২০০০ সালের ১০ নভেম্বর-বৈষম্য চিত্র: ১৫ ভাগ জনসংখ্যা নিয়ে উন্নত দেশের আয় বিশ্ব আয়ের ৮০ ভাগ। দক্ষিণ এশিয়ার ১৪৫(একশত পঁয়তাল্লিশ) কোটি মানুষের আয় মাত্র ২ ভাগ।
২০০০ সালের ১৯ নভেম্বর-বিশ্ব আয় ২৮,৮৬২.০২ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে উন্নত দেশের ২২,৫৯৯ বিলিয়ন; নিম্ন ও মধ্য দেশের ৬,২৬৩ বিলিয়ন; নিম্ন আয়ের দেশের ১,৮৪৩.০৭ বিলিয়ন ডলার। দক্ষিণ এশিয়ার লোকসংখ্যা ১৩০ কোটি অর্থাৎ ২২.০৩ শতাংশ; আয় ৫৫৫.৫ বিলিয়ন ডলার। বিশ্বে লোকসংখ্যা ৬১০ কোটি; আয় ২৮,৮৬,২২০ কোটি ডলার সুতরাং বাৎসরিক গড় আয় মাথাপিছু ৪,৭৩১ ডলার। ১ ডলার=৫৫/-টাকা অতএব মাথাপিছু বাৎসরিক আয় ৪,৭৩১ পূরণ ৫৫=২,৬০,২০৫ টাকা অর্থাৎ দৈনিক প্রতিজনে গড় আয় ৭১২ টাকা। বাংলাদেশের মাথাপিছু দৈনিক আয় মাত্র ৫৫/-টাকা। ১০(দশ) লক্ষে এক মিলিয়ন, ১০০(একশত) কোটিতে এক বিলিয়ন ও ১(এক) লক্ষ কোটিতে ১ ট্রিলিয়ন।
২০০০ সালের ৩০ নভেম্বর, এমন একটি বই রাখার র্যাক তৈরি হলো যেখানে ৬-লক্ষ ৪৯ হাজার বই পাশাপাশি সাজিয়ে রাখা যেতে পারে। এ বিশাল র্যাকটির নির্মাতা হলেন স্পেনের লুজ ডারিবা। এটি স্পেনের লুগো শহরের জনসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয়। ১,২৭,০১৪ বর্গফুট বা ১১,৮০০ বর্গিমটার। ৬ হাজার মানুষ ১০০দিন ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম করার পর এটি নির্মাণ কাজ শেষ করেছিলেন। এটি দাঁড়িয়ে আছে ১৯.৭ ফুট বা ৬ মিটার স্ট্রাকচারের ওপর।
২০০০ সালের ২ ডিসেম্বর, বিশ্ব এইডস দিবসের তথ্য-বিশ্বে ৩ কোটি ৬১ লক্ষ লোক এইডস ও এইচ. আই. ভি. ভাইরাস রোগে আক্রান্ত।
২০০০ সালের ৩ ডিসেম্বর-বিশ্বে ৭(সাত) কোটি মানুষ প্রতিবন্ধী।
২০০০ সালের ৪ ডিসেম্বর-বিশ্বে প্রতিবছর ২০(বিশ) লক্ষ মেয়ের ক্ষতনা করানোর ফলে ১৩(তের) লক্ষ মেয়ে দুভোের্গর শিকার। আরব বিশ্বে এ কাজ করানো হয়।
২০০০ সালের হিসেবমতে-পৃথিবীতে বছরে ১০০(একশত) কোটি মানুষ বিমানে ভ্রমণ করে।
২০০০ সালের রিপোর্ট- বিশ্বে দৈনিক ৫২(বায়ান্ন) কোটি সংবাদপত্র প্রকাশিত হয়।
২০০০ সালের ৩১ ডিসেম্বর: বিশ্বে বছরে শ্রম দুর্ঘটনায় ৩(তিন) লক্ষ লোক মারা যায়; পেশাগত কারণে ১৫(পনর) কোটি লোকের স্বাস্থ্যহানি। বিশ্বে ৬৫-বছরের উধ্র্বে ৬১ কোটি প্রবীণ আছে। আমেরিকায় প্রতি ১০-জন মহিলার মধ্যে ১-জন ধর্ষিতা।
