১৯৮৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বরের রিপোর্ট-২০০০ সালে উন্নয়নশীল বিশ্বে নিরক্ষর লোকসংখ্যা হবে ১০০(একশত) কোটি।

১৯৮৮ সালের ১৪ অক্টোবরের একটি জরিপ: বিশ্বের অধিকাংশ যুবক স্ববিরোধীতা ও হতাশায় ভুগছে।

১৯৮৮ সালের ১৪ অক্টোবরের হিসেবমতে-বিশ্বে কুষ্ঠরোগীর সংখ্যা ১০০/১২০ কোটি। এর মধ্যে অর্ধেেকর কিছু কম দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অধিবাসী।

১৯৮৮ সালের ১৪ অক্টোবরের হিসেবমতে-বিশ্বে প্রতি মিনিটে অস্র প্রতিযোগিতায় ব্যয় হচ্ছে ২০ লক্ষ ডলার।

১৯৮৮ সালের হিসেবমতে, শ্রম পরিসংখ্যাণ গ্রন্থে বলা হয়-বেকারত্ব ঘুচাতে বিশ্বে ৪০-বছর ধরে প্রতিবছর ৫ কোটি লোককে কাজ দিতে হবে। ২০০২ সালের হিসেবমতে, বেকারত্ব ঘুচাতে বিশ্বে ৪০-বছর ধরে প্রতিবছর ৬ কোটি লোককে কাজ দিতে হবে। ২০০৯ সালের হিসেবমতে, বেকারত্ব ঘুচাতে বিশ্বে ৪০-বছর ধরে ৮ কোটি লোককে কাজ দিতে হবে। তৃতীয় বিশ্বের বেকারত্ব ঘুচবে না।

১৯৮৮ সালের তথ্য অনুযায়ী: বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৪(চার) ভাগের ১(এক) ভাগের উপযুক্ত আশ্রয় নাই এবং ১২.৫০(বার কোটি পঞ্চাশ লক্ষ) লোকের আদৌ কোন ঘর নেই। বাংলাদেশে ৩০ লক্ষ লোক আশ্রয়হীন।

১৯৮৯ সালে দীর্ঘ ৩০ বছর পর চীন-সোভিয়েত শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৯০ সালের ১৮ এপ্রিলের তথ্যানুযায়ীঃ বিশ্বের সবচেয়ে বেটে লোকটি নয়াদিল্লীর গুল মোহাম্মদ, উচচতা-৫৮.১৫ সেন্টিমিটার, ওজন-১৭ কেজি।

১৯৯১ সালের ১ এপ্রিলের তথ্য-বিশ্বে ৩ লক্ষ ২৪ হাজার ৫০০(পাঁচশত) মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন পারমাণবিক কারখানা আছে।

১৯৯১ সালের ৯ জুন, ফিলিপিন্সের সুপ্ত আগ্নেয়গিরি ৬০০ বছর পর জেগে উঠে অগ্ন্যুৎপাত শুরু করলে বহু লোক নিহত এবং ৩৫ হাজার মানুষ বাস্তুহারা হয়।

১৯৯১ সালের ২ আগস্টের তথ্য-বাংলাদেশে বছরে প্রতিজন লোক জ্বালানি ব্যবহার করে ৫০ কেজি, মাঝারি দেশগুলো-১,০০০ কেজি এবং শিল্পন্নোত দেশগুলো-৫,০০০ কেজি।

১৯৯১ সালের ১৬ সেপ্টেম্বরের তথ্য-বিশ্বে যত বিজ্ঞানী আছে তার ৯৭ ভাগ উন্নত দেশে এবং ৩ ভাগ তৃতীয় বিশ্বে।

১৯৯১ সালে বিশ্বের উৎপাদিত আকরিক লোহার কতভাগ রাশিয়ায় উৎপাদিত হয় ২১.৫ ভাগ। বিশ্বে আকরিক লোহা উৎপাদনের দিক থেকে চীন দ্বিতীয় স্থানে আছে। বিশ্বে কয়লা উৎপাদনের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র প্রথম স্থানে আছে।

