২০০৬ সালের ২৬ অক্টোবর, কর্ণেল(অব.) অলি অহম্মদ বীরবিক্রমের নেতৃত্বে লিবারেল ডেমোক্রেডিক পার্টি(এলডিপির) প্রতিষ্ঠিত হয় এবং প্রথম নির্বাহী প্রেসিডেন্ট হন।
২০০৬ সালের ২৭, ২৮ ও ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মনে হয় না এ দেশে কোন সরকার ছিল। নাটকের চেয়ে নাটকীয় শ্বাসরুদ্ধকর ৭২ ঘন্টা।
২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর, স্টাফ রিপোর্টার: ২৮ অক্টোবরের খুনীদের বিচার এদেশের মাটিতেই হবে-খালেদা জিয়া। গত ২৮-১০-২০০৬ ও ২৯-১০-২০০৬ অক্টোবর রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্র শিবিরের ১৩ জন নেতাকর্মীর পরিবারের উপস্থিত সদস্যদের খোঁজ-খবর নেন।
| ক্রমিক | রাষ্ট্রপতি-২০০৬ | অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দিন আহমেদ |
| প্রধান উপদেষ্টা-২০০৬ | অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দিন আহমেদ |
| উপদেষ্টামন্ডলী-২০০৬ | বিচারপতি ফজলুল হক |
| -ঐ- | ড. আকবর আলী খান |
| -ঐ- | সি.এম. শফি সামি |
| -ঐ- | লে. জে. হাসান মশহুদ চৌধুরী |
| -ঐ- | এম. আজিজুল হক |
| -ঐ- | ধীরাজ কুমার নাথ |
| -ঐ- | ইয়াসমিন মোর্শেদ |
| -ঐ- | সুফিয়া রহমান |
| -ঐ- | সুলতানা কামাল |
| -ঐ- | মাহবুবুল আলম |
২০০৬ সালের ৪ নভেম্বর, সাজ্জাদ আলম খান: বিলাসবহুল গাড়ীর মালিকদের আয়ের উৎস সন্ধানে এনবিআর। টার্গেট-১,১৩৭ জন।
২০০৬ সালের ৭ নভেম্বর, স্পোর্টস রিপোর্টার: ফুটবল মহানায়ক জিদান ঢাকায়।
২০০৬ সালের ১২ নভেম্বর, স্টাফ রিপোর্টার: ১৪-দলের অবরোধ পালনকালে ঢাকার ২২টি স্পটে পিকেটিং করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। স্পটগুলো হচ্ছে-গাবতলী বাসস্ট্যান্ড, ১০নং গোল চত্বর, পল্লবী বাসস্ট্যান্ড, রাসেল স্কোয়ার, আজমপুর কুড়িল রেল ক্রসিং, মহাখালী, মগবাজার, জুরাইন রেল গেট, যাত্রাবাড়ী, দয়াগঞ্জ, সদরঘাট, রায়সা বাজার মোড়, বাবুবাজার ব্রিজ, শাপলা চত্বর, শাহজাহানপুর রেল ক্রসিং, নূর হোসেন চত্বর, শাহবাগ মোড়, কমলাপুর রেল স্টেশন, কেল্লার মোড়, নবাবপুর ও নর্থ সাউথ রোড।
২০০৬ সালের ১৩ নভেম্বর, এ বছর ৪-হাজার ৬১৩ কোটি কালো টাকা সাদা হয়েছে।
২০০৬ সালের ২৬ নভেম্বর, ইউএনবি: আন্তর্জািতক জরিপ প্রতিবেদন-বিশ্বের ১৬৫টি গণতান্ত্রিক দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৭৫তম। ইকোনোমিষ্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট।
২০০৬ সালের ২৬ নভেম্বর, বাসস: আমিষ লৌহ ও ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার স্পিরুলিনা।
২০০৬ সালের ২৮ নভেম্বর, নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা। নির্বাচন ২১ জানুয়ারি, ২০০৭। মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ সময় ১০ ডিসেম্বর, ২০০৬। বাছাই ১১ ডিসেম্বর, ২০০৬। প্রার্থিতা প্রত্যাহার ১৯ ডিসেম্বর, ২০০৬ তারিখ।