২০০১ সালের হিসেবমতে: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে খরচ হয় ৯৪০ বিলিয়ন পাউন্ড, ১০০ কোটিতে এক বিলিয়ন=৯৪,০০০ হাজার কোটি পাউন্ডকে ৮০/-টাকা দিয়ে গুন করিলে =৭৫,২০,০০০ (পঁচাত্তার লক্ষ বিশ হাজার) কোটি টাকাকে ৬১৭.৫ কোটি মানুষ দ্বারা ভাগ করলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মাথাপিছু খরচ হয় ১২,১৭৮(বার হাজার একশত আটাত্তর) টাকা।
২০০১ সালের ৪ মে, ব্রাসেলস হ'তে সিনহুয়া (আইএফজে) ইন্টারন্যাশনাল ফেড়ারেশন অব জার্নািলষ্ট: পেশাগত কারণে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এক হাজারেরও বেশি সাংবাদিককে জীবন দিতে হয়েছে।
২০০১ সালের ১২ মে, ওয়াশিংটন হ'তে এপিঃ এশিয়া আফ্রিকার আদি মানবদের বংশধর।
২০০১ সালের ১৭ মে, দারিদ্রবিমোচন সংক্রান্ত জাতিসংঘ সম্মেলনে একটি নতুন ওয়াল্র্ড ট্রেড ইউনিভার্সিিট চালুর ঘোষণা।
২০০১ সালের ২ জুন: বিশ্বে ৫০(পঞ্চাশ) কোটি মানুষ পঙ্গু।
২০০১ সালের ৯ জুলাই-বিশ্বের ৫০(পঞ্চাশ) কোটি ক্ষুদ্র অস্ত্রের ১০(দশ) ভাগ সেনাবাহিনী এবং ৯০(নব্বই) ভাগ সিভিলিয়নদের হাতে; এ সকল অস্ত্র দ্বারা বছরে ৫(পাঁচ) লক্ষ লোক হত্যা করা হচ্ছে।
২০০১ সালের ৯ আগষ্ট: মানব ক্লোনিং সংক্রান্ত জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত সেপ্টেম্বরে।
২০০১ সালের ৯ আগষ্ট, টরেন্টো হ'তে এএফপিঃ কেবল বয়স্করা নহে শিশুরাও স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়।
২০০১ সালের ৯ আগষ্ট, ওয়াশিংটন হ'তে এএফপি: ১ম মানব ক্লোনিং কোম্পানী ক্লোন এইডের পরিচালক ব্রিজিত বয়সেলিয়ের ওয়াশিংটনে মানব ক্লোনিং-এর উপর অনুষ্ঠিত আন্তর্জািতক সম্মেলনে বক্তৃতা করেন। নৈতিকতা ও আবশ্যকতার লড়াই। মানব ক্লোনিং-এর পক্ষে বিজ্ঞানীদের দৃঢ় প্রত্যয়।
২০০১ সালের ১০ আগষ্ট: আন্তর্জািতক মানব ক্লোনিং নিষিদ্ধ করতে জার্মানী ও ফ্রান্সের উদ্দ্যোগ।
২০০১ সালের ১১ আগষ্ট, বেইজিং হ'তে সিনহুয়াঃ চীনের সাফল্য; বিশ্বের সর্বপ্রথম রিমোট কন্ট্রোল অস্ত্রপাচার। কেবল কম্পিউটারে মাউস "ক্লিক'' করলেই হলো; বাকি কাজ রোবটই সম্পন্ন করবে।
২০০১ সালের ১৩ আগষ্ট-বিশ্বে প্রতিদিন ১.৪০ (এক কোটি চল্লিশ লক্ষ) লোক ইনসুলেন্স ইনজেকশন গ্রহণ করেন।
২০০১ সালের ১৬ আগষ্ট-জাপানের বৈদেশিক মুদ্রার মজুত ২১(একুশ) হাজার কোটি ডলার। তথাকথিত কমনওয়েলথ ৫৪-জাতির এক পরিবার। চীনে মোবাইল ফোন ব্যবহারের সংখ্যা-১২.৬০(বার কোটি ষাট লক্ষ)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে-১২.১০(বার কোটি দশ লক্ষ) এবং আগামী ২০০৫ সালে চীনে ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়াবে ২৬(ছাব্বিশ) কোটি।
২০০১ সালের ৪ সেপ্টেম্বরের রিপোর্ট অনুযায়ী: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডাক্তারের সংখ্যা ৭,২০,৫০০(সাত লক্ষ বিশ হাজার পাঁচশত)। ভারত ও পাকিস্তানের প্রতি ৭(সাত) হাজার লোকের জন্য আছে ১টি ব্যাংক শাখা, বাংলাদেশে-১৪(চৌদ্দ) হাজার লোকের জন্য আছে-১টি ব্যাংকের শাখা। এশিয়াটিক সোসাইটির সুপারিশ: ৩ কোটি লোকের চাহিদার কথা মনে রেখে ঢাকাকে গড়ে তুলতে হবে।
২০০১ সালের ৪ সেপ্টেম্বরের রিপোর্ট: বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ২৫% লোকের উপযুক্ত আশ্রয় নেই এবং ১২.৫০(সাড়ে বার কোটি) লোকের আদৌ কোন ঘর নেই।
২০০১ সালের ১৬ সেপ্টেম্বরের হিসেব: বিশ্বে ১০৬(একশত ছয়) কোটি টেলিফোন ছিল। উন্নত বিশ্বে ৬৫(পঁয়ষট্টি) কোটি, চীনে ২০(বিশ) কোটি, ভারতে ৪(চার) কোটি এবং সারা বিশ্বে বাকি ১৭(সতের) কোটি টেলিফোন ছিল।
২০০১ সালের ৮ অক্টোবরের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্টানুযায়ী: আফগানিস্তানে মার্কিন ও বৃটিশ হামলা: ইঙ্গ-মার্কিন বাহিনী এ হামলায় ৫০টি টোমাহক ক্রুজ ক্ষেপনাস্ত্র ও ৪০টি বিমান ব্যবহার করেছিল। আমেরিকার বিরুদ্ধে আরও হামলা হবে-লাদেন।
২০০২ সালের এপ্রিল মাসে পৃথিবীর শতকোটিতম কমপিউটার বিক্রি হয়েছে। ৭৫% কমপিউটার কপোের্রশনগুলোতে, বাকি ২৫% ব্যক্তিগত ব্যবহারকারীরা।
২০০২ সালের ৪ জুলাইঃ পৃথিবীতে ৮০০(আটশত) হাসীর ক্লাব আছে, তারমধ্যে মোমবাইও একটি হাসীর ক্লাব।
২০০২ সালের ২৭ জুলাই-২০২০ সালে বিশ্বে মোটরগাড়ির সংখ্যা হবে-১১৫(একশত পনের) কোটি। পৃথিবীর লোকসংখ্যা দাঁড়াবে-৭৫০(সাতশত পঞ্চাশ) কোটি অর্থাৎ প্রতি সাড়ে ছয় জনে একটি গাড়ি থাকবে।
৩১-১০-২০০২ তারিখে হ্যালো ইন্ডিয়াতে বলেছেঃ মালয়েশিয়ায় বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু টাওয়ার বিল্ডিং। তার উচ্চতা ৪২১ মিটার। ৪২১ পূরণ ৩৯=১৬,৪১৯ ইন্সি উঁচু বা ১,৩৬৮.২৫ ফুট উঁচু টাওয়ার।
১৭-১১-২০০২ তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে: যুক্তরাষ্ট্রকে নিরস্ত্র হওয়ার আহবান জানিয়েছে জিমি কার্টার, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট। গত শুক্রবার রাতে সিএনএন-এর সাথে ল্যারি কিং প্রোগ্রামে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী জিমি কার্টার বলেন, উত্তর কোরিয়া ও ইরাকের ব্যাপক বিধ্বংসী ও জীবানু অস্ত্র ধবংস করার আন্তর্জািতক উদ্যোগে যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্ব দিচ্ছে বটে, তবে এ ধরণের অস্ত্র আমাদের হাতেও রয়েছে। খবর এএফপি'র।
২০০২ সালের ১৮ অক্টোবরের রিপোর্ট: নিরাপত্তা পরিষদে ইরাক বিতর্কঃ প্রচন্ড বিরোধিতার মুখে আপোষ প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, জাতিসংঘ (নিউইয়র্ক) থেকে এপি। পাকিস্তানে প্রকাশ্যে ধুমপান নিষিদ্ধ: আইন ভংঙ্গকারীর লাখ রুপি জরিমানা ছাড়া কারাদন্ডও হতে পারে-ইসলামাবাদ থেকে এএফপি। হু'র রিপোট: ধুমপানে বার্ষিক মৃত্যুর হার ৪৯-লাখ: ২০৩০ সালে বাৎসরিক মৃত্যুহার ১ কোটিতে দাঁড়াবে বলে যে হিসাব দেয়া হয়েছিল তা এখন মেনে নেয়া যায় না। মৃত্যুহার আরও অনেক বেশী হবে।
২০০২ সালের ১৪ নভেম্বর, ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট: বিশ্বে এখন ডায়বেটিস রোগীর সংখ্যা ১৭.৫(সাড়ে সতর) কোটি।
০৯-০২-২০০৩ তারিখের ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে: মানব সভ্যতার ইতিহাসে এইডস-এর মতো রোগ-এর আগে কখনো দেখা যায়নি। ১৯৮১ সালে প্রথম এক ব্যক্তির দেহে এইডস বা একোয়ার্ড ইমিউন ডেফিসিয়েন্সী সিনড্রোম রোগটি সনাক্ত করা হয়েছিল। এরপর ২২ বছরের মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২.২৮(দুই কোটি আটাশ লক্ষ) লোক এইডস রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। জানা যায় বিশ্বে প্রতিদিন ১৬(ষোল) হাজার, প্রতি মিনিটে ১১(এগার) জন পুরুষ, মহিলা ও শিশুর মৃত্যু ঘটছে। বিশ্বব্যাপী এইডস রোগীর সংখ্যা ৫(পাঁচ) কোটির কাছাকাছি।
২০০৩ সালের ৬ মে, হ্যালো ইন্ডিয়াতে দেখানো হয় যে, ভারতের মনিকা শর্মা ১১ মাসে ৮২ কেজি ওজন কমান। বিশ্বে গিনেজ বুক অব ওয়াল্র্ড রেকর্ডস আছে যে, ১১ মাসে ৫০ কেজি ওজন কমানোর রেকর্ড। সে রোজ ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার রাস্তা হাটাহাটি করে।
২০০৩ সালের ২৯ মে, ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট: আজ এভারেষ্ট জয়ের ৫০ বছর পূর্তি ২৯-০৫-১৯৫৩ সালের এ দিনটিতে নেপালের শেরপা তেনজিং নোরগে ও নিউজিল্যান্ডের সেই সময়কার অখ্যাত মৌমাছি পালনকারী এডমন্ড হিলারী প্রথমবারেরমত হিমালয় পর্বতমালার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেষ্টের চুড়ায় উঠতে সক্ষম হন এবং মানব ইতিহাসে এক গৌরবময় অধ্যায়ের সূচনা করেন। ১৯৫৩ সালের ২৯ মে থেকে এ পর্যন্ত মোট ১৩০০ জন পর্বতারোহী এভারেষ্টের চুড়ায় উঠতে পেরেছে। এভারেষ্টের উচ্চতা-২৯,০৩৫ ফুট।
২০০৩ সালের হিসেব অনুযায়ী, বিশ্বের বাৎসরিক জাতীয় আয় ৩৬ ট্রিলিয়ন ডলার এরমধ্যে আমেরিকার জাতীয় আয় হলো ১২(বার) ট্রিলিয়ন ডলার। ১০(দশ) লক্ষতে=১(এক) মিলিয়ন। ১০০(একশত) কোটিতে=১(এক) বিলিয়ন। ১(এক) লক্ষ কোটিতে=১(এক) ট্রিলিয়ন। ২০০৩ সালে পৃথিবীর লোকসংখ্যা ৬২০(ছয়শত বিশ) কোটি। ৬২০(ছয়শত বিশ) কোটি মানুষের আয় হলো-৩৬(ছয়ত্রিশ) ট্রিলিয়ন ডলার। পৃথিবীর প্রতিজন মানুষের গড়ে বাৎসরিক আয় হলো-৫,৮০৬.৪৫ ডলার। আর আমেরিকার গড়ে বৎসরে প্রতিজনের আয় হলো-৪১,৩৭৯ ডলার। পৃথিবীর বাৎসরিক জাতীয় আয়ের ৩(তিন) ভাগের ১(এক) ভাগ হলো আমেরিকার জাতীয় আয়। ৬২০(ছয়শত বিশ কোটি) মানুষ থেকে আমেরিকার ২৯(উত্রিশ কোটি) মানুষ বিয়োগ করিলে, পৃথিবীর লোকসংখ্যা দাড়ায়-৫৯১(পাঁচশত একানব্বই) কোটি লোকের জাতীয় আয় হলো-২৪(চব্বিশ) ট্রিলিয়ন ডলার। ২৪(চব্বিশ) ট্রিলিয়ন ডলার কে ৫৯১(পাঁচশত একানব্বই) কোটি মানুষ দিয়ে ভাগ করিলে ভাগফল দাড়ায়-৪,০৬০.৯১ ডলার গড়ে প্রতিজনের বাৎসরিক আয়। বাংলাদেশের জাতীয় আয় বাৎসরিক প্রতিজনের হলো-৪৬৫ ডলার। বিশ্বের গড়ে প্রতিজনের বাৎসরিক আয়ের ১৫.৯০ ভাগের ১(এক) ভাগ হলো বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়। আগামী ২০৫০ সালে বিশ্বের জনসংখ্যা বেড়ে হবে ৯৩০(নয়শত ত্রিশ) কোটি বা বড়জোর ১(এক) হাজার কোটি। ২০৫০ সালে বিশ্বের আয় বর্তমানের চেয়ে ৫(পাঁচ) গুণ বেড়ে হবে ১৮০(একশত আশি) ট্রিলিয়ন ডলার। তখন বিশ্বের একজন মানুষের গড় আয় হবে-১৮,০০০(আঠার হাজার) ডলার। তখন বাংলাদেশের প্রতিজনের গড় আয় হবে-১৫(পনের) হাজার ডলার।
২০০৩ সালের ২৫ জুলাই, সারা বিশ্বে ধুমপায়ী-২০ ভাগ এবং ধুমপায়ীরসংখ্যা-১২৪(একশত চব্বিশ) কোটি।
২০০৩ সালের হিসেব অনূসারে, ওয়াশিংটন থেকে এএফপি। যুক্তরাষ্ট্রে ২৯(উনত্রিশ) কোটি জনসংখ্যার দেশে বন্দীর সংখ্যা ২১(একুশ) লক্ষ, ১৩০(একশত ত্রিশ) কোটি জনসংখ্যা অধ্যুষিত চীনে কয়েদীর সংখ্যা ১৪(চৌদ্ধ) লাখের সামান্য বেশি এবং রাশিয়ায় ১৫(পনর) কোটি জনসংখ্যার দেশে ৯(নয়) লক্ষ ২০(বিশ) হাজার কয়েদী রয়েছে এবং বাংলাদেশে কয়েদীর সংখ্যা-৭৫(পঁচাত্তর) হাজার।
এক স্বামীর ৭৬ পত্নী:
২০০৩ সালের ২৫ ডিসেম্বর, ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে: দক্ষিণ সুদানের দিনকা উপজাতীয় প্রধান মাজাক মালক আটক 'দারুণ এক সুখী পরিবারের' প্রধান। ৬৮ বছরের এ উপজাতীয় নেতার বর্তমান স্ত্রী সংখ্যা হচ্ছে-৭৬। তাঁর পরিবারটির নাম দেয়া হয়েছে 'পারমাণবিক পরিবার'। তার পুত্র সন্তান হচ্ছে ৬৫ জন, আর কন্যা ৮৬ জন। এছাড়া তাঁর স্ত্রীদের মধ্যে ৩৮ জন হচ্ছে সন্তান সম্ভবা। মাজাক মালক আটক অবশ্য আরো ১২টি বিয়ের প্রস্তাব রক্ষা করতে পারেননি। আফ্রিকায় এ ধরনের বহু স্ত্রী রাখার ঘটনা অহরহ দেখা গেলেও আটকের বিয়ের সংখ্যা সবচাইতে বেশী। আটক সম্পদশালী। তাই তাঁর এ বড় পরিবার ভরণপোষণে তেমন কোন সমস্যায় পড়তে হয় না। আইএইচটি।
২০০৩ সালের ৩১ ডিসেম্বরের হিসেব অনুসারে: বিশ্বে কর্মক্ষম বেকার মানুষের সংখ্যা হলো-১৮.৬৯(আঠার কোটি উনসত্তর লক্ষ)। ১৯৯০ সালের দিকে বিশ্বায়নের ধারণা মানুষের মাঝে দেয়া শুরু করল জি-৮ মানে বিশ্বের শিল্পউন্নত ৮টি দেশ এবং তাদের সৃষ্টি বিশ্ব ব্যাংক, আই. এম. এফ. ও এশিয়ান ব্যাংক। তারা মুক্ত বাণিজ্যের বাণী প্রচার করতে লাগল। মুক্ত বাণিজ্যের জন্য তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলির বেশীরভাগ শিল্প ধংস্ব হয়ে গেছে এবং আস্তে আস্তে আরো মিল-কারখানাগুলি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।
২০০৪ সালের ১৯ জানুয়ারি, জাতিসংঘকে টিকিয়ে রাখতে সকল দেশকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবেঃ মুম্বাইয়ে বিশ্বায়ন বিরোধী সম্মেলনে আহবান। ১৩০টি দেশের ১ লক্ষ লোক ওয়াল্র্ড সোশাল ফোরামের এ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে। এর উল্টো বিশ্বায়নপন্থী সংস্থা ওয়াল্র্ড ইকোনমিক ফোরামের উদ্যেগে ২১-০১-২০০৪ থেকে সুইজারল্যান্ডে আরেকটি সম্মেলন শুরু হচ্ছে।
২০০৪ সালের ২৩ জানুয়ারি: ইরাক, আফগানিস্তান ও ফিলিস্তিন থেকে দখলদার সৈন্য প্রত্যাহারের আহবান-মুম্বাইয়ে বিশ্বায়ন বিরোধী সমাবেশ সমাপ্ত।
২০০৪ সালের ২৮ জানুয়ারি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হুঁশিয়ারী: সার্সের চেয়েও মারাত্মক বিপর্যয় ঘটতে পারে। * এশিয়ায় বার্ড ফ্লু'র বিস্তার *২ কোটি ১১ লাখের বেশী হাঁস-মুরগীর মৃত্যু।
২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি, ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাকালঃসদস্যসংখ্যা-৫৫ কোটি (২০১০ পর্যন্ত)। ফেসবুকের কর্মীর সংখ্যা: দুই হাজার। মার্কের সম্পদের পরিমাণ: ৬৯০ কোটি ডলার।
২০০৪ সালের ২৯ মার্চ, শব্দের চেয়ে দ্রুতগতির রেকর্ড সৃষ্টি করেছে রকেট ইঞ্জিনবিহীন মহাকাশ যানঃ বিমান চালনার ইতিহাসে নতুন বিপস্নব। ঘন্টায় প্রায় ৫(পাঁচ) হাজার মাইল বেগে ছুটে বিমানের গতিবেগের ক্ষেত্রে রেকর্ড সৃষ্টি করে। বিবিসি, এপি, এএফপি।
১২-০৪-২০০৪ তারিখে লারার হাত ধরে নতুন উচ্চতায় ক্রিকেট: লারার কি খেয়াল হলো, এক ইনিংসে ৪০০ চারশ' করে বসলেন। কি আজগুবি কথা। কস্মিনকালেও কেউ দেখেননি, শোনেওনি। এমনই লারা। '১০ বছর আগে ৩৭৫ করার পর সত্যি আমি ভাবিনি এ কাজ আবার করা সম্ভব। ১২৭ বছরের টেষ্ট ইতিহাসে কেউ দু'বার ৩০০শ' ক্রস করেনি। ব্রাডম্যান করেছেন। তিনি তো আর আট-দশ জন ক্রিকেটারের মত নন। এক ইনিংসে (১২-০৪-২০০৪) তারিখে লারা করলেন ৪০০শ' রান অ্যান্টিসায়। ১০-বছর আগে অ্যান্টিসাতেই ৩৭৫ করেছিলেন লারা। এটা বিশ্ব রের্কড।
২০০৪ সালের ২৫ এপ্রিল, ইনকিলাব পত্রিকার অর্থৈনতিক রিপোর্টারঃ দক্ষিণ এশিয়ায় ২০ বছরে দারিদ্র ২০ শতাংশ হ্রাস। বিশ্বব্যাংকের উন্নয়ন প্রতিবেদনে তথ্য-গত ২০ বছর সময়ের ব্যবধানে দৈনিক এক ডলারের কম আয়ের দরিদ্র জনগোষ্ঠির সংখ্যা দক্ষিণ এশিয়ায় ৫১.৫ শতাংশ থেকে হ্রাস পেয়ে ৩১.১ শতাংশে নেমে এসেছে। ২০০০ সালের ১৮৯ জাতি দারিদ্রোর হারকে ২০১৫ সালের মধ্যে অর্ধেেক নামিয়ে আনার জন্য যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল তা অর্জন করতে অনেক দেশ সক্ষম হবে না।
২০০৪ সালের ২৫ মে, বিদেশী সংবাদ সংক্ষেপ: ভাঙ্গা পা নিয়ে এভারেষ্ট বিজয়। এএফপিঃ ৪ বছর আগে এক সড়ক দুর্ঘটনায় নেপালের নাওয়াং শেরপার বাম পায়ের কিছু অংশ নষ্ট হয়ে যায়। তবু তিনি এ ভাঙ্গা পা নিয়ে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ এভারেষ্টে (২৯ হাজার ২৮ ফুট উঁচু) আরোহণ করেন গত ২০০৪ সালের ১৬ মে। হাঁটুর পর থেকে লাগানো প্রস্থেটিক পা নিয়ে তিনি এ অসাধ্য সাধন করেন। গত রবিবার (২৪-০৫-২০০৪)কাঠমান্ঠুতে এক সাংবদিক সম্মেলনের প্রাক্কালে নাওয়াং সিংকে (৩০ বছর) তার ভাঙ্গা পা ঠিক করতে দেখা যায়।