১৯৯১ সালে বিশ্বে আকরিক লোহা উৎপাদনের পরিমাণ ছিল-৯২.২০ কোটি মেট্রিক টন।

১৯৯১ সালে বিশ্বে চীন শতকরা ৩০.৯ ভাগ কয়লা উৎপাদন করে।

১৯৯১ সালে যুক্তরাজ্যে ইস্পাত উৎপাদন করে ১ কোটি ২০ লাখ টন।

১৯৯২ সালে ব্রাজিলের রিও শহরেই প্রথম ধরিত্রী সম্মেলন হয়েছিল। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের প্রেক্ষাপটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ বিশ বছর আগে ওই সম্মেলনে ঘোষণা দিয়েছিলেন, বিশ্ব এখন থেকে এক নতুন টেকসই উন্নয়নের পথে এগোবে। কিন্তু বিশ বছর পর ২০১২ সালে এসে সেই অঙ্গীকার কতটুকু বাস্তবায়িত হলো, তার হিসাব কষতে গিয়ে পরিবেশবাদী আর উন্নয়ন চিন্তাবিদেরা হতাশই হয়েছেন। 'কী ভবিষ্যৎ আমরা চাই' শীর্ষক ৪৯ পৃষ্ঠার ওই অঙ্গীকারে বলা হয়েছে, বিশ্বের আগামী দিনের টেকসই উন্নয়নের জন্য পরিবেশ, জ্বালানি, খাদ্যনিরাপত্তা ও সামাজিক উন্নয়নকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। ২৮৩টি সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার করা হয়েছে এতে অঙ্গীকারে বলা হয়েছে, দারিদ্র নির্মূলকে অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে। বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ মানুষ এখনো দারিদ্রসীমার নিচে বাস করে। ২০১২ সালের সম্মেলনে ধনী দেশগুলোর জাতীয় প্রবৃদ্ধির ১ শতাংশ দরিদ্র দেশগুলোকে দেওয়ার যে অঙ্গীকার করা হয়েছিল, সে ব্যাপারে কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে। ১৯৯২ সালের রিও সম্মেলন, ২০০২ সালের জোহানেবার্গ সম্মেলন এবং ২০১২ সালের রিও সম্মেলনে বাংলাদেশের উচ্চপর্যােয়র রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব ছিল অনুপস্থিত। দুনিয়াজুড়ে সবাই এটা মোটামুটি স্বীকার করে নিয়েছেন এবং সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত যে বাংলাদেশ পরিবেশগতভাবে পৃথিবীর সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। সম্মেলনে এশিয়া মহাদেশের কোটায় পাওয়া পাঁচজন সহসভাপতির একজন পাওয়াকে কোনোভাবেই 'বিজয়' বলা যায় না। ২০১২ সালের ২৪ জুন, দৈনিক জনকন্ঠ: রিও সম্মেলনে ঘোষণার উন্নয়নের পথে নতুন যাত্রার অঙ্গীকার। জ্বালানি, খাদ্যনিরাপত্তায় ৫১,৩০০ কোটি ডলার অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি।

১৯৯৩ সালের ৩ জানুয়ারি, রাশিয়া ও আমেরিকা পরমাণু অস্ত্র হ্রাসকরণ চুক্তি স্বাক্ষর করে।

১৯৯৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বরের তথ্যঃ বিশ্বে ধুমপানে বছরে ৩০(ত্রিশ লক্ষ) লোকের মৃত্যু।

