২০০৪ সালের ২৬ মে, সাংহাইয়ে দারিদ্র বিমোচনের লক্ষ্যে বিশ্ব সম্মেলন শুরু উন্নয়নশীল দেশসমূহে দরিদ্র লোকসংখ্যা ২৮০ কোটি।
২০০৪ সালের ১০ জুন, এপি, এএফপি, রয়টার্স ও বিবিসি: যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ায় নজিরবিহীন কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থায় শিল্পোন্নত ৮-জাতি শীর্ষ সম্মেলন (০৮-০৬-২০০৪ তারিখ) শুরু হয়েছে। কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থায় শিল্পোন্নত ৮-জাতি শীর্ষ সম্মেলন-বিশ্বে শান্তি রক্ষার স্বার্থে আগামী ৫ বছরে ৫০(পঁঞ্চাশ) হাজার সৈন্যের বাহিনী গড়ে তোলা হবে।
২০০৪ সালের ৯ জুন, বিবিসি: ১২২ বছর পর সূর্যে শুক্রের ছায়া-জ্যোতির্বিজ্ঞানের জগতে ইতিহাস সৃষ্টি হল। জ্যোতির্বিজ্ঞানের জগতে গতকাল ছিল এক বিরল দিন। উল্লেখ্য, শুক্রের এ ট্রানজিটটি আগামী ২০১২ সালে আবার দেখা যাবে।
২০০৪ সালের ১২ জুন, বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধে চাই বাস্তব উদ্যেগ। গত ২০০২ সালের রিপোর্টে দেখা যায়, বিশ্বে শিশু শ্রমিকের সংখ্যা ১৮ কোটি।
২০০৪ সালের ১৫ জুন, গত বছর (২০০৩ সালে) বিশ্বজুড়ে সামরিক খাতে ব্যয় ছিল-৯৫,৬০০(পঁচানব্বই হাজার ছয়শত) কোটি ডলার। ২০০৩ সালে সামরিক খাতে ব্যয়িত অর্থ বিশ্বের মোট জিডিপির ২.৭ শতাংশ। গত বছর (২০০৩ সালে) সামরিক খাতে ব্যয়িত মোট অর্থের ৪৭ শতাংশ (৪৪,৯৩২) কোটি ডলার ব্যয় করে যুক্তরাষ্ট্র। এর পরেই রয়েছে জাপান-৫ শতাংশ (৪,৭৮০) কোটি ডলার ব্যয় করে জাপান, বৃটেন ব্যয় করে ৪ শতাংশ (৩,৮২৪) কোটি ডলার, ফ্রান্স ব্যয় করে ৪ শতাংশ (৩,৮২৪) কোটি ডলার ও চীন ব্যয় করে ৪ শতাংশ (৩,৮২৪) কোটি ডলার। এরা প্রত্যেকেই ৪ শতাংশ করে এবং শেষমেষ ভারত সামরিক ব্যয় করে বিশ্বের-১.৩৬ শতাংশ (১,৩৫০) কোটি ডলার।
২০০৪ সালের ১৮ জুন, এএফপি: কিউবার বিপস্নবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রো ১৪-বছর বয়সে ১০ ডলার চেয়ে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডি রুজভেল্টকে চিঠি দিয়েছিলেন ১৯৪০ সালের ২৫ নভেম্বর। মার্কিন জাতীয় আর্কাইভ ও রেকর্ড প্রশাসনে রক্ষিত আছে দীর্ঘ ৮০০ কোটি দলিল ও কাগজপত্র থেকে জানা যায়, কিশোর কাস্ত্রো এ চিঠিটি লেখেন। সে সময় কাস্ত্রোর শেষ স্বাক্ষরটি ছিল 'তোমার বন্ধু' হিসেবে।
২০০৪ সালের ১৮ জুন, এএফপি: ইরাকে আগ্রাসনের জন্য বুশকে মার্কিন জনগণের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে-নিউইয়র্ক টাইমস।
২০০৪ সালের ১৮ জুন, এএফপি: ওয়াশিংটন তদন্ত কমিশনের সদস্যরা ১১ সেপ্টেম্বরের হামলা সম্পর্কে শুনানি গ্রহণ করেন। মিথ্যা অজুহাতে যুক্তরাষ্ট্র ইরাকে আগ্রাসন চালায়।