২০০৬ সালের ১ ডিসেম্বর, ইনকিলাব পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার: গত ৩০ নভেম্বর, এনেক্স ভবনের ১২নং আদালতে কয়েকটি রিট মামলার ওপর প্রধান বিচারপতির স্থগিতাদেশের বিষয়টি এটর্নি জেনারেল আদালতকে অবহিত করেন। তিন রিটের নজিরবিহীন স্থগিতাদেশ। শেষ মুহূর্তে প্রধান বিচারপতির নিষেধাজ্ঞা। আদেশ প্রদানের জন্য হাইকোর্ট যখন সম্পূর্ণ প্রস্তুত তখন এটর্নি জেনারেল '৩টি কাগজ' বিচারপতি আওলাদ আলীর হাতে দেন। প্রধান বিচারপতির 'নিষেধাজ্ঞা' সংক্রান্ত এ আদেশ পাঠ করার সঙ্গে সঙ্গে উত্তেজিত হয়ে ওঠেন ১৪-দলীয় আইনজীবীরা। প্রধান বিচারপতির কক্ষসহ এটরনী জেনারেলের অফিস ভাঙচুর: আইনজীবিদের বিক্ষোভ: অগ্নিসংযোগ।
২০০৬ সালের ১ ডিসেম্বর, স্টাফ রিপোর্টার: শাহবাগ থানায় মামলা। হাইকোর্টে ভাঙচুরের ঘটনায় গতকাল (বৃহস্পতিবার) শাহবাগ থানায় মামলা হয়েছে। এটর্নি জেনারেল অফিসের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ কুদ্দুস বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।
২০০৬ সালের ৩ ডিসেম্বর, স্টাফ রিপোর্টার: ইউরোপীয় পার্লােমন্টের পর এবার এনডিআই: বর্তমান তালিকায় ১ কোটি ২২ লাখ ভুয়া ভোটার। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক নির্বাচন পর্যেবক্ষণ সংস্থা ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইন্সটিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল এ্যাফেয়ার্স (এনডিআই)।
২০০৬ সালের ৫ ডিসেম্বর, স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশে বার্ষিক চাহিদার মাত্র ২৬-ভাগ রক্ত সংগ্রহ করা যায় বাকিগুলো ঝুঁকিপূর্ণ। বাকি ৭৪-ভাগ রক্ত আসে আত্মীয়স্বজন-বন্ধুবান্ধব ও পেশাদার রক্ত বিক্রেতাদের মাধ্যমে যা সম্পূর্ণভাবে স্ক্যানিং করা হয়না।
২০০৬ সালের ৭ ডিসেম্বর, স্টাফ রিপোর্টার: গত ৩০ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টে সংঘটিত ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রখ্যাত আইনজীবী ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার আমির-উল-ইসলাম ও ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ। গতরাতে বিচারপতি ও আইনজীবীদের প্রতি সবিনয় নিবেদন' শিরোনামে দেয়া এক দীর্ঘ বিবৃতিতে তারা বলেন, ৩০ নভেম্বর, আইনজীবীদের আবেগের বহিঃপ্রকাশে সংঘটিত ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেজন্য সজাগ থাকতে সকলের প্রতি আহবান জানাই। আমরা এ ঘটনার উন্মুক্ত তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তির দাবী জানাচ্ছি।
২০০৬ সালের ৮ ডিসেম্বর, নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা পুনঃনির্ধারণ। নির্বাচন ২৩ জানুয়ারি, ২০০৭। মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ সময় ২১ ডিসেম্বর, ২০০৬। বাছাই ২২ ডিসেম্বর, ২০০৬। প্রার্থিতা প্রত্যাহার ২৮ ডিসেম্বর, ২০০৬।
২০০৬ সালের ৮ ডিসেম্বর, স্টাফ রিপোর্টার: ০৮-১২-২০০৬ তারিখ থেকে ১৫-১২-২০০৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত শুরু হচ্ছে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ।
