২০১২ সালের ৩ জুলাই, বাংলাদেশ প্রতিদিন: ০৩-০৭-২০১২ তারিখ সংসদে শ্রমমন্ত্রী বলেন গত বছর (২০১১ সালে) ২ হাজার ৬১৮ জন বাংলাদেশি কর্মীর মৃতদেহসদেশে ফেরত এসেছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন। আর ২০১১ সালে মোট ৩৯ হাজার ৪০১ জন বাংলাদেশি কর্মী বিদেশ থেকে ফিরে এসেছে।

২০১৩ সালের ১২ জানুয়ারি, দৈনিক জনকন্ঠ: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন-গত চার বছরে ২০ লাখ ৪০ হাজার জনশক্তি বিদেশে কর্মসংস্থান হয়েছে।

২০১৩ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি, দৈনিক জনকন্ঠ: সংসদে প্রশ্নোত্তর: ১৫৭ দেশে ৮৫ লাখ বাংলাদেশী কাজ করছেন। প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী বলেন মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতেই রয়েছে ৬৪ লাখ কর্মী। আগে ৭৫ দেশে বাংলাদেশী কর্মীরা কাজ করতেন। এ সরকারের চার বছরে ৪১ হাজার ৮৪০ জন কর্মী বিদেশে পাঠানো হয়েছে। আর বিভিন্ন দেশ থেকে ফেরত এসেছে ১ লাখ ৭৩ হাজার। এছাড়া হংকংয়ে ৮০ হাজার নারী শ্রমিক পাঠানোর সাম্প্রতিক চুক্তি প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান দেশটি নারীদের জন্য সুরক্ষিত ও নিরাপদ।

২০১৬ সালের ১৭ মার্চ, প্রথম আলো: বাংলাদেশের মোট প্রবাসীর ১১ শতাংশই কুমিল্লা জেলার বলে জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী নুরুল ইসলাম। তিনি কোটবাড়িতে কুমিল্লা টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার মিলনায়তনে মতবিনিময় সভায় বলেন, কুমিল্লার প্রবাসীর সংখ্যা ৬ লাখ ৩৫ হাজার ৩৯০ জন। বাংলাদেশে ৩০০শত সংসদসদস্য আসন আছে এর মধ্যে কুমিল্লাতে আছে ১১জন। বাংলাদেশের ৩.৬৬ শতাংশ আসনসংখ্যা কুমিল্লা জেলার। আর কুমিল্লা জেলার প্রবাসীর সংখ্য হলো ১১ শতাংশ। অন্যান্য জেলা থেকে প্রায় ৩ গুণেরও বেশি লোক প্রবাসী।

১৯৭৬ সালে বাংলাদেশে কয়েকটি গার্মেন্টস কারখানা দিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল। ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প ১(এক) লাখ টাকার পোশাক রপ্তানি করে। ২০০৫ সালের ১ জুন, ৪৩০০-রফতানীমুখী তৈরী পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠান। কিন্তু ১৯০০-ফ্যাক্টরি বন্ধ বা রুগ্ন হয়ে পড়েছে। অথচ চীন, ভারত ও ভিয়েতনাম প্রভৃতি দেশে এ শিল্প বেড়েই চলেছে কর্কেটর মতো। ২০০৫ সালে কোটাপ্রথার উচ্ছেদ ঘটানো হলে বাংলাদেশও মুক্তবাজার অর্থনীতির খোলা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়ে পড়ে। আর ২০০৭ সালে পোশাক শিল্প পোশাক রপ্তানি করে ৫০০ কোটি ডলার বা প্রায় ৩৫,০০০ হাজার কোটি।

১৯৯০ সালের ২৭ ডিসেম্বর, (২৮-১২-২০১১ তারিখের প্রথম আলো) ঢাকার মিরপুরে সারাকা গার্মেন্টসে ভয়াবহ আগুনে নিহত হন ২৭ শ্রমিক। দিনটি ২৭-১২-১৯৯০ তারিখ স্মরণে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে কালো পতাকা হাতে শোকযাত্রা বের করে জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন।