১৯৯৪ সালের ১৩ অক্টোবর-বিশ্বে বছরে ধুমপানে মহিলা মৃত্যুর সংখ্যা ৫(পাঁচ) লক্ষ।

১৯৯৪ সালের ২৫ জুলাই, ৪৬-বছর বৈরী সম্পর্কের পর জর্ডান-ইসরাইল চুক্তি স্বাক্ষর।

১৯৯৫ সালের ২১ নভেম্বর, ডেটন চুক্তি, ডেটন বিমান বাহিনীর ঘাটি, ওহিও, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, বসনিয়া, হার্জেেগাভিনা, ক্রোশিয়া ও সার্বিয়া।

১৯৯৬ সালের ১৯ জুন, ফাও-এর রিপোর্ট-বিশ্বের একশত কোটি লোক খাদ্য নিরাপত্তা-হীনতায় ভুগছে। অনাহার ও পুষ্টিহীনতায় বিশ্বে প্রতিদিন ৩৫(পঁয়ত্রিশ) হাজার শিশু মারা যাচ্ছে। সারা বিশ্বে বছরে ৮০(আশি) লক্ষ শিশু গর্ভাবস্থায় বা জন্মের পর পরই মারা যায়।

১৯৯৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর, সিটিবিটি চুক্তি, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ অধিবেশন কক্ষ, জাতিসংঘ সদস্য রাষ্ট্রসমূহ কোনভাবেই পারমাণবিক পরীক্ষা, বিস্ফোরণ, তার নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় ঘটাতে পারবেনা এবং কোন রাষ্ট্রকে উৎসাহিত করতে পারবে না। এ চুক্তি কার্যকর হবে যখন পারমাণবিক অস্র ও চুল্লীর অধিকারী ৪৪টি দেশ চুক্তিতে স্বাক্ষর প্রদান করবে।

১৯৯৬ সালের তথ্যমতে: বিশ্বে বছরে ৪(চার) কোটি গর্ভপাত ঘটে।

১৯৯৭ সালের ১৩ এপ্রিল, বিশ্বে ১০০(একশত) কোটি মানুষ অনাহারে রাত কাটায়।

১৯৯৭ সালের ৩ আগস্টের তথ্যানুযায়ী-বিশ্বে বছরে ৪০(চল্লিশ) হাজার কোটি ডলারের মাদকদ্রব্য কেনা-বেচা হয়।

১৯৯৭ সালের ৯ অক্টোবরের তথ্য-মানবাধিকার লংঘনে ৯৫ ভাগ দায়ী আর্থ-সামাজিক অনগ্রসরতা।

১৯৯৮ সালের ১৪ মার্চে'র তথ্যানুযায়ী-দীর্ঘজীবী পাখি সাদা সারসের জীবন ৮২-বছর স্থায়ী হয়েছিল। ৯০ ভাগ তারণ্য আজ উন্নয়নশীল বিশ্বে। চাউলের বিশ্ব মূল্য প্রতি টন ৩০০ ডলার। হৃদরোগের প্রধান কারণ পর্যাপ্ত জ্ঞানের অভাব।

১৯৯৮ সালের ২১ মার্চের তথ্যমতে-বিশ্বে ১৫০(একশত পঞ্চাশ) কোটি লোক বিশুদ্ধ খাবার পানি হ'তে বঞ্চিত। ২০০৩ সালে এ সংখ্যা প্রায় ২০০(দুইশত) কোটি ছাড়িয়ে যাবে।

১৯৯৮ সালের ৫ এপ্রিল, ইন্টারপোলের পরিসংখ্যান-আন্তর্জািতক বাণিজ্যে মাদক খাতে বিনিয়োগ-৮০(আশি) হাজার কোটি ডলার।

১৯৯৮ সালের ৬ এপ্রিলের তথ্যানুযায়ী-জাপানে বিশ্বের দীর্ঘতম ঝুলন্ত সেতুর উদ্ভোধন।

১৯৯৮সালের ৫ এপ্রিল,বিশ্বে ৩২,৫০০(বত্রিশ হাজার পাঁচশত) ব্যবসায়িক মৈত্রী জোট আছে।

১৯৯৮ সালের ২২ এপ্রিলের তথ্যানুযায়ী: কৃত্তিম উপগ্রহের ভিড়ে মহাকাশে "যানজট'' সৃষ্টির উপক্রম; বিপর্যেয়র আশস্কা।