২০০৬ সালের ১০ ডিসেম্বর, স্টাফ রিপোর্টার: দেশে আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করার জন্য সারাদেশে সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
২০০৬ সালের ১০ ডিসেম্বর, স্টাফ রিপোর্টার: সেনা নিয়োগ প্রসঙ্গে জলিল: দুর্নীিতবাজ সন্ত্রাসী ও গডফাদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে স্বাগত জানাবো।
২০০৬ সালের ১০ ডিসেম্বর, নোবেল শান্তি পুরস্কার গ্রহণ করলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
২০০৬ সালের ১৬ ডিসেম্বর, অর্থৈনতিক রিপোর্টার: ঘরে ঘরে সংবাদপত্র পৌঁছবে ইন্টারনেটে। ২০২১ সালে বাংলাদেশে সংবাদপত্র ছাপা হবে না-গোলটেবিলে বক্তারা। আমি মোঃ জাকির হুসেন(আলমগীর) এ কথার সাথে একমত নই।
২০০৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর, স্টাফ রিপোর্টার: গতকাল ১৮-১২-২০০৬ তারিখ বাংলাদেশ ইনসাফ পার্টি নামে একটি ইসলামী দলের আত্মপ্রকাশ হয়েছে।
২০০৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর, কলকাতা থেকে কালীপদ দাস: মূখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেবের স্বীকারোক্তি। পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমরা চরম দুর্দশায় আছেন। সরকারী অফিসে মাত্র ৩ থেকে ৪ শতাংশ মুসলিম এবং রাজ্যের জনসংখ্যার ২৬-ভাগ মুসলিম।
২০০৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর, নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ পুনঃনির্ধারণ। নির্বাচন ২২ জানুয়ারি, ২০০৭।
২০০৬ সালের ২৫ ডিসেম্বর, নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা পুনঃনির্ধারণ। নির্বাচন ২২ জানুয়ারি, ২০০৭। মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ সময় ২৬ ডিসেম্বর, ২০০৬। বাছাই ২৭ ডিসেম্বর, ২০০৬। প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৩ জানুয়ারি, ২০০৭ তারিখ।
২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি, প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দিন আহমেদ দেশে জরুরী অবস্থা ঘোষণা করেণ এবং ১১-০১-২০০৭ তারিখ জানুয়ারির পটপরিবর্তেনর মাধ্যমে সেনাবাহিনী তত্ত্বাবধায়ক প্রশাসনের প্রতি সহায়তার হাত বাড়িয়েছে।
২০০৭ সালের ১২ জানুয়ারি, তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান হিসেবে ড. ফকরুদ্দীন আহমদ শপথ নেন।
| ক্রমিক | রাষ্ট্রপতি-২০০৭ | অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দিন আহমেদ |
| প্রধান উপদেষ্টা-২০০৭ | ড. ফকরুদ্দীন আহমদ |
| আইন ও তথ্য উপদেষ্টা,পদত্যাগ | ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন(০৮-০১-২০০৮) |
| অর্থ উপদেষ্টা | ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম |
| যোগাযোগ উপদেষ্টা | মেজর জেনারেল(অব.) এম. এ. মতিন |
| বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খাদ্য বিষয়ক | তপন চৌধুরী (পদত্যাগ-০৮-০১-২০০৮) |
| সমাজকল্যাণ, বস্ত্র ও পাট, শিল্প এবং মহিলা ও | গীতি আরা সাফিয়া চৌধুরী(পদত্যাগ ০৮-০১-২০০৮) |