১৯৯৯ সালের ১১ নভেম্বরের তথ্যানুযায়ী-বাংলাদেশে বিভিন্ন গার্মেন্টস কারখানার ৬০ শতাংশের স্টক লটের হদিস নেই।

২০০১ সালের ১০ জুলাই: বাংলাদেশে ৩,৫০০(তিন হাজার পাঁচশত) পোষাক শিল্প আছে। কিন্তু ১৯৭৮ সালে ১৯টি পোষাক শিল্প দিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল।

২০০৩ সালের ৩ জুনের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট: ২০০৫ সালে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্প খাত থেকে ১০(দশ) লক্ষ লোক চাকরি হারাবে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ান(ইইউ) এবং যুক্তরাষ্ট্র প্রদ্‌ত্ত কোটা এবং জিএসপি সুবিধা উঠে গেলে এ খাতটি বিপর্যেয়র মুখে পড়বে বলে ইউএনডিপি মত প্রকাশ করেছে। রপ্তানি আয়ের ৭৬-শতাংশ অর্জনকারী এ খাতটি থেকে বছরে ৫৬ বিলিয়ন ডলার আয় হয়। ইউএনডিপির মতে, ২০০৫ সালে মাল্টিফাইবার এগ্রিমেন্ট (এমএফএ)-এর মেয়াদ শেষ হবার পর বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে-বাসস।

২০০৩ সালের ২৭ জুলাই, ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে: আগামী ২০০৫ সালের জানুয়ারি মাসের মধ্যে কোটা প্রথা উঠে গেলে বাংলাদেশে পোশাক শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এতে লাভবান হবে চীন, ভারত ও পাকিস্তান। ভারতের ব্যাপক প্রস্তুতি।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে প্রায় ৬০০(ছয়শত) কোটি ডলার রপ্তানি আয়ের মধ্যে পোশাক খাতের অংশই হচ্ছে ৪৫০(চারিশত পঞ্চাশ) কোটি ডলারের বেশী। পোকাশ শিল্পে কর্মরত রয়েছে ১৫(পনের) লক্ষ্যের বেশী শ্রমিক। এদের অধিকাংশই নারী শ্রমিক।

২০০৪ সালের ২৬ জুন, স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির মহাসচিব অধ্যাপক আবুল বারাকাত-বিশ্ব ব্যাংক, আন্তর্জািতক মুদ্রা তহবিল ও বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থাকে দারিদ্র সৃষ্টির কারণ হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, দেশের ২০ লাখ গার্মেন্টস শ্রমিক বছরে ২০ কোটি মাইল পায়ে হেঁটে ৭৪ কোটি ঘন্টা শ্রম দেন। প্রতি সাড়ে তিন ঘন্টা শ্রমের জন্য তাদেরকে এক ঘন্টা হাঁটতে হয়। ডবিস্নউটির এবং এমএফএ সেই শ্রমিকের রুটি রুজির দরজা বন্ধ করার কে? আমাদের টেক্সাটাইল শিল্প মহাবিপদে পড়বে। ২০ লাখ শ্রমিকের মধ্যে ১০ লাখ শ্রমিক বেকার হয়ে পড়বে। তিনি বলেন বাংলাদেশ টিকে থাকতে হলে ৩শ' কোটি মিটার কাপড় বানাতে হবে। এরজন্য প্রয়োজন ৩০ হাজার কোটি টাকা। অথচ ঘুষ, দুনীতি, হুন্ডির মাধ্যমে বছরে ১.২ (এক লাখ বিশ হাজার) কোটি টাকা লোপাট হচ্ছে। তিনি বলেন, একই কায়দায় স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে আসা ২(দুই) লাখ কোটি টাকা বৈদেশিক সাহায্যের ১ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা লুটপাট হয়েছে। সবই লুটপাট হয়ে যাবে।

