন দেশের কারাগারে আটক ২,০৬১ বাংলাদেশি।

২০১০ সালের ৬ জুলাই, আমাদের সময়: পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কর্মরত প্রায় ৭০ লাখ বাংলাদেশির জন্য মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) তৈরি করতে তিন বছর সময় লাগবে।

২০১০ সালের ২৭ অক্টোবর, প্রথম আলোঃ পশ্চিমবঙ্গে আড়াই হাজারের বেশি বাংলাদেশি কারাবন্দী।

২০১০ সালের ২২ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: বাংলাদেশের ৬৮ লাখ শ্রমিক বিদেশে কর্মরত। এশিয়ার জনশক্তি রফতানিকারক দেশগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

২০১০ সালের ২৩ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: খরচের টাকা তুলতেই হিমশিম। জানা যায়, এশিয়ায় বৃহত্তম অভিবাসী শ্রমিক গ্রহণকারী দেশ মালয়েশিয়ায় এ মহাদেশের ১৬টি দেশের প্রায় ২৫ লাখ শ্রমিক কাজ করেন। এঁদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি চার থেকে সাত গুণ টাকা খরচ করে আসতে হয় বাংলাদেশি শ্রমিকদের।

২০১১ সালের ১৬ জানুয়ারি, প্রথম আলো: মরিশাসে নিহত ১১ জন বাংলাদেশি। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাতজনের লাশ দাফন।

২০১১ সালের ৪ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: বিএমইটির তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭৬ থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত প্রতিবছর জনশক্তি রপ্তানি এক লাখের নিচে ছিল। ১৯৮৯ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বছরে দেড় থেকে দুই লাখ কর্মী গড়ে বিদেশে গেছেন। ২০০৬ সালে গেছেন তিন লাখ ৮১ হাজার ৫১৬ জন। ২০০৭ ও ২০০৮ সালে আট লাখ করে কর্মী বিদেশে গেছেন। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০০৯ সালে চার লাখ ৭৫ হাজার ২৭৮ জন ও ২০১০ সালে তিন লাখ ৯০ হাজার ৭০২ জন কর্মী বিদেশে গেছেন। ২০১১ সালে-এ ১১ মাসে জনশক্তি রপ্তানি পাঁচ লাখ ছাড়িয়েছে।

২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: বছরে এক লাখ লোক অবৈধভাবে বিদেশ যান। ছাত্র, পর্যটক, ওমরাহ পালন ও ধর্মীয় পবিত্র স্থান দেখা ও জিয়ারতের নামে বিদেশে পাঠায় দালালেরা। অভিবাসী দিবস আজ (১৮-১২-২০১১ তারিখ)। অবৈধভাবে বিদেশে গমন: পথে পথে গ্রেপ্তার মৃত্যু হয়রানি।

২০১২ সালের ৩১ জানুয়ারি, প্রথম আলো: জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭৬ থেকে ২০১১ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৭৬ লাখ ৯৯ হাজার ৯৫১ জন বিদেশে গেছেন। তাঁদের ৯০ শতাংশই গেছেন একক ভিসায়।

২০১২ সালের ২৫ মে, প্রথম আলো: ৩ বছরে ৮ হাজার প্রবাসীর লাশ। মন্ত্রণালয় ও শাহজালাল বিমানবন্দরের তথ্য। ইউরোপ-৪২১ জন। এশিয়া-৬,৫৮৩ জন। আমেরিকা-৩১১ জন। আফ্রিকা-২৯৬ জন। অস্ট্রেলিয়া-২৬ জন। ২০০৩-২০১২=৯ বছরে ১৫,৭০০ জন বাংলাদেশির লাশ এসেছে। শীর্ষ পাঁচ দেশে ৩ বছরে মৃত্যু। সৌদি আরব-২,৩৩৯ জন। মালয়েশিয়া-১,২৯৮ জন। আরব আমিরাত-৮৩৮ জন। কুয়েত-৫০৬ জন। ও ওমান-২৯৬ জন। মৃত্যুর কারণ-অধিকাংশ ক্ষেত্রে মৃত্যুর কারণ বলা হয় হৃদরোগ। ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন মৃত্যুর প্রকৃত কারণ অজানা।