২০০৪ সালের ২৩ জুন, এএফপি: বিশ্বে প্রতিবছর ৫-লক্ষাধিক মহিলা সন্তান প্রসবের সময় মারা যায়। এদের বেশীরভাগই গরীব দেশগুলোর অধিবাসী এবং তারা উপযুক্ত চিকিৎসা সুবিধা পায় না। জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিল একথা জানিয়েছে। মাতৃকালীন ছূটির সময় অসুস্থতার জন্য ১ কোটি ৮০ লাখ মহিলা পঙ্গু হয়ে পড়ে নতুবা ক্রনিক্যাল ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়। উন্নয়নশীল দেশের ৪০ ভাগ মহিলা কোনরকম চিকিৎসা সহায়তা ছাড়াই সন্তান প্রসব করেন। বিশ্বে প্রত্যেক বছর ৪ কোটি ৬০ লাখ গর্ভপাত হয়। এরমধ্যে ২ কোটি গর্ভপাত অনিরাপদ অবস্থায় ঘটে থাকে।
২০০৪ সালের ২৪ জুন, নিউইয়র্ক থেকে এনা: 'মাই লাইফ' গ্রন্থে বিল ক্লিনটন-বাংলাদেশ আমার হৃদয় ছুঁয়েছে। প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'মাই লাইফ' ২২ জুন বাজারে আসার সঙ্গে সঙ্গেই তা পাঠক সমাজে আলোড়ন তুলেছে। ক্লিনটন উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে গরীব এবং অধিক জনসংখ্যার দেশ।
২০০৪ সালের ৮ জুলাই, এপি/এএফপি/বিবিসি: বিশ্বে চার কোটি লোক এইডস আক্রান্ত: ব্যাংককে ১১-১৬ জুলাই এইডস প্রতিরোধ সম্মেলন। দু'বছর আগের পরিসংখ্যানের তুলনায় আক্রান্তের সংখ্যা অনেক কম।
২০০৪ সালের ৮ জুলাই, নিউইয়র্ক থেকে এনা: বিল ক্লিনটনের আলোড়ন সৃষ্টিকারী 'মাই লাইফ' গ্রন্থটি ইংরেজী থেকে মোট ২৫টি ভাষায় অনুদিত হচ্ছে। প্রকাশক সংস্থা আলফ্রেড এ নফের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট পোল বোগর্ডস বার্তা সংস্থা এনাকে ৬ জুলাই এ তথ্য জানিয়ে বলেছেন, বাংলা ভাষাতে অনুবাদের অনুমতি দেয়া হয়েছে ঢাকার একটি প্রকাশনা সংস্থাকে। স্মৃতিচারণী কোন গ্রন্থের এত চাহিদা এ বিশ্বে এটাই প্রথম বলেও মি. বোগর্ডস বলেছেন।
২০০৪ সালের ১৪ জুলাই, এএফপি, এপি: ২০১০ সাল নাগাদ এইডস আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা হবে ১ কোটি ৮০ লাখ।
৩০-০৮-২০০৪ সালে বিদেশী সংবাদ সংক্ষেপ-এএফপি: বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্যের অন্যতম চীনের প্রাচীরের অস্তিত্ব হুমকির সম্মুখীন। ২,৫০০(দুই হাজার পাঁচশত) কিলোমিটার দীর্ঘ এ প্রাচীরের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের পদক্ষেপ। ২০০৯ সালের ২৩ এপ্রিল, প্রথম আলো: চীনের মহাপ্রচীরের দৈর্ঘয কত? আট হাজার ৮৫০ কিলোমিটার।
২০০৪ সালের ২ অক্টোবর, ইনকিলাব পত্রিকার রিপোর্ট ইউকে নাদভী: বিশ্বের ৭৯টি দেশে স্বীকৃত রাষ্ট্রধর্ম রয়েছে।
২০০৪ সালের ৩ অক্টোবরের সংবাদ: চলতি সালে আমাদের দেশে প্রবীণ সংখ্যা ৯৮ লাখের উপরে। সারাবিশ্বে এ সংখ্যা (আনুমাণিক) ৭৩.২০ কোটির উপর। ২০০৪ সালের প্রতি মাসে ১০ লাখ মানুষ ৬০ বছর বয়সের চৌকাঠ পার হচ্ছে (২য় বিশ্ব প্রবীণ সম্মেলণ, ২০০২-এর রিপোর্ট)। আগামী ২০৫০ সালে যখন পৃথিবীর এবং আমাদের এ দেশের জনসংখ্যা দ্বিগুন হবে তখন সীমিত পরিসরে শুধু প্রবীণ নয়, সমগ্র জনসমষ্টি কিভাবে বাঁচবে তা অবশ্যই ভীষণ চিন্তার বিষয়।