২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর, অর্থৈনতিক রিপোর্টার: বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকসহ বিভিন্ন আন্তর্জািতক সংস্থা ২০০৪ সালের পর থেকে কোটামুক্ত বিশ্ব বাজার ব্যবস্থায় বাংলাদেশের তৈরী পোশাক শিল্প বড় ধরনের বিপর্যেয়র মুখে পড়বে বলে আশংকা প্রকাশ করলেও বাংলাদেশ নীটওয়ার ম্যানুফ্যকঢ়ারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) নেতৃবৃন্দ ওই সব সংস্থার আশংকা প্রত্যাখান করে বলেছেন, কোটামুক্ত বিশ্ব ব্যবস্থায় আমাদের দেশের নীটওয়্যার শিল্পের অবস্থান আরো সুদৃঢ় হবে। জানুয়ারী থেকে কোটামুক্ত বিশ্ব বাজার ব্যবস্থায় প্রবেশের পর চলতি অর্থ বছরে এ খাতে রফতানী প্রবৃদ্ধি আরো ৫০ ভাগ বৃদ্ধি পাবে।

২০০৫ সালের ৮ জানুয়ারি, নারায়ণগঞ্জ থেকে মোঃ হাফিজুর রহমান মিন্টু: সিদ্ধিরগঞ্জে সান নিটিং গার্মেন্টস কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ড। ২২-শ্রমিক পুড়ে ছাই অনেক নিখোঁজ।

২০০৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি, ইনকিলাব পত্রিকার রিপোর্ট: সালাহউদ্দিন বাবলু: ৪(চার) হাজার গার্মেন্টস কারখানার মধ্যে ১(এক) হাজার গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ এবং ৮০০ কারখানা রুগ্ন হয়ে পড়েছে। ফলে বেকার হয়ে পড়েছে ৬(ছয়) লাখ শ্রমিক-কর্মচারী, যার ৮৫ শতাংশ নারী শ্রমিক।

২০০৫ সালের ৬ জুন, সংসদ রিপোর্টার: তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পেশ-নির্মাণ ত্রুটির কারণেই সাভারের স্পেকট্রাম সোয়েটার গার্মেন্টস ভবন ধসে পড়েছে।

২০০৫ সালের ২৫ অক্টোবর, ইনকিলাব-অর্থৈনতিক রিপোর্টার: বিদেশী টাকায় দেশীয় শিল্পে হামলা। যারা গার্মেন্টস খাত ধ্বংসের আশংকা করেছিল তারাও জড়িত-বিজিএমইএ।

২০০৫ সালের ৩ ডিসেম্বর, অর্থৈনতিক রিপোর্টার: শিশুশ্রম বন্ধ না করলে তৈরী পোশাক আমদানী বন্ধ।-ওয়াল মার্টের হুঁশিয়ারি।

২০০৬ সালের ৩ জানুয়ারি, অর্থৈনতিক রিপোর্টার: ১৮ জানুয়ারি থেকে ঢাকায় শুরু হচ্ছে ৫ম আন্তর্জািতক গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল প্রযুক্তি ও বাণিজ্য প্রদর্শনী বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ আয়োজন 'গার্মেনটেক ২০০৬'। ৩০টি দেশের ৫০০ কোম্পানী মেলায় অংশ নিচ্ছে। ৪র্থ সম্মেলনে প্রায় ১২(বার) হাজার প্রতিনিধি তাদের প্রযুক্তি ও পণ্য নিয়ে মেলায় অংশ নেন।

২০০৬ সালের ৬ অক্টোবর, অর্থৈনতিক রিপোর্টার: গার্মেেন্টসে ন্যূনতম মজুরী ১,৬৬২/- টাকা পুননির্ধারণ। মেনে নিয়েছে মালিক ও শ্রমিক পক্ষ।