| শিশু বিষয়ক |
| স্বাস্থ্য উপদেষ্টা (পদত্যাগ ০৮-০১-২০০৮) | মেজর জেনারেল (অব.) ডা. এ. এস. এম. মতিউর রহমান |
| স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা | সাবেক আইজিপি মোঃ আনোয়ারুল ইকবাল |
| পররাষ্ট্র বিষয়ক | ড. ইফতেখার আহমদ চৌধুরী |
| কৃষি উপদেষ্টা | ড. চৌধুরী সাজ্জাদুল করিম |
| শিক্ষা উপদেষ্টা (পদত্যাগ) | আইয়ুব কাদরি | ০৮-০১-২০০৮ তারিখ |
২০০৭ সালের ১৭ জানুয়ারি, সাঈদ আহমেদ: বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন। ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর বিচারপতি মাইনূর রেজা চৌধুরীর নেতৃত্বে পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ দিয়েছিলেন (বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ প্রক্রিয়া) এ রায়। পৃথকীকরণের ফলাফল-জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তথা (ডিসি) জেলা প্রশাসকগণ সেশন জজ তথা জেলা জজের অধীন হয়ে যাবেন। ফৌজদারি কার্যিবধির ১৭-ধারাটি সংশোধন করে এ বিধান করা হয়েছে। বিধিতে নির্বাহী ও বিচার বিভাগীয়-২ ধরনের ম্যাজিস্ট্রেটের বিধান রাখা হয়েছে। ২শ' বছরের প্রচলিত ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটসহ সকল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে এ অধ্যাদেশে জেলা জজের অধীন করা হয়েছে। পৃথকীকরণের ফলে সকল আদালত পর্যায়ক্রমে সুপ্রিমকোর্টের অধীনে চলে আসবে।
২০০৭ সালের ১৭ জানুয়ারি, হারুনুর রশীদ: ড. ফকরুদ্দিনের সামনে অনেক পথ বিপদ সংকুলও বটে। তিনি বলেছেন যে, গত ৫ বছরে যারা আড়াই লাখ কোটি টাকারও বেশী ধনসম্পদ লুটেপুটে নিয়েছে তাদের মাঠ দাবড়ানোর সুযোগ অব্যাহত রেখে এবং তাদের লুন্ঠিত সম্পদ অক্ষত রেখে স্বচ্ছ, সুষ্ঠু, অবাধ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন কতোটা সম্ভবপর কিংবা আদৌ সম্ভবপর কিনা, সেটাও একটা গভীর ভাবনার বিষয় বটে।
২০০৭ সালের ১৮ জানুয়ারি, সাজ্জাদ আলম খান: পণ্য মূল্যোর মাধ্যমে অশুভ ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে গত ৪ বছরে হাতিয়ে নিয়েছে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট জনগণের কাছ থেকে ৭৬ হাজার কোটি টাকা।
২০০৭ সালের ২১ জানুয়ারি, মোবায়েদুর রহমান: ড. ফখরুদ্দীনের ৫ দফা: লন্ডন ফিনান্সিয়াল টাইমসে চাঞ্চল্যকর তথ্য গত ১৭ জানুয়ারি প্রকাশিত হয়েছে। এগুলো হলোঃ- (১) দেশের পক্ষপাতদুষ্ট নির্বাচন যন্ত্রে (নির্বাচন কমিশন), শুদ্ধি অভিযান (২) বেসামরিক প্রশাসনে বিশেষ করে সিভিল সার্ভিেস গুণগত উৎকর্ষতা আনয়ন (৩) জাতীয় রাজনীতিতে শুদ্ধি অভিযান চালিয়ে রাজনীতিকে দুর্নীর্তি মুক্ত করা। (৪) বিচার বিভাগকে দলীয়করণ মুক্ত করা ও (৫) পঙ্গু বিদ্যুৎ খাতের সংস্কার।
২০০৭ সালের ২৪ জানুয়ারি, ইনকিলাব রিপোর্ট: যৌথ অভিযানে আ'লীগ-বিএনপি নেতাসহ গ্রেফতার-২,২৪০ জন। ১৭ আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল গোলাবারুদ উদ্ধার: পল্লবীতে কমিশনার আহসান যৌথবাহিনীর হাতে আটক।