২০০৪ সালের ২৬ অক্টোবর, ইনকিলাব ডেস্ক: যক্ষ্ণার আরো নিরাপদ নতুন ভ্যাকসিন আবিস্কার। বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ লোক যক্ষ্ণার জীবাণুতে আক্রান্ত। বিগত ৮০ বছর ধরে নানান পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাবার পর যক্ষ্ণার সবচেয়ে নিরাপদ প্রতিষেধকটির আবিস্কার প্রক্রিয়া এখন শেষ ধাপে।
২০০৪ সালের ২৮ অক্টোবর, বিবিসি অনলাইন: নিয়মিত চা পানের অভ্যাস স্মৃতিশক্তি বাড়াতে চমৎকার ভূমিকা রাখতে পারে বলে গবেষকরা জানিয়েছেন।
২০০৪ সালের ৩ নভেম্বর, ইনকিলাব পত্রিকার খবর: এ. বি. এম. সাইফুল ইসলামঃ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি-পুরুষ প্রজাতির ভবিষ্যত সংকট। অস্ট্রেলিয়ার জীন তত্ত্ববিশারদ প্রফেসর জেনি গ্রেফস বলেছেন-প্রায় ৩০(ত্রিশ) কোটি বছর আগে মানুষের ওয়াই ক্রোমোজোমে ১,৪৩৮টি জীন ছিল। কিন্তু এখন তা থেকে ১,৩৯৩টি জীন হারিয়ে গেছে। বাকী ৪৫টি জীন হারিয়ে গেলে পুরুষ মানুষ বিলুপ্ত হবে বলে প্রফেসর জেনি গ্রেফস মনে করেন। অর্থাৎ তখন ছেলে সন্তান জন্মগ্রহণের জন্য ওয়াই ক্রোমোজোমের সকল জীন হারিয়ে ওয়াই ক্রোমোজোম অকার্যকর হবে। পিসিআর টেকনিকের এক গবেষণায় দেখা গেছে মানুষের ৪৬টি(২৩ জোড়া) ক্রোমোজোমে প্রায় একলক্ষের কাছাকাছি জীন আছে। কিন্তু বিজ্ঞানী গ্রেফস সেই সাথে আশাবাদী শুেিনয় গেছেন। পুরুষ বিলপ্তির সেই সময় আসতে এখনও প্রায় ১(এক) কোটি বছর সময় লাগবে।
২০০৪ সালের ৩ নভেম্বর, মাহমুদ কাসেম: মালয়েশিয়ায় নির্মিত হবে ২৫০তলা বিশ্বের সর্বোচ্চ ভবন ও অষ্টম আশ্চর্য ৩ কৃত্রিম দ্বীপ।
২০০৪ সালের ৬ নভেম্বর, আরব নিউজ অনলাইন: রিয়াদে কিংডম টাওয়ারের প্রিন্স আব্দুল্লাহ মসজিদটি বিশ্বের সব্র্বোচ্চ মসজিদ। এটি সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে ১৮০ মিটার উঁচু।
২০০৪ সালের ১ ডিসেম্বর, ইন্টারনেট: দুবাইয়ে পৃথিবীর সেরা শপিং মল নির্মিত হচ্ছে। এ শপিং মলে ৯-হাজারেরও বেশী মোটর গাড়ী এখানে একই সাথে পার্কিং করার সুযোগ পাবে। শপিং মলটি আগামী ২০০৬ সালে খোলা হবে।
২০০৪ সালের ৫ ডিসেম্বর, রয়টার্স: ১৩৪ দেশে মৃত্যুদন্ড বিলোপঃ ৬২ দেশে বহাল রয়েছে। ১০ দেশে মৃত্যুদন্ড কার্যকরী হচ্ছে না।
২০০৪ সালের ৭ ডিসেম্বর, সংক্ষিপ্ত বিশ্ব সংবাদ: ১৭ কোটি শিশু অপুষ্টিতে ভুগছে এবং অন্তত ১২ কোটি শিশু কখনও স্কুলে যাওয়ার সুযোগ পায়নি।
২০০৪ সালের ৯ ডিসেম্বর, পিটিআই: বিশ্বে ১৪০ কোটি লোকের আয় ২ ডলারের কম। বিশ্বে কর্মজীবী মানুষের প্রায় অর্ধেক রোজ ২ ডলারের কম ও অপর ৫০ কোটি লোক এক ডলারের কম আয় করে। জাতিসংঘের অধীনে আন্তর্জািতক শ্রম সংস্থা (আইএলও)-এর পক্ষ থেকে এ কথা জানানো হয়। আইএলও প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়, বিশ্বে মোট-২৮০(দুইশত আশি) কোটি মানুষ কর্মজীবী। ১৪০(একশত চল্লিশ) কোটি লোক প্রতিদিন ২-ডলারের কম উপার্জন করে।