২০০৬ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি, কালুরঘাটে টেক্সটাইল মিলে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড-৫৫ লাশ উদ্ধার: ২৯ জনের অবস্থা আশংকাজনক: আরো মৃত্যুর আশংকা। 'আগুন লাগার পরই দুটি গেটে তালা লাগিয়ে দেয়ায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে'।

২০০৬ সালের ২৮ মার্চ, সালাহউদ্দীন বাবলু: ১৯৮০'র দশকে বাংলাদেশে রফতানীমুখী তৈরী পোশাক (গার্মেন্টস) উৎপাদন খাতের যাত্রা শুরুর পর গত ২০ বছরের এটি শিল্পের ভিত্তি পায়নি। বছরে ৪৫ হাজার কোটি টাকা রফতানী আয়ের এ সর্ববৃহৎ সেক্টরটি এখনো চলছে এডহক ভিত্তিতে অর্থাৎ সাময়িক শিল্প হিসেবে।

২০০৬ সালের ৩০ মার্চ, সালাহউদ্দীন বাবলু: গার্মেন্টস ঢাকার বাইরে গেলে ৪০ লাখ লোকের চাপ কমবে।

২০০৬ সালের ৫ মে, স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীতে মাঝারি আকারের ভূমিকম্প হলে-২৮ ভাগ বাড়ী ও ৮০ ভাগ গার্মেন্টস ধসে পড়বে। তাৎক্ষণিক ৯৬-হাজার লোকের প্রাণহানি ঘটবে। আহত হবে ১ লাখ ২৭ হাজার মানুষ। দেখা দেবে মারাত্মক মানবিক বিপর্যয়।

২০০৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর, গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি: সালাহউদ্দীন বাবলু-এ বছর ১,৬০৪/-টাকা, আগামী বছর ১,৮৯০/- ও পরের বছর ২,১১৭/-টাকা প্রস্তাব করা হয়েছিল। এ বেতন মালিক পক্ষ মেনে নেয়নি।

২০০৭ সালের ৯ অক্টোবর, নিজস্ব প্রতিবেদক-পুঁজির আধুনিকায়ন হলেও শ্রমের হয়নি: সিপিডি। গত সাত বছরে পোশাক খাতের প্রকৃত আয় বেড়েছে আড়াই গুণ।

২০০৯ সালের ১০ মে, প্রথম আলো: দেশের ১৭টি গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সমন্বয়ে গঠিত বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য পরিষদ শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি পাঁচ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি করেছে।

২০০৯ সালের ১২ মে, প্রথম আলো: ফতুল্লায় ১৩ পোশাক কারখানায় শ্রমিকদের হামলা, সাভারেও সংঘর্ষ।

২০০৯ সালের ১৪ মে, প্রথম আলো: সংসদীয় কমিটিতে দেওয়া তথ্য: সাত বছরে ১২ হাজার ৩০৭ জন শ্রমিকের লাশ দেশে ফিরেছে। হৃদরোগ ও দুর্ঘটনাজনিত কারণে বেশির ভাগ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

২০০৯ সালের ১ নভেম্বর, প্রথম আলো: পুলিশ-পোশাকশ্রমিক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। পুলিশের গুলিতে তিনজন নিহত-আহত শতাধিক। টঙ্গীতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক ও আশপাশের এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

২০০৯ সালের ২ নভেম্বর, প্রথম আলো: টঙ্গীর রাজমিস্ত্রী তাজুল ইসলামের ছবি ছাপা হয়েছে পত্রিকায়। পুলিশের ভ্যানে আধশোয়া-রক্তাক্ত। ১-১১-২০০৯ তারিখ সারা দিন তাঁর কোনো খবর না পেয়ে স্ত্রী-সন্তানেরা কেবল কেঁদেছে। সন্ধায় সেই তাজুল মারা গেলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। তাজুলের তিন মেয়ে-ওদের সান্তনা দেওয়ার কেউ নেই।

২০১০ সালের ৬ জানুয়ারি, প্রথম আলো: মজুরি নিতে এসে লাঠিপেটার শিকার নিপ্পনের শ্রমিকেরা। ১৫ দিনের মধ্যে পাওনা পরিশোধের আশ্বাস।

২০১০ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি, প্রথম আলো: গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন ২১ শ্রমিকের মৃত্যু।

২০১০ সালের ২২ জুলাই, প্রথম আলো: সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-পোশাকশ্রমিকদের বেতন শুধু অপ্রতুলই নয়, অমানবিক। ২৮ জুলাইয়ের মধ্যে তা ঘোষণা করা হবে।

২০১০ সালের ৩০ জুলাই, প্রথম আলো: পোশাকশ্রমিকদের মাসিক নূনতম মজুরি।

ক্রগ্রেডনতুন মূল বেতননতুন মোট বেতনবর্তমান মোট বেতনবৃদ্ধির হার
১ম৬,৫০০.০০৯,৩০০.০০৫,১৪০.০০৮১%
২য়৫,০০০.০০৭,২০০.০০৩,৮৪০.০০৮৭.৫০%
৩য়২,৮০০.০০৪,১২০.০০২,৪৪৯.০০৬৮.৩০%
৪র্থ২,৫৪৫.০০৩,৭৬৩.০০২,২৫০.১০৬৭.৩০%
৫ম২,৩২৫.০০৩,৪৫৫.০০২,০৪৬.০০৬৮.৯০%
৬ষ্ঠ২,১৫০.০০৩,২১০.০০১,৮৫১.০০৭৩.৪০%
৭ম২,০০০.০০৩,০০০.০০১,৬৬২.৫০৮০.৪৫%

পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি নভেম্বর-২০১০ থেকে কার্যকর হবে। ভবিষ্যতে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও দেশের আর্থিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনে পুনরায় মজুরি নির্ধারণ করা হবে।

২০১০ সালের ১৫ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: আশুলিয়ায় ১৪-১২-২০১০ তারিখ হা-মীম গ্রুপের পোশাক কারখানায় আগুনে প্রাণ গেল ২৬ শ্রমিকের।

২০১১ সালের ৩ এপ্রিল, সমকাল পত্রিকার রিপোর্টঃ বাংলাদেশে ৩৬ লক্ষ লোক গার্মেন্টস ফ্যাক্টরীতে কাজ করে এবং আরো ৮ লাখ নারী-পুরুষের কাজ দেয়ার চাহিদা আছে। বিদেশী ১৮ হাজার দক্ষ লোক কাজ করছে।

২০১১ সালের ১১ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: বাংলাদেশে বর্তমানে ৩৬ লাখ পোশাকশ্রমিক আছে।

২০১২ সালের ২৩ নভেম্বর, প্রথম আলো: পোশাকশ্রমিক, প্রবাসী শ্রমিক ও কৃষক। তাঁরাই বাংলাদেশের প্রাণ।

(১) পোশাক খাত-প্রায় ৩৬ লাখের বেশি শ্রমিক এবং নারী ৩০ লাখের বেশি। রপ্তানি আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস। গত অর্থবছরে (২০১১-২০১২) আয় প্রায় দুই হাজার কোটি ডলার।

(২) প্রবাসী শ্রমিক-দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম খাত। ৬৭ লাখের বেশি কর্মী। গত অর্থবছরে (২০১১-২০১২) আয় এক হাজার ৮৪ কোটি ডলার।

(৩) কৃষক-এক কোটি ২০ লাখ কৃষক গত অর্থবছরে(২০১১-২০১২) খাদ্য উৎপাদনের পরিমাণ ছিল তিন কোটি ৪৭ লাখ টন।

২০১৩ সালের ১২ জানুয়ারি, দৈনিক জনকন্ঠ: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন দেশে খাদ্য উৎপাদন বেড়ে হয়েছে ৩ কোটি ৪০ লাখ মেট্রিক টন।

২০১৩ সালের ৩১ জানুয়ারি, দৈনিক জনকন্ঠ: গত চার বছরে দেশে ও বিদেশে ৮২ লাখ ৪০ হাজার নতুন কর্মসংস্থান সৃস্টি হয়েছে। আর বিদেশ থেকে কত লক্ষ লোক আসছে গত চার বছরে তা বলেনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

২০১৩ সালের ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত বিদেশে ৮৫ লক্ষ লোক আছে বিদেশে। আবার ২০১৪ সালে এসে বলা হচ্ছে বিদেশে বাংলাদেশের ৯০(নব্বই) লক্ষ লোক আছে।

২০১৩ সালের ১৪ নভেম্বর, দৈনিক জনকন্ঠ: পরিকল্পনা কমিশনের অর্থনীতি বিভাগের প্রতিবেদনে: গত চার বছরে ৮২ লাখ ৭০ হাজার কর্মসংস্থান হয়েছে। বিদেশে ২০ লাখ এবং দেশে ৬২ লাখ ৭০ হাজার।

২০১৪ সালের ২ ডিসেম্বর, প্রথম আলো : বাংলাদেশে ১০০২টি ম্যান পাওয়ার বা রিক্রুটিং এজেন্ট আছে, তারদেরকে সরকার থেকে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে কারণ তারা বৈধ ব্যবসা করে।

২০১৫ সালের ২৫ জুন, প্রথম আলো : বাংলাদেশে বর্তমানে ৩ হাজার ৫০৮টি পোশাক কারখানার মধ্যে এখন পরিদর্শন শেষ করেছে ২,৯০৪টি কারখানা এবং বাকি আছে-৬০৪টি কারখানা পরিদর্শেনর বাকি আইএলও।

।১৯৮০ সালের ২৩ মে থেকে ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত (বোমা ও গ্রেনেড হামলায় মৃত্যুবরণ করেছে-১৪৩ জন।

এবং আহত অনেক

২০০৪ সালের ২৪ আগষ্ট, মফিজুর রহমান: বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৯৮০ সালের ২৩ মে, সাবেক প্রেসিডেন্ট খন্দকার মোশতাক আহমদের জনসভায় প্রথম গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। পরবর্তীেত ১৯৮৪ সালে একই যায়গায় মোশতাক সাহেবের জনসভায় বোমা হামলা হয়। তারপর দীর্ঘ ১৫ বছর বিরতি দিয়ে জনসমাবেশে ভয়ংকর বোমাবাজির ঘটনা আবার ঘটতে শুরু করে বিগত আওয়ামী লীগ শাসনামলে ১৯৯৯ সালের ৬ মার্চ যশোরে উদীচী অনুষ্ঠান থেকে বোমা হামলা। ঐ বছরই অক্টোবর মাসে খুলনায় আহমদিয়া মসজিদে দ্বিতীয় বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। ২০০১ সালের ২০ জানুয়ারি, ঢাকায় পল্টন ময়দানে বাংলাদেশ কমিউনিষ্ট পার্টির সমাবেশে বোমা বিস্ফোরণ ঘটে। ঐ সালের ১৪ এপ্রিল, পহেলা বৈশাখের রমনা মেলা অনুষ্ঠানে হৃদয়বিদারক বোমা বিস্ফোরণের বীভৎস দৃশ্যের অবতারণা হয় টিভি ক্যামেরার চোখের সামনে। ঐ সালের জুন মাসে আরও দুটি বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। ৩ জুন, ২০০১ গোপালগঞ্জের বানিয়ার চর গীজ্র্জায় ভয়ানক বোমা হামলা ঘটে। তারপর আরও মারাত্মক বোমা বিস্ফোরণ ঘটে নারায়নগঞ্জের গডফাদার শামীম ওসমানের আওয়ামী লীগের দপ্তরে। কেয়ারটেকার সরকারের আমলেও গুপ্ত বোমা হামলা চলতে থাকে। ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০০১ সালে আওয়ামী লীগ সমাবেশে আবার বড় ধরনের বোমাবাজি ঘটে। তার এক বছর পর ২০০২ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর, প্রথম সিমেনা হলে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে সাতক্ষীরায়। ঐ বছর ডিসেম্বরের-৬ তারিখ ঈদের ছুটিতে যুগপথ চারটি সিমেনা হলে মর্মািন্তক বোমা হামলা ঘটেছে। তারপর ২০০৩ সালের ১৭ জানুয়ারি, টাঙ্গাইলের ফাইলা পীর সাহেবের দরগায় একটা বিকট বোমা বিস্ফোরণ ঘটে। এক বছর পর ২০০৪ সালের ১২ জানুয়ারি, অনুরুপ বিস্ফোরণ ঘটানো হয় সিলেটে শাহজালালের মাজারে। এ বছরই খুলনায় ২৯ ফেব্রুয়ারি, সিটি মেয়র বিএনপি নেতা শেখ তৈয়বুর রহমানের গাড়ী লক্ষ্য করে গ্রেনেড ছোঁড়া হয়। ৫ মার্চ, ঐ শহরেই একটা হোটেলের সামনে টহলদার পুলিশকে লক্ষ্য করে গ্রেনেড ছোঁড়ে। ২০০৪ সালের ২১ এপ্রিল, খুলনা জেলার ফুলতলা উপজেলার একটা ইটের ভাঁটি থেকে যৌথ বাহিনী একটা গ্রেনেড উদ্ধার করে। তার আগে ২০০৩ সালের ডিসেম্বরে যৌথ বাহিনী আটক করে একটা গ্রেনেডসহ চারজনকে। ২০০৪ সালের ২১ মে, সিলেটে শাহ জালালের মাজারে বৃটিশ হাই কমিশনার আনোয়ার চৌধুরীকে লক্ষ্য করে বোমা হামলা হয়। ২৩ মে, খুলনার রূপসা উপজেলায় আইচগাতি যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে বাম চরমপন্থীরা গ্রেনেড হামলা চালায়। এ গ্রেনেডটি ছিল 'আরজেস ১৯৮৪ মডেলের। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সেনাবাহিনী যেটা ব্যবহার করে। এ বছরই ৫ আগষ্ট, সিলেটে দুটো সিনেমা হলে বোমা বিস্ফোরণ ঘটে, একটিতে বিস্ফোরণ ঘটেনি। সিলেটের গুলশান হোটেলের চত্বরে আওয়ামী লীগ সমাবেশের কাছে গাড়ী রাখার জায়গায় ৭ আগষ্ট, একটা গ্রেনেড বিস্ফোরিত হয়েছিল বলে সংবাদ। ২০০৪ সালের ২১ আগষ্ট, শনিবার বিকেলে গুলিস্থান, বঙ্গবন্ধু এ্যাভিনিউ, ঢাকায় আওয়ামী লীগ অফিসের সামনের সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় আইভি রহমানসহ ২২(বাইশ) জনের মৃত্যু এবং ৩০০(তিন শতাধিক) মানুষ আহত হয়েছে। ২০০৪ সালের ২১ আগষ্ট, ঢাকার গ্রেনেডগুলিও 'আরজেস ১৯৮৪ মডেলের। ২৮ জানুয়ারি, ইনকিলাব রিপোর্ট-হবিগঞ্জে বোমা হামলায় কিবরিয়াসহ নিহত ৪ জন। বোমা হামলার ঘটনায় এ যাবৎ ১৪২-ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন হাজারের মত। কিন্তু এ যাবৎকালের কোন বোমা বা গ্রেনেড হামলা ঘটনার উৎসের সন্ধান পাওয়া যায়নি। তদন্ত রিপোর্টও বাহির হয়নি।