২০০৭ সালের ২৯ জানুয়ারি, বাসস: নির্দলীয় তত্ত্ববধায়ক প্রধান উপদেষ্টা ড. ফখরুদ্দীন আহমদ গতকাল ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে ভাষণ দেন-কিছু লোকের দুর্নীিতর কাছে জাতি জিম্মি হতে পারে না। কিছুসংখ্যক লোকের সীমাহীন লোভ-লালসা অবৈধ প্রতিপত্তি কালো টাকা পেশীশক্তি দুর্বৃত্তপনার কাছে সত্যিকার কল্যাণমুখী গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ হতে পারে না।
২০০৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি, তালুকদার হারুন: ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি মাহফুজুর রহমানসহ পাঁচজন নির্বাচন কমিশনার পদত্যাগ করেছেন ৩১-০১-২০০৭ তারিখ। বঙ্গভবনে ১২-৪০ মিনিটে যান-সেখান থেকে ফেরেন ২-৪০ মিনিটে।
২০০৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, ইনকিলাব: অমর একুশে বইমেলা-২০০৭ উদ্ধোধনের পর প্রধান উপদেষ্টা ড. ফখরুদ্দীন আহমদ বইমেলা ঘুরে দেখেন এবং বলেন কেউ কেউ জবাবদিহিতা ছাড়াই অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ছে। নৈরাজ্য বৈষম্য চলতে দেয়া যায় না। কিন্তু চলছে।
২০০৭ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি, শফিউল আলম দোলন: উদ্ধারের প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার। ২৫ বছরে লুন্ঠিত স্থাবর সম্পত্তি ৫ লাখ কোটি টাকারও বেশী। অর্থনীতিবিদদের ধারণা বিগত ৩৪ বছরে দেশে ৭০ লাখ কোটি কালো টাকা তৈরি হয়েছে: যার বেশিরভাগই পাচার হয়ে গেছে।
২০০৭ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি, বিশেষ রাজনৈতিক ভাষ্যকার: জেনারেল মইনের ভাষণ এবং সৎ রাজনীতিকদের সন্ধান।
২০০৭ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি, স্টাফ রিপোর্টার: সুদখোর মহাজন ড. ইউনূসকে ক্ষমতায় বসাতে দেবে না সচেতন জনগণ। বিভিন্ন নেতৃবৃন্দের বিবৃতি অব্যাহত।
২০০৭ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি, ট্রাভেল ব্যবসা জিম্মি করার সব আয়োজন পাকাপোক্ত করা হচ্ছে। আইএটিএ-এর একগুঁয়েমির কারণে প্রায় ১,২০০(এক হাজার দুইশত) ট্রাভেল এজেন্সি বন্ধ হয়ে পড়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উধ্র্বতন কর্মকর্তােদর মাঝে দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়েছে।
২০০৭ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি, বাসস: ইউএনডিপি'র জরিপে তথ্য-শতকরা ৭৫ ভাগ লোক পুলিশের কাজে অসন্তুষ্ট।
২০০৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি, স্টাফ রিপোর্টার: উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ বৈঠক সেনাবাহিনীর প্রস্তাব-নির্ভুল ভোটার তালিকাসহ ও আইডি কার্ড তৈরী কয়েক মাসের মধ্যেই সম্ভব। খরচ হবে-৩০০ কোটি টাকা।
২০০৭ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি, স্টাফ রিপোর্টার: ড. ইউনূসের রাজনৈতিক দলের নাম ''নাগরিক শক্তি''। এখন বলে রাজনীতি করবে না।