২০০৪ সালের ১০ ডিসেম্বর, স্টাফ রিপোর্টার: বিশ্ব শিশু রিপোর্ট-২০০৪ পেশ: ১৯২টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১৩০তম। ইউনিসেফ-এর রিপোর্ট অনুযায়ী বর্তমানে বিশ্বে শিশুর সংখ্যা-২২০ কোটি। এরমধ্যে ১৯০ কোটি বাস করছে উন্নয়নশীল দেশসমূহে। দারির্দেযর মধ্যে বাস করছে ১০০(একশ) কোটি শিশু যা প্রতি ২ জনের মধ্যে একজন। উন্নয়নশীল দেশসমূহে পর্যাপ্ত আশ্রয় ছাড়া বাস করছে ৬৪ কোটি শিশু যা প্রতি ৩ জনের মধ্যে একজন। প্রতি ৫ জনের মধ্যে একজন অর্থাৎ প্রায় ৪০ কোটি শিশু নিরাপদ পানি পায় না। স্বাস্থ্য সেবার সুযোগ বঞ্চিত শিশুর সংখ্যা ২৭ কোটি যা প্রতি ৭ জনে একজন। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার উপযোগী ১২ কোটি ১০ লাখের বেশী শিশু স্কুলের বাইরে রয়েছে।
২০০৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর, স্টাফ রিপোর্ট: ভারত, ইকুয়েডর, আর্জেিন্টনা, পেরু শীর্ষ রাজনৈতিক দুর্নীিতর দেশ। আর্জেিন্টনা, ইন্দোনেশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান ও ইউক্রেনের জনগণের মতে সংসদই হচ্ছে সবচেয়ে দুর্নীিতগ্রস্ত সংস্থা। তবে জনগণ সবচেয়ে বেশী দুর্নীিতর শিকার হন রাজনৈতিক দলের দ্বারা। পুলিশ ও বিচার বিভাগের স্থান হচ্ছে যথাক্রমে তৃতীয় ও চতুর্থ। অন্যান্য দুর্নীিতগ্রস্ত খাতগুলো হচ্ছে কর ও রাজস্ব, বেসরকারী খাত অর্থাৎ ব্যবসা, কাষ্টমস, গণমাধ্যম, মেডিকেল সার্ভিস, শিক্ষা, রেজিষ্ট্রি ও পারমিট সার্ভিেসস, ইউটিলিটিস, মিলিটারী, এনজিও এবং ধর্মীয় সংস্থা। বিশ্বের ৬২টি দেশের ওপর এ জনমত জরিপ পরিচালিত হয়। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশাল-টিআই পরিচালিত।
২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর, প্রথম আলো: ভারত মহাসাগরে সুনামি আঘাত হানার পর এশিয়ার ১৩টি দেশের দুই লাখ ২৬ হাজার মানুষ প্রাণ হারান।
২০০৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর, সালাহউদ্দিন বাবলু: ধানের উৎপাদন বাড়ছে না: খাদ্য নিরাপত্তায় অনিশ্চয়তা। বিদায় ধানবর্ষ। বাংলাদেশসহ বিশ্বজুরে ধান উৎপাদন বৃদ্ধিতে প্রচন্ড অনিশ্চয়তা নিয়ে জাতিসংঘ ঘোষিত আন্তর্জািতক ধানবর্ষ ২০০৪-এর বিদায় ঘটছে আজ। 'ধানই জীবন'-এ প্রতিপাদ্য বা মূল সুরকে সামনে রেখে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (ফাও) অনুরোধে ২০০২ সালের ১৬ ডিসেম্বর, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৫৭তম অধিবেশনে ২০০৪ সালকে আন্তর্জািতক ধানবর্ষ ঘোষণা করা হয়েছিল। খাদ্য হিসেবে ধানের ওপর বিশ্বের অর্ধেেকরও বেশী মানুষ নির্ভরশীল হওয়ার প্রেক্ষিতে এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির অনুপাতে বিশ্বব্যাপী ধান উৎপাদন আর তেমন বৃদ্ধি না পেয়ে বরং অনেকটা স্থবিরতা সৃষ্টি হওয়ায় জাতিসংঘ ২০০৪ সালকে আন্তর্জািতক ধানবর্ষ ঘোষণা করে। এর ৪০ বছর আগে ১৯৬৪ সালকেও জাতিসংঘ প্রথমবারের মতো আরেকবার ধানবর্ষ ঘোষণা করেছিল এবং তখনো জনসংখ্যার তুলনায় ধান উৎপাদন নিয়ে একই ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল। ধানের আদিভূমি এশিয়ার ১৩টি দেশ। অন্ততঃ ১৫ হাজার বছর আগে মানুষ যখন নদ-নদীর অববাহিকায় বসতি স্থাপন শুরু করে, তখন পূর্ব ও দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম ধান চাষ করা হয় এবং এক সময়ের বুনো ধান পরিণত হয় মানুষের ঘরোয়া ফসলে। পৃথিবীতে এক সময় ১ লাখ ৪০ হাজার জাতের ধান ছিল। এরমধ্যে বাংলাদেশেই ছিল ১৫ হাজারেরও বেশী জাতের ধান। বর্তমানে সর্বোচ্চ ১শ'টি জাতের ধান চাষ হচ্ছে। ২০০২ সালের ফাওয়ের হিসেব অনুযায়ী, ১৫ লাখ বর্গিকলোমিটার জমিতে ধান চাষ হয়। এরমধ্যে ১৩ লাখ বর্গিকলোমিটার জমি এশিয়ায়। ২০০২ সালের হিসেব-বিশ্বে ধান উৎপাদন হয় ৫৭ কোটি ৬০ লাখ টন এবং এরমধ্যে এশিযায় উৎপাদন হয় ৫২ কোটি ৩০ লাখ টন। বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশী ধান উৎপাদন হয় চীনে।
২০০৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর, রয়টার্স/বিবিসিঃ ভূকম্পনে পৃথিবী ১-ইঞ্চি কাত হয়ে গেছে।
২০০৪ সালে দৈনিক ৩৯ কোটি ৫০ লাখ পত্রিকা বিক্রি হয়েছে এবং পাঠক ছিল প্রায় ১০০ কোটি। ওয়াল্র্ড অ্যাসোসিয়েশন অব নিউ পেপারের(ডবিস্নউএএন)-এর ৫৮তম বার্ষিক কংগ্রেসে ৮১টি দেশ থেকে আসা প্রায় ১ হাজার ৩০০ প্রকাশক, সম্পাদক ও অন্যান্য উধ্র্বতন নির্বাহীর সামনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।
২০০৫ সালের ২ জানুয়ারি, এপি, এএফপি, রয়টার্স ও বিবিসি: সুনামিতে ৫০-লক্ষাধিক লোক হুমকির মুখে। ১১০ কোটি ডলারের বেশী সাহায্যের অঙ্গীকার।
২০০৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি, বিবিসি অনলাইন: দাঁত ব্রাশ হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
২০০৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি, ইনকিলাব ডেস্ক: ক্যান্সার থেকে বাঁচতে রোজ একটি গাজর।
২০০৫ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি, সবচেয়ে বেশী বয়সে মা হলেন আড্রিয়ানা ইলিয়েস্কু। অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক এবং শিশু সাহিত্যিক রোমানীয় আড্রিয়ানা। ৬৭ বছর বয়সে মা হলেন। এর আগে ইতালীয় এক মহিলা ৬২ বছর বয়সে মা হয়েছিলেন। তাছাড়া দু'বছর আগে ভারতীয় এক অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষিকা ৬৫ বছর বয়সে একপুত্র সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন।
২০০৫ সালের ১১ এপ্রিল, ইনকিলাব ডেস্ক: সৌরজগতের বাইরে ১৩২টি গ্রহ আবিস্কৃত। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা গত ১০ বছরে সৌরজগতের বাইরে ১৩০টির বেশী গ্রহ আবিস্কার করেছেন, গত সপ্তাহে তারা আরও দু'টি নতুন গ্রহ আবিস্কার নিয়ে দারুন উৎসাহী হয়ে উঠছেন।
২০০৫ সালের ২১ এপ্রিল, প্রথম আলোর রিপোর্ট: সেমিনারের অভিমত ধুমপানের ফলে বিশ্বে ৮ সেকেন্ডে একজন করে মারা যাচ্ছে। এভাবে বছরে ৪০ লাখ মানুষ ধুমপানের প্রভাবে মারা যায়।
২০০৫ সালের ২৮ এপ্রিল, বাসস: বিশ্বের বৃহত্তম বিমানের প্রথম সফল উড্ডয়ন। চার ইঞ্জিনবিশিষ্ট এ বিমান দু'তালা এবং ৮৪০ জন যাত্রী নিয়ে বিরতি ছাড়া ১৫ হাজার কিলোমিটার ৮ হাজার মাইল যেতে পারবে। আগামী ২০০৬ সালে বিমানটি বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চলাচল করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
২০০৫ সালের ১২ মে'র ইনকিলাব পত্রিকার রিপোর্ট: বিবিসি-বিশ্বে ১ কোটি ৩০ লাখ লোক বাধ্যতামূলক শ্রমের শিকার।
২০০৫ সালের ২ জুন, আশি বছরের দাম্পত্য-এএফপি: বিয়ের জুটি তৈরী হয় বেহেশতে। বিশ্বজুড়ে দারুণভাবে প্রচলিত একটি প্রবাদ এটি। সাধারণভাবে পাশ্চাত্যে বিয়েকে একটি ক্ষণস্থায়ী বন্ধন হিসেবে মনে করা হয় বলে প্রাচ্যে একটি মত প্রচলিত থাকলেও তা সম্ভবত ঠিক নয়। আর এ সত্যই প্রতিষ্ঠা করেছেন এক বৃটিশ দম্পতি গতকাল (বুধবার-০১-০৬-২০০৫ সালে) তাদের ৮০তম বিয়ে বার্ষিকী উদযাপনের মধ্য দিয়ে। এটিই হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী বিয়ে। আর এ দম্পতি তাদের এ সফল ও দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের মূলচালিকাশক্তি সম্পর্কে মনে কোন ধরনের তিক্ততা পুষে না রাখাকে। ১০৫ বছর বয়সী স্বামী অ্যারো স্মিথ ও বলেন, দীর্ঘ ৮০ বছরে তিনি নিয়মিত দু'টি শব্দ বলেছেন। আর এগুলো হচ্ছে, 'ইয়েস ডিয়ার'। অ্যারো স্মিত ও তার ১০০ বছর বয়সী স্ত্রী ফ্লোরেন্স ১৯২৫ সালের ১ জুন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। ইংল্যান্ডের বেশ কয়েকটি পত্রিকা গত বুধবার(০১-০৬-২০০৫) তাদের ব্যাপারে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। দাম্পত্য জীবন সম্পর্কে তারা বলেন, তারা কঠোর পরিশ্রম করেছেন এবং তর্ক শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘুমাতে যাননি। তাঁদের নাম ইতোমধ্যেই গিনিস বুক অব রেকর্ডেস তালিকাভূক্ত হয়েছে। এর আগে দীর্ঘ বিবাহিত জীবনের জন্য জাপানের এক দম্পতির নাম তালিকাভূক্ত করা হয়। তারা বিয়ে করেছিল ১৯২৬ সালে এবং ৭৮ বছর ২৯৬ দিন তাদের বিবাহিত জীবন স্থায়ী হয়।
২০০৫ সালের ৯ জুন, ইনকিলাব পত্রিকার হিসেব-২০০৪ সালে পৃথিবীর ৬৩৭.৫০ কোটি মানুষের মাথাপিছু (সামরিক ব্যয়) হিসাবে ১৬২ ডলার ব্যয় করা হয়। গত বছর বিশ্বের মোট সামরিক ব্যয় ছিল ১.০৩৫ ট্রিলিয়ন (১,০৩,৫০০) কোটি মার্কিন ডলার, যার সিংহভাগ অর্থাৎ অর্ধেেকরও বেশী যুক্তরাষ্ট্র খরচ করেছিল। সম্প্রতি স্টকহোমভিত্তিক আন্তর্জািতক শান্তি গবেষণা কেন্দ্র (আইপিআরআই) প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, অস্ত্রখাতে উদ্বেগজনক ব্যয় বৃদ্ধি।