১৯৯৮ সালের ২২ এপ্রিল-বিশ্ববাণিজ্য ও অর্থনীতি, বাংলাদেশে বিনিয়োগের পরিবেশ নেই, শেয়ার বাজার দুর্বল। আরব বিশ্ব ৬৭ হাজার কোটি ডলারের পুঁজি বিদেশে স্থানান্তরিত করেছে।

১৯৯৮ সালের ২১ জুনের তথ্য-১৯৬৩ সালে পৃথিবীর সর্বোচচ বৃক্ষ "রেডউড''-এর উচ্চতা নির্ধারণ করা হয়-৩৬৫-৬"(তিনশত পয়ষট্টি ফুট ছয় ইন্সি)।

১৯৯৮ সালের ২১ জুনের তথ্য: পৃথিবীর অর্ধেক মানুষ শহরে বসবাস করে। শতাব্দীর গোড়ার দিকে বসবাস করতো মাত্র ৫ শতাংশ। ২০১৫ সালের মধ্যে পৃথিবীর ৫৬০টি শহরের প্রতিটিতে ১০(দশ) লক্ষ লোকেরও বেশি বসবাস ঘটবে এবং ২৫টি শহরের প্রতিটিতে বসবাস করবে ১-কোটিরও উপরে। নতুন সুপার কম্পিউটার সেকেন্ডে ৪০০(চারিশত) কোটি গাণিতিক গণনা করতে সক্ষম।

১৯৯৮ সালের ২৭ জুনের তথ্য: পারমাণবিক বোমার চেয়েও মারাত্মক বোমা দারিদ্র।

১৯৯৮ সালের ১১ জুনের তথ্যানুযায়ী: বিশ্বে ২৫(পঁচিশ) কোটি শিশু শ্রমিক আছে। মার্কিন খামারে শিশুদের নিম্নতম বয়সসীমা হবে ১৮ বছর বয়স।

১৯৯৮ সালের ১ জুলাই, মালয়েশিয়ার সেপাং হ'তে এপি-মালয়েশিয়ায় ২৫(পঁচিশ) হাজার একর অর্থাৎ ৩৯.০৬ বর্গমাইল জমির উপর নির্মিত বিশ্বের বৃহত্তম বিমান বন্দর চালু।

১৯৯৮ সালের ২৭ জুলাই'র তথ্যানুযায়ী: বিশ্বের ধনী দেশগুলোর মধ্যে ৩.৭০(তিন কোটি সত্তর লক্ষ) লোক বেকার।

১৯৯৮ সালের ১৪ আগষ্ট, এস. এম. মুনওয়ার হোসাইন-এর রিপোর্ট-জ্ঞাত ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ বণ্যা ঘটেছে ১৮ হাজার বছর পূর্বে। ১৯৯৩ সালে বিজ্ঞানীরা এ ব্যাপারে একমত হয়েছেন যে, সাইব্রেরিয়া এ্যালটে পর্বেতর বরফ প্রাচীর ধসে এ বণ্যার সৃষ্টি হয়েছিল। ৭৫ মাইল দীর্ঘ একটি লেক ২,৫০০(দুই হাজার পাঁচশত) ফুট গভীর হয়ে ঘন্টায় ১০০(একশত) মাইল বেগে পস্নাবিত হয়েছিল।

১৯৯৮ সালের ৫ সেপ্টেম্বরের তথ্যানুযায়ী-২০১০ সাল পর্যন্ত বিশ্বে ঘাতক ব্যাধি এইডস্‌-এ ৪ কোটি শিশু অনাথ হবে।

১৯৯৮ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর, উন্নয়নশীল দেশগুলো ঘুষ ও দূর্নীিতর অন্যতম হুমকি রয়েছে।

১৯৯৮ সালের ২২ অক্টোবরের তথ্য-বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সন্তান জন্ম দেয়, ৬৯(উনসত্তর) সন্তানের জননী মস্কোর বাসিন্দা।

১৯৯৮ সালের ২৭ অক্টোবর ওয়াশিংটন হ'তে এপিবি/আইপিএস-বিশ্ববাণিজ্য ও অর্থনীতি: খাদ্যাভাব নয়; ক্রয়ক্ষমতার অভাবেই লক্ষ লক্ষ লোক অনাহারে থাকে। আর আমি বলবো ধনীরা ইচ্ছে করেই গরীবদের ক্রয় ক্ষমতা বাড়ায়নি।

১৯৯৮ সালের ৭ নভেম্বরের তথ্য-বিশ্বে মাদক চোরাচালান বাবদ উপার্জেনর পরিমাণ ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার কোটি ডলার।

১৯৯৮ সালের ২৫ নভেম্বর, জেনেভা হ'তে (বাসস/এএফপি): ২০০০ সালের প্রথম দিনে বিশ্বে ২,০০০(দুই হাজার) লোক কোটিপতি হবে।

১৯৯৮ সালের ৩১ ডিসেম্বরঃ সারা বিশ্বে ৫৫(পঞ্চান্ন) কোটি টন দুধ উৎপাদন, ভারতে চলতি বছর সবচেয়ে বেশি দুধ-৭.৪(সাত কোটি চল্লিশ লক্ষ) টন দুধ উৎপাদন হবে। ২০১০ সালের ১৫ মার্চ, প্রথম আলো: দুধ উৎপাদনে বিশ্বে ভারত এখন শীর্ষে। বিশ্বে উৎপাদিত দুধের ১৫ শতাংশই বর্তমানে ভারতে উৎপাদিত হয়। প্রায় সাড়ে ৮ কোটি টন। বিশ্বে প্রায় ৬০ কোটি টন দুধ উৎপাদন হয়। বিশ্বে প্রায় ৫৯০ কোটি মানুষ আছে।

১৯৯৯ সালের ৩ জানুয়ারি-অস্টিন টেকসাসের ভাষ্যানুযায়ী এ.এফ.পি-মহাবিশ্বে ছায়াপথের সংখ্যা-১২,৫০০(বার হাজার পাঁচ শত) কোটি।

১৯৯৯ সালের ৩০ জুনের হিসেবঃ ভারতে প্রতিরক্ষা ব্যয় প্রাথমিক শিক্ষার দ্বিগুন, পাকিস্তানে প্রতিরক্ষা ব্যয় প্রাথমিক শিক্ষার ৬-গুন ও বাংলাদেশে সামরিক ব্যয় প্রাথমিক শিক্ষার ৩-গুন।

১৯৯৯ সালের ৩ জুলাই, বিশ্বে দেড়শত কোটি লোকের দৈনিক আয় ১(এক) ডলারের কম।

১৯৯৯ সালের ২৩ আগষ্ট, প্রতি বছর বিশ্বে-৩৫(পঁয়ত্রিশ) লক্ষ ভূমিকম্প হয়।

১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর, ফাও-এর উদ্ধৃতি দিয়ে বিশ্বসংবাদ: প্রকৃতি নয় মনুষ্য সৃষ্টি দুর্যোগই বিশ্বে খাদ্য সংঙ্কটের জন্য দায়ী।

২০০০ সালের ২ জানুয়ারি-বিশ্বে প্রতিদিন-১০(দশ) হাজার ধুমপায়ীর মৃত্যু ঘটে।

২০০০ সালের ২১ জানুয়ারিঃ ১২-১০-১৯৯৯ তারিখ "ডে অফ ছিক্স বিলিয়ন'' অর্থাৎ বিশ্বের লোকসংখ্যা ৬শত কোটিতে পৌঁছে।

২০০০ সালের ৩ মার্চ, ক্রমবর্ধমান বিশ্বায়নের চাপে অভিবাসীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। বর্তমানে বৈধ ও অবৈধ সমম্বয়ের সংখ্যা ১৫(পনের) কোটি। ২০০৩ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী- বৈধ ও অবৈধ অভিবাসীর সংখ্যা ১৭.৫(সতর কোটি পঞ্চাশ লক্ষ)। বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর ২(দুই) লক্ষ মানুষ দেশ ত্যাগ করে বিভিন্ন দেশে অভিবাসী হয়। ভারত থেকে প্রতি বছর ৫(পাঁচ) লক্ষ মানুষ বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নেয়।

২০০০ সালের ২২ মার্চ-অদূর ভবিষ্যতে পৃথিবীর ৬০টি দেশ তীব্র পানি সঙ্কটের সম্মুখীন হবে।

২০০০ সালের ২৩ মার্চ-পৃথিবীর বনভূমির প্রায় অর্ধেকই বিরাণ।

২০০০ সালের ১৬ এপ্রিল, জি-৭৭ শীর্ষ সম্মেলন (বর্তমানে ১১৬ জাতি): শিল্পন্নোত দেশের মোকাবেলায় যুক্তফ্রন্ট গঠনের আহবান।

২০০০ সালের ২৮ এপ্রিল: খাদ্য সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়া সত্ত্বেও উন্নয়নশীল বিশ্বের ৮০(আশি) কোটি লোকের পর্যাপ্ত খাদ্য ক্রয়ের সামর্থ নেই।

২০০০ সালের ২৯ এপ্রিল, বিশ্বের ৯০ ভাগ কর্মজীবী মানুষ পেনশনের আওতা বহির্ভূত।

২০০০ সালের ১০ মে, সবচেয়ে বড় পাখী অসটিক; ওজন ১৩৫ কেজি; উচ্চতা-২.৪০ মিটার; গতি ঘন্টায় ৫০ মাইল।

২০০০ সালের ১১ মে-এবার চাঁদের বুকে মানুষের সমাধি। রকেটটি চার দিনে ৩.৮৩(তিন লক্ষ ত্রিরাশি হাজার) কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে চাঁদে পৌঁছবে।

২০০০ সালের ১১ জুন, এইডস রোগের ফলে বিশ্বে এতিমের সংখ্যা এখন এক কোটি বিশ লক্ষ।

২০০০ সালের ১৫ জুন: বিশ্বে সামরিক ব্যয় ৭৮(আঠাত্তর) হাজার কোটি ডলার।

২০০০ সালের ১৮ জুন, ইথিওপিয়া ও ইরিত্রিয়ার মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষর।

২০০০ সালের ৩০ জুন: বিশ্বে তামাক ও ধুমপান জনিত কারণে প্রতি আট সেকেন্ডে একজন মারা যায়; ১(এক) কোটি মারা যাবে ২০০৩ সাল নাগাদ। এর মধ্যে উন্নত বিশ্বে ৩০(ত্রিশ) লক্ষ ও তৃতীয় বিশ্বে ৭০(সত্তর) লক্ষ।

২০০০ সালের ৫ জুলাই, বিশ্ববিখ্যাত সব বাগানের কথা: কোন বাগানে আছে ২৫০ বছরের বেশী পুরনো বটগাছ আবার কোন বাগানে ৮০ বছরের পুরনো বুড়ো আঙ্গুলের সমান বনসাঁই।

২০০০ সালের ৮ জুলাইঃ বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ত রেলপথ টোকিও শহর স্টেশনেই বছরে-১,৬৪,৯৫,০০০(এক কোটি চৌষষ্ট্রি লক্ষ পঁচানব্বই হাজার) লোক যাতায়াত করে।

২০০০ সালের ১২ জুলাই, বিবিসি'র জনমত জরিপ: অমিতাব বচ্চন এ শতাব্দীর বিশ্বসেরা অভিনেতা।

২০০০ সালের ১২ জুলাই, পৃথিবীর উপরিতলের মোট আয়তন ৫১.০১ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার। স্থলভাগের সবচেয়ে উচু জায়গা হিমালয়ের মাউন্ট এভারেষ্ট (৮,৮৪৮ মিটার)। সমুদ্র পীঠ সি-লেভেল থেকে স্থল ভাগের গড় উচচতা ৭০০ মিটার। ১০০ ভাগের ৭২ ভাগ জলে ঢাকা। জলভাগের মোট আয়তন ৩৬.১২(ছয়ত্রিশ কোটি বার লক্ষ) বর্গ কিলোমিটার। সাগর ও মহাসাগরের গড় গভীরতা-৩,৮০০(তিন হাজার আটশত) মিটার। জলভাগের সবচেয়ে গভীর স্থান প্রশান্ত মহাসাগরের মারিয়ানাস ট্রেঞ্চ (১১,০৪০ মিটার)।

২০০০ সালের ১২ জুলাই: পৃথিবীতে যদি সমুদ্র না থাকতো তা'হলে পৃথিবীর অবস্থা হ'ত জলহীন চাঁদের মত। দিবালোকে চাঁদে তাপমাত্রা বাড়তে বাড়তে ১৫০ ডিগ্রী সেন্ট্রিগ্রেডে পৌঁছে এবং রাতে একই জায়গায় অতি অল্প সময়ের মধ্যে তাপমাত্রা নেমে যায় শূণ্যের নীচে ১৫০ ডিগ্রী সেন্ট্রিগ্রেড।

২০০০ সালের ১৪ জুলাই, যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনামের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর।

২০০০ সালের ১৩ আগস্ট, ২০১০ সালের মধ্যে রাস্তায় বিদ্যুৎ চালিত গাড়ি চলবে। কিন্তু চলেনি।

২০০০ সালের ১৮ আগষ্ট, জ্যঁ বেলেভুর পায়ে হেঁটে বিশ্ব পরিভ্রমণ কানাডার মন্ট্রিল থেকে যাত্র শুরু করে এবং নিউজিল্যান্ড থেকে বিমানে করে কানাডা পৌঁছবার পর তার পদযাত্রা অব্যাহত থাকবে। ১২ বছরে ২০১২ সালে ৮০ হাজার কিলোমিটার পেরিয়ে মন্ট্রিয়লে হবে তার যাত্রার যবনিকা।

২০০০ সালের ২৭ আগষ্ট, জেরুজালেম ভাগাভাগি প্রশ্নে মিশরের প্রস্তাব ইয়াসির আরাফাতের প্রত্যাখ্যান।

২০০০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর-ক্ষুদ্র আগ্নেয়াস্ত্র গত দশ বছরে পৃথিবীর ৫০ লক্ষ জীবন কেড়ে নিয়েছে।

২০০০ সালের ২০ সেপ্টেম্বর, জাতিসংঘের রিপোর্ট: বিশ্বে প্রতিবছর ৪০ লক্ষ নারী কেনা-বেচা হয়।

২০০০ সালের ২২ সেপ্টেম্বর, বিশ্বে প্রতিদিন ৬০(ষাট) হাজার শিশু অনাহারে মারা যায়।

২০০০ সালের ৪ অক্টোবর, কোন চুক্তি স্বাক্ষর ছাড়াই প্যারিসে ফিলিস্তিন, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় আলোচনার সমাপ্তি ঘটে।

২০০০ সালের ৫ অক্টোবর-বিশ্বে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বেচা-কেনায় গরিবদের উপকার হয়নি।

২০০০ সালের ৫ নভেম্বর-বিশ্বব্যাপী বিনিয়োগ বাড়ছে। এশিয়ায় শীর্ষে চীন কিন্তু বাংলাদেশে কমছে।