২০০৭ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি, স্টাফ রিপোর্টার: এবার রাজধানীর দেড় হাজার পুলিশ সোর্সের বিরুদ্ধে অভিযান। রাজধানীর ৩৩টি থানার সোর্স আছে প্রায় দেড় হাজার। পুলিশের হয়ে এরা সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে টাকা আদায় করে। নিরীহ মানুষকে হয়রানি করে।
২০০৭ সালের ১৩ মার্চ, ইনকিলাব পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার: তারেক জেল হাজতে-পাঁচটি দেশে রয়েছে কয়েক হাজার কোটি টাকা। সংশিস্নষ্ট সুত্রে জানা গেছে, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, সুইজারল্যান্ড, থাইল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকাসহ ৫টি দেশে তারেক রহমানের কয়েক হাজার কোটি টাকা রয়েছে। এরমধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা ও মালয়েশিয়ায় কয়েক হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে।
২০০৭ সালের ১৪ মার্চ, স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ-ভারত সন্ত্রাসী বিনিময় প্রক্রিয়া শুরু। ভারত ফেরত দিবে ১৭০ জন শীর্ষ সন্ত্রাসীকে-আর ভারত ফেরত চেয়েছে অনুপচেটিয়াসহ ৭৬ জন সন্ত্রাসীকে।
২০০৭ সালের ১৪ মার্চ, নিউইয়র্ক থেকে এনা: নিউইয়র্কে স্বল্প আয়ের ২৪,০০০ হাজার পরিবারের বাড়ি ভাড়া দেবে ফেডারেল প্রশাসন। বাংলাদেশীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া।
২০০৭ সালের ১৫ মার্চ, ইনকিলাব ডেক্স: এক বিবাহ বিচ্ছেদ-স্ত্রী ক্ষতিপূরণ পাচ্ছেন ৭১,৫০০ কোটি টাকা। রাশিয়ার কোটিপতি ফুটবল তারকা অ্যাব্রামোভিচের বিবাহিত জীবনের অবসান ঘটেছে। কোটি কোটি পাউন্ডের মালিক ফুটবল তারকা অ্যাব্রাভিচ ১৩-০৩-২০০৭ তারিখ নিজেই তার স্ত্রীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ির কথা ঘোষণা করেন। রাশিয়ান ফুটবল তারকা অ্যাব্রামোভিচ ১,৪৩,০০০ হাজার কোটি টাকার মালিক।
২০০৭ সালের ১৭ মার্চ, উমর ফারুক আলহাদী: বিশ হাজার সাজাপ্রাপ্ত আসামী পলাতক।
২০০৭ সালের ১৮ মার্চ, সাঈদ আহমেদ: সরকারী প্রকল্পের সাড়ে ৪ হাজার গাড়ী লাপাত্তা। ব্যবহার হচ্ছে আমলাদের বাজার করা, সন্তান স্কুলে আনা-নেয়া ও রেন্ট-এ কার হিসেবে।
২০০৭ সালের ২২ মার্চ, স্টাফ রিপোর্টার: কমনওয়েলথ মহাসচিবের সঙ্গে বৈঠকের পর-সিইসি-ড. এ. টি. এম. শামসুল হুদা।জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবিসহ ভোটার তালিকা একসঙ্গে হবে।
২০০৭ সালের ২৬ মার্চ, সাখাওয়াত হোসেন: ১,৬৫৮ জন অপরাধীর তালিকা গোয়েন্দা পুলিশের হাতে। ১০ ক্যাটাগরির মধ্যে অস্ত্রধারী-৩০৫ জন, চাঁদাবাজ-৩৮২ জন, সন্ত্রাসী-২০৪ জন, ভূমিদস্যু-১৬৬ জন, মাদক ব্যবসায়ী-২৪৯ জন, মাদক ব্যবসায়ীদের গডফাদার-৯৫ জন, ছিনতাইকারী-৮৩ জন, টেন্ডারবাজ-১০১ জন, হোটেলে যারা বিনা পয়সায় খায় এমনসংখ্যা-১৯ জন এবং মেয়েদের উত্ত্যক্তকারী-৫৪ জন।
২০০৭ সালের ২৯ মার্চ, মোঃ ফজলুর রহমান, হবিগঞ্জ থেকে-সেনাবাহিনীর প্রধান লে. জেনারেল মঈন উ. আহমেদ বলেন-গত ৫ বছরে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে।